কলকাতা

  • রাজ্যে কেমন চলছে পঞ্চম দফার ভোট ? কোথায় কিস্থিতি

    News Bazar24: পঞ্চম দফাতেও রাজ্যে কমিশনের বাহিনী দাওয়াই। সব বুথে মোতায়েন থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ৩ জেলার ৭ আসনে মোতায়েন থাকবে মোট ৫২৮ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। সব বুথে আধা সেনা। তবে এবারের নির্বাচনে বনগাঁ ও বারাকপুরের ওপর বিশেষ নজর রয়েছে কমিশনের। বারাকপুরের মোহনপুরে উত্তেজনা। অর্জুন সিংয়ের সঙ্গে হাতাহাতি তৃণমূল সমর্থকদের। থামাতে গেলে পুলিসের সঙ্গে ধস্তাধস্তি অর্জুনের। দত্তপুকুরের কাসেমপুরে বিজেপির ক্যাম্প অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। দলীয় কার্যালয়ের মধ্যে উদ্ধার গুলির খোল। শ্রীরামপুর লোকসভা কেন্দ্রের রঘুনাথপুর বালিকা বিদ্যালয় বুথের একটা পার্টে EVM খারাপ। ওই বুথে ভোটগ্রহণ এখনও শুরু হয়নি। তেঁতুলিয়া অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয় বুথ নম্বর ২০০-এ EVM খারাপ থাকায় এখন পর্যন্ত ভোট গ্রহণ শুরু হয়নি। বাইরে ভোটারদের লম্বা লাইন। দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকায় ক্ষুব্ধ ভোটাররা। মোহনপুরের ২৪১ নম্বর বুথে এক বিজেপি এজেন্টকে তুলে দেওয়া হয়েছে বলে খবর পান অর্জুন। সেই এজেন্টকে এনে বুথে ঢোকাতে গেলে উত্তজনার সৃষ্টি হয়। গৌরহাটি কমিউনিটি হলে ২৭ নং বুথে EVM খারাপ ভোট শুরু হয়নি। বৈদ্যবাটি ফান্ডামেন্ট্যাল এডুকেশানের ১২ ও ১৪ নং বুথে একই কারণে ভোট শুরু হয়নি। শ্রীরামপুরের চাঁপসরা প্রাথমিক স্কুলের ২১৬ ও ২১৭ পাশাপাশি দুটি বুথে মেশিন খারাপ। ভোট বন্ধ আছে। উত্তেজনা বনগাঁর গাইঘাটায়। গাইঘাটা থানার ফুলসরা পঞ্চায়েতের খড়ের মাঠ এলকায় তৃণমূল সমর্থকের বাড়িতে হামলার অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে। বাইক ভাঙচুর করে জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ।

