উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর

  • খারিজ হয়ে গেল আরাবুল ইসলামের জামিনের আবেদন

    newsbazar24: পঞ্চায়েত ভোটের আগে, ১১ মে, নির্দল সমর্থক হাফিজুল মোল্লা খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত আরাবুল ইসলামের জামিনের আবেদন খারিজ হল।৮ জুন পর্যন্ত তাকে জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে বারুইপুর আদালত। আরাবুল ইসলামের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইন ও খুনের ধারায় মামলা রুজু হয়। আরাবুলকে প্রথমে ২২ মে পর্যন্ত পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেয় বারুইপুর আদালত। কিন্তু, শারীরিক অসুস্থতার কারণে ২২ মে আদালতে সশরীরে হাজিরা দেওয়া থেকে বিরত থাকেন আরাবুল। এরপরই বুকে ব্যথা হওয়ার কারণে এসএসকেএম-এ ভর্তি করা হয় আরাবুলকে।আদালতে জামিনের জন্য আবেদন জানান আরাবুলের আইনজীবী। বিচারক সেই আবেদন খারিজ করে দেন।

  • পঞ্চায়েত নির্বাচনে রায়গঞ্জে মহকুমাশাসক নিগ্রহের ঘটনায় গ্রেপ্তার ২ শিক্ষক।

    ডেস্ক,২০মেঃ পঞ্চায়েত নির্বাচনে রায়গঞ্জে প্রিসাইডিং অফিসার খুনের ঘটনায় গোটা রাজ্য জুড়ে  চাঞ্চল্য ছড়ায় ।ঘটনার জেরে  ভোট কর্মীরা বিক্ষোভ শুরু করেন রাস্তা অবরোধ করে । অবরোধ তুলতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েন রায় গঞ্জের মহকুমাশাসক টি এন শেরপা। তাকে শারীরিক ভাবে নিগৃহিত করা হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৬ জনের বিরুদ্বে এফআইআর দায়ের করা হয়। আর সেই  ঘটনার জেরে শনিবার রাতে গ্রেফতার হন মনোজ ভৌমিক, প্রদীপ কুমার সিনহা নামে দুই শিক্ষক। জামিন অযোগ্য ধারা তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়েছে। আজ তাঁদের আদালতে তোলা হলে চার দিনের পুলিশ হেপাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। ক্যামেরার ফুটেজ দেখে ওই ঘটনা জড়িত বাকি শিক্ষকদের চিহ্নিত করার কাজ শুরু হয়েছে। ১৪ মে পঞ্চায়েত নির্বাচনে র জন্য ভোটের ডিউটি করতে গিয়েছিলেন শিক্ষক তথা ভোটকর্মী রাজকুমার রায়। ইটাহারের সোনারপুরের একটি বুথে। ভোটের পরের দিন রায়গঞ্জের সোনাডাঙি রেল লাইনের ধারে রহস্যজনকভাবে দেখতে পাওয়া যায় রাজকুমার রায়ের ছিন্নভিন্ন মৃতদেহ। উঠতে থাকেএকাধিক প্রশ্ন। প্রশাসন জানায়, দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে রাজকুমার রায়ের। ক্ষোভে ফুঁস ওঠেন তাঁর সহযোগী ভোটকর্মীরা। এরপরই পরিস্থিতি সামলাতে বিক্ষুব্ধ ভোটকর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে যান মহকুমাশাসক , সেই সময়ে তাঁরে জুতো ছুরে মারধর করা হয়। এই ঘটনার জেরে গ্রেফতার করা হয়েছে ২ শিক্ষককে। ক্যামেরার ফুটেজ দেখে তাঁদের চিহ্নিত করা হয়।  এই ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা শুরু করেছে রায়গঞ্জ থানার পুলিশ। পুলিশসূত্রে জানা গেছে, মহকুমাশাসকের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। এদিকে, বিক্ষুব্ধদের ভোট কর্মী হিসাব মানতে নারাজ সরকার। বিক্ষোভকারীরা সিপিএম ঘনিষ্ঠ শিক্ষকসংগঠন এবিটিএর সদস্য বলে জানায় শাসকদল। এখন প্রশ্ন উঠেছে  বেছে বেছে একটি বিশেষ সংগঠনের সদস্যদের বিরুদ্বে এফআইআর করা হল কেন? ওখানে দলমত নির্বিশেষে সকল সংগঠনের সদস্যরা ছিলেন এমনকি শাসক অনুগত সংগঠনের সদস্যরাও ছিলেন। এমনকি ঐ শিক্ষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে গোটা রাজ্য জুড়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছিল এবং এখনও উঠছে।        

