কলকাতা

  • পশ্চিম বঙ্গে পদ্মের বাড়বাড়ন্ত ! কি বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ?

    News Bazar24: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টুইট করে অভিনন্দন জানান, তিনি বলেন, সব দল থেকেই যারা জিতেছেন তাঁদের অভিনন্দন জানাই। আমাদের ফলাফল কী হল তা আমরা খতিয়ে দেখব। মুখ্যমন্ত্রী বলেন গণনা প্রক্রিয়া এখনও বাকি আছে। ইভিএমের (Electronic Voting Machine) সঙ্গে ভিভিপ্যাট মিলিয়ে দেখার কাজও বাকি আছে। সেটা হয়ে গেলে ফল নিয়ে আলোচনা করতে হবে। বলার অপেক্ষা রাখে না এই ফল তৃণমূলকে চাপে ফেলবে।একটাই কথা বলবো, কেও অশান্তি করবেন না। অশান্তি করতে দেবেন না। এমতাবস্থায় রাজ্যে ক্ষমতায় টিকে থাকতে তৃণমূল সুপ্রিমো কী করেন সেটাই দেখার।

  • রাজ্যের একাংশে সেনাবাহিনী নিয়োগের দাবী নিয়ে রাজ্যপালের সাথে সাক্ষাৎ বিজেপি প্রতিনিধি দলের

    Newsbazar ডেস্ক , ২১ মেঃ মঙ্গলবার রাজ্যপাল কেএন ত্রিপাঠীর সঙ্গে দেখা করে রাজ্যের লোকসভা নির্বাচনের পর হিংসা নিয়ে অভিযোগ দায়ের করল বিজেপির একটি প্রতিনিধি দল। পাশাপাশি তাঁরা  ভাটপাড়ার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ভাটপাড়ায় সেনা নিয়োগের দাবিও তুলল। রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে ওই দলটি রাজভবনে এসে দেখা করে রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠীর সঙ্গে। প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে ভোট পর্ব মিটতেই রাজ্য জুড়ে যে হিংসা শুরু হয়েছে সে ব্যাপারে অবিলম্বে পদক্ষেপ করতে বলা হয়, রাজ্যপালকে।  দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘যেভাবে তৃণমূ‌ল তাদের গুন্ডাদের দিয়ে  বাংলায় নৈরাজ্য তৈরি করতে চায়। এভাবে চললে কেন্দ্র দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে হস্তক্ষেপ করবে। প্রয়োজন পড়লে ভাটপাড়ার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে সেনা  ডাকা হোক। পুলিশ তৃণমূ‌লের ক্যাডারের মতো আচরণ করছে।''  রাজভবন থেকে বেরিয়ে তিনি বলেন,  রাজ্যপাল ধৈর্য সহকারে পুরো বিষয়টি শুনেছেন ও কথা দিয়েছেন তিনি বিষয়টি দেখবেন।   কেবল ভাটপাড়াই নয়, তৃণমূ‌ল উত্তরবঙ্গেরও কিছু অংশে হিংসা ছড়িয়েছে আমাদের বিরুদ্ধে।  ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিজেপি নেতা অর্জুন সিংহ। তিনিও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আর্মি নিয়োগ করার দাবি তুলেছেন। তৃণমূ‌লের  উত্তর ২৪ পরগনার জেলা সভাপতি এবং মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক অবশ্য ওই অভিযোগকে  উড়িয়ে হিংসা ছড়ানো ও তৃণমূল‌ কর্মীদের মারধরের অভিযোগ তুলেছেন গেরুয়া দলের বিরুদ্ধেই।  পুলিশ সূত্রে জানা যায় , উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ায় উপ নির্বাচনকে ঘিরে তৈরি অশান্তির পরিবেশ তৈরি হওয়ার পরে নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে সোমবার সেখানে নিষেধাজ্ঞামূলক নির্দেশ জারি করা হয়।  মঙ্গলবারও ভাটপাড়ায় তৃণমূ‌ল ও বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষ বজায় ছিল। নিষেধাজ্ঞাকে অমান্য করে এদিনও সেখানে অশান্তি হয়।  এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি একটি বোমা ছুড়ে মারেন কাঁকিনাড়া স্টেশনের গায়ে। যদিও কেউ জখম হননি বলে জানিয়েছেন এক পুলিশ আধিকারিক।  জানা যায়, প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অর্জুন সিংহ, যাঁর ভাটপাড়ায় একাধিপত্য রয়েছে তিনি বর্তমানে বিজেপিতে যোগদান করেছেন। তারই ফলস্বরূপ রবিবার উপ নির্বাচন শেষ হওয়ার আগেই ভাটপাড়া কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। কাঁকিনাড়ায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন বিজেপি ও তৃণমূ‌ল কর্মীরা।  কাঁকিনাড়ায় শাসক দল তৃণমূ‌লের অফিসেও বোমা নিক্ষেপের কথাও জানা গিয়েছে। এর ফলে সেখানে আগুনও লেগে যায়। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, ওই হিংসাত্মক ঘটনায় ১৪ জন আহত হয়েছেন, বহু দোকান ও বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ও তৃণমূলের ভাটপাড়া উপ নির্বাচনের প্রার্থী মদন মিত্রের গাড়িও ভাঙচুর করা হয়েছে।  

