উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর

  • ভ্রুণের লিঙ্গ নির্ধারণ রুখতে কড়া হাতে তৎপর জেলা প্রশাসন

    news bazar24;পল মৈত্র,দক্ষিণ দিনাজপুরঃ রাজ্যের অন্য জেলার পাশাপাশি  দক্ষিণ দিনাজপুরেও কন্যা সন্তানের জন্মের হার কমছে ব্যাপকভাবে পরিসংখ্যান অনুযায়ী। জেলায় পুরুষ ও মহিলা জনংসখ্যার ভারসাম্য বজায় রাখতে তাই সক্রিয় হল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। গর্ভস্থ ভ্রুণের লিঙ্গ নির্ধারণ বন্ধ করতে শুরু হল সচেতনতামূলক কর্মসূচি। স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে জড়িত সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও এনজিওদের নিয়ে নিয়মিত কর্মসূচি চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যাচ্ছে, ২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী দেশে প্রতি একহাজার পুরুষে মহিলার সংখ্যা ৯৪০। এরাজ্যে সেই সংখ্যা ৯৫০। দক্ষিণ দিনাজপুরে প্রতি হাজার পুরুষে মহিলার সংখ্যা ৯৫৬। বালুরঘাট সদর এবং গঙ্গারামপুর মহকুমা হাসপাতাল ছাড়াও জেলায় রয়েছে ৮টি গ্রামীণ বা ব্লক হাসপাতাল। দেখা যাচ্ছে, প্রতিবছরই জেলার বিভিন্ন হাসপাতালগুলিতে ধারাবাহিকভাবে কন্যা সন্তানের জন্মের হার কমছে। আর কন্যা সন্তানের জন্মের হার কমার পিছনে গর্ভস্থ ভ্রুণের লিঙ্গ নির্ধারণকেই দায়ি করা হয় অনেকক্ষেত্রে। জেলার বিভিন্ন নার্সিংহোম, প্যাথলজিক্যাল ল্যাবে গর্ভস্থ ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণ পরীক্ষা করা হয় বলে আগেও অভিযোগ উঠেছে। তাতে শিশুর পরিবার জেনে যাচ্ছে গর্ভস্থ ভ্রুণ কন্যা না পুত্র। গর্ভস্থ ভ্রুণ যদি কন্যা হয় তাহলে অনেক সময় গর্ভপাত করানোর মতোও ঘটনা সামনে আসছে। এই কারণে কমছে কন্যা সন্তানের জন্মের হার। সেদিকে নজর রেখে এবার জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সচেতনতা প্রচারে নামছে। জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের উদ্যোগে স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে জড়িত সমস্ত সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও ক্লিনিকের কর্মকর্তাদের নিয়ে কর্মশালা ও নিয়মিত সচেতনতামূলক প্রচার চালানো শুরু হয়েছে। জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুকুমার দে বলেন, “সমাজে মহিলাদের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা বিজ্ঞানসম্মত বিষয়। কিন্তু, আগেই ভ্রূণ নির্ধারণের ফলে বাধা পাচ্ছে কন্যা জন্মদান। জন্মের আগে লিঙ্গ নির্ধারণ যে একটি বড় অপরাধ, এনিয়ে বিশেষ কর্মসূচি শুরু করা হল। স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে জড়িত ক্লিনিক, নার্সিংহোম, স্বেছাসেবী সংস্থা ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলিকে নিয়ে সচেতনতামূলক কর্মশালা শুরু হয়েছে।” 

