কলকাতা

  • রাজ্যের সাম্প্রতিক হিংসা নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকলেন, রাজ্যপাল

    ডেস্ক, ১২ জুনঃ রাজভবন সূত্রে জানা যায় লোকসভা ভোটের পরবর্তী পরিস্থিতিতে  হিংসা নিয়ে বৃহস্পতিবার সর্বদলীয় বৈঠক ডাকলেন রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী। শাসক দল ছাড়া রাজ্যের বৃহৎ ৩ বিরোধী দলকে  চিঠি  দিয়ে ওইদিন বিকেল চারটেয় বৈঠকে হাজির থাকতে  বলেছেন রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী । রাজ্যপালের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি  দিলীপ ঘোষ। রাজ্য সরকারের তরফেই এই পদক্ষেপ করা উচিত ছিল বলে দাবি করেছেন তিনি। সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে তিনি বলেন, “আমরা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। আমরা ত্রিপাঠীর চিঠি পেয়েছি। আমরা আগামিকালের বৈঠকে যোগ দিতে পারি”। তবে তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে, তারা এখনও পর্যন্ত কোনও চিঠি পায় নি। তৃণমূলের এক বর্ষীয়ান নেতা বলেন, “এমরা চিঠি পাই, তারপর এটা নিয়ে ভাবব”। তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়, বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র এবং প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রকে চিঠি দিয়ে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। লোকসভা ভোটের পরবর্তী পরিস্থিতিতে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় দফায় দফায় হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেছে।  দিন যতই এগিয়েছে সংঘাত তীব্রতর হয়েছে কেন্দ্র ও রাজ্যের শাসকদলের মধ্যে। এমনকী, ভোটগ্রহণ পর্বেও অশান্ত হয়েছে  রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত, প্রাণহানিও হয়েছে। ফলাফলের পরেও সেই ধারা অব্যাহত রয়েছে। সম্প্রতি উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালির ঘটনাকে  কেন্দ্র করে পদ্ম ও ঘাসফুল শিবিরের মধ্যে সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করেছে।গত শনিবার উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালিতে দুই দলের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সেই ঘটনায় তিনজনের দেহ নিয়ে যাওয়া হয় বসিরহাট হাসপাতালে।সেখানেই দুজনকে তাদের দলের কর্মী বলে দাবি করে বিজেপি, তৃতীয়জন তাদের কর্মী বলে দাবি করে তৃণমূল কংগ্রেস।নিহত তৃতীয় ব্যক্তি কায়ুম মোল্লা, তাদের দলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন বলে দাবি করে তৃণমূল নেতৃত্ব।  