  • রাজ্যের তিন জেলায় জেলায় কাল ভোট! জেনে নিন কি বলছে এই তিন জেলা

    News Bazar24: সোমবার দেশজুড়ে পঞ্চম দফার ভোটগ্রহণ। এই পর্বে রাজ্যের ৭ আসনে ভোটগ্রহণ হবে। রাজ্যের তিন জেলায় জেলায় ট ৭টি লোকসভা আসনে ভোটগ্রহণ হবে আগামিকাল। ৭ আসনেই চতুর্মুখী লড়াই হবে তৃণমূল, বিজেপি, কংগ্রেস ও বামফ্রন্টের মধ্যে। ৮৩ জন প্রার্থীর ভাগ্য ইভিএম বন্দি করবেন ১,১৬,৯১,৮৮৯ জন ভোটার। ভোটগ্রহণ হবে বনগাঁ, ব্যারাকপুর, হাওড়া, উলুবেড়িয়া, শ্রীরামপুর, হুগলি ও আরামবাগ কেন্দ্রে। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করতে প্রায় ১০০ শতাংশ বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে এবং এর জন্য মোট ৫৭৮ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এই দফায় প্রচারে নামেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়াও বেশ কয়েকটি রোড শোও করেন রাজ্যের শাসকদের নেত্রী।বলা বাহুল্য, আগামিকাল যে সাতটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে, তারমধ্যে অন্যতম উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্র। এখানে ঠাকুরবাড়ির দুই সদস্যের মধ্যে জোর টক্কর। তৃণমূল প্রার্থী তথা প্রয়াত বড়মার বউমা মমতাবালা ঠাকুর এবং বিজেপি প্রার্থী বড়মার নাতি শান্তনু ঠাকুরের জোর লড়াই। এই কেন্দ্রে বামেদের বাজি সিপিআইএমের অলোকেশ দাস,ও সৌরভ প্রসাদকে প্রার্থী করেছে কংগ্রেস।এদিকে শনিবার পথ দুর্ঘটনায় আহন হন বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুর। ২০১১ এ এবং ২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ব্যাপক জয়ের পিছনে বড় ভূমিকা নিয়েছিল এই ঠাকুরবাড়ি অর্থাৎ মতুয়া মহাসংঘের ভোট। রাজ্যে মোট ৩০ লক্ষ মতুয়া মহাসংঘের ভোটার রয়েছে। দুই ২৪ পরগনায় অন্তত পাঁচটি আসনে নির্ণায়ক হতে পারে মতুয়া মহাসংঘের ভোট। অপর দিকে ব্যারাকপুরে লড়াই প্রাক্তন ও বর্তমান তৃণমূল নেতার।এই আসনে তৃণমূল প্রার্থী তথা গতবারের প্রার্থী দিনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে ঘাসফুল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া অর্জুন সিং এর লড়াই। এখানে বামেদের ভরসা সিপিআইএমের গার্গি চট্টোপাধ্যায়। হাওড়া লোকসভা কেন্দ্রে আবারও জোড়াফুল ফোটাতে বর্তমান সাংসদ প্রাক্তন ফুটবলার প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপরেই আস্থা রেখেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো।এখানে বিজেপি প্রার্থী রন্তিদেব সেনগুপ্ত। শুভ্রা ঘোষকে প্রার্থী করেছে কংগ্রেস, সৌমিত্র অধিকারী এখানে সিপিআইএএমের প্রার্থী। উলুবেড়িয়া লোকসভা আসনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাজি সাজদা আহমেদ। বিজেপির জয় বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থী হয়েছেন এই কেন্দ্রে। সোমা রাণীশ্রী রায়কে প্রার্থী করেছে কংগ্রেস, বামেদের হয়ে লড়াইয়ের ময়দানে নেমেছেন সিপিআইএমের মকসুদা খাতুন। হুগলির শ্রীরামপুর আসনে প্রার্থী এবারেও প্রার্থী বদল করেন নি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আস্থা রেখেছেন গতবারের প্রার্থী তথা বর্তমান সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপরেই। তাঁকে আটকাতে বিজেপি প্রার্থী করেছে দেবজিৎ সরকারকে। দেবব্রত বিশ্বাসকে লড়াইয়ের ময়দানে নামিয়েছে কংগ্রেস। বামেদের ভরসা সিপিআইএমের তীর্থঙ্কর রায়। ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি প্রার্থীকে নিগ্রহের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে তৃণমূলের প্রার্থী বদল হয়নি হুগলি লোকসভা আসনেও। এখানেও গতবারের প্রার্থী রত্না দে নাগকেই প্রার্থী করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী করেছে অভিনেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়কে। সিপিআইএমের প্রদীপ সাহা প্রার্থী হয়েছেন এই কেন্দ্রে, কংগ্রেসের প্রার্থী প্রতুলচন্দ্র সাহা। গতবারের তৃণমূল সাংসদ অপরূপা পোদ্দার এবারেও প্রার্থী হয়েছে আরামবাগ লোকসভা আসনে। তপনকুমার রায়কে প্রার্থী করেছে বিজেপ। সিপিআইএমের শক্তিমোহন মালিক এবং জ্যোতিকুমারী দাস কংগ্রেস প্রার্থী হয়েছেন আরামবাগ লোকসভা আসনে। সাধারণ নির্বাচনী পর্যবেক্ষ ছাড়াও থাকবে এক্সপেনডিচার পর্যবেক্ষক। ব্যায় সংক্রান্ত পর্যবেক্ষক। এছাড়াও এই প্রথমবার একজন পুলিশ পর্যবেক্ষক এবং একজন বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে এবারের লোকসভা নির্বাচনে। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ইভিএমের সঙ্গে এবার থাকবে ভিভিপ্যাট মেশিন। তবে যে যাই বলুক না কেন রাজ্যে এই পঞ্চম দফার ভোট নিয়ে নির্বাচন কমিশন যথেষ্ট চিন্তিত, কারন পুরো দেশ কাল দেখে নেবে তাদের হোম ওয়ার্ক।

