মালদা

  • ২০০৯-১০ সালের সফল প্রাথমিক শিক্ষক চাকরি প্রার্থীরা আমরন অনশনে অস্বস্তিতে জেলা প্রশাসন।

    ডেস্ক , ১৯ ফেব্রুয়ারি: মুখ্যমন্ত্রীর জেলা সফরের পূর্বাহ্ণে একের পর এক ঘটনায়  জেলা প্রশাসন অস্বস্তিতে। একদিকে মালদা শহরের অদূরে দুঃসাহসিক ডাকাত, অপরদিকে গাজোলে  পথ অবরোধ তার উপর গোদের উপর বিষফোঁড়ার ন্যায়  জেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনেই  সফল প্রাথমিক শিক্ষক  চাকরি প্রার্থীদের  আমরন অনশন। হাইকোর্টের আদেশে  নিয়োগপত্রের দাবীতে আমরণ অনশন। প্রায় ১০০ জন  ২০০৯-১০ সালের  সফল প্রাথমিক শিক্ষক  চাকরি প্রার্থী প্রার্থীরা  এই অনশনে সামিল।। রবিবার সন্ধায় শুরু হওয়া এই অনশন অনির্দিষ্ট কালের জন্য চলবে বলে জানিয়েছেন অনশন রত চাকরি প্রার্থীরা। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অনশনরত দুইজনের শারিরিক অবস্থার গুরুতর অবনতি হওয়ায় মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জানা যায় যে রাজ্যের সমস্ত প্রাথমিক স্কুল গুলিতে শিক্ষক নিয়োগের জন্য ২০০৯ সালে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকার। ২০১০ সালেই রাজ্যের সমস্ত জেলাতে পরীক্ষা নেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদগুলি কিন্তু মালদা জেলাতে ফলাফল প্রকাশ হয়নি। অন্যান্য জেলায় লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হওয়ার পর সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে  নিয়োগ হয় ।  বাম শাসনের পতনের পর ২০১২ সালে তৃনমূল সরকার ক্ষমতায় এসে  বিগত  সরকারের বিরুদ্বে  দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বাতিল করে দেয় । আবারও নতুন করে মালদায় ১৩৫০টি শূন্য পদের জন্য লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয় ২০১৪সালের মার্চ মাসে। তার ফলও প্রকাশ হয় ২০১৫ সালে এবং ইন্টারভিউ শেষ করা হয়। চূড়ান্ত প্যানেল শিক্ষা দপ্তর দ্বারা অনমোদিত হয় ১১-০৬-১৫ তারিখে।  কিন্তু তার পরেও প্রাথমিকে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়নি সফল প্রার্থীদের হাতে। ফলে হতাশ হয়ে পড়া কয়েক হাজার চাকরি প্রার্থী দ্বারস্থ হয় আদালতের। অবশেষে ২০১৭ সালের ৭ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের বিচারপতি অরিজিৎ ব্যানার্জি। সিঙ্গেল বেঞ্চ ১৪ দিনের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার নির্দেশ দেন। কিন্তু নির্দিষ্ট সময় সীমা পেরিয়ে গেলেও মালদা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ হাই কোর্টের নির্দেশ মানেনি। আর এই অভিযোগ তুলে মুখ্যমন্ত্রীর মালদা সফরের সময় তার  দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য  আমরন অনশনে বসল প্রায় ১০০ জন ২০০৯-১০ সালের প্রাথমিক চাকরি প্রার্থীরা। তাদের দাবি সফল চাকরি প্রার্থীদের হাতে নিয়োগ পত্র তুলে দিক জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ, নতুবা  এই আমরণ অনশন চলতে থাকবে। তারা সংবাদ মাধ্যমের কাছে আবেদন রাখেন যাতে এই বিষয়টি নিয়ে  আগামীকাল  মুখ্যমন্ত্রীর  দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। 

  • মালদা শহর থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে প্রাক্তন সেনাকর্মীর বাড়িতে এক দুঃসাহসিক ডাকাতি।