  • আজ রাজ্যজুড়ে চিকিত্সা পরিষেবা বয়কটের ডাক দিলেন ডাক্তাররা।

    প্রতিবেদন : আজ রাজ্যজুড়ে চিকিত্সা পরিষেবা বয়কটের ডাক দিলেন ডাক্তাররা। এদিন এন আর এস এর এক জুনিয়র ডাক্তারকে মারধরের ঘটনার প্রতিবাদে আজ সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত রাজ্যের সমস্ত সরকারি, বেসরকারি সমস্ত হাসপাতালে আউটডোর পরিষেবা বন্ধের ডাক দেওয়া হল। এই ১২ ঘণ্টা আউটডোর বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টর্স ফোরাম। এক রোগী মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সোমবার রাতে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ। রোগীর বাড়ির আত্মীয়দের হাতে নিগৃহীত হন জুনিয়র ডাক্তাররা। রোগীর আত্মীয়দের ছোঁড়া ইটে মাথা ফেটে যায় জুনিয়র ডাক্তার পরিবহ মুখোপাধ্যায়ের। তাঁর করোটির সামনে ডানদিকের হাড় ভেঙে যায়। গুরুতর আহত হন আরও এক জুনিয়র ডাক্তার। ঘটনা সূত্রে প্রকাশ, রবিবার রাতে ট্যাঙরার বিবি বাগানের বাসিন্দা মহম্মদ সাহিদকে (৬৫) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, সোমবার বিকেলের পর থেকে রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। অভিযোগ উঠতে শুরু করে চিকিৎসকদের গাফিলতিতেই মহম্মদ সাহিদের মৃত্যু হয়। রোগী মৃত্যুকে কেন্দ্র করেই এরপরই উত্তাল হয়ে ওঠে এনআরএস। এর পর জুনিয়ার ডাক্তারদের উপর ঝাপিয়ে পড়ে রুগীর আত্মীয়রা, মারধোর শুরু করে ডাক্তারদের । এই ঘটনা ঘটার পর রাত থেকেই বিক্ষোভে বসেন এনআরএস-এর জুনিয়র ডাক্তাররা। গেট বন্ধ করে দেন তাঁরা। দফায় দফায় বৈঠকের পরেও মেলেনি কোনও সমাধানসূত্র। ১৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনও অচলাবস্থা জারি রয়েছে এনআরআস-এ। এদিকে এনআরএস-এ জুনিয়র ডাক্তার নিগৃহীত হওয়ার ঘটনা সামনে আসতেই, রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদে সামিল হন বেশ কয়েকটি সরকারি মেডিক্যাল কলেজের ইন্টার্নরা। ডাক্তারদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলে কাল প্রতীকী কর্মবিরতি পালন করা হয় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ, আরজিকর, শম্ভুনাথ পণ্ডিত, সাগরদত্ত মেডিক্যাল কলেজ, বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ, চিত্তরঞ্জন হাসপাতাল, কল্যাণী মেডিক্যাল কলেজ, মালদা ও মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ। শুধুমাত্র আউটডোর খোলা রাখা হয়।  বিি বিভাগ বন্ধ করে দেওয়া হয়।এর পর আজ সারা দিন বন্ধ।

  • রাজ্যে সন্ত্রাসের চিতা জ্বালাচ্ছে বিজেপি, এবং কিছু ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে নজর রাখছি ,নিমতায় মমতা

    Newsbazar 24 ডেস্ক, ৬ জুন : বিজেপি এই রাজ্যে চুরি করে জয় হাসিল করে এখন চারিদিকে  সন্ত্রাস চালাচ্ছে। এদিন নিমতা থেকে এমনটাই অভিযোগ করলেন তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  তিনি বলেন , রাজ্যে আর কোনও বিজয় মিছিল করা যাবে না। করলেই ব্যবস্থা নেবে পুলিশ। ভোটের প্রচারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন  ৪২ এ ৪২ চাই তার। বিজেপি পাবে গোল্লা । তারপর  রাজ্য থেকে ১৮ টি আসন জয়ের পর মুখ্যমন্ত্রী বললেন  চুরি করে, টাকা ছড়িয়ে জয় পেয়েছে বিজেপি। এপ্রসঙ্গে তাঁর আরও অভিযোগ সারা দেশে ২০ লক্ষ ইভিএম-এর কোনও খোঁজ নেই। নির্বাচনে প্রচুর টাকার লেনদেন হয়েছে। অভিযোগ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন আমারা নজর রাখছি কোনও অ্যাকাউন্টে কত টাকা ঢুকেছে । কিছুদিনের মধ্যে তা প্রকাশ্যে আনা হবে বালে তিনি জানান। রাজ্যে আর কোনও বিজয় মিছিল করতে দেওয়া হবে না। নিমতা থেকে এমনটাই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী তথা রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন রাজ্যে তারাই এগিয়ে রয়েছেন। তৃণমূল জিতেছে ২২ টিতে, আর বিজেপি ১৮ টিতে। বিজেপি রাজ্যে সন্ত্রাসের  চিতা জ্বালাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন মমতা। পুলিশের তরফে আর কোনও জায়গাতেই বিজয় মিছিলের অনুমতি দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, ১৯৮৪ সালে  কংগ্রেসের ১৬ টি আসন জয়ের পর এবং ২০০৯ সালে তৃণমূল এবং কংগ্রেস মিলে রাজ্যে ২৬ টি আসন দখলের পরেও  রাজ্যে কোনও অশান্তি হয়নি ।  কিন্তু এবারের ভোটে বিজেপি রাজ্যে ১৮ টি আসন জয়ের পর থেকেই সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করেছে বলে অভিযোগ করেন মমতা। মানুষের প্রতিরোধ সব থেকে বড় প্রতিরোধ। নিমতায় গুলিতে নিহত তৃণমূল নেতার বাড়িতে গিয়ে এই বার্তাই দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, মা মাটি মানুষের সরকার চলছে চলবে। নিমতা খুনের তদন্তভার সিআইডির হাতে তুলে দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।  