  • সপ্তম দফার ভোট মিটে গেলেও, মিটছে না রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা

    newsbazar24: সপ্তম দফার ভোট মিটে গেলেও, মিটছে না রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা ,সোমবার সকালে উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। বোমাবাজিরও অভিযোগ উঠেছে। রবিবার রাত থেকে দফায় দফায় বিজেপি-তৃণমূলের কর্মীরা সংঘর্ষে রক্তাক্ত হয়েছেন দমদম, কলকাতা, হাবড়া, মথুরাপুর, জয়নগরেও। ভাটপাড়ায় হিংসার ঘটনায় প্রতিবাদে এ দিন কাঁকিনাড়া স্টেশনের কাছে প্রায় দু’ঘণ্টা রেল অবরোধের জেরে নাকাল হন নিত্যযাত্রীরা।বাংলায় হিংসার ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা। পীযূস গোয়েল ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়ে হিংসার বিষয়ে অভিযোগ জানিয়েছেন। পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘ভোট পরবর্তী হিংসায় রক্তাক্ত হচ্ছে বাংলা। হিংসার ঘটনা বাড়ছে। পশ্চিমবঙ্গে ইভিএমের স্ট্রং রুম নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে অনুরোধ করেছি। নির্বাচন কমিশনের আদর্শ আচরণবিধি যতদিন থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারিও যেন থাকে।’’রবিবার ভোটের দিন উত্তর ২৪ পরগনার মছলন্দপুর ২ পঞ্চায়েতের সালকিয়া বুথে যাওয়ার সময় তৃণমূল সমর্থক দুই মহিলার উদ্দেশে কটূক্তি করার অভিযোগ ওঠে বিজেপির বিরুদ্ধে। এই ঘটনার প্রতিবাদ করায় তৃণমূলের সঙ্গে বচসা শুরু হয় বিজেপি কর্মীদের। ঘটনার সূত্রপাত সেখান থেকেই। সেই ঘটনার রেশ ছিল সোমবারও। এ দিন সালকিয়ায় তৃণমূলের স্থানীয় নেতা রঞ্জিত পাল বৈঠক ডেকেছিলেন। সেখানে হাজির হন তৃণমূল সমর্থকেরা। ওই বৈঠক থেকে ফেরার পথে বিজেপি নেতা দিলীপ বালার নেতৃত্বে তৃণমূল কর্মীদের উপর হমলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। ভাঙচুর করা হয় বেশ কয়েকটি বাইক। খবর পেয়ে হাবড়া ১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অজিত সাহা ঘটনাস্থলের দিকে রওনা হন। ফুলতলা মোড়ে তাঁর গাড়ি আটকে তাণ্ডব চালায় বিজেপি সমর্থকেরা। গাড়ি ভাঙচুর করে হেনস্থা করা হয় সভাপতিকে। এই ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা রয়েছে।রবিবার রাতে দমদমে এক বিজেপি কর্মীর বৃদ্ধ বাবাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভোট মিটতেই, তৃণমূল সমর্থকেরা চড়াও হন ওই কর্মীর বাড়িতে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ দমদম পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পালপাড়ায় উত্তেজনা ছড়ায়। স্থানীয় সূত্রে খবর, এলাকায় বিজেপি কর্মী হিসেবে পরিচিত বাপ্পা দাস। অভিযোগ, ভোট মিটটেই রাতে তাঁদের বাপ্পার বাড়িতে চড়াও হন কয়েক জন যুবক। বাপ্পাকে না পেয়ে তাঁর বাবা বিমল দাসকে বেধড়ক মারধর করা হয়। আর জি কর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বিমলবাবুকে।মানিকতলা থানা এলাকার বেঙ্গল কেমিক্যাল এলাকায় একটি ক্লাবে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ, রবিবার ভোটারদের আটকায় তৃণমূলের একটি গোষ্ঠী। অন্য গোষ্ঠী তাঁদের বুথে নিয়ে গিয়েছিল। এই ঘটনার জেরে এ দিন দু’পক্ষের মধ্যে বচসা বাধে। স্থানীয় একটি ক্লাব ভাঙচুর করেন তৃণমূল কর্মীরা। এই ঘটনায় মন্ত্রী সাধন পাণ্ডের হুঁশিয়ারি, ‘‘কড়া হাতে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা হচ্ছে। আইন অনুযায়ী পুলিশ পদক্ষেপ করবে।’’রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে হিংসার ঘটনায় বিজেপিকে দুষে চিঠি দেন ভাটপাড়া উপনির্বাচনের প্রার্থী মদন মিত্র। নির্বাচনের দিন গোলমালের ঘটনায় তাঁর অভিযোগের আঙুল বিজেপির দিকে।মথুরাপুর বিধানসভা এলাকায় দুই বিজেপি কর্মীর বাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। আক্রান্ত হয়েছেন চন্দন মণ্ডল, নান্টু বেরা। জয়নগরের গোসাবাতে আক্রান্ত হয়েছেন তিন বিজেপি কর্মী। এ ছাড়া বারুইপুর-সহ বেশ কিছু এলাকায় অশান্তি তৈরি হয়। দুই দলের বচসা গড়ায় হাতাহাতিতে, চলে মারধরও।রবিবার উপ নির্বাচনে রাজনৈতিক হিংসায় রক্তাক্ত হয়েছে ভাটপাড়া। তার রেশ এখনও রয়েছে এলাকায়। এ দিন সকালে রেল অবরোধের পর আর্য সমাজ রোডে দুষ্কৃতীরা বোমাবাজি করেছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। এই ঘটনায় আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দারা।শুরুটা হয়েছিল কাঁকিনাড়া স্টেশনে রেল অবরোধ দিয়ে। সোমবার সকালেই অফিস টাইমে ভুগতে হয় শিয়ালদহ-কৃষ্ণনগর মেন লাইনের যাত্রীদের। অবরোধে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে ছিলেন বিজেপি কর্মীরাও। অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেফতার করতে হবে বলে দাবি জানিয়েছেন বিজেপি সমর্থকেরা। জগদ্দলেও চলে বিক্ষোভ।