  • পঞ্চম দফার ভোটে রাজ্যের ৭টি আসনে ১০০ শতাংশ বুথেই থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী

    Newsbazar, 24 ডেস্ক, ৪মেঃ আগামী ৬ মে সোমবার পঞ্চম দফার ভোটে রাজ্যের ৭টি  আসনে ভোটগ্রহণ। আজ শেষ হল ভোটের প্রচার।  ফণীর কারণে শেষ দুদিনে ভোটপ্রচার কিছুটা ব্যাহত হয় । প্রচারের শেষ দিন শনিবার দুর্ঘটনায় আহত হন বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুর। সোমবার ভোটগ্রহণ হবে বনগাঁ, ব্যারাকপুর, হাওড়া, উলুবেড়িয়া, শ্রীরামপুর, হুগলি এবং আরামবাগ লোকসভা আসনে। নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো  হয়েছে , ভোটগ্রহণ অবাধ এব শান্তিপূর্ণ করে তুলতে প্রায় ১০০ শতাংশ বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে। মোট ৫৭৮ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে রাজ্যে পঞ্চম দফার ভোটে। সোমবার যে  আসনগুলিতে ভোট হবে সেগুলি  উত্তর ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি এবং নদিয়ার বিভিন্ন এলাকা জুড়ে। সমস্ত আসনেই  লড়াই হবে  চতুর্মুখী। তৃণমূল, বিজেপি বামফ্রন্ট (সিপিআইএম) এবং কংগ্রেসের মধ্যে।  পঞ্চম দফায়  রাজ্যে প্রচারে আসেন  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বেশ কয়েকটি রোড শোও করেন তিনি। বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রটি ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত অবস্থিত। এই কেন্দ্রের একটি বড় অংশের ভোটার মতুয়া মহাসংঘের সদস্য। সেই মতুয়া ঠাকুরবাড়ির দুই সদস্যের লড়াই এই আসনে। তৃণমূলের প্রার্থী মমতাবালা ঠাকুরের সঙ্গে লড়াই ঠাকুরবাড়ির সদস্য তথা বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুরের। এই কেন্দ্রে বামেদের  প্রার্থী  অলোকেশ দাস, সৌরভ প্রসাদকে প্রার্থী করেছে কংগ্রেস।  মোট ৫টি কেন্দ্রে মতুয়া সম্প্রদায়ের  ভোট রয়েছে, যাঁদের প্রভাব পড়ে এই আসনগুলিতে। বড়মা বীণাপাণিদেবীর বড় নাতি শান্তনু ঠাকুর, অন্যদিকে মমতাবালা ঠাকুর বড়মার বউমা। ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রে লড়াই প্রাক্তন ও বর্তমান তৃণমূল নেতার।এখানে তৃণমূলের গতবারের প্রার্থী তথা বর্তমান সাংসদ দিনেশ ত্রিবেদী, গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী হয়েছেন ঘাসফুল ছেড়ে পদ্ম শিবিরে যোগ দেওয়া অর্জুন সিং। মহম্মদ আলমেক প্রার্থী করেছে কংগ্রেস, বামেদের ভরসা গার্গি চট্টোপাধ্যায়। হাওড়া লোকসভা আসনে ফুটবলার প্রসুন বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর এবারেও ভরসা রেখেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখানে বিজেপি প্রার্থী রন্তিদেব সেনগুপ্ত।কংগ্রেস প্রার্থী শুভ্রা ঘোষ, সিপিআইএম প্রার্থী হয়েছেন সৌমিত্র অধিকারী। উলুবেড়িয়া  লোকসভা আসনে এবারও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রার্থী সাজদা আহমেদ, পদ্ম শিবিরের  জয় বন্দ্যোপাধ্যায়। এই কেন্দ্রে কংগ্রেস প্রার্থী সোমা রাণীশ্রী রায়, সিপিআইএমের প্রার্থী মকসুদা খাতুন। শ্রীরামপুর লোকসভা আসনে ঘাসফুলের হেভিওয়েট প্রার্থী তৃনমূলের বিশিষ্ট আইনজীবী  কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় । এখানে বিজেপি প্রার্থী দেবজিৎ সরকার। দেবব্রত বিশ্বাসকে প্রার্থী করেছে কংগ্রেস, বামেদের সিপিআইএমের তীর্থঙ্কর রায়। হুগলি লোকসভা কেন্দ্রে রত্না দে নাগকে এবারেও তৃণমূল প্রার্থী ।তাঁর বিরুদ্ধে বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়। সিপিআইএম প্রার্থী করেছে প্রদীপ সাহাকে। এই কেন্দ্রে কংগ্রেসের প্রার্থী প্রতুল সাহা। আরামবাগ লোকসভা আসনে তৃণমূলের তরফে এবার কোনও বদল করা হয়নি। তৃণমূলনেত্রী ভরসা রেখেছেন গতবারের প্রার্থী তথা বর্তমান সাংসদ অপরূপা পোদ্দারের ওপরেই। বিজেপি প্রার্থী করেছে তপনকুমার রায়কে। এই কেন্দ্রে বামেদের তরফে প্রার্থী করা হয়েছে সিপিআইএমের শক্তিমোহন মালিককে, কংগ্রেস প্রার্থী করেছে জ্যোতি কুমারী দাসকে। আগামীকাল ভোটকর্মীরা রওনা  দেবেন সাতটি  কেন্দ্রের ১৩,২৯০টি বুথে। নির্বাচন কমিশনের তরফে সাধারণ নির্বাচনী পর্যবেক্ষক ছাড়াও থাকবেন একজন বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষ।  পাশাপাশি এই প্রথমবার ভিভিপ্যাট মেশিনের ব্যবস্থা থাকছে বলেও জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।  

