You are here: Homeদেশtest

কার্তিক পাল:   মালদা ১২ই সেপ্টেম্বরঃ মালদা জেলার ক্রীড়ামহলে খুশির হাওয়া। পূর্বাঞ্চলীয় অ্যাথলেটিক প্রতিযোগিতায় মালদার তিন প্রতিযোগী সপ্তমী মণ্ডল,মামনি ঘোষ ও সেনারুল ইসলাম পদক জিতলেন। সপ্তমী মণ্ডল ৫০০০মিটার হাঁটা প্রতিযোগিতায় দ্বিতিয়, মামনি ঘোষ জেভলিন থ্রো তে তৃতীয় এবং সেনারুল ইসলাম দীর্ঘ লম্ফন প্রতিযোগিতায় তৃতীয় হয়েছেন। অসমের গুয়াহাটির ইন্দিরা গান্ধী স্টেডিয়ামে পূর্বাঞ্চলের ১২টি রাজ্য নিয়ে শেষ হয়ে গেল পূর্বা - See more at: http://liveaapnews.com/index.php/2013-10-15-10-13-15/2013-10-15-10-17-54/item/1324-%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9A%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A7%9F-%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A5%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A7%80-%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%95-%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%96-%E0%A6%89%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B2-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A5%A4#sthash.Ed9TdWbu.dpuf

test66666666666666666666

ডেস্ক : রাজ্য মন্ত্রিসভায় রদবদল ঘটালেন মুখ্যমন্ত্রী। ইন্দ্রনীল সেন এতদিন ছিলেন পর্যটন দফতরের দায়িত্বে। একইসঙ্গে তিনি পেলেন তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব। এতদিন ভূমি দফতরের প্রতিমন্ত্রী ছিলেনস্বপন সমাদ্দার। এবার সেই দায়িত্ব দেওয়া হল অসীমা পোদ্দারকে। একইসঙ্গে রয়ে গেল তাঁর কারিগরি শিক্ষা দফতরের দায়িত্ব। test

ফ্যাশন-সচেতন নারীর এক অনন্য অনুষঙ্গ কানের দুল। মানানসই কানের দুলজোড়া বেছে নেওয়ার জন্য অনেক দিকেই খেয়াল রাখতে হয়। পোশাকের ধরনের সঙ্গে মিল রেখে যেমন কানের দুল বেছে নেওয়া হয়, তেমনি মুখের আকৃতির দিকেও খেয়াল রাখা প্রয়োজন।

রূপবিশেষজ্ঞ আফরোজা পারভিন বলেন, ‘গয়না, পোশাক কিংবা সাজের মাধ্যমে কারও ব্যক্তিত্ব ফুটে ওঠে। বিভিন্ন মানুষের মুখের আকৃতি বিভিন্ন ধাঁচের হয়ে থাকে। সব ধরনের আকৃতির সঙ্গে সব ধরনের কানের দুল মানায় না। তাই নিজের মুখের আকৃতির দিকে খেয়াল রেখে কানের দুল বেছে নেওয়া ভালো।’

কনক দা জুয়েলারি প্যালেসের ডিজাইনার লায়লা খায়ের বললেন, গয়না বাছাইয়ের ক্ষেত্রে ব্যক্তিত্ব ও নিজস্ব পছন্দ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তবে কানের দুলের ক্ষেত্রে এরপরই চলে আসে মুখের আকৃতির বিষয়টি।

লম্বাটে মুখের জন্য

আফরোজা পারভিন বললেন, লম্বাটে মুখের জন্য বড়, গোলাকার দুল বেছে নেওয়া ভালো। এতে চেহারায় ভারসাম্য থাকবে। এ ক্ষেত্রে লম্বা ঝোলানো দুল মানানসই নয়।

তবে কেউ যদি ঝোলানো কানের দুল খুব বেশি পছন্দ করেন, সে ক্ষেত্রে চুল খোলা রেখে মাঝারি আকারের লম্বা দুল পরা যেতে পারে বলে ।