  • পৌর এলাকাকে সচ্ছ ও পরিস্কার করার লক্ষ্যে কর্মী নিয়োগ

    news bazar24; পল মৈত্র,বুনিয়াদপুর,দক্ষিন দিনাজপুরঃ গত আগষ্ট মাসে গঠিত হয়েছে বুনিয়াদপুর পৌরসভা। প্রথমবার ক্ষমতায় আসে তৃণমূল। পৌরসভা হলেও বুনিয়াদপুর শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে এখনও রয়ে গেছে নোংরা আবর্জনায় ভরতি। পৌরবাসীদের পক্ষ থেকে বারংবার অভিযোগ তোলা হয়েছে এই নিয়ে। এদিকে বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিষ্কার করার লক্ষে অভিযানে নামল বুনিয়াদপুর পৌরসভার। এর জন্য নতুন করে ৭৫ কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে পৌরসভার পক্ষ থেকে। তবে নোংরা ফেলার জায়গা না থাকায় বর্তমানে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। যদিও এই সমস্যা খুব তাড়াতাড়ি মিটবে বলে জানিয়েছেন বুনিয়াদপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান অখিল বর্মণ। ২০১৪ সালে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন বুনিয়াদপুরকে পুরসভা হিসেবে। বংশীহারীর শিবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কয়েকটি এলাকাকে নিয়ে ১৪টি ওয়ার্ড তৈরি গঠন করা হয়। নির্বাচন না হওয়াতে পুরসভার কাজকর্ম হত মহকুমা শাসকের ত্বত্তাবধানে। অবশেষে ২০১৭ আগস্ট মাসে রাজ্যের অন্যান্য পুরসভার সঙ্গে নির্বাচন হয় এই পুরসভার। সেখানে ১৩টি তৃণমূল এবং ১ টি বিজেপি দখল করে। একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা পেয়ে গত ১৩ সেপ্টেম্বর মাসে বোর্ড গঠন করে। এরপর ধীরে ধীরে তৈরি হয় পৌর ভবন। লাগানো হয় রোড লাইট। সংস্কার করা হয় রাস্তা। তবে এর পরেও এলাকায় নোংরা আবর্জনা সে ভাবে পরিষ্কার হয় না বলে ক্ষোভ ছিল এলাকাবাসীর। এদিকে পৌরসভার আবর্জনা ফেলার জায়গা না থাকায় সমস্যা পরে পৌর কর্মীরা। যত্রতত্র নোংরা ফেলতে গিয়ে কয়েকজন পৌরসভার সাফাই কর্মীকে মারধর করে এলাকাবাসীরা বলে অভিযোগ ওঠে। অবশেষে এবার নড়েচড়ে বসল বুনিয়াদপুর পৌরসভা। এলাকার নোংরা আবর্জনা ফেলার জন্য ৭৫ জন কর্মীকে নিয়োগ করল পৌরসভা। এছাড়াও ডোর টু ডোর সার্ভে করা হবে বলে পৌরসভার পক্ষ থেকে জাননো হয়েছে। এবিষয়ে বুনিয়াদপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান অখিল বর্মণ, জানান পৌরসভার নোংরা ফেলার জন্য ও ডোর টু ডোর সার্ভে করার জন্য ৭৫ জন কর্মীকে নিয়োগ করা হয়েছে। যাদের পৌরসভা সরাসরি বেতন দেবে। অন্য দিকে পৌর সাফাই কর্মীকে মারধরের ঘটনার কথা সরাসরি স্বীকার করেন নি বুনিয়াদপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান অখিল বর্মণ। তবে এমন ঘটনা কেউ ঘটিয়ে থাকলে তারা ঠিক করছেন না বলে জানিয়েছেন তিনি। মিশন নির্মল বাংলা প্রকল্পে শহর পরিষ্কার করতে সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে পৌরসভার পক্ষ থেকে বলে তিনি জানিয়েছেন। 

  • বুনিয়াদপুর ক্রীয়েটিভ ডান্স অ্যাকাডেমির দুদিন ব্যাপী এক বর্ণাঢ্য নৃত্যানুষ্ঠান