  • 'ফণী'র জন্য নির্বাচনী প্রচার বাতিল করে রাজ্যবাসীকে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার আবেদন মমতার

    Newsbazar 24 ডেস্ক,৩ মেঃ  সুপার সাইক্লোন ফণীর দাপটে ওড়িশা জুড়ে  চলছে তান্ডব, ব্যাপক ঝড় ও তার সাথে বৃষ্টি । এদিন নির্ধারিত সময়ের আগেই চলে ওড়িশার চিলকা হ্রদে প্রায়  ২০০ কিমি বেগে আছড়ে পড়েছে এই ঝড়। এদিকে, ঝড় ওড়িশাকে লণ্ডভণ্ড করে আজ গভীর রাতে বাংলায় ঢুকতে চলেছে বলে খবর।   রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফণীর জেরে নির্বাচনী প্রচার আপাতত বন্ধ রেখেছেন।  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘাটাল ও চন্দ্রকোণায় নিজের নির্বাচনী সভা বাতিল করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, আগামী ৪৮ ঘন্টা তিনি  কোনওরকম রাজনৈতিক প্রচার করবে না। তাঁর দলও সমস্তরকম প্রচার থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী নিজে খড়গপুরে আছেন। সেখান থেকেই গোটা রাজ্যের পরিস্থিতি নজর রাখছেন। সংবাদ মাধ্যমের মাধ্যমে রাজ্যবাসীর কাছে তার  অনুরোধ, আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকুন। রাজ্য প্রশাসন আপনাদের পাশে রয়েছে। সমস্ত রকম পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে ব্যবস্থা নিয়ে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘যারা কাঁচা বাড়িতে থাকেন তাঁরা অবিলম্বে রাজ্য সরকারের যে সমস্ত সাইক্লোন সেল্টার আছে সেখানে চলে আসুন বা অন্য কোনও নিরাপদ জায়গায় চলে যান।' মুখ্যমন্ত্রী শান্ত থাকার পাশাপাশি, বিদ্যুতের খুঁটি থেকে সকলকে দূরে থাকার আবেদন জানিয়েছেন। তিনি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎাকারে আরও  জানিয়েছেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে সকলকে একযোগে মিলে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি রাজ্যবাসী যেন ফণী নিয়ে সতর্ক হয়ে সুস্থ থাকেন তার কামনাও করেছেন  মুখ্যমন্ত্রী।  