  • গণনায় কারচুপি ও জালিয়াতির অভিযোগে জেলা প্রশাসনিক ভবন ঘেরাও এর ডাক বিজেপি

    ডেস্ক, ১৯ মে : ভারতীয় জনতা পার্টির দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা কমিটিপঞ্চায়েত  ভোটের গণনায় কারচুপি ও জালিয়াতি ও গণনা কেন্দ্রে গুণ্ডামির অভিযোগ তুলে সরব। আজ এ ব্যপারে জেলাশাসকের কাছে অভিযোগ জানানো হয়। আগামী বুধবার জেলা প্রশাসনিক ভবন ঘেরাও, ও  বিক্ষোভ কর্মসূচীর ডাক দিয়েছেন তারা।  দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার  ত্রিস্তর পঞ্চায়েত,  বহু আসনে বিরোধীরা প্রার্থী দিতে পারেননি এর ফলে লড়াই হয়নি। বাকি আসনে ভোট হয়েছে। ভোটের দিন ব্যাপক সন্ত্রাস   ছাপ্পা ভোট। ব্যালট লুট করে আগুন লাগানো, জলে ফেলে ও ভেঙে দেওয়ার ঘটনা সামনে  এসেছে। বিরোধীরা শাসকদলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ তোলে। একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি গণনার দিনও।  জেলার বিভিন্ন গণনাকেন্দ্র থেকে ব্যালট পেপার নিয়ে পালাতে চেষ্টা করে দুষ্কৃতীরা। সন্ধের পর পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদের ভোট গণনার সময় বালুরঘাট কলেজে হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। বিজেপির অভিযোগ, দুষ্কৃতীরা গুলি চালিয়ে বিরোধী দলের এজেন্ট ও কর্মীদের ভয় দেখিয়ে  গননা কেন্দ্রের বাইরে বের করে দেয়     তাদের আরও অভিযোগ, কারচুপি করে পঞ্চায়েত সমিতি এবং জেলা পরিষদের সব আসনে তৃণমূল জিতেছে। তার জন্যই ঘেরাও আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়েছে। এবিষয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা বিজেপি সভাপতি শুভেন্দু সরকার বলেন, “তৃণমূল সাংসদের  নেতৃত্বে পুলিশ আধিকারিকদের সাহায্যে গণনাকেন্দ্রে ঢোকে দুষ্কৃতীরা। তারা আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে দাপাদাপি করে গণনাকেন্দ্রে ঢুকে ব্যালটে জালিয়াতি করে। তারা আমাদের -র পাওয়া ভোট বাতিল করতে থাকে। এইভাবে তারা জেলা পরিষদ এবং পঞ্চায়েত সমিতি আসনগুলি দখল করে। নাহলে অন্ততপক্ষে জেলা পরিষদের ৬টি আসন আমরা পেতাম।  আমরা এ ব্যপারে  জেলাশাসকের কাছে অভিযোগ জানিয়েছি। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছি। বুধবার জেলা প্রশাসনিক ভবন ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখানো হবে।”  

  • উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জে ভোটকর্মীদের হাতে নিগৃহীত খোদ মহকুমাশাসক।