ডিম্বাকৃতির মুখে

আপনার মুখের আকৃতি কিছুটা ডিম্বাকৃতির হয়, তবে যেকোনো কানের দুলই নিশ্চিন্তে পরতে পারেন আপনি।

গোলাকার মুখের জন্য

গোলাকার মুখের জন্য লম্বাটে, বড় দুল বেশ মানানসই। গোল মুখের সঙ্গে গোলাকার দুল একেবারেই মানাবে না।

চৌকো, ত্রিকোনাকৃতি বা পানপাতার আকৃতির মুখের জন্য

এ ধরনের মুখের জন্য ছড়ানো, বড় কানের দুল বেছে নেওয়ার পরামর্শ দিলেন বিশেষজ্ঞরা। পাশা, মাকড়ি বা এ-জাতীয় বড় দুল বেশ মানাবে।

মুখ ও ঘাড়ের গঠনের আরও কিছু বিষয় খেয়াল রাখার পরামর্শ দিলেন আফরোজা পারভিন:

* কারও কারও চেহারায় একটা বাঙালিয়ানা আমেজ থাকে, তাঁদের মুখের গঠনটাই এই ধাঁচের। তাঁরা অনায়াসে মাদুলি ও বাঙালি ঘরানার গয়না পরতে পারেন। দেশজ ঐতিহ্যে তৈরি করা নানান রকম দুলে তাঁদের দারুণ মানাবে। মুক্তার দুলও এমন চেহারায় মানানসই।

* মুখের গড়নে খানিকটা পাশ্চাত্যের ধাঁচ থাকলে রিং পরতে পারেন। এ ক্ষেত্রে দেশীয় ঘরানার গয়নার পরিবর্তে আধুনিক প্যাটার্নের গয়না বেশি মানাবে।

* ঘাড়ের আকার যদি একটু ছোট হয়, তাহলে খুব বড় ঝোলানো দুল এড়িয়ে চলুন। কানের দুল যদি কাঁধ ছুঁয়ে থাকে, তবে তা দৃষ্টিকটু লাগবে।

চেহারার গড়ন আর নিজের পছন্দের ব্যাপারে পরামর্শ দিলেন লায়লা খায়ের—

* চোয়াল বড় আকারের হলে বড় দুল বেছে নিতে পারেন। তাহলে দুলজোড়া কান থেকে নেমে চোয়ালের পাশটাও একটু ঢেকে রাখবে। আবার মুখটা একটু ভাঙা হলেও এ ধরনের বড় দুল বেশ মানানসই।

* কেউ গয়নাকে প্রাধান্য দিয়ে চুল বাঁধেন, কেউ আবার মূল প্রাধান্য দেন চুলের সাজে। বিষয়টি আসলে নির্ভর করে নিজের পছন্দের ওপর। মুখের গড়ন সরু হলে বড়, ভারী দুল মানিয়ে যায় সহজেই। কিন্তু চওড়া ও বড় মুখের কারও যদি এ ধরনের বড় আকারের দুল ভীষণ পছন্দ হয়েই যায়, সে ক্ষেত্রে সাজ-পোশাকে খানিকটা পরিবর্তন আনতেই হবে। যেমন হালকা নকশার কালো শাড়ির সঙ্গে এমন গয়না মানাবে। আবার এ ক্ষেত্রে চুলের সাজটাও হালকা হতে হবে, চুলের হয়তো শুধু নিচের দিকটা সামান্য কোকড়া করে নিলেন। অর্থাৎ, যেকোনো একটিকে ফোকাস করে বাকিগুলোতে কিছুটা ছাড় দিলে সাজটা মানানসই হবে।

 

 