  • ফনির তাণ্ডবে উল্টে গেল বাস, ভাঙল সুবিশাল ক্রেন

    newsbazar24: ফনির তাণ্ডবে উল্টে গেল বাস, ভাঙল সুবিশাল ক্রেন ,পুরীতে ঝড়ের গতিবেগ গিয়ে দাঁড়ায় ১৪৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। তাণ্ডবে লুটিয়ে পড়ল BSNL টাওয়ার, গড়াগড়ি খেল বাস, ভাঙল সুবিশাল ক্রেন । ফণির তাণ্ডবে লন্ডভন্ড ওডিশা। সকালে হানা দিল ঘূর্ণিঝড়। আর কয়েক ঘণ্টায় তার গ্রাসে চলে গেল গোটা এলাকা। তোলপাড় ভূবনেশ্বর, বালাসোর, ভদ্রক-সহ রাজ্যের একাধিক এলাকা। ঘূর্ণিঝড়ের তান্ডবের একাধিক ভিডিয়ো ছড়িয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। কোথাও ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে ভেঙে পড়েছে বিএসএনএল-র টাওয়ার। কোথাও আবার উড়ে গেল বাড়ির ছাদে অস্থায়ী ছাউনি। ভূবনেশ্বর হোস্টেলের ছাদের কংক্রিটের ছাউনি উড়ে গিয়েছে ঝড়ে। পুরীতে ঝড় ও বৃষ্টির চোটে চারপাশে ঘন অন্ধকার। চারপাশে ছড়িয়েছিটিয়ে পড়েছে জিনিসপত্র। কোথাও আবার উল্টে গিয়েছে বাস। এক জায়গায় আবার মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে সুবিশাল ক্রেন। প্রতি ঘণ্টায় ১৪৫ কিলোমিটার গতিতে পুরীতে হানা দেয় ঝড়। ধীরে ধীরে তা কমে আসে। জলে ডুবে গিয়েছে বহু জায়গা। বহু গাছ উপড়ে পড়েছে রাস্তায়। ভেঙে পড়েছে মাটির বহু বাড়ি। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ইতিমধ্যে ১১ লাখ মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

  • ফনির প্রভাব কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু বৃষ্টি

    newsbazar24:  ফনির প্রভাব কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু বৃষ্টি, আজ সকাল ১০টা নাগাদ কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি শুরু হয়। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুসারে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ক্রমশ বাড়বে। াশুক্রবার সকাল ৮টার কিছু পরে চিলিকা হ্রদের পশ্চিমপাড়ে ভূভাগে আঘাত হানে ফণি। তার কিছুক্ষণ পরই কলকাতায় শুরু হয় বৃষ্টি। বৃষ্টির খবর মিলেছে হাওড়া ও শহর লাগোয়া উত্তর ২৪ পরগনা থেকেও।  আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুসারে আজ বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হবে কলকাতা ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে। শনিবার সকাল থেকে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে কলকাতায়। শনিবার বেলা ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রবল বৃষ্টি হবে কলকাতা-সহ  লাগোয়া জেলাগুলিতে। শনিবার রাতে কমবে বৃষ্টির পরিমাণ। রবিবার পরিস্থিতির উন্নতি হবে। ফনির প্রভাবে পশ্চিম মেদিনীপুরে বইতে শুরু হয়েছে  ঝোড়ো হাওয়া সঙ্গে হালকা বৃষ্টি। আজ সন্ধ্যা থেকে ২ মেদিনীপুরে বৃষ্টিপাতের পরিমান বাড়বে। গোটা রাত নাগাড়ে বৃষ্টি হবে ২ জেলায়। সঙ্গে বইবে ঝোড়ো হাওয়া।