    ডেস্ক,১৬ই মেঃ   উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের ঘড়িমোড় এলাকায় অবরোধ তুলতে গিয়ে ভোটকর্মীদের হাতে প্রহৃত হতে হল  খোদ মহকুমাশাসককে।  পরে পুলিশ গিয়ে  পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।  আজ ছিল উত্তর দিনাজপুরের ভোটকর্মীদের গণনার কাজের জন্য প্রশিক্ষণ ।কর্মচারীরা  প্রশিক্ষণে যোগ না দিয়ে প্রিসাইডিং অফিসারের মৃত্যুর প্রতিবাদে ঘড়িমোড় এলাকায় পথ অবরোধ করেন তাঁরা। গত ১৪ তারিখ ভোটগ্রহণের কাজে গিয়ে নিখোঁজ হন  ইটাহার সোনাপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪৮ নম্বর বুথের প্রিসাইডিং অফিসার রাজকুমার রায়। এরপর গতকাল সন্ধের সময় স্থানীয় রেললাইনের পাশ থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। পরিজন ও সহকর্মীদের অভিযোগ, খুন করা হয়েছে রাজকুমারবাবুকে। এই ঘটনার প্রতিবাদে ও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে আজ সকাল থেকে অবরোধ শুরু করেন ভোটকর্মীরা।  অবরোধের খবর পেয়ে টি এন শেরপা সেখানে যান। কথা বলার চেষ্টা করেন অবরোধকারীদের সঙ্গে। তাঁদের দাবি ছিল  মৃত প্রিসাইডিং অফিসার রাজকুমার রায়কে খুন করা হয়েছে। খুনিদের গ্রেপ্তার করতে হবে এবং ভোটকর্মীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হবে। হঠাত অবরোধকারীরা উত্তেজিত হয়ে  তাঁর উপর হামলা চালান। শারিরিক নিগ্রহ করেন। রাস্তায় পড়ে যান মহকুমাশাসক। সেখানে থাকা কয়েকজন পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করেন। তারপর খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।  

  • নির্বাচনত্তোর সংঘর্ষএ উত্তরদিনাজপুরে মৃত ১

    ডেস্ক,১৬ই মেল আজও  নির্বাচনত্তোর সংঘর্ষ অব্যাহত। উত্তরদিনাজপুরের গোয়ালপোখর ব্লকের হামদাম গ্রামে    ফরওয়ার্ড ব্লক ও  নির্দলপ্রার্থী সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে  গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হল এক নির্দল  সমর্থকের।সংঘর্ষে দু’পক্ষের আহত হন এক মহিলাসহ ৪ জন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তির  নাম মহম্মদ তাসিরুদ্দিন (৫০)।নির্দল প্রার্থীর সমর্থক। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,আজ সকালে উত্তর দিনাজপুরের গোয়ালপোখর ব্লকের হামদাম গ্রামে ফরওয়ার্ড  ব্লকের একটি সভা ছিল। সভা শেষে  বেলা এগারোটা নাগাদ উভয়পক্ষের মধ্যেঘটনাটি ঘটে। ফরওয়ার্ড ব্লক সমর্থকদের হামলায় নির্দল সমর্থক নাসিরুদ্দিনের মৃত্যু হয়। তবে পুলিশ জানিয়েছে, জমি সংক্রান্ত বিবাদের জেরেই এই ঘটনা। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

  • গ্রাম পঞ্চয়েতে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দলের ফলে প্রতীক বিলি করা গেল না রায়গঞ্জের ইসলামপুর ব্লকে।