    news bazar24:পল মৈত্র, বুনিয়াদপুর, দক্ষিন দিনাজপুরঃ বুনিয়াদপুর ক্রীয়েটিভ ডান্স অ্যাকাডেমি যা এলাকা সহ সারা জেলায় সুপরিচিত। প্রতি বছরের মতন এবারেরও দুদিন ব্যাপী সান্ধ্য নৃত্যানুষ্ঠানের আয়োজন করে বুনিয়াদপুর ক্রীয়েটিভ ডান্স অ্যাকাডেমির কর্নধার দেবস্মীতা সিংহ নন্দী ও কৌশিক নন্দী। এই দুজনের ও অ্যাকাডেমির শতাধিক ছাত্র ছাত্রীদের কঠোর পরিশ্রম ও অদম্য মনোবল আজ তাদের মানুষের কাছে পাশাপাশি জেলায় পরিচিতির উচ্চ শিখরে পৌছে দিয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬ টায় বুনিয়াদপুর ৫১২ নং জাতীয় সড়কের পাশে ফুটবল ময়দানে এই অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার প্রসূন ব্যানার্জী, গঙ্গারামপুর মহকুমা শাসক দেবাঞ্জন রায়, বংশীহারী থানার আইসি বিশ্বজিত ঘোষ, গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতের সরকারি আইনজীবী প্রতুল মৈত্র, বুনিয়াদপুর পুরসভার চেয়ারম্যান অখিল বর্মন, সাহিত্যিক গোবিন্দ তালুকদার, প্রবীন শিক্ষক তথা সমাজসেবী মনোরঞ্জন সরকার, লোকশিল্পী অরিন্দম সিংহ রানা, বুনিয়াদপুর কালকন্ঠ সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক বাপ্পাদিত্য দে সহ অন্যান্য বিশিষ্টরা। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার সন্ধ্যায় কচিকাঁচাদের নাচের মাধ্যমে সন্ধ্যা বেলা অনন্য হয়ে ওঠে। অন্যদিকে, অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষন ছিল বিশেষ কিছু নাচ- রাধারমান ভঞ্জন, সাত ভাই চম্পা, যোদা আকবর, মহিষাসুরমর্দিনী, চিত্রাঙ্গদা, ঝাঁসির রানি লক্ষী বাঈ, এই নাচের থিমগুলোর মাধ্যমে ছাত্রীরা দুর্ধর্ষ নাচ পরিবেশন করে উপস্থিত দর্শক ও বিশিষ্টদের মন জয় করে। প্রতিটি নাচের শেষে হাজার হাততালিতে উপবিষ্ট দর্শকস্থান সহ মঞ্চ কেঁপে ওঠে। এদিন বিভিন্ন নাচের থিম ছাত্রীদের দুধর্ষ নাচ তাদের নাচের ব্যবহৃত পোশাক প্রপস তাদের মেকাপ সহ অসাধারন বহুমূল্যের তৈরি মঞ্চ ও নানান আলোর রোশনাই এর কদর ও বাহবা দর্কদের মুখে মুখে ঘুরতে থাকে যার শ্রেয় যায় ডান্স অ্যাকাডেমির কর্নধার দেবস্মীতা সিংহ নন্দী ও কৌশিক নন্দীকে। এবিষয়ে সিংহ নন্দী বলেন, প্রতিবছর আমরা বাৎসরিক অনুষ্ঠান করি যার মধ্যে আকর্ষনীয় নানান থিমের থাকে আমার ছাত্রীরা দিন রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে এই সাফল্য এনে দিয়েছে পাশাপাশি রো বড়ো করে অনুষ্ঠান করতে চাইলেও কিছু ক্ষেত্রে বাধ সাধে অর্থ কিন্তু আমার অদম্য ইচ্ছা আর কিছু করার লক্ষ্যে মনোবল শক্ত করার দরুন আমি থেমে থাকিনি আগামীতেও আরো ভালো বড়ো নৃত্যানুষ্ঠান করতে চাই। এদিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত দর্শকদের ভীড় ছিল লক্ষনীয় যাকে ঘীরে মেলার আসর বসে। পাশাপাশি জাতীয় পাশে অনুষ্ঠানটি চলায় যানজট ও কোনো প্রকারের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রচুর পুলিশ ও সিভিক মোতায়েন ছিল। শুক্রবার রাতে দুদিন ব্যাপী নৃত্যানুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘটে। দুদিন ধরে দুধর্ষ চলতে থাকা অনুষ্ঠান শেষে বাড়িমুখো দর্শকরা মনে সুন্দর একরাশ ঝলমলে অভিজ্ঞতা বহন করে নিয়ে গেলেন  যা নিয়ে এই স্মৃতির রোমন্থন করবেন পাশাপাশি আগামী বছরের এদিনটার জন্য অপেক্ষা করবেন হাজারো মানুষ যার জন্য সেই বিষয়কে মাথায় রেখে তৈরি হচ্ছে বুনিয়াদপুর ক্রীয়েটিভ ডান্স অ্যাকাডেমির ছাত্রীরা তাদের নাচ শেখাতে ব্যাস্ত দেবস্মীতা সিংহ নন্দী।