এপ্রিল থেকে কলকাতা পুর এলাকায় চালু হচ্ছে নতুন সম্পত্তি কর ব্যবস্থা। নতুন ব্যবস্থায় চালু হবে এলাকাভিত্তিক কর।

tata docomor plan dekhun

দেখুন ভিডিও

এতে এলাকার বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী করের হার ধার্য করা হবে। এই ব্যবস্থায় নাগরিকেরা নিজেরাই নিজেদের সম্পত্তি করের হিসাব কষতে পারবেন এবং সেই কর জমা দিতে পারবেন। কর আদায়ে ইনস্পেক্টররাজ শেষ করতেই নতুন কর ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ পুরসভার।

ওয়েব ডেস্ক: পারথে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তৃতীয় একদিনের ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া পাবে না, তাঁদের দুই নির্ভরযোগ্য ক্রিকেটার মিচেল স্টার্ক এবং মিচেল মার্শকে। কারণ, মিচেল স্টার্ককে এক ম্যাচের জন্য বিশ্রাম দিতে চান অস্ট্রেলিয়ার নির্বাচকরা। আর অলরাউন্ডার মিচেল মার্শের রয়েছে আবার কাঁধের চোট। তাই আজাহার আলির দলের বিরুদ্ধে দুই মিচেলকে পাচ্ছে না অস্ট্রেলিয়া দক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার ট্রেভর হন্স বলেছেন, 'মিচেল স্টার্ক শুধু পারথে তৃতীয় ম্যাচেই থাকছে না। চতূর্থ ম্যাচে সিডনিতে ওকে ফের দলে পাওয়া যাবে। গত ছ'মাস স্টার্কের উপর অনেক ধকল যাচ্ছে। টানা ক্রিকেট খেলে চলেছে সে। তাই ওকে একটু বিশ্রাম দেওয়ার দরকার ছিল। এই সূযোগে বাকিদেরও একটু দেখে নেওয়া যাবে।' এখন দেখার, মিচেল স্টার্ক এবং মিচেল মার্শকে ছাড়া পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ঠিক কেমন খেলে অস্ট্রেলিয়া।

ডেস্ক: সুইজারল্যান্ডে পাবলিক টয়েলেটে নীল আলোর ব্যবহার করা হয়। প্রথমে অনেকেই এর যুক্ত খুঁজে পাননি। কিন্তু যখন কারণটা সবাই বুঝতে পারল এবং ফলাফলের বিষয়টাও সামনাসামনি এল তখন অনেক দেশেই পাবলিক টয়লেট ও রেস্টরুমে লাগানো হল নীল আলোসুইজারল্যান্ড হল ট্যুরিস্টদের কাছে স্বপ্নের ডেস্টিনেশন। সারা বছর বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ আসেন সুইজারল্যান্ডে। সুইস সরকারের কাছে চিন্তার কথা হয়ে দাঁড়ান ড্রাগ ব্যবহারকারীরা। দেখা গিয়েছে ড্রাগ ব্যবহারকারীরা পাবলিক টয়লেট বা রেস্টরুমকেই বেছে নেন ড্রাগ ব্যবহারের জন্য। পাবলিক টয়েলেটে তাই হাল্কা নীল আলো লাগাল সুইস প্রশাসন। ক মাস পরে দেখা গেল পাবলিক টয়লেট বা রেস্টরুমে ড্রাগ ব্যবহার একবারে কমে গেল।

কারণ অন্য যে কোনও আলোর থেকে নীল আলোয়  শিরা দেখতে কষ্ট হয়। ইনজেকশনের মাধ্যমে ড্রাগস নিতে হলে শিরা দেখাটা বাধ্যতামূলক। তাই বাধ্য হয়েই ড্রাগ ব্যবহারকারীরা আর পাবলিক টয়লটে নেশা করা থেকে বিরত থাকলেন ।  তা ছাড়া পাবলিক রেস্টরুমে নীল আলো জ্বালিয়ে নাইটক্লাবের মত লুক আনার চেষ্টা করা হয়। আর তাই ইউরোপের বিভিন্ন দেশের পর বিশ্বজুড়ে পাবলিক টয়েলেটে নীল আলো লাগানো শুরু হয়েছে ।