    ডেস্ক , ১৯ ফেব্রুয়ারি : প্রাক্তন সেনাকর্মীর বাড়িতে এক দুঃসাহসিক ডাকাতি। প্রায় ৩০ জনের  ডাকাতদল গোটা বাড়িতে লুটপাট ও  তাণ্ডব  চালাল বাড়ীতে। এলাকায় শতাধিক বোমাবাজি করে এলাকাকে সন্ত্রস্ত করে দুষ্কৃতীরা লুটপাট চালাল ।  এলাকাবাসীর ক্ষোভও পুলিশের উপরে। পুলিশের সঙ্গে ডাকাতদের গোপন আঁতাত আছে বলে অভিযোগও করছেন তাঁদের একাংশ।   মুখ্যমন্ত্রীর সফরের আগে এই ঘটনা অস্বস্তি বাড়ালো জেলা পুলিশের। শোভানগর গ্রামের ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকার বাসিন্দা মিহির চৌধুরি(৬১) একসময় সেনাবাহিনীতে কাজ করতেন। অবসরের পর সুদের ব্যবসার পাশাপাশি অনেকগুলি আমবাগানও আছে তাঁর। গতকাল রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ তাঁর বাড়িতে হানা দেয় ২৫ থেকে  ৩০ জনের সশস্ত্র ডাকাতদল। ডাকাতি করার আগে এলাকাবাসীদের ভয় দেখাতে দুষ্কৃতীরা প্রায় ৩০  মিনিট ধরে বোমাবাজি করে। গুলিও ছোঁড়ে। এরপর প্রায় ৫০ মিনিট ধরে তারা মিহিরবাবুর বাড়িতে লুঠপাট চালায়। ডাকাতদের হামলায় মিহিরবাবু ছাড়াও আহত হন তাঁর স্ত্রী স্মৃতি চৌধুরি, ছেলে সোনাই ও পুত্রবধূ তৃণা চৌধুরি। রাতেই তাঁদের মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর চারজনকেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ডাকাতির ঘটনায় কত টাকার ক্ষতি হয়েছে তা সঠিকভাবে জানাতে চাননি মিহিরবাবু। তবে পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাতে দুষ্কৃতীরা বাড়ি থেকে ৩ লাখের বেশি টাকা, ৮ ভরির উপর সোনার গয়না সহ একাধিক দামি জিনিসপত্র নিয়ে পালিয়েছে। ডাকাতরা বাঁশের মই নিয়ে নদীপথে ডাকাতি করতে এসেছিল বলেই জানিয়েছেন স্থানীয়রা। মই লাগিয়ে বাড়ির ছাদ দিয়ে ঘরে ঢুকে। ডাকাতরা হিন্দি ভাষায় কথা বলছিল।তারা পালিয়ে যাওয়ার অনেক পরে ঘটনাস্থানে আসে স্থানীয় মিলকি ফাঁড়ির পুলিশ। গ্রামবাসীরা কথায়, বিয়ের মরশুম থাকায় গভীর রাতে বোমা-গুলির শব্দ পেলেও তাঁরা ভেবেছিলেন বিয়ের বাজি ফাটানো হচ্ছে। যতক্ষণে তাঁরা ডাকাতির ঘটনা টের পান, ততক্ষণে প্রায় গোটা গ্রামের দখল নিয়ে ফেলেছে ডাকাতরা। তবে তাঁরা সঙ্গে সঙ্গেই ফোন মারফত বিষয়টি মিলকি ফাঁড়ির পুলিশকে জানায়। কিন্তু, ঘটনাস্থানের মাত্র ৩ কিলোমিটার দূরের ফাঁড়ি থেকে পুলিশের আসতে দেড়ঘণ্টারও বেশি সময় লেগে যায়। তাঁদের ধারণা, এই ডাকাতদলের সঙ্গে পুলিশের যোগসাজশ রয়েছে। সেকারণেই খবর পাওয়ার পরও পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থানে আসেনি। প্রশ্ন উঠেছে ঘটনার আগেই পুলিশের কাছে খবর থাকলেও কেন রোখা গেল না। তবে এপ্রসঙ্গে পুলিশ সুপার অর্ণব ঘোষ বলেন, “গতকালের ঘটনায় দুষ্কৃতীদলকে চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”  

