উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর

  • সেভ ড্রাইভ সেভ লাইফকে প্রহসন

    news bazar24: গঙ্গারামপুরঃপ্রশাসনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে হেলমেট বিহীন বাইক আরোহীরা সহাস্যে গঙ্গারামপুরের রাস্তায় দাপিয়ে বেরাচ্ছে।পুরো ঘটনাটি ঘটছে পুলিশি নজরদারির অভাবে।মুখ্যমন্ত্রীর প্রকল্পকে কার্যত বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে দিব্যি ঘুরে বেরাচ্ছে বাইক আরোহীরা।হেলমেট বিহীন অবস্থায় বাইকে তিনজনকে হামেশাই সওয়ারি হতে দেখা যাচ্ছে।দ্রুতগতিতে অনিয়ন্ত্রীত ভাবে বাইক চালানোর ফলে মাঝে মধ্যে দূর্ঘটনা ঘটছে।সমস্ত জেলা জুড়ে সেভ ড্রাইভ সেভ লাইফ নিয়ে প্রচুর প্রচার ও ধরপাকড় হয়েছে কিন্তু গঙ্গারামপুর শহরে সেভ ড্রাইভ সেভ লাইফ প্রকল্প কার্যকরী না হওয়ায় এনিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠছে।এবিষয়ে কর্তব্যরত এক ট্রাফিক পুলিশ জানান,মাঝে মধ্যে ধরপাকড় করা হয়। তবে তারা পুলিশের সামনে দিয়ে ট্রাফিক আইন অমান্য করে বাইক ছুটে যায় সাথে পেট্রোল পাম্পে তেল ও পাচ্ছে।অন্যদিকে যখন জেলার সদর শহর বালুরঘাটে সেভ ড্রাইভ সেভ লাইফ প্রকল্প কার্যকরী হওয়ায় বাইক আরোহীদের মাথায় হেলমেট দেখা যাচ্ছে তখন জেলার গঙ্গারামপুর শহরে ভিন্ন দৃশ্য দেখা যাচ্ছে।প্রতিনিয়ত যানবাহনের সংখ্যা বাড়ছে তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সড়ক দূর্ঘটনা।গঙ্গারামপুর শহরে আইন থাকলেও তা কেউ তোয়াক্কা করছেনা বলে অভিযোগ।চালকেরা ট্রাফিক আইন মানছে না।আবার ট্রাফিক পুলিশও সেই আইন বাস্তবায়নে পদক্ষেপ করছেনা।ফলে অবাধে ট্রাফিক আইনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে হেলমেট ছাড়াই বাইক আরোহীরা চলছেন।গঙ্গারামপুর শহরের ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের মতামত পুলিশের নজরদারির অভাবে হেলমেট বিহীন বাইক আরোহীদের দৌরাত্ম বেড়ে গিয়েছে।এলাকায় একদল যুবকের দ্রুতগতিতে বাইক নিয়ে ছুটে বেড়ানোর কারনে অনেকে প্রাণভয়ে রাস্তায় বের হতে ভয় পান।তেমনি মাঝেমধ্যে এলাকায় দূর্ঘটনা ঘটছে।গঙ্গারামপুর শহরের বাসিন্দারা ট্রাফিক আইনকে কঠোরভাবে বহাল করার দাবী তুলেছেন।

