মালদা

  • ধোঁয়া মুক্ত করার জন্য মানিকচকের নারায়নপুর চরের বাসিন্দাদের দেওয়া হল বিনামূল্যে এলপিজি গ্যসের কানেকশান।

    মালদা,১৬ জুনঃ ‘ধূনা সে মুক্তি হর ঘর কি সমৃদ্বি’(DHUNA SE  MUKTI HAR GHAR KI SAMRIDHI)  এই স্লোগান কে সামনে রেখে  মালদার মানিকচক ব্লকের অন্তর্গত নারায়ণপুর চরে  অবস্থিত পরিবারগুলোর জন্য প্রশাসনের তরফে বিনামূল্যে এলপিজি গ্যাস ৭৮টি পরিবারকে দেওয়া হলো। এই উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আউওজন করা হয়েছিল। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মালদা জেলা পরিষদের সভাধিপতি  শ্রী  গৌর চন্দ্র মন্ডল এছাড়াও সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত জেলা শাসক অশোক মোদক মানিকচক ব্লকের  বিডিও সুরজিৎ পণ্ডিত ও  ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন  এর অধিকর্তা অভিজিত দে সহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কর্মকর্তারা।গ্যাস সিলিন্ডার গ্যাসের ওভেন সহ বিভিন্ন সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়  ৭৮  টি পরিবারকে। আগামী  দিনে এলাকার সমস্ত পরিবারগুলিকে গ্যাস পরিষেবা দেওয়া হবে এছাড়াও এলাকার সার্বিক উন্নয়নে প্রশাসন নানান কর্মসূচি চালিয়ে যাবে। স্বাভাবিক ভাবেই  একের পর এক সুবিধা পেয়ে পেয়ে খুশি নারায়ণপুরের পরিবারগুলি।

  • শুরুহল মালদার মহা ঐতিয্যবাহী রামকেলি উৎসব ২০১৯

    কার্ত্তিক পাল, মালদা,১৬ জুনঃ শুরুহল মালদার মহা ঐতিয্যবাহী রামকেলি উৎসব ২০১৯ । আজ জৈষ্ঠ্য  সংক্রান্তিতে শুরু হল এই বছরের  রামকেলি উৎসব। কথিত আছে চৈতন্যদেব, রুপ সনাতনের মিলনকে কেন্দ্র করে তিনদিনের এই উৎসব শুরু হয়েছিল। এই রামকেলি উৎসবের শুভ  সূচনা হল আজ। যদিও গতকাল বিকালে রামকেলিতে মদনমোহন জিউয়ের মন্দিরের  সামনে চৈতন্যদেবের মূর্তিতে মালা দিয়ে ও মঞ্চে প্রদীপ জ্বালিয়ে মেলার শুভ উদ্বোধন হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের সভাপতি শ্রী গৌর চন্দ্র মণ্ডল, জেলা শাসক কৌশিক ভট্টাচার্য, জেলা পরিষদের মেন্টর শ্রী কৃষ্ণেন্দু নারায়ন চৌধুরী, ইংরেজবাজারের বিধায়ক ও পুরপ্রধান শ্রী নীহার রঞ্জন ঘোষ। এরপর মঞ্চে শুরু হয় বাউল গান।   ইংরেজবাজারের বিধায়ক ও পুরপ্রধান শ্রী নীহার রঞ্জন ঘোষ রামকেলির  বাদুল্লাবাড়ীতে চৈতন্যদেব, রুপ সনাতনের মূর্তির উদ্বোধন করেন। মালদার ইতিহাস থেকে জানা যায়, এক সময় বাংলার রাজধানী ছিল গৌড়। তৎকালীন গৌড়ের বাদশা ছিলেন হুসেন শাহ। তার মন্ত্রীসভার দুই সদস্য ছিলেন রুপ সনাতন গোস্বামী।  ১৫০৯ খ্রিস্টাব্দে রামকেলিতে মদনমোহন জিউয়ের মন্দিরের প্রতিষ্ঠা করেন তারা। বৃন্দাবনের মত এখানেও আটটি পুকুর খনন করেন। এবং এই রামকেলিকে তারা বৃন্দাবনের আদলে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। যার ফলে রামকেলি গুপ্ত বৃন্দাবন নামে পরিচিত হয়। কথিত আছে ১৫১৫ খ্রিস্টাব্দের জৈষ্ঠ্য সংক্রান্তিতে চৈতন্যদেবের পদার্পণ ঘটেছিল এই রামকেলিতে। মদনমোহন জিউয়ের মন্দির সংলগ্ন কদম্ব ও তমাল গাছের ছায়ায় চৈতন্যদেবের সাথে দেখা হয়েছিল রুপ সনাতন গোস্বামীর। তারপর থেকে এই দিন্টীকে স্মরণীয় করে রখার জন্য রামকেলি উৎসব শুরু হয়। শনিবার সকাল থেকে আসতে শুরু করেন বৈষ্ণব বৈষ্ণবীরা, সাধু সন্তরা ও সাধারন ভক্তরা। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা, আসাম, বিহার ও ঝাড়খন্ড থেকে দলে দলে ভক্তরা এসে মন্দির চত্বর দখল করেন তারা। গোটা রামকেলি গ্রাম জুড়ে বসে গিয়েছে হরেক রকমের দোকান। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহায়তা কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এ ছাড়াও সীমান্তের পাশাপাশি হওয়াতে পুলিশ প্রশাসন নিরাপত্তা ব্যাবস্থা জোরদার করেছেন।     

