কলকাতা

  • বসন্ত উৎসবে মেতে উঠল শান্তিনিকেতন

    ডেস্কঃ (I.D).০১ মার্চ ২০১৮ঃ- বসন্ত উৎসবে যোগ দিতে দেশ বিদেশের পর্যটকরা বুধবার থেকেই ভিড় জমিয়েছে শান্তিনিকেতনে।এদিন থেকেই কার্যত দোল উৎসব শুরু হয়ে গিয়েছে বিশ্বভারতীতে। বিভিন্ন ভবনের ছাত্রছাত্রীরা রঙিন আবির মেখে বসন্ত উৎসবে মেতে ওঠে। উৎসব উপলক্ষে বিপুল সংখ্যক পর্যটক সমাগমের জেরে বিশ্বভারতীর নিজস্ব গেস্ট হাউস তো বটেই, বেসরকারি হোটেলগুলিতেও তিল ধারণের স্থান নেই। বৃহস্পতি ও শুক্রবার দোল ও হোলির পর শনি ও রবি পড়ে যাওয়ায় টানা চারদিনের ছুটি উপভোগ করতে অনেকেই বুধবার থেকেই ভিড় জমিয়েছে শান্তিনিকেতনে। এই সুযোগে হোটেলের রুম বুকিংয়ে কালোবাজারি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নির্দিষ্ট ভাড়ার চেয়ে বেশি টাকায় রুম নিতে বাধ্য হচ্ছেন পর্যটকরা। এদিকে, পর্যটকদের সবরকমের নিরাপত্তার প্রস্তুতি শেষ করেছে পুলিস প্রশাসনও। বসন্ত উৎসবে এবারও পলাশফুল নিধনে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। পাশপাশি শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের ড্রেস কোড মেনে চলতে হবে। যেমন ছেলেদের সাদা অথবা বাসন্তী রংয়ের পাঞ্জাবি ও ধুতি এবং মেয়েদের বাসন্তী রংয়ের শাড়ি পরতে হবে। জল রং ব্যবহার করা যাবে না। তেমনি কেউ প্ল্যাস্টিকে করে আবির আনলে সেই প্ল্যাস্টিক কোথাও ফেলা যাবে না। তা সঙ্গে করে ফেরত নিয়ে যেতে হবে। ওরে গৃহবাসী, খোল দ্বার খোল, লাগলো যে দোল... গান গাইতে গাইতে হাজার হাজার ছাত্রছাত্রীর আশ্রম চত্বর পরিক্রমা দেখতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত তো বটেই, বিশ্বের বহু দেশের মানুষ অপেক্ষা করে থাকেন। প্রতিবারই লক্ষ লক্ষ পর্যটক ভিড় জমান এই উৎসবে। এবারও যে তার ব্যতিক্রম ঘটছে না বুধবারই শহরে তার আভাস পাওয়া গেল। এদিন থেকে শান্তিনিকেতন চলে গিয়েছে পর্যটকদের দখলে। বহু পর্যটক আগে থেকেই বাড়ি ভাড়া নিয়েছেন। তারপরও অনেকে থাকার ব্যবস্থা না করতে পেরে হতাশ।  এবছর দোল একটু আগে হওয়ায় বসন্তে পলাশের আগমণ খুব বেশি না হলেও মানুষ কিন্তু দোলে মেতে উঠলেন এদিন থেকেই। বিশ্বভারতীর বিভিন্ন ভবনে ছাত্রছাত্রীরা নিজেদের মধ্যে আবির খেলায় মেতে উঠেছেন। বিভিন্ন রাস্তায় রঙিন আবির মাখা কচি কাঁচাদেরও নজরে পড়েছে। যা দেখে বিদেশি পর্যটকরা উৎফুল্ল। এদিন সঙ্গীত ভবনের ছাত্রছাত্রীরা সোনাঝুরিতে গিয়ে দোল খেলায় মেতে উঠেছেন। শান্তিনিকেতন চত্বরে ভেষজ আবিরের চাহিদাও তুঙ্গে।  বসন্ত উৎসব উপলক্ষে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা হয়েছে শান্তিনিকেতনে। প্রায় ১৭টি চেক গেট করা হচ্ছে। এছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় পার্কিংয়ের ব্যবস্থা থাকছে। বোলপুরের অতিরিক্ত পুলিস সুপার অম্লানকুসুম ঘোষ বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য সব রকম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। 

  • মেয়র শোভনের নিরাপত্তা কমিয়ে অরূপ বিশ্বাস ও ফিরহাদ হাকিমের নিরাপত্তা বাড়ানো হল।