  • পুরাতন মালদা পৌরসভার অন্তর্গত এলাকায় জলনিকাশি ড্রেন তৈরি কাজের শিলান্যাস।

    ড্রেনের কাজের শুভ সূচনা করছেন পুরসভার চেয়ারম্যান কার্তিক ঘোষ ডেস্ক, ১৯শে ফেব্রুয়ারীঃ প্রায় ৪৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে পুরাতন মালদা পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের পাল পাড়ায় শুরু হল হাই ড্রেন তৈরির কাজ। ত্রদিন ড্রেন তৈরির কাজের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন পুরসভার চেয়ারম্যান কার্তিক ঘোষ। জানা যায়, পুরাতন মালদা পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের পাল পাড়া এলাকায় এতোদিন কোন নিকাশি ব্যবস্থা ছিলো না।প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের বসবাস রয়েছে ওই  ফলে অল্প বৃষ্টিতেই রাস্তাঘাটে জল জমে যেতে। এলাকাবাসীদের দীর্ঘদিনের দাবী ছিল যেন এলাকায় একটি জল নিকাশি নালার ব্যবস্থা করা হক। তাদের এতদিনের সেই দাবী পুরন হল আজ।অবশেষে তাদের সেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হল। নগর উন্নয়ন তহবিলের বরাদ্দ ৪৪ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকা ব্যয়ে পাল পাড়ায় শুরু হয় হাই ড্রেন তৈরির কাজ। ত্রদিন উপস্থিত ছিলেন, চেয়ারম্যান কার্তিক ঘোষ, ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার নিপেন পাল,  কাউন্সিলার সৌমেন সাহা সহ অন্যান্যরা।পৌরসভার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসীরা।          পুরাতন মালদা পৌরসভার চেয়ারম্যান কার্তিক ঘোষ জানান, এলাকায় একটু বৃষ্টিতে জল জমে যেত এলাকাবাসীদের দীর্ঘদিনের দাবী ছিল এখানে নিকাশি নালার। সেই দাবীকে মাথায় রেখে এবং  সমস্যার হাত থেকে এলাকাবাসীদের বাঁচাতে একটি হাই ড্রেন করার কথা তিনি লিখিত ভাবে প্রথমে পৌর নগর উন্নয়ন দপ্তরে জানান। এই আবেদন জানানোর পর এই উদ্যোগকে সমর্থন করে পৌর নগর উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী ফিরাদ হাকিম এই কাজের জন্য নগর উন্নয়ন দপ্তর তহবিল থেকে ৪৪,৮৮০০০ টাকা বরাদ্দ করা হয়।  এই কাজের সূচনা করা হল আজ। তিনি আরও বলেন জল নিকাশি  ব্যবস্থার জন্য   তারপরেই শুরু হয়েছে কাজ। 

  • রাস্তার বেহাল দশা নিয়ে পথ অবরোধে হয়রানির শিকার আম জনতা।

    ডেস্ক,  ১৯ ফেব্রয়ারী : গাজোলের দেওতলা ২০ মাইল রাস্তার বেহাল দশা নিয়ে এলাকা বাসী গাজোল- বালুরঘাট জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান । মুখ্যমন্ত্রীর মালদা সফরের আগে এই পথ অবরোধে স্বভাবতই পুলিশ প্রশাসন সক্রিয় হয়ে উঠে।    পরে পুলিস প্রসাশনের আশ্বাসে রাস্তা অবরোধ উঠে যায় । জানা যায় গাজোলের দেওতলা অঞ্চলের ২০মাইল জাতীয় সড়ক থেকে আমলীডাঙ্গা রাস্তা রয়েছে সে রাস্তার অবস্থা দীর্ঘ দিন ধরে বেহাল অবস্থা ।মানুষকে কত কষ্ট করে যাতায়াত করতে হয় ।এ রাস্তা নিয়ে জানুয়ারী মাসে একবার রাস্তা অবরোধ হয়েছিল তক্ষনো আশ্বাস পেয়ে রাস্তা অবরোধ তুলা হয় ।রাস্তার কাজ না হওয়ায়  আবার রাস্তা অবরোধ করেন এলাকা বাসী ।চেকপোষ্ট থেকে আমলীডাঙ্গ পযন্ত রাস্তা রয়েছে কিছুটা কাজ হয়েছে বাকীটা কাজ এখনো হয় নি ।আমলীডাঙ্গা থেকে সাহাজাতপুর হয়ে মাঝড়া হয়ে রাস্তার কাজ শুরু হয়েছে অথচ আমলীডাঙ্গা থেকে চেকপোষ্ট পযন্ত রাস্তা বেহাল থাকা সত্বেও  রাস্তার কাজ হচ্ছে না ।এলাকা বাসীদের দাবী চেকপোষ্ট থেকে এ রাস্তার কাজ করতে হবে বলে তাদের দাবী  ।স্থানীয় আব্বাস আলী ,আফজাল হোসেন রা বলেন গাজোলের দেওতলা অঞ্চলের চেকপোষ্ট থেকে আমলীডাঙ্গা পযন্ত রাস্তার বেহাল দশা দীর্ঘ দিনের ।এলাকা বাসী বহু কষ্টে যাতায়াত করেন ।এ রাস্তা নিয়ে জানুয়ারীর ৪ তারিখ এলাকা বাসী এ রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় তখন প্রসাশনের কাছে আশ্বাস পেয়ে রাস্তা অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। এলাকাবাসী জানান যে আমরা জানতে পারি এ রাস্তার আমলীডাঙ্গা থেকে সাহাজাতপুর অঞ্চল হয়ে রানীগনজ অঞ্চল হয়ে মাঝড়া অঞ্চল,রানীগনজ ১ অঞ্চল হয়ে ১১ কিমি রাস্তার কাজ শুরু হয়েছে প্রধান মন্ত্রী সড়ক যোজনায় ।আমাদের দাবী এ রাস্তার কাজ ২০ মাইল জাতীয় সড়ক থেকে শুরু করতে হবে ।সেই দাবী নিয়ে  তারা আর কোন উপায় নে দেখে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান ।পুলিস প্রসাশনের আশ্বাসে রাস্তা অবরোধ তুলে নেওয়া হয় । অবিলম্বে রাস্তার কাজ না হলে আরো বৃহত্তর আন্দোলনের পথে যাবেন বলে এলাকা বাসী জানান  ।  