  • ভবঘুরেদের জন্য ঘর

    news bazar24; বুনিয়াদপুর,দক্ষিণ দিনাজপুরঃ ভবঘুরেদের আশ্রয় ও দেখভালের জন্য এবার উদ্যোগ নিল বালুরঘাট পৌরসভা। শহরের খাদিমপুর লোকনাথ মন্দির সংলগ্ন এলাকায় তৈরি হচ্ছে ভবঘুরেদের জন্য আবাসন। মোট ৫০ জন ভবঘুরে থাকতে পারবে ওখানে বলে জানা গিয়েছে। কেন্দ্র সরকারের জাতীয় নগর জীবিকা মিশন বা এনইউএলএম প্রকল্পের অধীনে ও বালুরঘাট পৌরসভার উদ্যোগে শহরের লোকনাথ মন্দির এলাকায় তৈরি হচ্ছে ভবঘুরেদের জন্য স্থায়ী অবাসন। পৌর এলাকায় রয়েছে এমন ভবঘুরেদের দেওয়া হবে আবাসন গুলি। প্রায় ১ কোটি ২২ লাখ টাকা ব্যায়ে তৈরি হচ্ছে আবাসনটি।আগামী মাস দুয়েকের মধ্যেই কাজ শেষ হবে আবাসনের বলে পৌরসভার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এদিকে বালুরঘাট শহরের এমন ভবঘুরেদের চিহ্নিত করণ প্রক্রিয়া শুরু করেছে পৌরসভা। এরজন্য কলকাতা থেকে কয়েকজনের প্রতিনিধি দল এসে পৌঁছেছে বালুরঘাটে। শনিবার রাত থেকে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ভবঘুরেদের চিহ্নিত করার পাশাপাশি তাদের তথ্য সংগ্রহ করছেন তারা। শুধু মাত্র আবাসন দেওয়া নয় পাশাপাশি তাদের সব রকম দায়িত্ব নেবে পৌরসভা। এদিকে বালুরঘাট পৌরসভার পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত ৩৫ জন ভবঘুরেকে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আর কিছু দিনের মধ্যেই ঘর পাবেন ভবঘুরেরা। এবিষয়ে বালুরঘাট পৌরসভার চেয়ারম্যান রাজেন শীল জানান, লোকনাথ মন্দির এলাকায় ভবঘুরেদের জন্য তৈরি করা হচ্ছে আবাসন। সেখানে ৫০ জন থাকতে পারবে। থাকার পাশাপাশি তাদের খাওয়া দাওয়ারও ব্যবস্থা করা হবে বলে রাজেনবাবু জানিয়েছেন। প্রকল্প আধিকারিক সুমন কুমার দাস জানান, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী তারা শহর এলাকায় ঘর নেই এমন ভবঘুরেদের তথ্য সংগ্রহ করছেন। রাত দশটার পর পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ভবঘুরেদের তথ্য সংগ্রহ করছেন তারা। এখন পর্যন্ত ৩০-৩৫ জনের তথ্য পাওয়া গেছে। সবাই ঘর পাবে কি না সেটা পৌরসভা দেখবে। একজন বা দু’জনের পরিবার হলেও আবাসনে থাকতে পারবে বলে সুমনবাবু জানিয়েছেন।

  • মহিলাদের জন্য কম দামের স্যানিটারি ন্যাপকিন তৈরি করে নজির গড়লেন আলো সমবায় সমিতির মহিলারা

    news bazar24; বুনিয়াদপুর, দক্ষিণ দিনাজপুরঃ  বাজারে বিক্রি হওয়া স্যানিটারি ন্যাপকিনের থেকে কম মূল্যের ন্যাপকিন তৈরি করল মহিলা সমবায় সমিতি “আলো”। সরকারি প্রতিষ্ঠান মঞ্জুষার মাধ্যমে এই স্যানিটারি ন্যাপকিন বাজারে বিক্রি করা হবে। গতকাল জেলাশাসকের দপ্তরে এই সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। গ্রামাঞ্চলে এখনও স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার করেন না অনেক মহিলাই। যার অন্যতম কারণ দাম। ফলে বাড়ছে নানা রোগ। বছর দুয়েক আগে মহিলাদের নিয়ে তৈরি হওয়া আলো সমবায় সমিতি স্যানিটারি ন্যাপকিন তৈরির উদ্যোগ নেয়। ফেমসেক নামে ওই স্যানিটারি ন্যাপকিন বের করে তারা।  সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, বাজারে বিক্রি হওয়া স্যানিটারি ন্যাপকিন ১০ টার দাম ৭০ থেকে ৭৫ টাকা। সেখানে আলোর তৈরির ফেমসেক স্যানিটারি ন্যাপকিন ১০ টার দাম ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। এবিষয়ে সম্পাদিকা গার্গী লাহিড়ি বলেন, আলো তৈরি হয়েছে মহিলাদের নিয়ে কাজ করার জন্য। প্রথম থেকেই তারা স্যানিটারি ন্যাপকিন তৈরিতে উদ্যোগী হয়েছিল। কম দামে মহিলাদের হাতে স্যানিটারি ন্যাপকিন পৌঁছে দিতে প্রথম থেকেই সচেষ্ট ছিল তারা। সরকার ও জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় যা সম্ভব হল।   