     ডেস্ক, ২৮ ফেব্রুয়ারি : নিরাপত্তা কমিয়ে দেওয়া হল  কলকাতার মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ের। এতদিন তিনি জেড প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পেতেন। তা কমিয়ে জেড ক্যাটাগরি করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। এদিকে, কলকাতা পুলিশ সূত্রে খবর, অরূপ বিশ্বাস ও ফিরহাদ হাকিমের নিরাপত্তা  ওয়াই  ক্যাটাগরি থেকে বাড়িয়ে জেড ক্যাটাগরি করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর পর জেড প্লাস  ক্যাটাগরির নিরাপত্তা  এতদিন শোভনও এই নিরাপত্তা পেতেন। আজ দুপুর থেকেই নাকি তাঁর নিরাপত্তা কমিয়ে দেওয়া হয় বলে খবর। এপ্রসঙ্গে শোভন বলেন, “পুলিশ ফোর্স বেড়েছিল। আজ হঠাৎ দেখছি তারা আর নেই। কেন জানি না। নিরাপত্তার প্রশ্নে যদি কিছু হয়ে থাকে যারা নিরাপত্তার দায়িত্ব নেওয়ার তারা বুঝবে। কেন এসেছিল তারাই বলতে পারবে। কেন উঠে  গেল তারাই বলতে পারবে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর বান্ধবীর বিরুদ্ধে প্রাণনাশের হুমকি ও বাড়িতে অনুপ্রবেশের চেষ্টার অভিযোগ তুলেছেন মেয়র। এরইমধ্যে মেয়রের নিরাপত্তা কমে যাওয়ার বিষয়টিও যথেষ্ট ইঙ্গিতবাহী বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। আর এতেই জল্পনা বাড়ছে।

  • প্রাক্তন সাংসদ তথা সিপিআই এর রাজ্য সম্পাদক প্রবোধ পান্ডা প্রয়াত

    ডেস্ক, ২৭ ফেব্রুয়ারি : পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন সাংসদ তথা সিপিআই এর  রাজ্য সম্পাদক প্রবোধ পান্ডা প্রয়াত হলেন। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে  তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। কলকাতায় দলের রাজ্য সদর দপ্তরে থাকতেন প্রবোধবাবু। দলের সূত্রে জানা গেছে , ভোর সাড়ে পাঁচটা নাগাদ পার্টি অফিসে প্রবোধবাবু সংজ্ঞাহীন হয়ে যান। খবর দেওয়া হয় চিকিৎসককে। চিকিৎসক এসে পরীক্ষার পর প্রবোধবাবুকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ১৯৪৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি পূর্ব মেদিনীপুরে জন্ম প্রবোধ পান্ডার। বাবা দেবেন্দ্রনাথ পান্ডা ও মা নীরদাবালা পান্ডা। ২০০১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত পশ্চিম মেদিনীপুরের মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ ছিলেন।  তবে ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী সন্ধ্যা রায়ের কাছে পরাজিত হন। প্রবোধবাবুর বাড়ি মেদিনীপুর শহরে। রয়েছেন তাঁর স্ত্রী ও এক ছেলে। সিপিআই সূত্রে জানানো হয়েছে , আজ তোপসিয়ার পিস ওয়ার্ল্ডে প্রবোধ পান্ডার মৃতদেহ রাখা হবে। কাল সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে ১২টা পর্যন্ত দেহ রাখা থাকবে ভূপেশ ভবনে। সেখানে তাঁকে শ্রদ্ধা জানাবেন দলীয় নেতা-কর্মীরা। সেখান থেকে দেহ নিয়ে যাওয়া হবে মেদিনীপুরের বাড়িতে।  