বেশ কিছুদিন ধরেই বিষয়টা মনের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে। রোজ কত নতুন নতুন বাংলা ছবি মুক্তি পাচ্ছে। বলা হচ্ছে বাংলা ছবি আগের থেকে অনেক উন্নতি করেছে। ভালো ব্যবসা করছে। আগের তুলনায় অনেক বেশি সংখ্যক মানুষ এখন সিনেমা হলে গিয়ে বাংলা ছবি দেখছেন। ছবির মান কতটা বেড়েছে বা কমেছে তা নিয়ে আমার বিশেষ কিছু বক্তব্য নেই। তবে একটা জিনিস বেশ চোখে পড়েছে। বেশ ভালোরকম পরিবর্তন এসেছে বাংলা ছবির গানে।

 ঝাঁ চকচকে দৃশ্য। দারুণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। অভিনেতা-অভিনেত্রীর দারুণ সমস্ত পোশাক। সঙ্গে মন ভালো করে দেওয়া সুর। কিন্তু গানের কথা? সেখানে বাংলার বদলে হিন্দি কিংবা ইংরেজি শব্দের সংখ্যা অনেক অনেক বেশি। কিন্তু কেন হল এমনটা? কীভাবেই বা এত পরিবর্তন হল?

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নজরুল ইসলাম বাংলা ভাষায় হাজার-হাজার গান রচনা করেছেন। তাঁদের সেই রচনা আজও আমাদের মনে গেঁথে রয়েছে। আমরা চেষ্টা করলেও তাঁদের সেই সৃষ্টিকে ভুলতে পারব না। এটাই তাঁদের সৃষ্টির মহিমা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভাষার পরিবর্তন হয়েছে। ভাষা আধুনিকও হয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নজরুল ইসলামদের যুগে যে বাংলা ভাষায় মানুষ কথা বলতেন, এখন সেই চেনা বাংলা ভাষারই আমুল পরিবর্তন এসেছে। পরিবর্তন এসেছে আমাদের চিন্তাধারাতেও। ঠিক কতটা পরিবর্তন এসেছে আমাদের ভাষায় তা এখনকার সিনেমাগুলির গান শুনলেই তা উপলব্ধি করা সম্ভব।

এবার বলি কেন এ কথা বলছি। সিনেমা চিরকালই সমাজের চেহারাকে আমাদের সামনে তুলে ধরে। ছবির মাধ্যমে সমাজটাকে দেখায়। সেকালে যে সমস্ত বাংলা ছবি তৈরি হত, তাতেও গান থাকত। তবে সেই গানে থাকত আসল বাঙালিয়ানার ছোঁয়া। অথচ, তখনকার মানুষও হিন্দি কিংবা ইংরেজি ভাষায় কথা বলতেন। মহাপুরুষরা বিদেশে গিয়ে বক্তব্যও রাখতেন। তখন হয়তো গানে প্রচুর সরঞ্জাম ব্যবহার হত না, অথচ গানের সুর আর ভাষা আমাদের মনে গেঁথে থাকত। কিন্তু এখনকার দিনের বাংলা গানে বাংলা শব্দের সংখ্যাই হাতে গোনা। বরং তাতে হিন্দি বা ইংরেজি শব্দের প্রাধান্যই বেশি।

আমরা বরাবরই একটু বিদেশি প্রিয়। দেশের থেকে বিদেশকে বেশি প্রাধান্য দিই। বিদেশি জিনিস ব্যবহার করতে পছন্দ করি। বিদেশিদের মতো কথাবার্তা, হাবভাব, আচার আচরণ, সবই সারাক্ষণ নকল করে চলেছি। আজ আর আমরা কেউ পুরোপুরি এদেশীয় নই। এদেশীয় আর বিদেশির জগাখিচুরি। আজকাল আর কারও সঙ্গে দেখা হলে কেউ নমষ্কার বা প্রণাম বলেন না। বরং হাই, হ্যালো বা হোয়াটস-আপ বলতেই বেশি অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। আর এই সমাজেরই মানুষদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে বিশেষ করে নতুন প্রজন্মকে আকৃষ্ট করতে গানের কথায় এই সমস্ত শব্দের আধিক্য দেখা যায়। অর্থাত্‌, বাংলা গানে বাংলা ভাষা ক্রমশ লুপ্ত হতে চলেছে। আর সেখানে আধিপত্য বিস্তার করতে চলেছে বাংলা বাদে বাকি সমস্ত ভাষা।