  • তিন তলার ছাদ থেকে পরে গিয়ে মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে ফেরেন

    news bazar24; কুমারগঞ্জের 2 নং সমজিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত আঙ্গিনা বরইট উচ্চ বিদ্যালয়ের পার্শবর্তী গ্রাম নেওনা তে বাড়ি সাইফুর মন্ডলের (২৬) । দিনমজুর পরিবারের ছেলে সাইফুর। অভাব অনটনের সংসারে অর্থ উপার্জনের জন্য গোয়াতে রাজ মিস্তীর কাজ করতে গিয়েছিল সাইফুর। কিন্তু কাজ করার ক্ষেত্রে  অসাবধানতার করণে ঘটে বিপত্তি। প্রায় তিন তলার ছাদ থেকে পরে গিয়ে মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে ফেরেন তিনি। পা ও শরীরের বেশ কয়েকটি অংশ ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে পরে। তারপর গোয়াতে প্রাথমিক চিকিৎসার পরে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয় তাঁকে। পরিবার পরিজন ও পড়া প্রতিবেশীদের সাহায্যে কোলকাতা,  ব্যাঙ্গালোর ও বিহার গিয়ে চিকিৎসা করানো হয়। তাতে অবশ্য শারীরিক কিছুটা উন্নতি ঘটে। কিন্তু প্রায় সাত বছর ধরে শয্যাশায়ী অবস্থায় ঘরে পরে রয়েছেন তিনি। সাইফুরের বাবা আজাহার মন্ডল দিনমজুর। সন্তানের এহেন কষ্ট দেখে তিনিও থাকতে পারেন না। কিন্তু উপায় নেই। স্থানীয় গ্রামপঞ্চায়েত প্রধান, ব্লক প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাত করেও লাভের লাভ কিছুই হয়নি। মিলেছে একের পর এক আশ্বাস।  কাঁদতে কাঁদতে সাইফুর জানায়, বিহারের চিকিৎসকরা বলেছিল সঠিক ভাবে চিকিৎসা করলে আমি সুস্থ হয়ে উঠবো। কিন্তু আমার পরিবারের আর সাধ্য নেই চিকিৎসা করার। তার চিকিৎসার জন্য তিনি সর্বস্তরের সহৃদয় ব্যক্তিদের কাছে সাহায্যের আর্জি জানান। রবিবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ছাত্র-ছাত্রীদের তৈরী স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা উন্মীলনের সদস্যরা তাঁকে দেখতে যান। এবিষয়ে ঐ সংগঠনের তরফে দেবাশীষ সরকার জানান, সাইফুরের চিকিৎসার জন্য একটা বিরাট অঙ্কের অর্থের প্রয়োজন। সবাই যদি এগিয়ে আসে তাহলে বছর ২৬শের সাইফুর মন্ডল সুস্থ স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারবে বলে তিনি জানান।  