    ডেস্ক , ১ মে : আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে  তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দলের ফলে প্রতীক বিলি করা গেল না। স্বাভাবিকভাবেই  উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুর ব্লকের গোবিন্দপুরে গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৬টি আসনে  ঘাসফুল প্রতীক কেউ পেলেন না। তবে জানা গেছে , যে জিতবে তাকেই নেওয়া হবে দলে। চোপড়া বিধানসভার অধীনে উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুর ব্লকের  গোবিন্দপুর গ্রামপঞ্চায়েত ।   ইসলামপুরের বিধায়ক কানাইলাল আগরওয়াল এর অনুগামী ও  অপরদিকে চোপড়ার বিধায়ক হামিদুল রহমান এর অনুগামীদের মধ্যে কোন্দল তৃনমূলের প্রার্থী হওয়া নিয়ে ।  শুরু হয় বিবাদ। এক আসনের জন্য দাবীদার ৩/৪ জন। এর ফলে বিরক্ত হয়ে  তৃণমূলের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ঐ গ্রাম পঞ্চায়েতে কাউকেই দলের প্রতীক দেওয়া হবে না । সকলেই লড়বেন নির্দল হয়ে। যে জিতবে তাকে পরবর্তীকালে দলে নেওয়া হবে ।   বিধায়ক হামিদুল রহমান  অবশ্য গোষ্ঠীকোন্দলের ব্যাপার অস্বীকার করে জানান টিকিটের দাবিদার অনেক । সকলেই  দলের  কর্মী। তাই  সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সকলেই  নির্দল হয়ে নির্বাচনে লড়বেন । যে জিতবে তাকেই দলে নেওয়া হবে।  সকলকেই তৃণমূলের ঝাণ্ডা নিয়ে মিছিল মিটিং করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। অপরদিকে আর এক বিধায়ক কানাইলাল আগরওয়াল জানান প্রতিটি আসনের জন্য  টিকিটের দাবীদার ৩/৪ জন । তাই আমরা যোথভাবে সিদ্ধান্ত নিই সবাই ভোটে লড়বে। যে জিতবে তাকে দল নেওয়ে হবে । এখানে বন্ধুত্বপূর্ণ লড়াই হবে কারন সকলেই আমাদের কর্মী ও সমর্থক।

  • উত্তর দিনাজপুর জেলা পরিষদের কংগ্রেস ও সিপিএম প্রার্থীকে অপহরণের অভিযোগ তৃনমূলের বিরুদ্বে।

    ডেস্ক,  ২৬ এপ্রিল : আবার জেলা পরিষদের  প্রার্থীকে অপহরণের অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। তৃণমূল আশ্রিত একদল দুষ্কৃতী তাঁকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ। কংগ্রেসের  তরফে অভিযোগ, আজ ভোররাত থেকে কংগ্রেস প্রার্থী লিয়াকত আলির বাড়ি ঘিরে রেখেছিল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। পুলিশ সুপারকে বারবার জানানো হলেও তিনি কোনও পদক্ষেপ নেননি। তাই ফোন করা হয় জেলাশাসককে। তাঁর হস্তক্ষেপে লিয়াকতের বাড়ি থেকে চলে যায় ওই দুষ্কৃতীরা। পরে নিজের গাড়ি করে গ্রামের বাড়ি যাওয়ার জন্য রওনা হন লিয়াকত আলি। অভিযোগ, মাঝরাস্তায় তাঁকে ঘিরে ধরে একদল দুষ্কৃতী। তারপর তাঁকে সেখান থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। বিষয়টি জানিয়ে রায়গঞ্জ থানায় অপহরণের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। একই ঘটনা ঘটেছে গতকালও। উত্তর দিনাজপুর জেলা পরিষদের ২২ নম্বর মহিলা  এসসি  সংরক্ষিত আসনে সিপিএম-র প্রার্থীপদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন আশা পাল ( দাস)। অভিযোগ, গতরাতে আশাদেবীর স্বামী রঞ্জিতবাবুকে মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে স্ত্রী ও মেয়েকে বাড়ি থেকে বেড়িয়ে আসতে বাধ্য করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। তারপর তাদের একটি নম্বরবিহীন গাড়িতে তুলে নিয়ে অপহরণ  করা হয়। কংগ্রেসের বিধায়ক মোহিত সেনগুপ্ত কংগ্রেস কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন, “পঞ্চায়েত সমিতির ২১ নম্বর আসনে জেলা পরিষদের কংগ্রেস প্রার্থী লিয়াকত আলিকে শাসকদলের দুষ্কৃতীরা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করার জন্য তাঁর বাড়িতে হানা দিয়ে তাঁকে আটকে রেখে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে  তাঁকে অপহরণ করা হয়। এখনও পর্যন্ত তাঁর কোনও খোঁজ মেলেনি। এব্যাপারে প্রশাসনকে জানালেও নির্বিকার প্রশাসন।” অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি অমল আচার্য বলেন, “এগুলো মিথ্যা প্রচার। অনেক বিরোধী প্রার্থী স্বইচ্ছায় মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছে।  