  • ভস্মীভূত গৃহস্থ বাড়ি, দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি নিয়ে অসহায় দম্পতি প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে

    মালদা,১৬ই জুনঃ আগুনে সব কিছু খুইয়ে এক অসহায়  দম্পতি বিচারের আশায় প্রশাসনের বিভিন্ন দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কিন্তু  আজ পর্যন্ত সামান্য সহানুভূতি পাননি প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে।  নিরুপায় হয়ে সংবাদ মাধ্যমের দ্বারস্ত হয়েছেন। ঘটনাটি গত মাসের ৯তারিখের অর্থাৎ  গত 9 মের ঘটনা। মালদহের ইংরেজবাজার থানার সেকান্দরপুর গ্রামে সেই দিন রাত সাতটা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে। ভয়াবহ এক অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত হয়ে যায় ওই গ্রামের বাসিন্দা সুকেশ গুপ্তের বাড়িঘর। নগদ দেড় লক্ষ টাকা, আধার কার্ড, ভোটার কার্ড সমস্ত নথি এমন কি বাড়িতে থাকা আসবাবপত্র, এক কথায় পরনে থাকা কাপড় ছাড়া সমস্ত কিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়। সর্বস্ব হারিয়ে এখন খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিয়েছে সুকেশ গুপ্ত তার স্ত্রী শম্পা গুপ্ত, তাদের বৃদ্ধ মা এবং তাদের ছোট্ট দুই ছেলে মেয়ে। সুকেশ গুপ্ত এবং তার স্ত্রী শম্পা গুপ্তের  অভিযোগ, সেদিন রাতে তারা স্থানীয় দুই বাসিন্দা খগেন ঘোষ এবং দুলাল ঘোষ কে তাদের বাড়িতে আগুন লাগিয়ে বেরিয়ে আসতে দেখেন। স্থানীয় একটি জায়গায় গোবর ফেলা নিয়ে গন্ডগোল এর জেরে তারা বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয় বলে অভিযোগ করেছেন ওই দম্পতি। তাদের আরও অভিযোগ এই ঘটনার পর মিল্কি পুলিশ ফাঁড়ি এবং ইংরেজবাজার থানায় অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি নিয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগ, দোষীদের গ্রেপ্তার না করে বার বার হেনস্থা করা হয় ওই দম্পতিকে। এরপর পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হয় ওই দম্পতি। তার পাশাপাশি ইংরেজবাজার বিডিওকেও ক্ষতিপূরণ এবং দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। কিন্তু কোন  লাভ হয়নি বলে অভিযোগ করেন ওই দম্পতি। এদিন  সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিদের কাছে পেয়ে তাদের আক্ষেপের কথা তুলে ধরেন ওই দম্পতি। আমাদের মাধ্যমে পুলিশ প্রশাসনের কাছে  তার করুন কন্ঠে আবেদন  যাতে দোষীদের গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়। এ ব্যাপারে ইংরেজবাজার থানার সাথে যোগাযোগ করেও কোন জবাব পাওয়া যায়নি।

  • মানিকচক থানা পুলিশের সাফল্য,মানিকচক উচ্চ বিদ্যালয়ের চুরি যাওয়া কম্পিউটার সামগ্রী উদ্ধার