  • মদ উচ্ছেদ মহিলা কমিটির থানায় ডেপুটেশন

    newsbazar24: (পল মৈত্র)- বুনিয়াদপুর,দক্ষিন দিনাজপুরঃ বুধবার দুপুরে দক্ষিন দিনাজপুর জেলার বুনিয়াদপুর বংশীহারী থানায় প্রায় শতাধিক মহিলাদল ডেপুটেশন দিলেন। মদ উচ্ছেদ মহিলা কমিটির পক্ষ থেকে এদিন বুনিয়াদপুর শহর থেকে পায়ে হেটে পরিক্রমা করে থানা উপস্থিত হন এবং ডেপুটেশন। উল্লেখ্য মঙ্গলবার বুনিয়াদপুর সরাইহাটের এক আদিবাসী এলাকায় (যারা চোলাই মদ বিক্রী করেন) তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে এসব বন্ধের জন্য মদ উচ্ছেদ মহিলা কমিটির প্রায় শতাধিক মহিলারা প্রতিবাদ জানালে অত্র এলাকার আদিবাসীরা মহিলাদের উপর লাঠি নিয়ে চড়াও হন পাশাপাশি সেই ঘটনায় ৩ জন মহিলা আহত হন। ঘটনার খবর পেয়ে বংশীহারী থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী উপস্থিত হয়ে মদ উচ্ছেদ মহিলা কমিটির মহিলাদের সুরক্ষা বলয়ে আশ্রয় দেন। বুধবার সেই ঘটনার প্রতিবাদে বিভিন্ন চোলাই মদ বিক্রীর প্রতিবাদে তারা থানায় ডেপুটেশন দেন। এবিষয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার মদ উচ্ছেদ মহিলা কমিটির সম্পাদিকা বাবলি বসাক জানান, গতকালের ঘটনাটি খুব নিন্দনীয়  তার তীব্র প্রতিবাদ জানাই আজ আমরা সেই ঘটনায় দোষীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও অবৈধ চোলাই মদ বিক্রী বন্ধের জন্য থানায় ডেপুটেশন দিচ্ছি। পাশাপাশি এই মদের নেশায় শ্রমজীবী ও সমাজের গরীব মানুষরা নানান অসুখে ভুগছেন তার সাথে লেগে রয়েছে সাংসারিক দন্দ্ব। তাই আমরা অবিলম্বে চোলাই মদ অবৈধ মদ বিক্রী ও কারবার বন্ধের আর্জী জানাচ্ছি। তা না হলে আমরা ভবিষ্যতে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবো।অন্যদিকে একই সাথে বুনিয়াদপুর  ৩ নং ওয়ার্ডের মহিলারা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে ডেপুটেশন দিলেন। প্রসঙ্গত চলতি মাসে পরপর ৯ টি চুরির ঘটনা ঘটলেও পুলিশ এখনো সেইসব ঘটনার সুরাহা ও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেননি। পুলিশ প্রশাসনের নিস্কৃয়তার অভিযোগ উঠেছে। এদিন বুনিয়াদপুর ৩ নং প্রায় শতাধিক মহিলারা থানায় লিখিত অভিযোগ করে ডেপুটেশন দেন। এবিষয়ে নুপুর মন্ডল, আরতি সরকার, মৌসুমি বিশ্বাসরা জানান, চলতি মাসে বুনিয়াদপুরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে পরপর ৯ টি বড়ো চুরির ঘটনা ঘটলেও পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেননি। পাশাপাশি বারবার চুরির ঘটনা ঘটছে আমরা অবিলম্বে এই ঘটনা যাতে না ঘটে তার জন্য পুলিশ প্রশাসনকে পাড়ায় পাড়ায় পাহারা দেওয়ার আর্জি জানাচ্ছি তার সাথে অবিলম্বে ঘটে যাওয়া চুরির ঘটনাগুলির কিনারা করার আবেদন জানাই। আমরা জেনেছি এই থানার পুলিশরা ডাকাত ধরে সুনাম অর্জন করেছেন তাহলে চোর ধরতে বা চুরির ঘটনাগুলির কোনো কিনারা করতে পারছেন না কেন নাকি চোরেদের সাথে পুলিশের সাথে কোনো গোপন আঁতাত রয়েছে ? অবিলম্বে চুরি যাওয়া সামগ্রী উদ্ধার ও চুরির কিনারা না হলে আমারা বৃহত্তর আন্দোলনে নামবো।