  • রায়গঞ্জএ তৃণমূল ও বিক্ষুব্ধ তৃণমূল সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ আহত ৬

    ডেস্ক,  ২৬ এপ্রিল : রায়গঞ্জ ব্লকের ভিটি কাটিহার গ্রামে পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস এবং নির্দল প্রার্থীর পড়ুন বিক্ষুব্ধ  তৃণমূল সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ।  এই ঘটনায় কমপক্ষে ছ’জন আহত হয়েছেন।  পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় আজ সকালে স্থানীয় একটা চায়ের দোকানে কয়েকজন তৃণমূল কর্মী চা খেতে এসেছিলেন। সেখানেই বিক্ষুব্ধ তৃণমূল   নির্দল প্রার্থীর কিছু সমর্থক আচমকা তাঁদের পর হামলা চালায় বলে অভিযোগ। এরপর দু’পক্ষের ঝামেলা সংঘর্ষের রূপ নেয়। আহত দু’জন  রায়গঞ্জ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, নির্দল প্রার্থীর সমর্থকরা আচমকা তাঁদের উপর হামলা চালায়। সেই হামলাতেই তাঁরা আহত হয়েছেন।

  • চোপড়ায় সিপিএম-র প্রার্থীর বাড়িতে লুটপাট এবং অগ্নি সংযোগের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে।

    ডেস্ক , ২৪ এপ্রিল :  আজ চোপড়ায় সিপিএম-র প্রার্থী আনোয়ারা বেগমের বাড়ি লুটপাট এবং অগ্নি সংযোগের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি চোপড়া ব্লকের ঘিরনিগাঁও পঞ্চায়েতের মিলিক গ্রামে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য এলাকায় পুলিশ পিকেট বসানো হয়েছে। সিপিএম-র প্রার্থী আনোয়ারা বেগমের অভিযোগ, “গতরাতে ওই গ্রামে দু’পক্ষের সংঘর্ষ হয়েছিল। তারই জেরে আজ সকালে তৃণমূল কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতীরা আমার বাড়িতে ঢুকে লুটপাট চালায়। ভাঙচুরও করা হয়। পাশাপাশি আমার মেয়েকে খুন করার চেষ্টা হয়।” সিপিএম-র-প্রার্থীর অভিযোগ অস্বীকার করেছে স্থানীয় বিধায়ক হামিদুল রহমান। উলটে তাঁর অভিযোগ, তাঁর দলের তিনজনের উপর হামলা করেছিল সিপিএম-র সমর্থকরা। আহতরা প্রত্যেকেই উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন।  এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল দলের কেউ যুক্ত নন। গতকাল মনোনয়নপত্র জমাকে ঘিরে রাজ্যের অন্যান্য এলাকার মতো চোপড়াতেও শাসক দলের সঙ্গে বিরোধীদের সংঘর্ষ হয়।  ঘটনায় তৃণমূলের দুই প্রার্থীসহ তিনজন আহত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া থানার ঘিরনিগাঁও গ্রামে। আহতদের প্রথমে দলুয়া প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁদের উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এলাকায় উত্তেজনা থাকায় মোতায়েন করা হয় পুলিশবাহিনী। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার অতিরিক্ত দিনে উত্তর দিনাজপুর জেলায় সারাদিনে তেমন কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটলেও গতকাল রাত ৮টা নাগাদ ঘিরনিগাঁও পঞ্চায়েত এলাকায় সিপিএম-তৃণমূল সংঘর্ষ বাধে। CPI(M)-র অভিযোগ, গতকাল তাদের দলের যাঁরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিল, তাঁদের আটকে রাখে তৃণমূ ল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। পরে সিপিএম-প্রার্থীদের বাড়িতে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। সেই সময় দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। সংঘর্ষে তৃণমূল কংগ্রেসের ঘিরনিগাঁও পঞ্চায়েতের দুই প্রার্থী জাহিদুল রহমান ও মুকসেদুর এবং তৃণমূল কর্মী আসেল মহম্মদ গুরুতর জখম হন।  