  • “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের কবর নিজেই খুঁড়ছেন,বিজেপি-র উত্থানের জন্য তিনিই দায়ী”বললেন অপর্ণা সেন।

       Newsbazar, 24, ডেস্ক, ৪ জুনঃ  এক সময়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন অপর্ণা সেন। রাজ্যে জয়  শ্রী রাম  ধ্বনি নিয়ে চলতে থাকা বিতর্কে হঠাৎ  তিনি   মুখ খুললেন  এবং কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন। অপর্না সেন বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের কবর নিজেই খুঁড়ছেন। বিজেপি-র উত্থানের জন্য তিনিই দায়ী। ' তিনি আরও  বলেন, ‘রাজনীতিতে ধর্মীয় স্লোগানের ব্যবহার আমার  ভাল লাগে না। ধর্ম আর রাজনীতি  গুলিয়ে  ফেলা উচিত নয়। ধর্ম আর রাজনীতি  গুলিয়ে ফেললেই সব ধরনের সমস্যা দেখা দেয়।' বাংলার এহেন রাজনীতি নিয়ে ক্ষুব্ধ অপর্ণা সেন বলেন, আমি এটা একেবারেই পছন্দ করি না। আমার মনে হয় ধর্ম ধর্মের জায়গায় থাকুক, রাজনীতি রাজনীতির জায়গায়। কিন্তু দুটো এক করে ফেলছে বাংলার শাসক ও বিরোধী দুই রাজনৈতিক দলই। তিনি বলেন, গণতন্ত্রে প্রত্যেকের মত প্রকাশের স্বাধীনতা রয়েছে। পাশাপাশি তিনি মনে করেন স্লোগান দেওয়ার অধিকার সকলেরই   আছে। তাঁর  কথায়, ‘এটাও বুঝতে হবে গণতন্ত্রে জয় শ্রী রাম,  আল্লাহু আকবর। জয় মা কালী বলার অধিকার আছে। মমতা যেভাবে গাড়ি থেকে বেরিয়ে জয় শ্রী রাম ধ্বনি উচ্চারকদের তাড়া করেছেন   তা ঠিক নয়। অশ্রাব্য কথা বলেছেন। এটা মেনে নেওয়া যায় না।'    মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি তাঁর পরামর্শ, ‘ অনেক দিন ক্ষমতায় থাকতে গেলে  ধৈর্য ধরতে হবে। যা মাথায় আসছে  সেটাই বলে  ফেলছেন- এই অভ্যাস বদল করুন। আপনার চারপাশে অমিত মিত্র বা সৌগত রায়ের মতো মানুষ আছে, তাঁদের সাহায্য নিন। তাঁর আচরণে রাজ্যের মানুষের খারাপ লেগেছে। এ ধরনের  কাজ করে  নিজের ভোটারদের নিজের বিপক্ষে নিয়ে যাচ্ছেন মমতা।                আগামী বিধানসভা নির্বাচনে  এই  ঘটনার  প্রভাব পড়বে কিনা?এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন  ‘আগামী নির্বাচনে মমতার  লড়াই কঠিন হতে চলেছে। উচ্চবিত্তদের একটা বড় অংশ বিজেপির দিকে চলে  গিয়েছে। এই ব্যাপারটা আমাকে চিন্তায় রেখেছে। বিজেপির কাজ  করবে না তা  নয়। প্রধানমন্ত্রী মোদী দেশের উন্নতিতে কাজ করবেন বলে আমি বিশ্বাস করি। কিন্তু ওদের মৌলিক চিন্তা ভাবনা নিয়ে আমার আপত্তি আছে। ওরা হিন্দুত্বকে আর জাতীয়তাবাদকে এক করে দেখে। । আমি এই ধারনার প্রতি আস্থাশীল নই। আমার মনে ভারতের মতো দেশে এই ধারনা প্রযোজ্য হতে পারে না। এখানে গান্ধীবাদী চিন্তা ভাবনার প্রয়োজন আছে।'       