  • নির্বাচন কমিশনের নজরদারীকে তোয়াক্কা না করে সারা দিন ধরে ফোনে ফোনে ভোট পরিচালনা করলো অনুব্রত

    Newsbazar,24 ডেস্ক, ২৯ এপ্রিলঃ নির্বাচন কমিশনের নজরদারীকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে স্ব মহিমায় বীরভূমের কেষ্ট তথা  তৃনমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল।  সংবাদমাধ্যমের বিভিন্ন চ্যানেলে তাকে দেখা গিয়েছে ফোনে কথা বলতে। যদিও তার ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। নজরদারী চালাবার জন্য  নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে একজন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটকে নিয়োগ করা হয়েছিল তার সাথে ছিল রাজ্য পুলিশের  ১ জন আধিকারিক ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর এক জওয়ান। কিন্তু ফূটেজে দেখা গেছে তারা বাইরে দাঁড়িয়ে আছেন আর ভিতরে অনুব্রত  ফোনে যথারীতি তার দলীয় কর্মীদের নির্দেশ দিচ্ছেন। সুত্রের খবর এদিন সকালে  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফোন  আসে অনুব্রত মণ্ডলের কাছে। জানা যায়   তিনি অনুব্রতকে কে মাথা ঠাণ্ডা রাখার পারমর্শ দেন । তবে সকাল থেকেই  বীরভূমের বোলপুর, দুবরাজপুর, নানুর, সদাইপুর একের পর এক হিংসার খবর আসতে শুরু করে। দুবরাজপুরে গণ্ডগোলের  খবর অনুব্রতের কাছে আসতেই,  রীতিমত হুমকির মেজাজে  অনুব্রত মণ্ডল  ফোনে নির্দেশ দেন , ওদের ছেলেদের বাহিনী ঠিক রাখতে বল, আমার কাছেও গুলি আছে' এছাড়াও  অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে প্রিসাইডিং অইফিসারকে হুমকি দেওয়ার। ফোনেই তিনি এমন হুমকি দিয়েছেন । তাঁকে তাড়াতাড়ি হাত চালিয়ে ভোট করার নির্দেশ দেন তিনি। এদিন গোটা বীরভূমের একাধিক হিংসার ঘটনার ছবি সংবাদমাধ্যমে উঠে এলেও অনুব্রত মণ্ডল দাবি করেন ভোট শান্তিপূর্ণ হয়েছে। শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় বাহিনীকে পক্ষপাতদুষ্ট বলে দাবি করেছেন অনুব্রত।          

  • রাজ্যে চতুর্থ দফার ভোট কি পঞ্চায়েত নির্বাচনের স্মৃতি উসকে দিচ্ছে?