  • কুশমণ্ডির বিধায়ক আক্রান্ত হওয়ার প্রতিবাদে আজ দক্ষিন দিনাজপুর জুড়ে বামফ্রন্টের প্রতিবাদ মিছিল

    ডেস্ক , ২৪ এপ্রিল : গতকাল মনোনয়ন জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে তৃণমূল  দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত হন কুশমণ্ডির বাম বিধায়ক  নর্মদা রায় সহ বেশ কয়েকজন কর্মী-সমর্থক। আজ জেলাজুড়ে প্রতিবাদ মিছিল বের করে বামফ্রন্ট এই ঘটনার প্রতিবাদে। কুশমণ্ডি, বালুরঘাট, গঙ্গারামপুরে বিকেলে প্রতিবাদ মিছিল বের হয়। বালুরঘাটের প্রতিবাদ মিছিলে ছিলেন আরএসপি-র জেলা সম্পাদক বিশ্বনাথ চৌধুরি, সিপিএম-র জেলা সম্পাদক নারায়ণ বিশ্বাস সহ অন্য বাম নেতৃত্ব।   গতকাল কুশমণ্ডি ব্লকের কয়েকটি গ্রাম পঞ্চায়েতের আসনে আরএসপির প্রার্থীরা  মনোনয়ন দাখিল করার সময়, গেটের ঠিক বাইরে ওই প্রার্থীদের  বেধড়ক মারধর করে সমস্ত কাগজপত্র ও গুরুত্বপূর্ণ নথি কেড়ে নেওয়া হয়। আক্রান্ত অবস্থায় ওই প্রার্থী সোজা তাঁদের দলীয় কার্যালয়ে ছুটে আসেন। সেখানে উপস্থিত আরএসপির -র বিধায়ক নর্মদা রায়  বিডিওকে ফোন করে ব্যাপারটি জানান। তবে গেটেই বাইরে বিডিও তার অক্ষমতার  কথা জানাতেই  বিধায়ক জেলা পুলিশ সুপারকে ফোন করে নিরপত্তার দাবিতে। এরপর তিনি কয়েকজন বাম প্রার্থীদের নিয়ে কুশমণ্ডি থানায় ছুটে যান। গেটের বাইরে নিরাপত্তা দেওয়ার কথা জানানো হলেও রাস্তার ঘেরাটোপ দিতে অস্বীকার করে পুলিশ। কিছু পরেই অবশ্য কুশমণ্ডি থানার আশ্বাসে  বিধায়ক তাঁর গাড়িতে দু’জন মহিলা প্রার্থী সমেত অন্য প্রার্থীদের নিয়ে স্থানীয় ব্লক কার্যালয়ে পৌঁছান। কিন্তু গাড়ি থেকে নামতে না নামতেই বিধায়ক নর্মদা রায় সহ অন্য প্রার্থীদের উপর হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধর চলে বিধায়ককে। মাথায় গুরুতর চোট লাগায় বিধায়ক নর্মদা রায়কে উত্তর দিনাজপুরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে চিকিৎসার জন্য। বর্তমানে তিনি অন্যত্র চিকিৎসাধীন। বিধায়কের উপর হামলার প্রতিবাদে আজ জেলাজুড়ে পথে নামে বামেরা। জেলার বালুরঘাট, কুশমণ্ডি সহ অন্যান্য ব্লকে প্রতিবাদ মিছিল বের করে বামফ্রন্ট কর্মী সমর্থকরা।   এবিষয়ে আরএসপি-র   জেলা সম্পাদক বিশ্বনাথ চৌধুরি বলেন, গতকাল মনোনয়ন জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে তাঁদের বিধায়ককে মারধর ও হামলা চালানো হয়। এর প্রতিবাদে আজ তাঁরা পথে।