  • মমতা অভিজ্ঞ রাজনৈতিক নেত্রী কিন্তু তাঁর আচরণ অস্বাভাবিক, জয় শ্রী রাম বিতর্কে মমতাকে কটাক্ষ বাবুলের

    Newsbazar 24 ডেস্ক, ৩রা জুনঃ জয় শ্রীরাম বিতর্কে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের  বাড়িতে ১০ লাখ পোস্ট কার্ড পাঠানোর পরিকল্পনা নিয়েছে ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং । এবার আসরে নামলেন  কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। তিনি এদিন  বলেন ,‘আমরা চাইব মুখ্যমন্ত্রী দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন। তাই তাঁকে গেট ওয়েল সুন কার্ড পাঠাবো। মমতা একজন অভিজ্ঞ রাজনৈতিক নেত্রী   কিন্তু তাঁর আচরণ অস্বাভাবিক এবং অদ্ভুত। তিনি  রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর পদে আসীন এবং সেই পদের সন্মান  মমতার মনে রাখা উচিত। রাজ্যে বিজেপির উত্থানে  তিনি ভয় পেয়েছেন।  বোঝাই যাচ্ছে  তিনি ভাল নেই। আর তাই আমি মনে করি মুখ্যমন্ত্রীর কিছুদিনের ছুটি নেওয়া উচিত।'জয় শ্রীরাম বিতর্কের পর মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে একাধিক ছবি এবং লেখা সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরছে। তার বেশিরভাগই আপত্তিকর। এ প্রসঙ্গে বাবুল বলেন, ‘মমতাকে নিয়ে এ ধরনের অনেক কিছু সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরছে। এটা কারও জন্য ভাল নয়। আমি আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রের তরফে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গেট ওয়েল সুন কার্ড পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।'    

  • জয় শ্রীরাম স্লোগানে আপত্তি নেই, কিন্তু বিজেপি “ধর্ম ও রাজনীতি মিশিয়ে পশ্চিমবঙ্গে অশান্তি পাকাচ্ছেঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    ডেস্ক,২ জুনঃ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ তার ফেসবুকে লিখে  জানালেন জয় শ্রীরাম  স্লোগানে তাঁর আপত্তি নেই, তবে “ধর্ম ও রাজনীতিতে মিশিয়ে পশ্চিমবঙ্গে যেভাবে অশান্তি পাকাচ্ছে” বিজেপি কর্মীরা, তা নিয়ে তাঁর আপত্তি রয়েছে,। জয় শ্রীরাম স্লোগান নিয়ে রাজ্য রাজনীতি সরগরম। সেই অনুভূতির সাথী মুখ্যমন্ত্রীও। কিন্তু গত কয়েকদিনের এই স্লোগান রাজনীতি যে তৃণমূলকে ক্রমশই পিছনের দিকে ঠেলে দিচ্ছে, তা বুঝতে পেরেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই পরিস্থিতিতেই ফেসবুক পোস্টে এমন মন্তব্য করলেন। ফেসবুক পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, “সভায় রাজনৈতিকদলগুলির স্লোগানে আমার কোনও আপত্তি নেই। প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের নিজস্ব স্লোগান আছে। আমার দলের জয় হিন্দ এবং বন্দেমাতরম, বামেদের ইনকিলাব জিন্দাবাদ, কিন্তু আমরা একে অপরকে সম্মান করি”। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ভগবান রামচন্দ্রের নামে স্লোগানেও তাঁর কোনও আপত্তি নেই, তবে বিজেপি যেভাবে সেটার “ভুল ব্যবহার করে ধর্ম ও রাজনীতিকে মেশাচ্ছে”, তা নিয়ে তাঁর আপত্তি রয়েছে। ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, “ভাঙচুর ও সন্ত্রাসের মাধ্যমে ঘৃণা ছড়ানোর এটা একটা পরিকল্পনামাফিক পদক্ষেপ, আমাদের সবাইকে একসঙ্গে এর বিরোধিতা করতে হবে।একজন কয়েকবার কিছু মানুষকে বোকা বানাতে পারে, কিন্তু সবসময় সবাইকে বোকা বানাতে পারে না”। মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের বিরোধিতায় বিজেপি-র পক্ষ থেকে জানানো হয় যে যেভাবে মুখ্যমন্ত্রী ও তার নেতা মন্ত্রীরা জয় শ্রীরাম স্লোগান শুনে মেজাজ হারাচ্ছেন এবং তাদের দিকে তেড়ে যাচ্ছেন  এবং পুলিশ দিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করাচ্ছেন  তাতে সাধারন মানুষের মনে বিরুপ প্রতিক্রিয়া  হচ্ছে সেটা বুঝতে পেরেই তিনি ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে ময়দানে নামলেন। এভাবে বাংলার মানুষকে দ্মিয়ে রাখা যাবে না।  