  • স্বেচ্ছাসেবি সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে সচেতনতা মূলক র‌্যালি

    ডেস্ক, ১৯শে ফেব্রুয়ারীঃ সাবধানে চালাও, জীবন বাঁচাও এই স্লোগানকে সামনে রেখে এক সচেতনতা  মূলক র‌্যালির আয়োজন করলো কৃষ্ণনগর মহিলা পুরুষ স্বেচ্ছাসেবি সংগঠন। মালদহের হবিবপুর ব্লকের ঋষিপুর অঞ্চল জুড়ে ত্রদিন এই র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। সাবধানে চালাও জীবন বাঁচাও, সুদক্ষ চালক নিয়োগ, রাত্রে ভুটভুটি গাড়িতে আলো জ্বালানো, গাড়ি  চালানোর সময় হেলমেট ব্যবহার  সহ একাধিক বিষয়কে সামনে রেখে কৃষ্ণনগর মহিলা পুরুষ স্বেচ্ছাসেবি সংগঠনের পক্ষ থেকে ত্রদিন এই র‌্যালির আয়োজন করা হয়েছিলো। কৃষ্ণনগর বাসষ্ট্যান্ড থেকে র‌্যালি শুরু হয়ে মাধব নগরে এসে শেষ হয়। র‌্যালিতে পা মেলান শতাধিক পুরুষ এবং মহিলা।  

  • সাহাপুর সেতু থেকে মহানন্দা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী যুবক।

    ডেস্ক,১৯শে ফেব্রুয়ারীঃ  সাহাপুর সেতু থেকে মহানন্দা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্নঘাতি এক প্রতিবন্ধি যুবক। সোমবার সাত সকালে ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই মালদহের সাহাপুর দ্ধিতীয় নম্বর মহানন্দা সেতু এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে আসে। জানা গেছে, মৃত ওই প্রতিবন্ধী যুবকের নাম কৌশিক সাউ। বাড়ি মালদা শহরের কৃষ্ণপল্লি এলাকায়। বৃদ্ধ বাবা এবং সৎ মায়ের সাথে থাকতো কৌশিক। গত ২০ বছর আগে কৌশিকের মায়ের মৃত্যু হয়। এরপর তার বাবা ষষ্ঠী বাবু দ্ধিতীয় বিয়ে করেন। জানা যায়, বাবা দ্ধিতীয় বিয়ে করায় সৎ মা শিবানী দেবীর সাথে মাঝেমধ্যে বচসা লেগে থাকত কৌশিকের। এই নিয়ে গত দুই বছর আগে চলন্ত ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্নহত্যার চেষ্টা করে কৌশিক। সেই সময় সেই প্রাণে বেঁচে গেলেও ডান পা কাটা যায় তার। অভিযোগ রবিবার রাত্রে আবার সৎ মায়ের সাথে ঝগড়া করে বাড়ি থেকে বেড়িয়ে পড়ে কৌশিক। সোমবার সকালে সাহাপুর সেতু থেকে মহানন্দা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্নহত্যা করে কৌশিক। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে গেলে প্রথমে সাহাপুর সেতু থেকে কৌশিকের নকল কাঠের পা উদ্ধার করে, পরে নদী থেকে তার দেহ উদ্ধার করে পুলিশ, ময়না তদন্তের জন্য পাঠায়। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।