  • ইট বৃষ্টিতে আক্রান্ত উত্তর কলকাতার বিজেপি পার্থী রাহুল সিনহা, কারণ, ছাপ্পা ভোটের প্রতিবাদ করা

    News Bazar24; বিক্ষোভের মুখে পড়ে গেলেন কলকাতা উত্তরের বিজেপি প্রার্থী রাহুল সিনহা। তাঁকে ঘিরে প্রবল বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন ভোটদাতারা। শুধু তাই নয় ইটের ঘায়ে মাথা ফেটে যায় এক সাংবাদিক ও ২ বিজেপি কর্মীরা। এদিন তিলজলার বিআর আম্বদকর স্কুলের একটি বুথে যান রাহুল। তখনই তাঁকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন ভোটদাতারা। তাঁর উদ্দেশ্যে গো ব্যাক স্লোগান দেয় জনতা। রাহুল সিনহা বলেন, আমাকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয়েছে। আমাকেই টার্গেট করা হয়েছিল। কেন এই পাথর বৃষ্টি? রাহুল বলেন, বি আর আম্বদকর স্কুলের ৮৯ বুথে ছাপ্পা ভোট দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছিল। আমার কাছে খবর ছিল। সেই সময়ে আমি ওখানে পৌঁংছে গিয়েছিলাম। এতে ওদের সমস্যা হয়ে যায়। তাই ওরা এসব করেছে। ওই স্কুল থেকে বেরিয়ে আসার সময়ে দেখি গেটের পাশে বেশকিছু তৃণমূল সমর্থক জড়ো হয়েছে। হঠাত্ ওরা পাথর ছুড়তে শুরু করে।