  • বিজেপির অভিনব কর্মসূচি,মমতার ঠিকানায় ‘জয় শ্রীরাম’ লেখা ১০ লক্ষ চিঠি পাঠানোর হুমকী অর্জুনের

    Newsbazar, 24, ডেস্ক,১ জুন:  “জয় শ্রীরাম”  স্লোগান নিয়ে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি।  লোকসভা নির্বাচনে  রাজ্যে  শাসক  দলের ঘাড়ের উপর নিঃশ্বাস ফেলছে গেরুয়া শিবির । তা নিয়ে  ইতিমধ্যে তৃনমূল সুপ্রীমো মমতা  বন্দ্যোপাধ্যায় দিশেহারা। দলের  অন্দরে চলছে এই ফল নিয়ে  বিচার  বিশ্লেষণ। এরই মধ্যেই কাটা ঘায়ে নুনের ছিটে এই  জয় শ্রীরাম স্লোগান । এরমধ্যে বিজেপির তরফে ঘোষনা করা হয়েছে , তৃণমূলনেত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে “জয় শ্রীরাম” লেখা ১০ লক্ষ পোস্টকার্ড পাঠানো হবে।  সংবাদসংস্থা পিটিআইকে বিজেপি  নেতা তথা সাংসদ অর্জুন সিং জানিয়েছেন , “মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে আমরা জয় শ্রীরাম লেখা ১০ লক্ষ পোস্টকার্ড পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি”।  আজ কাঁচড়াপাড়ায়  তৃণমূলের  সভা চলকালীন  বাইরে “জয় শ্রীরাম” স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীরা। সেখানে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। তারপরেই এই  মন্তব্য করলেন অর্জুন সিং। তৃণমূল  সূত্রের খবর, উত্তর ২৪ পরগনার কাঁচড়াপাড়া এলাকায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়গুলি পুনরুদ্ধার করতে জড়ো হয়েছিলেন তৃণমূল কর্মীরা। কাঁচরাপাড়া এলাকাটি অর্জুন সিং এর ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যেই পড়ে। এই কেন্দ্র থেকে এবার লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির  টিকিটে জিতেছেন তিনি। তৃণমূল  নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের অভিযোগ, এলাকায় ঝামেলা পাকানোর ষড়যন্ত্র করছেন মুকুল পুত্র শুভ্রাংশু রায় এবং অর্জুন সিং। পুলিশ সূত্রের খবর, এলাকায় যেখানে জড়ো হয়ে বিজেপির  কর্মীরা স্লোগান দিচ্ছিলেন, সেখানে উপস্থিত ছিলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, তাপস রায়, সুজিত বসু, মদন মিত্রের মতো নেতারা। সেখানে শান্তি বিঘ্নিত হতে পারত।  তাই , প্রথমে  তাদের সরিয়ে দেওয়ার চেস্টা করে কিন্তু  পরিস্থিতি হাতের  বাইরে চলে গেলে লাঠিচার্জ করা হয়। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, “এটা নজিরবিহীন। আমরা এই সংস্কৃতি বাংলায় দেখিনি।এটা বিজেপির  সংস্কৃতি”। অভিযোগ অস্বীকার করে অর্জুন সিং বলেন, “এই সংস্কৃতি বাংলায় আমদানি করেছে তৃনমূল এর আগে সিপিএমের পার্টি অফিসগুলি দখল করেছেন। বহু মানুষ্কে ঘরছাড়া করেছেন। তাই তাদের মুখে এ কথা মানায় না। মানুষ তৃণমূলকে প্রত্যাখ্যান করছে । আর নেতারা পুলিশ পরিবেষ্টিত হয়ে পার্টি অফিস দখল করতে আসছেন।  