  • রাজ্য বিধানসভায় শাসক বিরোধী সবাই একজোট বার্ন স্ট্যান্ডার্ডএর পুনরজ্জীবন ঘটাতে

    ডেস্ক, ২৭ ফেব্রুয়ারি : রাজ্য বিধানসভায় শাসক ও সমস্ত বিরোধী দল এক হলেন  বার্ন স্ট্যান্ডার্ডকে বাচাতে । সংস্থার পুনরজ্জীবন ঘটাতে কেন্দ্রীয় সরকারকে চিঠি পাঠানোর সিদ্বান্ত নেওয়া হল।  রাজ্যের দাবি, রেল বরাত দিলেই বেঁচে যাবে বার্ন স্ট্যান্ডার্ড। সহমত পোষণ করেছে বিরোধীরাও। এমনকী, রাজ্যের শিল্পের  উন্নয়নের স্বার্থে BJP-ও রাজ্য সরকারের পাশে আছে বলে জানিয়ে দেন দিলীপ ঘোষ। এর আগে  শাসক দল রাজ্য বিধানসভায় বার্ন স্ট্যান্ডার্ড নিয়ে  প্রস্তাব এনেছিলেন। বাম ও কংগ্রেসের দাবি ছিল, এটা আরও সংশোধন করে  শুধু বার্ন স্ট্যান্ডার্ড নয়, সহায়ক শিল্পগুলোকেও বাঁচানোর কথা রাখতে  হবে। বিরোধীদের প্রস্তাব মেনে নেয় সরকার। আজ বিধানসভায় বার্ন স্ট্যান্ডার্ড ইস্যু আলোচনা শুরু হয়। আলোচনা শুরুর আগে বিজেপির  বিধায়ক দিলীপ ঘোষের সঙ্গে একান্তে আলোচনা করেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “বার্ন স্ট্যান্ডার্ড পুনরজ্জীবনের স্বার্থে আমরা কেন্দ্রকে চিঠি পাঠাচ্ছি। আপনি সমর্থন করবেন তো ?” প্রত্যুত্তরে দিলীপবাবু বলেন, “ আগে প্রস্তাব  পড়ে নিই। তারপর হাউজ়ে  যা বলার বলব।”   এরপর বিধানসভায় শুরু হয় আলোচনা। কংগ্রেস, CPI(M) রাজ্যের প্রস্তাব মেনে নেয়। কিন্তু, দিলীপবাবু বলেন, “পুনরজ্জীবনের বিরোধিতা করছি না। যে ভাষায় প্রস্তাব আনা  হয়েছে তার বিরোধিতা করছি।   কংগ্রেস সরকার ভোটের সময় লাভ-লোকসান না দেখে একের পর এক শিল্প তৈরি গেছে। কারোর পাপের সাজা তো আমরা ভোগ করতে পারব না। তৃণমূলকে বলছি, কংগ্রেসের ফাঁদে পা দেবেন না। তাহলে আরও ডুবে যাবেন। কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে থাকুন। আলোচনা করুন।” এর উত্তরে পার্থবাবু বলেন, “সবাই এক হয়ে কেন্দ্রের কাছে চিঠি পাঠাচ্ছি। আপনি কেন বিরোধিতা করছেন ? রাতারাতি কলকাতাকে অ্যামেরিকা বানানো যাবে না। কিছু সমস্যা তো থাকবে। সেগুলি নিয়ে এগোতে হবে। আমাদের একটাই প্রশ্ন, যে সংস্থা লাভে চলছে তাকে কেন বন্ধ করা হবে ?” এরপর রাজ্যের প্রস্তাবের সঙ্গে সহমত পোষণ করেন দিলীপবাবুও। কিন্তু, তিনি ফের একবার বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকারের বিরোধিতা উচিত হয়নি।” বিধানসভায় আলোচনা শেষে সাংবাদিক বৈঠকে  দিলীপবাবু  বলেন, “প্রস্তাবনায় কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনা, অবিচারের কথা বলা হয়েছে। শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, বাংলার বাইরেও একাধিক সংস্থা আছে যেগুলি না চালানোর সিদ্ধান্ত নিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। কারণ, নিয়মিতভাবে সেখানে ভর্তুকি দিয়ে চালানো সম্ভব নয়। আজ সিপিএম, কংগ্রেস সব থেকে বেশি চেঁচিয়েছে। কারণ, এই সংস্থাগুলির রুগ্ন হয়ে যাওয়া, ক্ষতিতে  চলার সমস্ত দায় তাদের। ইতিহাস আছে বলে কোনও সংস্থা চলবে এর মানে নেই। কেন্দ্রে ৬০ বছর ধরে  কংগ্রেস লুট করেছে। রাজ্যে ৩৪ বছর ধরে বামেরা লুট করেছে। তার পাপের ভাগ আমাদের কেন বইতে হবে। আমি নিজেও পূর্বতন রেলমন্ত্রী, বর্তমান রেলমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। বলেছি, বার্ন স্ট্যান্ডার্ড লাভের  মুখ দেখেছে। আপনারা কাজের বরাত দিন। যাতে তারা ব্যবসা করে খেতে পারে। ঋণ আছে অনেকটাই। তবে, ওদের কাছে প্রচুর জমি পড়ে আছে। সেই জমি বিক্রি করে ঋণ শোধ করে দেবে। সরকারের কাছ থেকে টাকা নেবে না। কেবল বরাত চাই। রাজ্য সরকারেরও উচিত  বাস্তব পরিস্থিতি বোঝানো। বিধানসভায় বিপ্লব না করে, কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে তথ্য সহ বোঝানোর দরকার আছে। রাজ্যের স্বার্থে সর্বদলীয় প্রস্তাব নিয়ে আসতে পারে। কিন্তু, কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে কেন বৈঠক করতে পারে না ? শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় সরকারের বিরোধিতা করা যেন রাজ্যের কাজ না হয়। রাজ্যের স্বার্থেই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলা উচিত। তবে, একটা কথা বলতে চাই, রাজ্যে শিল্পের স্বার্থে আমরা সবসময় সরকারের পাশে আছি। এটাও মাথায় রাখা উচিত, শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় সরকারের বিরোধিতা করা যেন রাজ্যের কাজ না হয়।”      

  • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের অনুষ্ঠান একুশের সকালে

    ডেস্ক ঃ২১ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ঃ-গোটা বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ১৯৫২ সালের ভাষাআন্দোলনের পাঁচ শহিদকে স্মরণে গর্বিত দুই বাংলার বাঙালিও। বুধবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশে নানা অনুষ্ঠানে স্মরণ করা হচ্ছে ভাষা শহিদদের। সঙ্গে মুখে মুখে ফিরছে, আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো ২১ ফেব্রুয়ারি,এদিন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রধান অনুষ্ঠানটি হয় ঢাকা জাতীয় শহিদ মিনারে। স্মারকে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মহম্মদ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওয়াজেদ। বিশিষ্টজনেদের শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদনের পর শহিদ মিনার চত্বর সাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই ফুলে ফুলে ভরে ওঠে শহিদ মিনার। বাংলাদেশের নানা প্রান্তে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে স্মরণ করা হচ্ছে ভাষা শহিদদের। ভাষা শহিদদের স্মরণে বাংলাদেশে অর্ধনমিত রাখা হয়েছে জাতীয় পতাকা।  কলকাতা-সহ রাজ্যজুড়ে পালিত হচ্ছে নানা অনুষ্ঠান। সকালে ময়দান চত্বরে ভাষা শহিদ স্মারকে অনুষ্ঠানে যোগদান করে নানা সংগঠন। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয় আসানসোলেও। সেখানে কোর্ট মোড় থেকে রবীন্দ্রভবন পর্যন্ত প্রভাতফেরিতে অংশ নেন সাধারণ মানুষের সঙ্গে বহু বিশিষ্টজনও।

  • ইস্তফা দিলেন ভারতী ঘোষ ঃ আজই তাঁর ইস্তফাপত্র গ্রহণ করা হতে পারে।

    ডেস্ক ঃ যদি কোনও আইপিএস অফিসার তাঁর পদ থেকে অব্যাহতি পেতে চান, তাঁকে তা দেওয়া উচিত। রাজ্য পুলিসের ডিজি সুরজিত্ কর পুরকায়স্থের কাছে ইস্তফাপত্র জমা দিয়েছেন এই আইপিএস অফিসার। তবে তাঁর ইস্তফাপত্র এখনও গৃহীত হয়নি। সম্প্রতি পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিস সুপার পদ থেকে তাঁকে বারাকপুরের তৃতীয় ব্যাটেলিয়নে বদলি করা হয়। সূত্রের খবর, তাতেই চরম অপমানিত বোধ করেছেন ভারতী ঘোষ। তার জেরেই এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে। জানা যাচ্ছে, আজই তাঁর ইস্তফাপত্র গ্রহণ করা হতে পারে। রাজ্য সরকারের একাংশের মত, যদি কোনও আইপিএস অফিসার তাঁর পদ থেকে অব্যাহতি পেতে চান, তাঁকে তা দেওয়া উচিত। প্রসঙ্গত, গত ৬ বছরে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল ভারতী ঘোষের। কিন্তু সম্প্রতি তাঁদের সম্পর্কের অবনতি হয়। বেশ কয়েকবার মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তাঁকে ধমকও খেতে হয়। কয়েক মাস আগে পশ্চিম মেদিনীপুর সফরে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, সেসময়ও ভারতী ঘোষের কাজে অসন্তোষ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাছাড়াও ধীরে ধীরে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক নালিশ জমা পড়তে থাকে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। কিন্তু ঠিক কোন কারণে তাঁদের সম্পর্কের অবনতি হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।