  • রাজ্যে শেষ দফার ভোটে হেভিওয়েট প্রার্থীরা ,একনজরে রাজ্যের নয় কেন্দ্রের চিত্র

    ডেস্ক, ১৮ মেঃ আগামীকাল রবিবার লোকসভা নির্বাচন-২০১৯  সপ্তম ও শেষ দফার ভোটগ্রহণ রাজ্যের ৯টি লোকসভা আসনে। শেষ দফায় ভোটগ্রহণ হবে উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতা, দমদম, বারাসাত, বসিরহাট, যাদবপুর., ডায়মন্ডহারবার, জয়নগর, এবং মথুরাপুর লোকসভা কেন্দ্রে। মোট ১১১ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারিত হবে এই সাত কেন্দ্রে। যাদবপুর ছাড়া বাকি আসনগুলিতে চতুর্মুখী  লড়াই হবে তৃণমূল, কংগ্রেস, বাম ও বিজেপির মধ্যে। যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রে প্রার্থী দেয় নি কংগ্রেস। আসুন এক নজরে দেখে নেই ৯ কেন্দ্রের পরিস্থিতি। ডায়মন্ডহারবার লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের  ভাইপো তথা গতবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় । বিজেপির  প্রার্থী  নীলাঞ্জন রায়। এখানে বামেদের প্রার্থী সিপিআই এমের ফুয়াদ হালিম। সৌম্য  আইচ রায়কে প্রার্থী করেছে কংগ্রেস।মোট বুথের সংখ্যা ১৯১২ পুরুষ ভোটার ৮ লক্ষ ৮৩ হাজার ৭৫৯ মহিলা ভোটার ৮ লক্ষ ২৮ হাজার ৭৯২ তৃতীয় লিঙ্গ ৬১ মোট ভোটার ১৭ লক্ষ ১২ হাজার ৬১২। যাদবপুর  কেন্দ্রে ঘাসফুলের প্রার্থী  অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। তাঁর বিরুদ্ধে পদ্মফুলের প্রার্থী গতবার বোলপুর কেন্দ্রে থেকে তৃণমূলের টিকিটে জেতা সাংসদ অনুপম হাজরা। বামেদের  প্রার্থী  কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন মেয়র বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। মোট বুথ সংখ্যা ২০৪২ পুরুষভোটার লক্ষ ২ হাজার ৫৪৯ মহিলা ভোটার ৮ লক্ষ ৯৯ হাজার ৬১১ তৃতীয় লিঙ্গ ১৪ মোট ভোটার ১৮ লক্ষ ২ হাজার ২৩৪ জন। বসিরহাট কেন্দ্রকে এবারও ধরে রাখতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাজী অভিনেত্রী নুসরত জাহান । এখানে  বিজেপি প্রার্থী সায়ন্তন বসু । কাজি আব্দুর রহিমকে প্রার্থী করেছে কংগ্রেস, বামেদের  সিপিআইয়ের পল্লব সেনগুপ্ত। মোট বুথ সংখ্যা ১৮৬১ পুরুষ ভোটার ৮ লক্ষ ৬২ হাজার ৪১৮ মহিলা ভোটার ৮ লক্ষ ১৩ হাজার ৫৫ তৃতীয় লিঙ্গ ২৭ জন। বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রে মোট ভোটার ১৬ লক্ষ ৭৫ হাজার ৫০০। দমদম লোকসভা  কেন্দ্রে শমিক ভট্টাচার্যকে প্রার্থী করেছে বিজেপি। তাঁর বিরুদ্ধে তৃনমূলের প্রার্থী  গতবারের জেতা  সৌগত রায়। নেপালদেব ভট্টাচার্যক প্রার্থী করেছে বামেরা। কংগ্রেস প্রার্থী করেছে সৌরভ সাহাকে। মোট বুথের সংখ্যা ১৭৬১ পুরুষ ভোটার ৭ লক্ষ ৭৬ হাজার ২৪০ মহিলা ভোটার ৭ লক্ষ ৮০ হাজার ৪৪০ তৃতীয় লিঙ্গ ৪৫ জন মোট ভোটার ১৫ লক্ষ ৫৬ হাজার ৭২৫ জন। বারাসাতে লোকসভা  আসনে তৃণমূল প্রার্থী কাকলি ঘোষ দস্তিদারের বিরুদ্ধে মৃণানকান্তি দেবনাথকে প্রার্থী করেছে গেরুয়া শিবির। সুব্রত দত্তকে প্রার্থী