  • আবারও জয় শ্রীরাম ধ্বনিকে ঘিরে রণক্ষেত্র উত্তর চব্বিশ পরগনার কাঁচরাপাড়া, পুলিশের লাঠিচার্জ

    ডেস্ক, ১ জুনঃ আজ উত্তর চব্বিশ পরগনার কাঁচরাপাড়য় আবারও জয় শ্রীরাম ধ্বনিকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র হয়ে উঠল । তৃণমূলের এক কর্মীর বাড়িতে বৈঠক করছিলেন রাজ্যের কয়েকজন মন্ত্রী।  সে সময় বাড়ির বাইরে  জয় শ্রী রাম স্লোগান দিতে থাকেন বিজেপি কর্মীরা। পুলিশ  লাঠিচার্জ শুরু করে । তার মধ্যেই ঘটনাস্থল থেকে বেরিয়ে যান রাজ্যের দুই মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এবং তাপস রায়।  পুলিশের লাঠিচার্জের  প্রতিবাদে কাঁচরাপাড়া স্টেশনের বাইরে অবরোধ শুরু করেন বিজেপি কর্মীরা। প্রায় ১৫ মিনিট অবরোধ চলে। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে না। বিকেল চারটের কিছু পরে জগদ্দল থানার বাইরে বিক্ষোভ ধরনা কর্মসূচি শুরু করেছেন বিজেপি কর্মীরা। শোনা যাচ্ছে ব্যারাকপুরের সদ্য নির্বাচিত সাংসদ বিজেপি নেতা অর্জুন সিংও যোগ দিতে চলেছেন এই কর্মসূচিতে। বিজেপির দাবি অকারণেই পুলিশ তাদের  কর্মীদের মারধর করেছে। এর প্রতিবাদেই ধর্না কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। এমনিতেই জয় শ্রীরাম ধ্বনিকে কেন্দ্র করে গত কয়েক দিনে বারবার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে রাজ্যে। প্রথম ঘটনাটি ঘটে লোকসভা নির্বাচন চলার সময়। আরামবাগ লোকসভা কেন্দ্রের একটি অংশ মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনার মধ্যে পড়ে। সেই এলাকায় প্রচার করতে গিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গাড়ি করে রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় শ্রী রাম ধ্বনি দেওয়া  নিয়ে । মেজাজ হারান মুখ্যমন্ত্রী। গাড়ি থেকে নেমে আসেন তিনি। এই ঘটনায় কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করা হয় পরে। ঘরছাড়াদের ঘরে ফেরাতে নৈহাটি পুরসভার সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেন মমতা। পরে ভাটপাড়ায় এসে ফের একবার জয় শ্রীরাম ধ্বনি শুনতে হয় তাঁকে। আরও একবার মেজাজ হারান মমতা। সেই ঘটনার রেশ বজায় থাকল শনিবারও।   