    কার্ত্তিক পাল, ২৯ এপ্রিলঃ নির্বাচন কমিশনের নজরদারীতে চতুর্থ দফার ভোট চলছে ভারতবর্ষের বিভিন্ন জায়গায়। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া ভারতের অন্যান্য প্রান্তে ভোট হচ্ছে  শান্তিতে।  কোথাও কোনও অভিযোগ নেই। দলে দলে মানুষ  ভোট দিয়ে গণতন্ত্রের উৎসবে মেতে উঠেছেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যত জায়গায় ভোট হচ্ছে, সব জায়গায় কমবেশি একই চিত্র।  গ্রীষ্মের প্রখর দাবদাহ কিছু  কিছু জায়গায় ভোটদানে বাধা সৃষ্টি করছে। তা সত্বেও  এক কথায় বলা  যায় সব জায়গায় শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ চলছে।  একমাত্র ব্যাতিক্রম আমাদের এই রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ। এখানে ভোট দিতে যাওয়ার অর্থ প্রান হাতে করে যাওয়া । ভোট দিয়ে সুস্থ অবস্থায় বাড়ী ফিরে আসবেন কিনা একমাত্র ঈশ্বরই বলতে পারেন । চতুর্থ দফায় এদিন রাজ্যের ৮টি লোকসভা কেন্দ্রে ভোট চলছে। বিভিন্ন চ্যানেলে সকাল থেকেই ভোটদান শুরু থেকেই নানা জায়গায় অশান্তির ছবি। বিশেষ করে প্রত্যন্ত গ্রামীন এলাকায়  বেশি করে সন্ত্রাসের চিত্র ধরা পড়েছে। বেশিরভাগ অভিযোগই  শাসক দলের বিরুদ্ধেই , তবে কিছু কিছু জায়গায় বিরোধীরাও পাল্টা জবাব দিচ্ছেন এবং কোথায় কোথায়ও মারমুখী হয়ে  উঠেছেন। বর্ধমান ,বীরভূম, বহরমপুর, আসানসোল, দুর্গাপুর,  সব জায়গায় কম বেশি একই ছবি ধরা পড়েছে। অবাধ, শান্তিপূর্ণ ভোট কোনও জায়গায়   হচ্ছে কি? কোথাও  অবাধে ছাপ্পাভোট , কোথাও বুথ দখল, কোথাও প্রিসাইডিং অফিসারকে সরিয়ে  বুথের ভিতরে ঢুকে  ভোট ঠিক জায়গায় পড়ছে কিনা তা দেখা , কোথাও পোলিং এজেন্টকে মেরে বুথ থেকে বের করে দেওয়া  আবার কোথায়ও বা  পোলিং এজেন্টকে  বাড়িতেই  আটকে রাখা, কোথাও কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিতে ভোট বয়কট - এই সব ধরনের অরাজকতার চিত্রই সংবাদমাধ্যমের কল্যাণে সামনে উঠে এসেছে। এমনকি সাংবাদিকরা খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হচ্ছেন। এই সমস্ত অভিযোগ বেশীরভাগটাই শাসকদলের বিরুদ্বে।    কোথাও নিরাপত্তা বাহিনী ও রাজ্য পুলিশ অতি সক্রিয় হয়ে লাঠিচার্জ করেছে,  আবার যেখানে নিরাপত্তা বাহিনী নেই সেখানে  বুথের  ভিতরে ঢুকে  অবাধে ছাপ্পা দেওয়ার অভিযোগ উঠছে। স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠছে পশ্চিমবঙ্গ-এ এই  অবস্থায়  কীভাবে সঠিক ও অবাধ নির্বাচন  হওয়া সম্ভব? যদিও  নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোট শান্তিপূর্ণ। পশ্চিমবঙ্গ-এ এইভাবে, ক্ষমতা দখলের লড়াই আর কত নিরীহ মানুষের প্রান নেবে এবং আরও কত রক্তাক্ত হবে ?  রাজ্যে চতুর্থ দফার ভোটে পঞ্চায়েত নির্বাচনের সেই চিত্র কি সামনে আসছে? এই প্রশ্ন কিন্তু থেকেই গেল ।