করেছে কংগ্রেস, বামেদের  ফরওয়ার্ড ব্লকের হরিপদ বিশ্বাস। মোট বুথ সংখ্যা ১৯১৫ পুরুষভোটার ৮ লক্ষ ৬৭ হাজার ৭৪৭ মহিলা ভোটার ৮ লক্ষ ৪২ হাজার ৮৯০ তৃতীয় লিঙ্গ ৪৬ মোট ভোটার সংখ্যা ১৭ লক্ষ ১০ হাজার ৬৮৪। জয়নগর লোকসভা  আসনে তৃণমূল প্রার্থী করেছে প্রতিমা মণ্ডলকে, তাঁর বিরুদ্ধে অশোক কাণ্ডারিকে ভোটের ময়দানে নামিয়েছে বিজেপি। তপন মণ্ডলকে প্রার্থী করেছে কংগ্রস, বামেদের ভরসা আরএসপির সুভাষ নস্কর। বুথ সংখ্যা ১৮১০ পুরুষভোটার ৮ লক্ষ ৪৪ হাজার ৯৩৪ মহিলা ভোটার ৮ লক্ষ ২০৯ তৃতীয় লিঙ্গ ৬০ মোট ভোটার ১৬ লক্ষ ৪৫ হাজার ২০৩  মথুরাপুর লোকসভা আসনে ঘাসফুল ধরে রাখতে চৌধুরীমোহন জাটুয়ার ওপরেই ভরসা রেখেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি প্রার্থী করেছে শ্যামাপ্রসাদ হালদারকে। কংগ্রেসের বাজি কৃত্তিবাস সর্দার, বামেদের ভরসা সিপিআইএমের শরৎচন্দ্র হালদার। মোট বুথ সংখ্যা ১৮৪৮ পুরুষ ভোটার ৮ লক্ষ ৫১ হাজার ৩৭৬ মহিলা ভোটার ৭ লক্ষ ৯৮ হাজার ৫৪৯ তৃতীয় লিঙ্গ ২৮ জন মোট ভোটার ১৬ লক্ষ ৪৯ হাজার ৯৫৩।   দক্ষিণ কলকাতা কেন্দ্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়র প্রার্থী  কলকাতা পুরসভার চেয়ারপার্সন মালা রায়কে। তাঁর  বিরুদ্বে নেতাজির বংশধর চন্দ্রকুমার বসুকে প্রার্থী করেছে গেরুয়া শিবির। বামেরা প্রার্থী করেছে সিপিআইএমের নন্দিনী মুখোপাধ্যায়কে, কংগ্রেসের  মিতা চক্রবর্তী। বুথ সংখ্যা ২০৩১ পুরুষ ভোটার ৮ লক্ষ ৯২ হাজার ১৭৫ মহিলা ভোটার ৮ লক্ষ ২৭ হাজার ৬১৩ তৃতীয় লিঙ্গ ৩৩ মোট ভোটার ১৭ লক্ষ ১৯ হাজার ৮২১. উত্তর কলকাতা  কেন্দ্র  ধরে  রাখতে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কেই আবারও প্রার্থী করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বিরুদ্ধে বিজেপি প্রার্থী দলের জাতীয় সম্পাদক তথা প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি রাহুল সিনহা । সিপিআইএমের কণিনীকা বসুকে প্রার্থী করেছে বামেরা, কংগ্রেসের সইদ সাহিদ ইমাম। মোট বুথ সংখ্যা ১৮৬২ পুরুষভোটার ৭ লক্ষ ৯১ হাজার ৩০৭ মহিলা ভোটার ৬ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৯০ তৃতীয় লিঙ্গ ১৫ মোট ভোটার ১৪ লক্ষ ৩৭ হাজার ৯১২ নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে  , ১৭,০৪২টি বুথে মোতায়েন করা হবে ৭১০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। শেষ দফার ভোটের প্রচারে ছিলেন  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ,কংগ্রেস নেতা শচীন পাইলট, এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটপ্রচারের সময় থাকলেও, তা কমিয়ে দেয় নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কলকাতায় অমিত শাহের রোড শো কে কেন্দ্র করে  অশান্তি ও বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙাকে কেন্দ্র  করে  বৃহস্পতিবার রাত ১০টার মধ্যে সমস্ত দলকে প্রচার শেষ করার নির্দেশ জারি করে কমিশন।