    ১৫জুন,মালদা : ধারাবাহিক সাফল্য মালদার মানিকচক থানার।বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনার অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে সাফল্য পেলো মালদার মানিকচক থানার পুলিশ।  চুরি যাওয়া কম্পিউটার সামগ্রী সহ গ্রেফতার চার যুবক।দ্রুত চুরির সামগ্রী উদ্ধার হওয়ায় মানিকচক পুলিশকে ধন্যবাদ জানাচ্ছেন বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।ধৃত চারজনকেই মালদা জেলা আদালতে পেশ করেছে মানিকচক থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানাগেছে, ধৃতরা হলেন সিদ্ধার্থ দাস(২০)স্নাতক স্তরের প্রথম বর্ষের ছাত্র।দীপঙ্কর লালা(১৯),চন্দন মন্ডল(২০) ও অভিজিৎ মন্ডল(২০)।ধৃতরা সকলেই মানিকচক থানার ধরমপুর অঞ্চলের ঝাইটনটোলা গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশ জানিয়েছে,মানিকচক উচ্চ বিদ্যালয়ের কম্পিউটার রুমে চুরির ঘটনায় অভিযোগ জমা পরে গত ১৪ ই জুন।সেই অভিযোগের তদন্তে নামে পুলিশ।গোপন খবর পেয়ে শুক্রবার রাতে ওসি দেবব্রত চক্রবর্তীর নেতৃত্বে পুলিশ বাহিনী অভিযান চালায় ঝাইটনটোলা গ্রামে।ধৃতদের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ উদ্ধার করে বিদ্যালয়ে চুরি যাওয়া সমস্ত কম্পিউটার সামগ্রী।উদ্ধার হয় ৪ টি মনিটর, ৪ টি সিপিইউ মেশিন, ৪টি ব্যাটারি সহ কম্পিউটারের একাধিক সামগ্রী।পুলিশের জেরায় গত ৮ তারিখ রাতে চুরির ঘটনার কথা স্বীকার করেছে ধৃতরা বলে জানিয়েছে পুলিশ। বিদ্যালয় সূত্রে জানাগেছে, গত ১০ তারিখ বিদ্যালয় খুলে।তার আগে বিদ্যালয়ে চলছিলো নানান কাজ।রঙের কাজে যুক্ত ছিলো এই চারজন।যারা এই বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র।১৩ জুন বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানতে পারেন কম্পিউটার বিভাগে চুরির ঘটনার কথা।পরদিন অর্থাৎ ১৪ ই জুন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শ্রুতি কুমারী মানিকচক থানায় অভিযোগ দায়ের করে।তারপরই পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে চুরি যাওয়া সামগ্রী উদ্ধার করা সহ চার চোরকে পাকড়াও করেন।পুলিশের এই দ্রুত এই চুরির কিনারা করায় খুশি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শ্রুতি কুমারী। এদিন ধৃত চারজনকেই মালদা জেলা পেশ করেছে মানিকচক থানার পুলিশ।সাথে উদ্ধার হওয়া সামগ্রী  বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ফিরিয়ে দিতে আইনি পদক্ষেপ শুরু করেছে পুলিশ।

  • বিশ্ব রক্তদাতা দিবস উদযাপন মালদা শহরে

    News Bazar24 : আজ ১৪ ই জুন বিশ্ব রক্তদাতা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠিত হয় শহরের সেবা নিকেতন ভবনে । সেন্ট জন অ্যাম্বুলেন্স, ভারতীয় রেডক্রস সোসাইটি, ভারত স্কাউট অ্যান্ড গাইড মালদা জেলা শাখা যৌথ ভাবে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান উদ্দেশ্য ছিলো রক্তদান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, রক্তদাতা উদ্বুদ্ধকরণ, কুইজ এবং রক্তের জন্য হাঁটুন । আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ডা: ডি সরকার, সম্পাদক রেডক্রস সোসাইটি, সৌমিত্র সরকার সম্পাদক সেন্ট জন অ্যাম্বুলেন্স, নিরঞ্জন প্রামানিক ভারত স্কাউট অ্যান্ড গাইড, এছাড়া আশিস কুন্ডু কাউন্সিলর। কুইজ পরিচালনা করেন আশিস বাগ মালদা মিডিয়াম ক্লাবএর সদস্য। এছাড়া অনিল সাহা, সুরজিৎ মন্ডল রক্তদাতা উদ্বুদ্ধকরণ আলোচনা করেন। সংগীত পরিবেশন করেন রতন দাস, আর পি রায় ব্লাইন্ড স্কুল। সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠান এর সমাপ্তি করেন তড়িৎ ওঝা সেন্ট জন অ্যাম্বুলেন্স। প্রশিক্ষণে মোট 90 জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

  • মালদার বাইক চালকরা সাবধান। গত দুইদিনে শহরের বিভিন্ন রাস্তা থেকে ভর সন্ধ্যায় প্রায় ৮০ ৯০ টি বাইক উধাও।

    News Bazar24: মালদার বাইক চালকরা সাবধান। গত দুইদিনে শহরের বিভিন্ন রাস্তা থেকে ভর সন্ধ্যায় প্রায় ৮০ ৯০ টি বাইক উধাও। এই বাইক গুলো প্রত্যেকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তার ধরে পার্ক করে কোনো দোকানে বা বাজারে ব্যস্ত ছিলেন। তারা ফিরে দেখেন বাইক নেই। কেবল রবীন্দ্র এভিনিউ থেকেই গত দুদিনে ৮৫ টি বাইক উধাও। যদিও এই ব্যাপারে পুলিশের ও অভিমত মানুষ সচেতন না হলে প্রতিদিনই বাইক হারানোর ঘটনা ঘটতে পারে। তাই পুলিশের কিছু করার নেই , মানুষকেই যেখানে সেখানে পার্ক করা বন্ধ করতে হবে। ট্র্যাফিক ওসি তরুণ সাহা জানান, মানুষকে অনেক দিন ধরেই বলা হচ্ছে যেখানে সেখানে বাইক পার্ক করে ঘুরে বেড়াবেন না। এর পরেও মানুষ কথা না শুনলে এমন তো হবারই কথা। আপনি কি জানেন মলদা শহরের রাস্তা থেকে কি ভাবে হচ্ছে গাড়ি উধাও। দেখতে দেখুন ভিডিও….

  • চিরতরে বিদায় নিল z(জেট) নামের এই পোষ্যটি

    2016 সালে Dog show তে বেস্ট award বিজেতা ও .পৃথিবী থেকে চিরতরে বিদায় নিল z(জেট) নামের এই পোষ্যটি।। তার আত্মার শান্তি কামনায় আমরা সবাই।

  • GKCIET তে বি এস এফ জওয়ানদের জন্য বিশেষ স্বল্পমেয়াদি কোর্সের উদ্বোধন।

    আয়ুব আনসারি : গণি খান চৌধুরি ইন্সটিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি (GKCIET)-র ডিপার্টমেন্ট অব মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর উদ্যোগে আজ 10ই জুন 2019 উদ্বোধন হল বি. এস. এফ জওয়ান টেকনিশিয়ানদের জন্য এক বিশেষ স্বল্পমেয়াদি কোর্স "এডভান্স অটোমোটিভ টেকনিশিয়ান ট্রেনিং ফর বি. এস.এফ এমপ্লয়িজ" । বি.এস.এফ. দের নিজস্ব যানবহনের আধুনিক প্রযুক্তির খুঁটিনাটি নিয়ে দু-সপ্তাহ মেয়াদের এই কোর্সের সুবিধে আপাতত পরপর তিনটি ব্যাচে বি এস এফ এর টেকনিশিয়ানরা নিতে পারবেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বি এস এফ এর তরফে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি কম্যান্ড্যান্ট পারভীন লোচাব সহ এসিস্টেন্ট কম্যান্ড্যান্ট ও প্রথম ব্যাচের 15 জন ট্রেনি, এবং ইন্সটিটিউট এর তরফে উপস্থিত ছিলেন ডিপার্টমেন্ট অব মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর বিভাগীয় প্রধান হাবিব মাসুম সহ বাকি বিভাগীয় প্রধানরা, ডিন একাডেমিক, এসিস্টেন্ট রেজিস্ট্রার এবং ইন্সটিটিউটের ফ্যাকাল্টি ও স্টাফ রা। প্রতিষ্ঠানের নির্দেশক প্রফেসর পি আর আলাপাতি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে না পেরেও অনুষ্ঠানের সাফল্য কামনা আর শুভেচ্ছা বার্তা পৌঁছেদেন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর বিভাগীয় প্রধান হাবিব মাসুমের মাধ্যমে ।

  • মালদার চাইল্ড লাইন এর উদ্যোগে "নিরাপদ কটেজ হোমের কৃতি আবাসিক ছাত্রদের অভিনব সংবর্ধনা