  • অবশেষে ভোটকর্মীদের দাবি মেনে অনুব্রত মণ্ডলকে নজরবন্দি করল নির্বাচন কমিশন

    Newsbazar 24, ডেস্ক,২৮ এপ্রিলঃ অবশেষে ভোটকর্মীদের দাবি মেনে  অনুব্রত মণ্ডলকে নজরবন্দি করার সিদ্বান্ত নিল  নির্বাচন কমিশন। জানা গেছে যে একজন  একজন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটকে নিয়োগ করা হয়েছে  অনুব্রত মণ্ডলের বাড়িতে। এ ছাড়াও থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী যারা তার উপর  নজরদারি চালাবেন । প্রতি মুহুর্তের ছবি ভিডিওগ্রাফি করা হচ্ছে। ভোট শুরুর প্রায় ১২ ঘন্টা আগে কমিশনের তরফে জানানো হয়, সোমবার সকাল ছটা থেকে ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত অনুব্রত মণ্ডলের গতিবিধির ওপর সম্পূর্ণ নজরদারি চালাবে কমিশন। গতিবিধির ভিডিওগ্রাফি করা হবে। বীরভূম জেলার এক নির্বাচনী আধিকারিকের নেতৃত্বে  কমিটি নজরদারির কাজ করবে বলে জানা গিয়েছে। তিনি ফোনে কার সঙ্গে কথা বলছেন, সেটাও জানানোর নির্দেশ  দিয়েছে কমিশন। প্রতিবারই   ভোটের দিন সকাল থেকেই দলীয় কার্যালয়ে বসেন বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মন্ডল। সেখান থেকেই ফোনে অন্য নেতাদের নির্দেশ দেন। ভোট চলাকালীন সারাদিন সেখানেই থাকেন তিনি। গত বিধানসভা ভোটেও নজরবন্দি ছিলেন অনুব্রত। কিন্তু ফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ছিল না। তাই বাড়ি বসেই ভোট পরিচালনা করেছিলেন। সেই বার সফল হয়নি কমিশনের উদ্দেশ্য। গতবারের মতো একই ভুলের পুনরাবৃত্তি  এবার করতে চায়নি কমিশন। বীরভুমে ভোট শুরু হওয়ার বারো ঘন্টা আগে অনুব্রতকে নজরবন্দি করার কথা তারা ঘোষণা করল। মোবাইল ব্যবহারেও জারি করা হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। নির্বাচন কমিশনের কড়া নজরদারি চলবে তার ওপর। নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করার পাশাপাশি তার বাড়ির সামনে আজ সন্ধ্যা থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করেছে।  অনুব্রত মণ্ডল জানিয়েছেন, নজরবন্দিতে কিছু যায় আসে না।  গত ২০১৬-র বিধানসভা ভোটের সময়েও  আমাকে  নজরবন্দি করা হয়েছিল কিন্তু কিছুই করতে পারেনি।  

  • রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রের ৩টি বুথে পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ দিলো নির্বাচন কমিশন

    Newsbazar24 ,ডেস্ক, ২৭ এপ্রিলঃ নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গের উত্তরদিনাজপুরের রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত তিনটি  বুথে পুনর্নির্বাচনের আদেশ দিল ।  আগামী ২৯ শে এপ্রিল এই বুথগুলিতে পুনরায় ভোট নেওয়া হবে। দ্বিতীয় দফায় এই বুথগুলিতে  নির্বাচন হয়েছিল। দ্বিতীয় দফায় ৮০ শতাংশ বুথে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী। ইসলামপুরে  সাংবাদিক নিগ্রহের অভিযোগ ছিল, বর্তমান সাংসদ মহঃ সেলিমের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছিল ১৮ এপ্রিলের ওই নির্বাচনে। যেসব বুথে পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সেই বুথগুলি হল, ১) ইসলামপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ১৯ নম্বর ধোলোগাছ এসএসকে বুথ ২) ইসলামপুর বিধানসভা কেন্দ্রেরই ৩৭ নম্বর পাটাগোরা বালিকা বিদ্যালয়ের বুথ ৩) গোয়ালপোখর বিধানসভা কেন্দ্রের ১৯১ নম্বর লোহাগাছি আদি বাসিপদা বুথ। এই বুথগুলিতে ভোট হবে আগামী ২৯ শে এপ্রিল। ১৮ এপ্রিল রায়গঞ্জে সাংবাদিক নিগ্রহ করা হয়েছিল। এই কেন্দ্রের গোয়ালপোখরে ভোটদানে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ৩১ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করেছিলেন গ্রামবাসীরা। ইসলামপুরের পাটাগোড়ায় ভোট পরিদর্শনে যাওয়া সিপিএম প্রার্থী মহঃ সেলিমের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছিল।