উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর

  • মায়ের জমি কেড়ে নিয়ে মারধর করে তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ একমাত্র ছেলে ও পুত্রবধূর বিরুদ্ধে।

    ডেস্ক , ৫ মার্চ:    দক্ষিন দিনাজপুরের হিলি থানার ধলপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের চকদাপট এলাকায়  মায়ের জমি হাতিয়ে নিয়ে মাকে কে মারধর করে তাড়িয়ে দেওয়ার  অভিযোগ উঠল একমাত্র ছেলে ও পুত্রবধূর বিরুদ্ধে। ঘটনায় শনিবার হিলি থানার পর সোমবার জেলা পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেন দিপালী ঘোষ(৫৫) নামে এক অসহায় মহিলা। ছেলে সহ মোট তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। জানা গিয়েছে, দিপালী ঘোষের স্বামী প্রলয় চন্দ্র ঘোষ মারা যাওয়ার পর তার স্বামীর চাকরি পায় তার একমাত্র ছেলে প্রণব ঘোষ। অভিযোগ,  ছেলে চাকরি পাওয়ার পর থেকেই দিপালী ঘোষের উপর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার চালাতে থাকে ছেলে। ঘটনায় ২০১৬ সালে হিলি থানায় ছেলের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন আক্রান্ত মহিলা। এমনকি জেলা পুলিশ সুপারের কাছেও লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করলেও অজানা কোনও কারণে পুলিশ ঘটনার তদন্ত করেনি বলেই অভিযোগ। এমনকি পুলিশ অভিযুক্তকে আটক বা গ্রেপ্তারও করেনি। এরপর আদালতে মামলা দায়ের করেন দিপালীদেবী। বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়ায়  বালুরঘাটে ভাড়া বাড়িতে চলে আসেন তিনি। এরপর ছেলে নিজের ভুল স্বীকার করে দিপালীদেবীকে বাড়িতে নিয়ে যায় এবং আদালত থেকে সব অভিযোগ মাকে দিয়ে প্রত্যাহার করে নেয়। তার মাস খানেক পর থেকে  দিপালীদেবীর উপর মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার শুরু করে ছেলে। মায়ের নামে থাকা তিন বিঘে জমি লিখে নেওয়ার চেষ্টা করে। অবশেষে অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে মাস খানেক আগে ফের বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন দিপালীদেবী। দুই মেয়ে সহ অন্যান্য আত্মীয়দের বাড়ি থাকছেন তিনি। শনিবার ফের একবার হিলি থানায় ছেলে সহ মোট তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। হিলি থানায় অভিযোগের পরেও কোনও কাজ না হওয়ায় এদিন ফের জেলা পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হয় ওই অসহায় মহিলা।  

  • দক্ষিন দিনাজপুরের প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে গঙ্গারামপুরে সাংসদ অর্পিতা ঘোষের ছবিতে জুতার মালা।

    ডেস্ক, ২ মার্চঃ  দক্ষিন দিনাজপুরের  প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়  গঙ্গারামপুরের বদলে  বালুরঘাটে  বিশ্ববিদ্যালয় হবে এই ঘোষণার পরই ক্ষুব্ধ ওই এলাকার মানুষজন গঙ্গারামপুর চৌমাথা মোড় এলাকায় বালুরঘাটের সাংসদ অর্পিতা ঘোষের ছবিতে জুতোর হার পরিয়ে গো ব্যাক শ্লোগান লেখা ব্যানার ঝোলানো হয়েছে। এই ঘটনায়  নিন্দা করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় উঠতেই গতকালই পোস্টারটা খুলে ফেলা হয়েছে।  এই  পোস্টার কারা  লাগালো  তা পুলিশ প্রশাসনের জানা নেই বলে জানা গেছে।  উল্লেখযোগ্য  চলতি মাসের ২১ ফেব্রুয়ারি গঙ্গারামপুর স্টেডিয়ামে সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন দক্ষিণ দিনাজপুরে বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির কথা। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর  জেলার গঙ্গারামপুরে শুরু হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য জমি দেখা, অন্যদিকে  গত মঙ্গলবার  বালুরঘাটের মাহিনগর এলাকায় জমি পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসনিক আধিকারিকরা। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য গঙ্গারামপুরে জমি পরিদর্শনের পরই বালুরঘাটবাসীরা সোশ্যাল মিডিয়া থেকে পথে নেমে আন্দোলনে নামেন। বালুরঘাটে বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির দাবি জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থও হয়েছেন বালুরঘাটে একটি নাট্য সংস্থা। ইতিমধ্যে একশোর বেশি পোস্ট কার্ড পাঠানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। একই ভাবে বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টিতে আনতে সোশ্যাল মিডিয়ায়ও এক ভাবে আন্দোলন চালানো হয়। অবশেষে গত বুধবার বিধানসভা চলাকালীন বালুরঘাটের বিধায়ক বিশ্বনাথ চৌধুরীর  প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জী সাফ জানান বিশ্ববিদ্যালয় বালুরঘাটেই হবে। বালুরঘাটে বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ার পিছনে অবদান রয়েছে বালুরঘাটের সাংসদ অর্পিতা ঘোষের। এই ঘটনার পর গতকাল গঙ্গারামপুরের চৌমাথা মোড় এলাকায় অর্পিতা ঘোষ গো ব্যাক ব্যানার পরে। এমনি সেই ব্যানারে সাংসদের ছবিতে জুতোর মালা পড়িয়ে দেওয়া হয়। এদিকে বিষয়টি জানাজানি হতেই এনিয়ে তৃণমূল জেলা কংগ্রেসের নেতা মন্ত্রীদের পক্ষ থেকে সোশ্যাল মিডিয়া প্রতিবাদ  করা হয় । বিষয়টি নজরে আসতেই পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেই ব্যানার খুলে ফেলা হয়।  ব্যানারটির ঠিক নিচে লেখা রয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুরের মধ্যবর্তী স্থান গঙ্গারামপুরে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পক্ষে নাগরিক মঞ্চ। জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করা হয়েছে।

  • রায়গঞ্জ বসন্ত উৎসব কমিটির উদ্যোগে মহাসমারোহে পালিত হল দোল উৎসব, সামিল কচিকাঁচা থেকে শুরু করে সকল বয়সের মানুষ।

    রায়গঞ্জ, ১ মার্চ: রাজ্যের অন্যান্য অংশের ন্যায় উত্তর দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন অংশের মানুষ দোলের আনন্দে মাতোয়ারা। হাওয়ায় এখন হালকা ঠান্ডার আমেজ। বসন্ত এসেছে। বসন্ত মানেই দোল উৎসব।  হলুদরঙা শাড়ি আর লাল পলাশের সাজে আজ যেন শুধুই আনন্দ রঙিন হয়ে অপরকে রাঙাবার। রায়গঞ্জ বসন্ত উৎসব কমিটির উদ্যোগে  বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়েছিল। অংশ নিয়েছিল  কচিকাঁচা থেকে যুবক-যুবতীরা ।রায়গঞ্জ বসন্ত উৎসব কমিটির বসন্ত উৎসব এবারে চতুর্দশ বৎসরে পদার্পণ করল। রায়গঞ্জ শিলিগুড়ি মোড় থেকে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে শুরু হয় এবারের বসন্ত উৎসব। শহরের দু’প্রান্ত থেকে দুটি শোভাযাত্রা মিলিত হল রায়গঞ্জ করোনেশন হাইস্কুল প্রাঙ্গণে। নৃত্যানুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে  বসন্তের রঙিন উন্মাদনায় মাতল  প্রতিটি মানুষ। রায়গঞ্জ বসন্ত উৎসবে অংশ নিলেন রায়গঞ্জের বিধায়ক মোহিত সেনগুপ্ত। ইটাহারে  হাই স্কুল মাঠে বসন্ত উৎসবে মেতে উঠল কচিকাঁচা থেকে শুরু করে যুবক যবতী সকলে । এই উৎসব কে ঘিরে ইটাহারে সাজো সাজো রব। সকল বয়সের মহিলা পুরুষ হাতে হাত মিলিয়ে উৎসবকে সাফল্য মণ্ডিত করে তোলেন। এদিন ইটাহারে একটি বর্ণাঢ্য  শোভাযাত্রা বের করা হয়   উৎসব কমিটির পক্ষ থেকে।  বিভিন্ন রঙের  আবিরে রেঙে ওঠে মাঠ প্রাঙ্গণ। বসন্ত উৎসব এর গানের তালে তালে নৃত্যা অনুষ্ঠানে পা মেলায় ইটাহারের বহু মহিলা থেলে কচিকাঁচারা। সামিল  রাজনৈতিক দলের নেতারাও । এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইটাহারের বিধায়ক অমল আচার্য, ব্লক শিক্ষা কর্ম্যাধক্ষা পম্পা চৌধুরী, ইটাহার পঞ্চায়েত প্রধান বনশ্রী সাহা, বসন্ত উৎসব কমিটির সম্পাদক সত্য দাস, সদস্য অজয় চৌধুরী, বিশিষ্ট ব্যক্তি শৈলেন চৌধুরী সহ অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি সহ ইটাহারের আপামর জনসাধারণ।

  • কুশমণ্ডির আদিবাসী মহিলাকে গনধর্ষনের প্রতিবাদে ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে দুই দিনাজপুরে আদিবাসী বিক্ষোভ।

    ডেস্ক ,২৮ ফেব্রুয়ারিঃ  কুশমণ্ডির  দেহাবন্দ এলাকায় আদিবাসী  মহিলাকে গনধর্ষনের ঘটনার প্রতিবাদে ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বুধবার দিনভর উত্তর দিনাজপুর জেলা জুড়ে বাইক মিছিল করল আদিবাসী সংগঠন, আদিবাসী সমাজ শিক্ষণ ও সংস্কৃতি সংস্থা। জেলার প্রায় প্রতিটি ব্লকেই বাইক মিছিল করে আদিবাসী মহিলা নির্যাতনের প্রতিবাদ জানানোর পর সন্ধ্যায় রায়গঞ্জ শহরের শিলিগুড়ি মোড়ে একটি পথসভাও করা হবে বলে জানিয়েছেন আদিবাসী সংগঠনের নেতৃত্ব। সকাল আট’টা থেকে সন্ধ্যা সাত’টা পর্যন্ত চলবে এই বিক্ষোভ মিছিল। শুধু রায়গঞ্জেই নয়, ইটাহার ব্লকের আদিবাসীরাও বিভিন্ন সংগঠনের তরফে দোষীদের শাস্তির দাবিতে  এদিন কয়েকশ আদিবাসী সাধারণ মানুষ তির ধনুক নিয়ে বাইক মিছিল করে ইটাহার চৌরাস্তা মোড়ে পথ সভা করে। সংগঠনের তরফে সেখানেই বক্তব্য রাখেন আদিবাসী সংগঠনের নেতা রবিন কিস্কু, রতন মারডি, বরো কিস্কু, শ্যাম পাহান সহ অন্যান্যরা। আদিবাসীদের এই কর্মসূচিকে ঘিরে সকাল থেকেই উত্তর দিনাজপুর জেলা জুড়ে ছিল কড়া পুলিশি ব্যবস্থা। পাশাপাশি আজ দক্ষিন দিনাজপুরের  বুনিয়াদপুরে তির-ধনুক নিয়ে পথ অবরোধ করে আদিবাসী সমন্বয় কমিটি ও আদিবাসী ভূমি রক্ষা কমিটি। পথ অবরোধ শেষে গঙ্গারামপুর  মহকুমাশাসকের কাছে ডেপুটেশন দেওয়া হয়। এদিকে, ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে রামপ্রবেশ শর্মা ও আন্ধারু বর্মণ নামে দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আদিবাসী সংগঠনের দাবি, এই ঘটনায় আরও অনেকে জড়িত আছে। দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে আজ বুনিয়াদপুর চৌমাথা মোড়ে পথ অবরোধ করে আদিবাসী দুটি সংগঠন। ইটাহার-হরিরামপুর হয়ে একটি মোটরবাইক মিছিল বুনিয়াদপুর পৌঁছায়। এরপর বুনিয়াদপুরে পথ অবরোধ করা হয়। ঘটনায় জাতীয় সড়ক ও রাজ্য সড়ক অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। পরে গঙ্গারামপুর মহকুমাশাসক দেবাঞ্জন রায়ের কাছে লিখিত ডেপুটেশন দেওয়া হয় সংগঠনের পক্ষ থেকে। এবিষয়ে আদিবাসী সংগঠনের অন্যতম নেতা মঙ্গল হাঁসদা বলেন, “ঘটনায় অভিযুক্তদের শাস্তি চাই। পুলিশ প্রশাসনকে দেখতে হবে আগামীদিনে আদিবাসী মা-বোনদের উপর এই ধরনের অত্যাচার যেন আর না ঘটে।” গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন মহকুমাশাসক।

  • দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা জুড়ে সাট্টার রমরমা বন্ধে পুলিশী অভিযান।