  • সুপ্রীম কোর্ট রাজীব কুমারের গ্রেফতারির উপর জারী করা নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল।

    ডেস্ক, ১৭ মেঃ আজ দেশের শীর্ষ আদালত কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন কমিশনার  রাজীব কুমারের  গ্রেফতারির উপর থাকা নিষেধাজ্ঞা  তুলে নিল । সাত  দিনের মধ্যে আগাম জামিনের  আবেদন করতে পারবেন রাজীব।সারদা চিটফান্ড মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তথ্য প্রমাণ নষ্টের অভিযোগ এনেছে সিবিআই ।  মানে এই সাত দিন আগের নির্দেশ বলবত থাকবে। প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ রায় ঘোষণা করে জানান ফেব্রুয়ারি মাসে  তার গ্রেফতারির উপর  যে নিষেধাজ্ঞা  জারি করা হয়েছিল  তা তুলে নেওয়া  হচ্ছে। পাশাপাশি সিবিআইকে আইন মেনে কাজ করার নির্দেশ দেয় আদালত। রাজীবকে গ্রেফতার করতে চেয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় সিবিআই ।  রাজীবকে মাথা করে সারদা মামলায় বিশেষ তদন্তকারী দল ‘সিট’ গঠন  করে রাজ্য সরকার। তখন বিধাননগর কমিশনারেটের কমিশনার ছিলেন রাজীব। পরে এই মামলার তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা দাবি করে তথ্য প্রমাণের সঙ্গে তথ্যপ্রমাণ বিকৃত করা হয়েছে । সিটের প্রধান হিসেবে রাজীবকে কাঠগড়ায় তোলে সিবিআই। তাঁকে জেরাও করতে চায়। কিন্তু বারবার জেরা এড়িয়ে যান রাজীব। তার  বাড়ি গিয়ে তাঁকে জেলা করার পরিকল্পনা করে সিবিআই। তখন কলকাতার পুলিশ কমিশনার হিসেবে সরকারি বাসভবনেই থাকতেন রাজীব। সেখানে সিবিআইয়ের আধিকারিকরা পৌঁছতেই পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের চেহারা নয়। কোনও অবস্থাতেই রাজীবের সঙ্গে সিবিআইয়ের আধিকারিকদের দেখা করতে দিতে রাজি হন না কলকাতা পুলিশের কর্মীরা। গোলমাল বাড়তে থাকায় সিবিআই আধিকারিকদের আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। একইসঙ্গে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সত্যাগ্রহ শুরু করেন মমতা দীর্ঘ ৭০ ঘন্টা ধর্মতলায় অবস্থান করেন মুখ্যমন্ত্রী। ইতিমধ্যে সুপ্রিম কোর্ট জানায় রাজীবকে হাজিরা দিতে হবে। সেই মতো শিলংয়ে গিয়ে সিবিআইয়ের জেরার সম্মুখীন হন রাজীব। প্রায় ৬ দিন ধরে চলে জিজ্ঞাসাবাদ।

  • পঞ্চ ধাতু দিয়ে বিদ্যাসাগরের নতুন মূর্তি নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিলেন মোদী

    ডেস্ক, ১৬ মে :  বাংলায় এসে লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে  প্রধানমন্ত্রী  দাবি করেছিলেন পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি  ভেঙেছে তৃণমূলের  গুণ্ডারাই। একই জায়গায় নতুন মূর্তি স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দিলেন প্রধানমন্ত্রী।  উত্তর প্রদেশের একটি জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী বলেন,  তৃণমূলের গুণ্ডারা আমাদের সভাপতি অমিত শাহর রোড শো- এ গোলমাল করেছে। বিদ্যাসাগরের  মূর্তি ভেঙেছে। আমরা ওখানেই মূর্তি বসাব।  প্রধানমন্ত্রী বলেন বিদ্যাসাগরের দেখানো পথে চলা আমাদের শপথ পাঁচটি ধাতু দিয়ে তৈরি বিদ্যাসাগরের মূর্তি আমরা ওই জায়গাতেই প্রতিষ্ঠা করব।  উত্তরপ্রদেশের সভা থেকে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য এসে পৌঁছানোর কয়েক মিনিটের মধ্যেই  প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন তৃনমূল সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন। তিনি বলেন, মোদী একজন মিথ্যাবাদী। বিজেপি সভাপতি অমিত শাহের  রোড শো  ঘিরে উত্তর এবং মধ্য কলকাতায় বেনজির বিশৃঙ্খলা  সৃষ্টি হয়। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিদ্যাসাগর কলেজে গোলমাল হয় সেদিন। সেখানেই বেনোজির গোলমাল সৃষ্টি হয়। তৃণমূলের দাবি ভিতরে ঢুকে তছনছ করে বিজেপি সমর্থকরা। বহুদিনের পুরনো ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি পর্যন্ত ভেঙে ফেলা হয়েছে।  পাল্টা বিজেপির দাবি হামলা চালিয়েছে তৃণমূল শুধুমাত্র বদনাম করে রাজনৈতিক ফায়দা  তোলার জন্য  বিজেপির নামে দোষ দেওয়া হচ্ছে। একে অপরের বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে বেশ কয়েকটি ভিডিও সামনে নিয়ে এসেছে ।

  • “বাংলা থেকে চারিদিকে তৃণমূল কংগ্রেসকে হটানোর ডাক উঠেছে” টাকির জনসভায় নরেন্দ্র মোদি