  • পরিশ্রম করেও উচ্চমাধ্যমিকে সফল

    news bazar24;পল মৈত্র, বুনিয়াদপুর,দক্ষিন দিনাজপুরঃ পরিবারে আর্থিক অনটন নিত্যসঙ্গী। তাই সাহায্য করতে বাবার মিষ্টির দোকানে জিলিপি বিক্রি করত বিউটি প্রামাণিক। এবছর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছিল সে। সব প্রতিকূলতাকে জয় করে আজ সাফল্য ধরা দিয়েছে। কলা বিভাগে সে এবার ৪৪৫ নম্বর পেয়েছে। শিক্ষিকা হওয়ার ইচ্ছে তার। যদিও উচ্চশিক্ষার জন্য বাধ সেধেছে আর্থিক অনটন। সরকারি বা কোনও ব্যক্তির সাহায্যের আবেদন জানিয়েছে তার পরিবার। বংশীহারী থানার শেরপুর এলাকায় বাড়ি বলয় প্রামাণিকের। বাড়িতেই ছোটো একটি মিষ্টির দোকান রয়েছে তাঁর। এছাড়াও হাটে ও মেলায় তিনি জিলিপি বিক্রি করেন। স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে সংসার বলয়বাবুর। বড় মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে অনেকদিন আগেই। ছোটো মেয়ে বিউটি বংশীহারী গার্লস হাইস্কুল থেকে এবার কলা বিভাগে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দেয়। তার প্রাপ্ত নম্বর ৪৪৫। সংসারে অভাব নিত্যসঙ্গী। তাই বিউটিও বাবাকে দোকান চালাতে সাহায্য করত। হাটে ও মেলাতেও যেত বাবার সঙ্গে জিলিপি বিক্রি করতে। বিউটি নিজেও জিলিপি তৈরি করতে পারে। অনেক ছোটো থেকেই বাবার সঙ্গে একাজ সে করে আসছে। তবে এতে পড়াশোনায় কোনও বাধা পড়েনি। সবকাজ সেরে পড়াশেনাটা ঠিক চালিয়ে যায় বিউটি। তবে উচ্চমাধ্যমিকে সাফল্য পেলেও উচ্চশিক্ষা নিয়ে চিন্তায় রয়েছে বিউটি। কারণ, সংসারের আর্থিক অনটন। পরিবার ও নিজের চেষ্টায় অনেকটা পথ এসেছে সে, আরও এগোতে চায়। ভবিষ্যতে শিক্ষিকা হওয়ার ইচ্ছের কথা জানিয়েছে বিউটি। স্বপ্ন সফল করতে হলে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হবে তাকে। তাই তার প্রয়োজন সাহায্যের। বিউটির বাবা বলয় প্রামাণিক বলেন, “মেয়ে এমন ভালো ফলাফল করবে স্বপ্নেও ভাবতে পারিনি। সকাল থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত দোকানেই থাকত। তারপর পড়াশোনা করত। প্রথমে যখন ফোন করে বলে ভালো রেজ়াল্ট করেছে কিছুই বুঝতে পারিনি। আমরা সেইভাবে কখনও তো পড়াশোনা করিনি। তাই সবকিছু জানি না। পরে সকলের মুখে শোনার পর বুঝতে পারি মেয়ে খুব ভালো ফলাফল করেছে। একটা সময় ভেবেছিলাম ও হয়তো পাসও করতে পারবে না। আমার ভাবনাকে পালটে দিয়েছে মেয়ে। আমরা খুব খুশি। যতটা পেরেছি করেছি। আবারও করব। তবে বয়স হয়ে যাচ্ছে। কতটা পারব জানি না। কেউ সাহায্য করলে ভালো হয়।” বিউটি বলে, “বাবার দোকানে থাকতাম। টাকা পয়সা নেওয়া, জিলিপি ভাজা সবই করতে পারি। বাকি সময় পড়াশোনা করতাম। দিনে ৯ ঘণ্টা পড়তাম। আমাকে স্কুলের শিক্ষিকারা সহযোগিতা করেছেন। সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।”   

  • বালুরঘাটে তৃনমূল কাউন্সিলরদের মদতে টোটো ইউনিয়নের সহযোগিতায় নম্বর প্লেটহীন টোটো চলছে।