    ডেস্ক,২৭শে ফেব্রুয়ারীঃ  দীর্ঘ দিন ধরে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা জুড়ে সাট্টার খেলা চলছে। ইদানিং এই সাট্টার  বিক্রি অসম্ভব ভাবেই বেড়ে চলেছে। এই সাট্টা কেনা বেচায় বহু সংসার পথে যেতে বসেছে।  পুলিশ প্রথম থেকে এই ব্যাপারে কড়া ছিল  না, কিন্তু বর্তমানে এই সাট্টা  বিক্রি বন্ধ করতে জেলার বালুরঘাট  শহরে  পথে নামে বালুরঘাট থানার পুলিশ। বালুরঘাট শহর এলাকার পাওয়ার হাউস এলাকা থেকে পুলিশ হানা দিয়ে প্রায় ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করে। এদের মধ্যে বেশির ভাগই ক্রেতা বলে জানা যায়। দিনের পর দিন এই শহরে বেড়েই চলেছে সাট্টার দৌড়াত্ম্য। এই সাট্টা কেনা বেচায় বহু সংসার বসে যেতে বসেছে। অশান্তিও লেগে আছে বহু সংসারে। দিনের পর দিন অভিযোগের পাহাড় জমে যায় থানায়। এরপরই বালুরঘাট থানা হানাদিয়ে হাতে নাতে ধরে ১৫ জন ক্রেতা বিক্রেতাকে। বালুরঘাট থানা সুত্রে জানা যায়, তাদের প্রত্যেক কে জামিন অযোগ্য ধারা দিয়ে বালুরঘাটে জেলা আদালতে পাঠানো হয়েছে ।

  • বালুরঘাটে পাঁচ বছরের শিশুকে যৌন নির্যাতন করার অভিযোগে নিজের খুড়তুতো দাদুর বিরুদ্বে।

    ডেস্ক , ২৬ ফেব্রুয়ারি  :  বালুরঘাট থানার ভাটপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ভূষিলা এলাকায় পাঁচ বছরের শিশুকে যৌন নির্যাতন করার অভিযোগে  নিজের খুড়তুতো দাদু গৌড় মালি’কে(৪৫)গ্রেপ্তার করে বালুরঘাট থানার পুলিশ।  সোমবার ধৃতকে বালুরঘাট জেলা আদালতে তোলা হয়। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বালুরঘাট থানার পুলিশ। অন্যদিকে নিগৃহীতা শিশুটিকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য বালুরঘাট হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার বিবরনে  জানা যায় গত ২১শে ফেব্রুয়ারি বুধবার দুপুরে শিশুটির মা ও বাবা ব্যাঙ্কের কাজে পাশের গ্রাম গিয়েছিল। সেই সময় ছোটো বোনকে নিয়ে বাড়িতে একাই ছিল শিশুটি। সেই সুযোগে তার কাকা অর্থাৎ শিশুটির খুড়তুতো দাদু তাকে ডেকে নিয়ে গিয়ে যৌন নির্যাতন করে বলে অভিযোগ। তার মা ও বাবা ফিরে এলে  শিশুটি তার বাবা-মা কে পুরো ঘটনাটি জানালেও তারা প্রথমে বিশ্বাস করেননি। কিন্তু শনিবার থেকে শিশুটির গোপনাঙ্গে জ্বালা অনুভব করায় এবং অসুস্থ হয়ে পড়লে বাড়ি লোক বিষয়টি বুঝতে পারেন। সঙ্গে সঙ্গে তাকে বালুরঘাট হাসপাতালে ভরতি করা হয়। রবিবার বিকেলে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয় তাকে। এদিকে বালুরঘাট জেলা হাসপাতালের চিকিৎসকদের কাছ থেকেই তারা জানতে পারেন শিশুটির উপর যৌন নির্যাতন করা হয়েছে। এরপরই গতকাল বালুরঘাট থানায় শিশুটির খুড়তুতো দাদুর বিরুদ্ধে বালুরঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন শিশুটির বাবা। গতকাল রাতেই বালুরঘাট থানার পুলিশ অভিযুক্ত গৌড় মালি’কে গ্রেপ্তার করে। গৌড় মালি পেশায় রিক্সা চালক। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বালুরঘাট থানার পুলিশ। এবিষয়ে নিগৃহীতা শিশুটির পিতার কাছ থেকে জানা যায় , তারা প্রথমে বিষয়টি বুঝতে পারেননি কিন্তু  পরে মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে বিষয়টি বুঝতে পারেন এবং হাসপাতালের চিকিৎসকদের কাছ থেকে পুরো ব্যাপারটি জানার  পর গতকাল বালুরঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।