    ডেস্ক, ১৬ মে :  আজ বসিরহাটের টাকিতে বিজেপি  প্রার্থী সায়ন্তন বসুর  হয়ে প্রচারে এসে কড়া ভাষায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি  বলেন বাংলা থেকে চারিদিকে  তৃণমূল কংগ্রেসকে হটানোর  ডাক উঠেছে । বাংলার মানুষ দিদিকে সঠিক জবাব দেবে । মানুষ আপনার অহংকারের জবাব দেবে ।   জনসভায়   বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙা প্রসঙ্গে মোদি বলেন, "তৃণমূলের গুন্ডারাই একাজ করেছে ।" তিনি বলেন, দিদি আপনি ৪৮ ঘণ্টা আগে  জনসভায় বলেছেন আপনি বিজেপি-কে  ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে দেখে নেবেন । তার ২৪  ঘণ্টার মধ্যে বিজেপি-র র সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ-র প্রচার মিছিলে তৃণমূলের গুন্ডারা হামলা চালাচ্ছে । আপনি কী ধরনের রাজনীতি করছেন, সেটা বাংলার মানুষ বুঝতে পারছে । দিদি আপনার মধ্যে  অহংকার আছে।" বাংলার বিপুল জনসমর্থন দেখে মোদি দাবি করেন, "দেশে বিজেপি ৩০০টি আসন পেয়ে সরকার গড়বে।। আর সেক্ষেত্রে বাংলা অগ্রণী ভূমিকা নেবে ।" মমতার উদ্দেশে মোদি বলেন, "ক্ষমতায় এলে বাংলায়  এন আর সি  চালু হবেই । আপনার ধমক-চমক আমার ওপর কাজ করবে না ।" বিজেপি  নেত্রী প্রিয়াঙ্কা শর্মার প্রসঙ্গ টেনে মমতাকে কটাক্ষ করে মোদি বলেন, "আপনি ভালো শিল্পী । আমার একটা খারাপ ছবি আঁকুন । আপনাকে জেলে পাঠাব না । সারাজীবন হৃদয়ে সাজিয়ে রাখব ।" সায়ন্তন বসুর সমর্থনে জনসভায় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়ামমন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান, কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক কুলদীপ সিং ও মুকুল রায়-সহ রাজ্য বিজেপি  নেতৃত্ব ।  

  • রাজ্যে নির্বাচন কমিশনের অভূতপূর্ব সিদ্ধান্ত প্রচারের দিন কমানো হল এবং ,সরানো হল স্বরাষ্ট্রসচিবকে

    Newsbazar 24 ডেস্ক, ১৫ই মেঃ রাজ্যের সাম্প্রতিক হিংসাত্মক  ঘটনার জেরে অভূতপূর্ব ও  নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিল  নির্বাচন কমিশন। স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোন রাজ্যে ৩২৪ ধারা প্রয়োগ করে শুধু প্রচারের সময় কমিয়ে দেওয়া হল না, নির্বাচন কমিশন রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিবকে তাঁর পদ থেকে সরিয়ে দিল। এখন থেকে তাঁর কাজ সামলাবেন মুখ্যসচিব।  গতকালের ঘটনা ও সাম্প্রতিক কালে রাজ্যের হিংসাত্মক  ঘটনার পরিপেক্ষিতে বুধবার   নির্বাচন কমিশন বৈঠকে বসে।সেখান থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয় । তারপর   সাংবাদিক সম্মেলন করে  নির্বাচন কমিশন ঘোষনা করে।  রাজ্যে অশান্তির জেরে ৩২৪ ধারা  প্রয়োগ করে নির্বাচনের প্রচারের দিন কমিয়ে দেওয়া হল একদিন। শুক্রবার বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত প্রচার চালাতে পারতেন রাজ্যের রাজনৈতিক দলগুলি। নির্বাচন কমিশনের এহেন সিদ্ধান্তের জেরে  বৃহস্পতিবার রাত ১০টায় প্রচার শেষ হয়ে যাবে। দ্বিতীয়ত  রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব অত্রি ভট্টাচার্যকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই ঘটনায় রাজ্য প্রশাসনের উপর নির্বাচন কমিশনের অনাস্থার বহিপ্রকাশ করছে। শেষ দফা ভোটের আগে তাঁকে  সরিয়ে রাজ্যকে বার্তা দিল কমিশন। এই ঘটনা রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে ফের প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিল। একইসঙ্গে রাজীবকুমারকে রাজ্য থেকে তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। তিনি রাজ্যের এডিজি সিআইডির দায়িত্বে ছিলেন। তাঁকে ওই পদ থেকে অপসারিত করা হয়েছে। এখন থেকে তাঁকে দিল্লিতে রিপোর্ট করতে নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। বিজেপি সহ বিরোধী দলগুলি  বারে বারে  নির্বাচন কমিশনে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে সরব হয়েছিল। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত বিরোধী দলগুলির দাবীকে মান্যতা দিল। পাশাপাশি রাজ্য প্রশাসনের উপর অনাস্থা প্রকাশ করে এবং সব দলের প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে  চরম বার্তা দিল  নির্বাচন কমিশন।  