    ডেস্ক, ১৫ জুন : বালুরঘাট : উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জেলার ন্যায় দক্ষিণদিনাজপুরের বালুরঘাট শহরে একের পর এক নম্বর প্লেটহীন টোটো চলছে। প্রশাসনের নাকের ডগায়  শহরে চলছে  এইসব টোটো। শহরের  আমজনতা  সহ নম্বর থাকা টোটো চালকরা   বালুরঘাটে এইভাবে প্রতিদিন  টোটোর সংখ্যা বেড়ে চলায় পৌরসভার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এছাড়াও এ ব্যাপারে টোটো ইউনিয়ন ও পৌরসভার  এক কাউন্সিলরদের মদত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।  এছাড়া টোটো ইউনিয়নের নামে কাউন্সিলরকে সামনে রেখে তোলাবাজি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ। গতকাল শহরের একাধিক জায়গায় নতুন টোটো চালকদের বাধা দেন পুরোনো চালকেরা । এদিকে আবার পৌরসভার চেয়ারম্যান রাজেন শীল  নতুন করে আরও টোটোর লাইসেন্স দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন । বালুরঘাট শহরে টোটোর সংখ্যা বিগত কয়েক বছরে প্রচুর  বেড়েছে  । বছর দেড়েক আগে পুলিশ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহর এলাকার টোটো ও গ্রামীণ টোটো ভাগ করে দেওয়া হয়। শহরের টোটোয় নীল রং করতে বলা হয়।  গ্রামীণ বা নম্বরছাড়া টোটো শহরে ঘুরলে জরিমানা করা হবে বলে জানানো হয় । প্রথমে সব কিছু  ঠিকঠাক চল ছিল। কিন্তু, কিছুদিন পর  পরিস্থিতি আবার সেই তিমিরে । শহরে ঢুকে পড়েছে গ্রামীণ ও নম্বর প্লেট ছাড়া বহু টোটো। যাতে পৌরসভা বা প্রশাসনের কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই বললেই চলে। বালুরঘাটে এই মুহূর্ত ১১৮৫ টোটো চলাচলের লাইসেন্স দেওয়া আছে সরকারিভাবে। এর মধ্যে শহরের ৬১৫ এবং গ্রামীণ এলাকার টোটো ৫৭০টি। তবে লাইসেন্সহীনভাবে কত টোটো শহরে চলছে তার হিসাব প্রশাসনের কাছে নেই। আমজনতার প্রশ্ন এ সমস্যার সমাধান কবে  হবে?

  • বালুরঘাটে বি এসএফ কয়েক লাখ টাকার চোরাই কফ সিরাপ উদ্ধার করল।

    ডেস্ক, ৪ জুন : দক্ষিন দিনাজপুরের বালুরঘাটে বি এসএফ কয়েক লাখ টাকার চোরাই কফ সিরাপ উদ্ধার করল। তাদের অনুমান  এগুলি বাংলাদেশে পাচারের জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তবে এ ব্যাপারে কাঊকে গ্রেপ্তার  করা যায়নি ।   বি এস এফ সূত্রে জান যায় যে সূত্র মারফত খবর আসে একটা গাড়িতে করে কফ সিরাপ পাচার করা হবে।  সেইমতো বিভিন্ন এলাকায় টহল চালাচ্ছিল বি এস এফ । আজ সকালে অভিযান চালানোর সময় বালুরঘাট থেকে গঙ্গারামপুরগামী রাস্তায় একটি মারুতি ভ্যানকে দেখে   জওয়ানদের সন্দেহ হয়।  গাড়িটিকে দাড়াতে বলে  কিন্তু, দাঁড়ানোর পরিবর্তে গাড়িটি পালিয়ে যায়। ওই গাড়ির পিছু নেয় জওয়ানরা। এরপর পতিরাম থেকে চার কিলোমিটার দূরে বালুরঘাট গঙ্গারামপুর দাঁড়ালহাটমোড় এলাকায়   গাড়িটিকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। তবে গাড়ির মধ্যে চালক ও খালাসি কেউই ছিল না। তারপর গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ৩ হাজার ৪০০ বোতল কফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়। যার বাজার  মূল্য প্রায় ৪ লাখ ৭৬ হাজার ৮৫০ টাকা। এছাড়া মারুতি ভ্যানটিকেও আটক করা হয়েছে। উদ্ধার করার পর ওই কফ সিরাপগুলি পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।     