    কার্ত্তিক পাল, মালদা, ১৩ই জুনঃ  আজ মালদার চাইল্ড লাইন এর উদ্যোগে  হায়দারপুর শেল্টার অব মালদা দ্বারা পরিচালিত ও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সমাজ কল্যাণ দপ্তর দ্বারা সাহায্যপ্রাপ্ত নিরাপদ কটেজ হোমের কৃতি ছাত্রদের ও অন্যান্য আবাসিকদের সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি এক প্রেস মিটের আয়োজন করা হয়। প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে এই মহতী অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন মালদা জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক শ্রী অশোক কুমার মোদক, মহাশয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিস্ট্রিক্ট লিগাল সার্ভিস অথরিটির সম্পাদক তথা সাব জজ  মাননীয় শ্রী অনিল কুমার কশুয়া, চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটি চেয়ারপারসন মাননীয়া শ্রীমতি চৈতালী সরকার, জনশিক্ষা প্রসার দপ্তর এর সহ অধিকর্তা মাননীয় শ্রী সঞ্জয় বন্দ্যোপাধ্যায়,জেলা সমাজ কল্যাণ আধিকারিক মাননীয় শ্রী অরিন্দম ভাদুড়ী, ডি পি ও, আই সি ডি এস মাননীয় শ্রী অশোক কুমার পোদ্দার, নিরাপদ হোমের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রাণ পুরুষ ডাক্তার এস এন শর্মা, জেজেবি এর সদস্য শ্রীমতি কস্তুরী চ্যাটার্জী প্রমূখ। এই অনুষ্ঠানে  শ্রী পঙ্কজ মণ্ডল  যে মাধ্যমিক পরীক্ষায় স্টার মার্ক পেয়ে উত্তীর্ণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় স্টার মার্ক পেয়ে উত্তীর্ণ হওয়ায় পশ্চিমবঙ্গে প্রথম কোন হোমের আবাসিক হিসাবে কৃতিত্ব অর্জন করেছে। তার এই কৃতিত্ব কে কুর্নিশ জানিয়ে   তাকে সংবর্ধনা দেওইয়া হয় পাশাপাশি এবছরের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক উত্তীর্ণ হওয়া অন্যান্য  আবাসিকদের সংবর্ধনা দেওয়া হয় স্থানীয় রোটারি ভবনে।  এই অনুষ্ঠানে গৃহশিক্ষক, সুপার ও ২০০৯  সাল থেকে যার উদ্যোগে এই নিরাপদ হোমের শিশুরা সমাজের মূল স্রোতে  ফিরতে পেরেছেন  তিনি হলেন ডাক্তার এস ,এন , শর্মা মহাশয় কে সম্মান জ্ঞাপন করা হয় মালদা চাইল্ড লাইন এর পক্ষ থেকে।             এই উপলক্ষে এই নিরাপদ কটেজ হোমের  প্রতিষ্ঠাতা প্রাণপুরুষ ডাক্তার এস এন শর্মা বলেন আমার পেশা ডাক্তারির মধ্য দিয়ে আমি যেমন মানুষের সেবা করি তেমনি সমাজের  পিছিয়ে পড়া মানুষে যারা পরিবেশের অভাবে অর্থের অভাবে সুযোগের অভাবে দুস্থ হয়ে গেছে তাদের জন্য কিছু করার তাগিদে মাত্র ৫০ জন ছেলেকে নিয়ে আমরা২০০৯ সালে  শুরু করেছিলাম নিরাপদ কটেজ হোম। সহযোগিতা পেয়েছিলাম আরও বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে। তাইতো এই ৫০ জন ছেলেদের আমরা মানুষের মত মানুষ করার চেষ্টা চালিয়ে যাছি। এখনও আমাদের এই প্রচেস্টা অব্যাহত আছ। তারই ফলশ্রুতি স্বরুপ এই হোম থেকে বেরিয়ে এসেছে পঙ্কজ মণ্ডল ও কুস পাহাড়ীর মত আরও অনেক কৃতি ছাত্ররা। এবং আমাদের আশা আমরা আগামীদিনে মালদা জেলায় আরও অনেক কৃতি ছাত্র উপহার দিতে পারব। এবং আমাদের ইচ্ছা আছে যে এই কৃতি ছাত্ররা যাতে সমাজের বৃহত্তর বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে পারে তার জন্য আমরা তাদের সাহায্য করে যাব।           

  • রক্তের জন্য ১২ টি রাজ্য ঘুরে বেরালেন জয়দেৰ রাউত, কিন্তু কেন ?

    News Bazar24: রক্ত দান করুন। আপনার দায়িত্ব পালন করুন, এই বার্তা নিয়ে ভারতের বভিন্ন রাজ্য খালি সাইকেল চালিয়ে ঘুরলেন হুগলীর জয়দেব রাউত। তিনি ১২ টি রাজ্যের ৭০০০ কিমি ঘুরে এদিন পৌঁছলেন মালদা শহরে। সেখান থেকে জয়েদেব বাবু পাড়ি দেবেন উত্তরের পাহাড়ি পথে । এদিন মালদার সেলিব্রেটি রেস্তরাঁর অনুষ্ঠান কক্ষে এক সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে জয়দেব রাউতকে সমর্ধনা দেওয়া হয়। মালদা মিডিয়াম ক্লাবের পক্ষ থেকে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় ।