  • অমিত শাহের রোড শো কে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র কলেজ স্ট্রিট ও বিদ্যাসাগর কলেজ চত্বর।

    Newsbazar, 24 ডেস্ক, ১৪মেঃ অমিত শাহের রোড শো কে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র  কলেজ স্ট্রিট। অমিত শাহর হুড খোলা গাড়ি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পৌঁছনোর পরই টিএমসিপি ও বিজেপির  সমর্থকদের মধ্যে খণ্ডযুদ্ধ বেধে যায়। পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে দেয় বিজেপি কর্মীরা।  মিছিল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটের কাছে আসতেই  বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএমসিপির ছাত্রছাত্রীরা কালো পতাকা হাতে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন, সেখানে পুলিশ ব্যারিকেড করা ছিল। কিন্তু   বিজেপি কর্মীরা ব্যারিকেড ভেঙে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢোকার চেষ্টা করে।   এদিন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহের রোড শো যখন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় অভিমুখে আসছিল, তখন কালো পতাকা ও ব্যানার নিয়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন ছাত্রছাত্রীরা। সেই কালো পতাকা যাতে অমিত শাহের দৃষ্টিগোচর না হয়, তার জন্য বিভিন্ন রকম চেষ্টা করে বিজেপি। অমিত শাহের গাড়ি আসার আগে তৃণমূলের বিক্ষোভে মিছিল থেকে ইট-বোতল উড়ে আসতে থাকে। তার জেরে ছাত্রছাত্রীরা অনেকেই আহত হন। উত্তেজনা চরমে পৌঁছয় অমিত শাহের গাড়ি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটের সামনে আসার পর। বিজেপির একটা অংশ তখন ছাত্রদের উপর চড়াও হয়। তাঁরা ব্যারিকেড ভেঙে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢোকার চেষ্টা করে। কলকাতা পুলিশ ব্যারিকেড করে ছাত্রছাত্রীদের বিক্ষোভ আর অমিত শাহের রোড শোকে পৃথক করে সামলানোর চেষ্টা করছিল। বিজেপি কর্মীরাও চেষ্টা করছিলেন, যাতে অমিত শাহের দৃষ্টিগোচর না হয় ছাত্রছাত্রীদের কালো পতাকা প্রদর্শন। এমনকী অমিত শাহ গো ব্যাক-সহ বিভিন্ন স্লোগান যাতে কর্ণগোচর না হয়, তার জন্য ডিজে বাজানো হয়। পরে  অমিত শাহের নেতৃত্বে মহামিছিল বিদ্যাসাগর কলেজের সামনে আসার পরই কলেজ গেটের  সামনে আবার রণক্ষেত্রের রুপ নেয়। অভিযোগ, কলেজের সামনে ছিল বিদ্যাসাগরের মুর্তি, তা ভেঙে দেওয়া হয়েছে। কলেজের ভিতর থেকে ইট ছোড়া হয়েছে বলে অভিযোগ বিজেপির। তৃণমূলের পাল্টা অভিযোগ, মিছিল থেকেই ছোড়া হয়েছে ইট-পাটকেল।  বেশ কয়েকজন বিক্ষোভরত ছাত্রছাত্রী আহত হয়েছেন। কলেজের ভিতরে ঢুকে ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ। তৃণমূলের আরও অভিযোগ, অমিত শাহের গাড়ি বিদ্যাসাগর কলেজ গেট পাশ করার সময় বিজেপির কর্মীরা একটি বাইকে আগুন লাগিয়ে দেয়। কলেজ গেটের সামনে দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে আগুন। এই অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে অমিত শাহের রোড শো হয়। বিজেপির অভিযোগ, কলকাতার রাস্তাকে রণক্ষেত্র করে তুলে তৃণমূল । অমিত শাহ বলেন, এভাবে আমাকে আটকালেও বিজেপিকে আটকাতে পারবেন না মমতা দিদি। বাংলার মানুষ এর জবাব দেবেন ভোটিং মেশিনে। তিনি বলেন, দুই জায়গায় রোড শোর সামনে বিক্ষোভ দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে। এটার নাম গণতন্ত্র নয়। সময় এসেছে বাংলাকে এই অপশাসনের হাত থেকে রক্ষা করার।