  • কলকাতার পার্ক সার্কাসে আগুন, ঘটনাস্থলে দমকল বাহিনী হতাহতের কোন খবর নেই

    Newsbazar, ডেস্ক, ২৯ মেঃ  আজ দুপুরে দক্ষিণ কলকাতার  পার্ক সার্কাস অঞ্চলে  একটি গুদামঘরে আগুন লাগে । সরকারি সূত্রে জানা যায়  অন্তত ১৫ জন অগ্নি নির্বাপক কর্মী ১২টি ইঞ্জিন নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।  রাইফেল রেঞ্জ রোডের উপরে অবস্থিত ওই গুদামঘরে বাঁশ ও প্লাইউড মজুত থাকত। আগুনে তার একাংশ পুড়ে গিয়েছে। কলকাতা পুলিশ সূত্রে জানা যায় , ওই দুর্ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর মেলেনি। জ্বলন্ত গুদামঘরে কেউ আটকেও নেই। পূর্ব রেলওয়ের শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার রেললাইনের কাছেই ওই গুদামটি অবস্থিত। তবে ট্রেন চলাচলে কোনও বিঘ্ন ঘটেনি, কেননা গুদামটি শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার রেললাইন থেকে নিরাপদ দূরত্বে রয়েছে। পূর্ব রেলওয়ের মুখপাত্র নিখিল চক্রবর্তী এই কথা জানিয়েছেন।

  • একদিনের মধ্যে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গিয়ে মমতা শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন না বলে জানালেন।

    Newsbazar, ডেস্ক ২৯মেঃ গতকাল মুখ্যমন্ত্রী টুইট করে জানিয়েছিলেন সাংবিধানিক সৌজন্যতা রাখার জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন  কিন্তু একদিনের মধ্যে ১৮০ ডিগ্রি অবস্থান বদল করে  মমতা  জানালেন তিনি শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন না । টুইটারে  নিজের বক্তব্য তুলে ধরে তিনি বলেন বিজেপি যেভাবে  তাঁর দলের  বিরুদ্ধে  খুনের অভিযোগ আনছে তার জন্যই তিনি শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান বয়কট করছেন  । নিজের কথা জানিয়ে টুইটারে মমতা লেখেন, “ধন্যবাদ নূতন প্রধানমন্ত্রী মোদীজী, সাংবিধানিক দিক থেকে আপানার  আমন্ত্রণ গ্রহণ করে শপথ গ্রহণ  অনুষ্ঠানে থাকার ইচ্ছা ছিল, কিন্তু শেষ মুহূর্তে আমি সংবাদ মাধ্যম মারফত জানতে পারলাম রাজ্যে তৃণমূলের হাতে ‘নিহত' ৫০ জন বিজেপি কর্মীর পরিবারের সদস্যরাও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকছেন। এটা সম্পূর্ণ  অসত্য। এই রাজ্যে কেউ হিংসায় মারা যায় নি। এদের পারিবারিক হিংসা কিংবা অন্য কারণে মৃত্যু হতে  হয়েছে । সুতরাং আমি দুঃখিত আমি এই শপথ গ্রহণ  অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারছি না। আমায় মাফ করবেন”    মমতার টুইটের আগে বুধবার সকালে জানা যায় মোদীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন আরও কয়েকজন ‘বিশেষ অতিথি'। রাজ্যে তৃণমূলের হাতে ‘নিহত' ৫০ জন বিজেপি কর্মীর পরিবারের সদস্যরাও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকছেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের  ‘বিশেষ অতিথি'র মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয় দিল্লিতে থাকা এবং অন্য সমস্ত কিছু দায়িত্বও নিয়েছে বিজেপি। কিন্তু মমতা জানালেন রাজ্যে একজনেরও রাজনৈতিক মৃত্যু হয়নি।  সুত্রের খবর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান এবং মন্ত্রিসভার গঠন নিয়ে মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে পাঁচ ঘন্টার ম্যারাথন বৈঠক করেন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ। দুজন। মন্ত্রিসভায় কারা কারা থাকতে চলেছেন তার পাশাপাশি শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে কারা থাকবেন তা নিয়েও দীর্ঘ বৈঠক হয়েছে দুই নেতার মধ্যে। এরপরই রাজ্যে তৃণমূলের হাতে নিহত হয়েছেন বলে  অভিযোগ এমন ৫০  জনের পরিবারের সদস্যদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি।   Bottom of Form