  • রায়গঞ্জে মহকুমাশাসক নিগ্রহের ঘটনায় জামিন পেলেন তিন শিক্ষক।

    Newsbazar,ডেস্ক, ২৮মেঃ রায়গঞ্জে মহকুমাশাসক নিগ্রহের ঘটনায় জামিন পেলেন ধৃত  তিন শিক্ষক, প্রদীপ সিনহা, মনোজ ভৌমিক ও সঞ্জিত দাস। আজ তাদের হয়ে জামিনের জন্য   অ্যাডিশনাল ডিস্ট্রিক্ট অ্যান্ড সেশন জাজ ফার্স্ট কোর্টে সওয়াল করেন বিশিষ্ট আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। বিচারক  তাঁদের জামিন মঞ্জুর করেন। জানা যায় যে আজ কলকাতা থেকে স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে শিক্ষকদের জন্য মামলা লড়ার জন্য আসেন বিশিষ্ট আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য।    এখানে উল্লেখ্য পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন প্রিজ়াইডিং অফিসার স্কুলশিক্ষক রাজকুমার রায়ের রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয়। এই ঘটনার প্রতিবাদে ১৬ মে রায়গঞ্জ শহরে পথ অবরোধ করেন শিক্ষকরা। রায়গঞ্জের মহকুমাশাসক টি এন শেরপা আন্দোলনকারী শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলতে যান। সেই সময় তাঁকে শারীরিক নিগ্রহ করা হয়।   এই ঘটনায় রায়গঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন মহকুমাশাসক। জেলা পুলিশের তরফে ঘটনার তদন্তের ভার দেওয়া হয়েছিল উত্তর দিনাজপুরের  ডিএসপিকে। এরপর ঐ  ঘটনার ভিডিও ফুটেজ দেখে মোট ৬২ জন শিক্ষকের  বিরুদ্ধে মামলা  দায়ের করে পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয় তিন শিক্ষককে। আজ তাঁরা জামিন পেলেন।  জামিন প্রসঙ্গে বিকাশবাবু বলেন  “প্রিজ়াইডিং অফিসার  হিসাবে কর্মরত অবস্থায় শিক্ষক রাজকুমার রায় খুন হয়েছেন। এ বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু, তদন্ত না করে কিভাবে  প্রশাসনের তরফে সেটিকে আত্মহত্যার ঘটনা বলা হচ্ছে। সহকর্মী খুন হওয়াতে  শিক্ষকরা বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন। তাঁরা তো কেউ অপরাধী নন। সেই বিক্ষোভের মধ্যে গিয়ে মহকুমাশাসক শিক্ষকদের বললেন, আপনারা কেন বিক্ষোভ করছেন এটা তো একটা আত্মহত্যার ঘটনা।  তদন্ত না করে তিনি কি করে বলেন এটা  আত্মহত্যার ঘটনা । তিনি আরও বলেন, “যাঁরা বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের  হল। অভিযোগের যদি সত্যতা থেকে থাকে তাহলে যে মুহূর্তে মহকুমাশাসক-র উপর হামলা হল তখনই তাঁদের গ্রেপ্তার না করে  ঘটনার ১১ ঘণ্টা পর তিনি  এফআইআর করলেন। আর  তদন্তকারি এস আই ওই একই বিষয় নিয়ে এফআইআর করলেন ৯ ঘণ্টা পরে।  দুটো এফআইআর-এর মধ্যে মিল নেই। মহকুমাশাসক-রএফআইআরএ রয়েছে ওই দিন বিক্ষোভের মধ্যে তাঁকে মারধর করা হয়েছে। কিন্তু, সাব ইন্সপক্টরের এফআইআরকপিতে রয়েছে শিক্ষকরা রাস্তা আটকে বিক্ষোভ করছিলেন। অনেক বোঝানোর পর তাঁরা বিক্ষোভ তুলে নেন।” শিক্ষকদের গ্রেপ্তারের ঘটনা অগণতান্ত্রিক ও স্বৈরাচারী বলে বিকাশবাবু  বলেন,  পুলিশের ভয় দেখিয়ে শিক্ষকদের সংগঠিত আন্দোলন ভেঙে দেওয়া হয়েছে।  ভোটের কাজ করতে গিয়ে একজন অফিসার কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে গেলেন। কিন্তু, তিনি কোথায় গেলেন সেটা আর কেউ দেখল না ? কেউ খোঁজও করল না ? এবার  দায়িত্ব এড়ানোর জন্য প্রশাসন বলছে  আত্মহত্যা। এ বিষয়ে তদন্ত না করে কিভাবে বলা হচ্ছে আত্মহত্যা। অর্থাৎ আত্মহত্যার তত্তকে সামনে রেখে তদন্ত হবে। সিআইডি  বা স্থানীয় পুলিশের তদন্তে আমদের আস্থা নেই।  অন্য কোনও সংস্থাকে দিয়ে এই তদন্ত করানো যায় কি না তা আমরা দেখব। তার জন্য দরকার হলে আমরা উচ্চ আদালতে যাব।”