  • ইটাহার বালুরঘাট রাজ্য সড়কে দু’টি লরির মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত দুই, আহত পাঁচ

    ডেস্ক , ২৬ ফেব্রুয়ারি  :  ইটাহার বালুরঘাট রাজ্য সড়কে দু’টি লরির মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত দুই, আহত পাঁচ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে মৃত ওই দু’জনের নাম সাইদুল হক(৪২) চালক ও মান্নান হোসেন (৪০) খালাসি। দুর্ঘটনাটি  ঘটেছে ইটাহার থানার তিলনা এলাকার বালুরঘাট-ইটাহার রাজ্য সড়কে।  জানা গিয়েছে, আজ  সকালে একটি দশ চাকার লরি ইট বোঝাই করে বালুরঘাটের দিকে যাচ্ছিল। যাওয়ার সময়ে অপর দিক থেকে আসা একটি বালি বোঝাই লরির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে বালি বোঝাই গাড়ির  চালক ও খালাসি ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। অন্যদিকে ইট বোঝাই লরির চালক সহ পাঁচ জন গুরুতর জখম হন ফলে স্থানীয় বাসিন্দারা আহতদের উদ্ধার করে ইটাহার ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে এলে গুরুতর জখম পাঁচজনকে রায়গঞ্জ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে পাঠানো হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে ইটাহার থানার পুলিশ। মৃতদেহ দু’টি উদ্ধার করে রায়গঞ্জ জেলা হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়। গাড়ি দু’টিকে আটক করেছে ইটাহার থানার পুলিশ। এই ঘটনার জেরে বেশ কিছুক্ষণ রাজ্য সড়কে যানজটের সৃষ্টি হলে পুলিশের উপস্থিতিতে স্বাভাবিক হয় পরিস্থিতি। প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে জান যায় , রাজ্য সড়ক  উপযুক্ত  চওড়া নয়। দুটো লরিই মোটামুটি স্পিডে ছিল। ইটবোঝাই লরিটি একটি ভুটভুটি গাড়িকে পাশ কাটাতে গিয়ে  নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে  ধাক্কা মারে বালিবোঝাই লরিটিকে।  

  • আদিবাসী বিক্ষোভে উত্তাল দক্ষিণ দিনাজপুরের কুশমন্ডী থানার দেহাবন্দ এলাকা।

    ডেস্ক, ২৩শে ফেব্রুয়ারীঃ  আদিবাসী বিক্ষোভে  উত্তাল দক্ষিণ দিনাজপুরের কুশমন্ডী থানার দেহাবন্দ এলাকা। ঐ এলাকার যুবতীকে গণ ধর্ষণের ঘটনায় ধৃত দু’জনের বাড়ি সহ একাধিক বাড়িতে আগুণ ধরিয়ে দিল আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষজন। ভাঙচুর করা হয় দক্ষিণ দিনাজপুরের কুশমন্ডী থানার দেহাবন্দ এলাকার একাধিক বাড়িতে।  শুক্রবার এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী ও কম ব্যাট ফোর্স মতায়ন করা হয়। থমথমে এলাকা। ঘটনাস্থলে রয়েছেন কুশমন্ডি থানার আইসি শ্যামল বিশ্বাস, মহকুমা পুলিশ আধিকারিক বিপুল ব্যানার্জি সহ বিশাল পুলিশ বাহিনী। কার্যত রণ ক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছে কুশমন্ডি থানার দেহাবন্দের ঘাটপাড়া এলাকা। এলাকায় তির ধনুক নিয়ে ঘুরছে আদিবাসীরা। প্রথমে দমকল এলাকায় ঢুকতে না পারলেও পরে দমকল গিয়ে আগুন নেভানোর কাজ করে। বর্তমানে আগুন নিয়ন্ত্রনে। যদিও ভস্মীভূত কয়েকটি বাড়ি। এলাকা থমথমে। এলাকায় রয়েছে পুলিশ। ঘটনাস্থলে যেতে বাঁধা দেওয়া হয় সংবাদ মাধ্যমের কর্মীদের। এমনকি ছবি তুলতেও বাঁধা দেওয়া হচ্ছে পুলিশের পক্ষ থেকে।