সবশেষে বলা, বাংলা একটি অতি মধুর ভাষা। বাংলায় ভালোবাসি কিংবা কেমন আছো কিংবা যেকোনও সম্বোধনই বড় শ্রুতিমধুর। তাহলে কেনই বা অন্যদের থেকে ভাষা ধার করে বেবি, ডার্লিং, রোম্যান্স প্রভৃতি ব্যবহার করা। আপনাদের মনে হতে পারে, এই সমস্ত শব্দই তো আমরা এখন সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করি। তাহলে অসুবিধা কোথায়? সত্যি বলতে কি এই প্রশ্নের উত্তর আমাদের কাছে নেই। শুধু একবার ভেবে দেখুন তো, যখন হিন্দি কিংবা ইংরেজি গান শোনেন, সেখানে কি কোথাও বাংলা শব্দ খুঁজে পান? যদি না পান, তাহলে ভেবে দেখুন, তাঁরা যদি আমাদের ভাষা ব্যবহার না করে, তাহলে আমরাই বা আমাদের ভাষা থাকতে কেন অন্যদের ভাষা ব্যবহার করব?

ডেস্ক: সানবার্ন, ব্রন, অ্যাকনে প্রভৃতি আমাদের সৌন্দর্যে বাধা সৃষ্টি করে। কিন্তু অনেকের ক্ষেত্রে সৌন্দর্যে আরও বেশি বাধা সৃষ্টি করে মুখমণ্ডলের অবাঞ্ছিত রোম। প্রচুর মানুষ এই সমস্যায় ভোগেন। কীভাবে এই সমস্যা থেকে প্রতিকার পাবেন তা বুঝতে পারেন না। ওটমিল স্ক্রাব, চিনি এবং দই মিশ্রিত স্ক্রাব, লেবুর রস এবং মধু এই সমস্যা থেকে মুক্তিতে কিছুটা সাহায্য করে।

আপনিও যদি এমন সমস্যায় পড়ে থাকেন, তাহলে ISSAC-এর ডার্মাটোলজিস্ট এবং মেডিক্যাল ডিরেক্টর গীতিকা মিত্তাল গুপ্তার কাছ থেকে জেনে নিন কী করবেন-

 ১) লেবুর রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে মুখে ব্যবহার করলে তা মুখমণ্ডলের অবাঞ্ছিত রোম নির্মূল করতে সাহায্য করে। ৪ টেবিল চামচ মধু নিন। তার সঙ্গে ২ টেবিল চামচ লেবুর রস মেশান। এবার মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে ১০ মিনিট রাখুন। তারপর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২দিন এটি ব্যবহার করলে উপকার পাবেন।

২) মুসুর ডাল এবং আলু ভালো করে মিক্সিতে মিশিয়ে নিন। তারপর সেটি মুখে লাগান। ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।

৩) মধু এবং দই মিশিয়ে মুখে মাখলেও উপকার দেয়।

ফটো গ্যালারী

আপগ্রেড করুন

Contact Us

<iframe width="640" height="360" src="https://www.youtube.com/embed/jFfRBUxTuxQ" frameborder="0" allowfullscreen></iframe>

About Us

Live Aap is one of the renowned media group in print and web media. It has earned appreciation from various eminent media personalities and readers. liveaapnews of the best multi language news websites in India that provides full coverage of latest news and breaking news in India & all over the World.