  • উত্তরদিনাজপুরের চোপড়ায় তৃণমূল ও বিজেপি-র সংঘর্ষ

    ডেস্ক, ২৬ জুন:উত্তরদিনাজপুরেরচোপড়ার মুখডুলি গ্রামে  তৃণমূল ও বিজেপি-র মধ্যে  সংঘর্ষে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হল।সংঘর্ষে তৃণমূলের ১১ জন কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।  আহতদের প্রথমে চোপড়ার দলুয়া প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভরতি করা হয়। এদের মধ্যে কয়েকজনের'জনের অবস্থার অবনতি   হওয়ায় তাদের শিলিগুড়ি উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।   স্থানীয় সূত্রে জানা যায় চোপড়া ব্লকের মুখডুলি গ্রামে প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ সড়ক যোজনার একটি রাস্তা সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে কয়েকদিন ধরে জলমগ্ন হয়েছিল। চোপড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের তরফে বাসিন্দাদের চলাচলের সুবিধার জন্য রাস্তায় পাথর ফেলার কাজ শুরু করা হয়। সেই সময়, বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা বাধা দেয়। এনিয়ে দু'পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি এবং  ঝামেলা গণ্ডগোল শুরু হয়। স্থানীয় তৃণমূল নেতা জানান , বিজেপি নেতা শাইন আখতারের নেতৃত্বে   কয়েকজন ধারালো অস্ত্র, বাঁশ, লাঠি নিয়ে তাদের উপর আক্রমণ করে। এর জেরে তাঁদের দলের  ১১ জন কর্মী গুরুতর আহত হন।  হামলার কথা অস্বীকার করেছ স্থানীয় বিজেপি নেতা শাইন আখতার জানান কাজের ব্যাপারে জানতে গেলে উলটে তৃণমূল নেতার নেতৃত্বে তাদের উপর হামলা চালায়।  

  • খুব তাড়াতাড়ি বাড়ি বাড়ি পানীয় জলের পরিষেবা পাবেন বালুরঘাটবাসীরা

    newsbazar24: দক্ষিন দিনাজপুরঃ দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে বাড়ি বাড়ি পানীয় জল সরবরাহ প্রকল্প চালু করতে চলেছে বালুরঘাট পৌরসভা। আগামীকাল আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হচ্ছে জল প্রকল্প। এরপরই বাড়ি বাড়ি জল সংযোগ দেওয়ার আবেদন নেওয়া শুরু হবে বলে জানিয়েছেন বালুরঘাট পৌরসভার চেয়ারম্যান রাজেন শীল। বাড়িতে জলের কানেকশন নিতে এককালীন ৩-৫ হাজার টাকা করে দিতে হবে নাগরিকদের। টাকার পরিমাণ নির্ভর করবে দূরত্বের উপর। ৩০ তারিখ থেকেই পৌরসভায় আবেদন নেওয়া শুরু হবে।   ২০১৪ সালের মার্চ মাসে বাড়ি বাড়ি পানীয় জল সরবরাহ প্রকল্পের কাজ শুরু করে বালুরঘাট পৌরসভা। ৪২ কোটি টাকা দিয়ে প্রথম পর্যায়ে কাজ শুরু হলেও পরবর্তীতে তা বেড়ে যায়। এদিকে প্রকল্পের কাজ শেষ না হওয়ার অনেক আগেই উদ্বোধন করানো হয় মুখ্যমন্ত্রীকে দিয়ে। তারপর কেটে গেছে বেশ কয়েকমাস। অবশেষে পাইপলাইনের কাজ শেষ হয়েছে। মোট চারটি জ়োনে ভাগ করা হয়েছে গোটা শহরকে। চারটি রিজ়ারভারের মধ্যে প্রথমে দুটি থেকে জল সরবরাহ শুরু হবে। ১ নম্বর ও ২ নম্বর রিজ়ারভারের কাজ ইতিমধ্যে শেষ। বাকি ৩ ও ৪ নম্বর রিজ়ারভারের কাজও খুব তাড়াতাড়ি শেষ হবে।বাড়িতে জলের সংযোগ নেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট ফর্মের ব্যবস্থা করেছে পৌরসভা। স্থানীয় কাউন্সিলরের কাছে বা সরাসরি অফিসে এসেও জমা দেওয়া যাবে আবেদনপত্র। দারিদ্রসীমার নিচে যাঁরা রয়েছেন তাঁদের বিনামূল্যে জলের সংযোগ দেওয়া হবে। পাশাপাশি দূরত্বের উপর নির্ভর করে শহরবাসীর কাছ থেকে এককালীন ৩-৫ হাজার টাকা নেওয়া হবে বলে পৌরপ্রধান রাজেন শীল জানিয়েছেন।এদিকে পৌরপ্রধানের এই ঘোষণার পর নাগরিকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে। এককালীন টাকার পরিমাণ কমানোর কথা বলেছেন অনেকে। সুশীল কর্মকার নামে একজন বলেন, “বাড়ি বাড়ি জল দেওয়া হলে সুবিধা হবে। শহরের বেশিরভাগ বাড়িতেই ট্যাপকল আছে। যাদের নেই তারা সুবিধা পাবে। তবে যতটা কম খরচে জল বাড়ি বাড়ি দেওয়া যায় তার দিকে পৌরসভা নজর দিলে ভালো হয়।”

  • সোশ্যাল মিডিয়ায় বালুরঘাট পৌরপ্রধানের একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সরব দলের একাংশ।

    ডেস্ক, ২৫শে জুনঃ সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুক সহ হোয়াটস অ্যাপএ ভাইরাল  হয়েছে একটি চিঠি যাতে রয়েছে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ সহ নামে বেনামে কয়েকশো কোটি টাকার মালিক তৃণমূল পরিচালিত বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান রাজেন শীল। তিনপাতার চিঠিটি লেখা হয়েছে সিবিআই-র উদ্দ্যেশ্যে।  এই বার্তাকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন রাজেনবাবু।   গোটা ঘটনায় দলের ভিতরে একাংশের দিকে  প্রথমে অভিযোগের আঙুল তুললেও , পরে অবশ্য নিজের অবস্থান বদলে বিরোধীদের বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ এনেছেন। বিষয়টি নিয়ে আইনী পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পুরপ্রধান। পাশাপশি পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন।   যে চিঠির অভিযোগ নিয়ে তোলপাড় বালুরঘাট, সেটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরে বেরাচ্ছে গত কয়েকদিন ধরে। সিবিআই-এর উদ্দেশে লেখা হয়েছে চিঠিটি। তবে তাতে প্রেরকের নাম নেই। অভিযোগপত্রে বালুরঘাটের পুরপ্রধানের বিরুদ্ধে ১৫ টি দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে। মাদক কারবারে অভিযুক্ত ফেরার বিদায়ী তৃনমূল প্রধান লগিন দাসের সাথের থেকে চেয়ারম্যানের পদকে ব্যাবহার করে বিভিন্ন রকম বেআইনি কাজ করা ও পুরসভার সম্পত্তি লগিন দাসকে বেআইনি ভাবে পাইয়ে দেওয়া ও রাজ্যের বাইরে পাঁচতারা হোটেল আর কালো টাকা সাদা করার অভিযোগ করা হয়েছে । বালুরঘাটের কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর মাধ্যমে দুর্নীতিতে প্রশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছে। তালিকায় ড্রাগ ও মহিলা পাচারের অভিযোগও তোলা হয়েছে রাজেন শীলের বিরুদ্ধে। আরও অভিযোগ করা হয়েছে তিন বছর আগে পুরপ্রধান ও তার পরিবারের স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তির সঙ্গে বর্তমান সম্পত্তির হিসাব নিলে দেখা যাবে তা প্রায় কয়েকশ গুন বেড়ে গেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় বালুরঘাট পৌরপ্রধানের একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সরব দলের একাংশ। যদিও রাজেনবাবু জানিয়েছেন আমার বিরুদ্বে সোশ্যাল মিডিয়ায় মিথা অভিযোগে কুৎসা রটনা করা হচ্ছে। সামনেই পৌরসভা  নির্বাচন। নির্বাচনের মুখে আমাকে অপদস্ত করার জন্য দলের এক অংশ ষড়যন্ত্র করছে বলে তিনি জানান। বিষয়টি তিনি দলের সাংসদ অর্পিতা ঘোষ এবং দলের জেলা সভাপতিকে জানিয়েছেন বলে তিনি জানান। বালুরঘাট পৌরসভার বিরোধী নেত্রী সুচেতা বিশ্বাস বলেন আমরা প্রথম থেকেই এই দুর্নীতির বিরুদ্বে বলে আসছিলাম এবার তার দলের লোকরাই তার বিরুদ্বে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন।    

  • ইতিহাসের কুসংস্কারকে সাক্ষী রেখে মাটিতে ঠাঁই

    newsbazar24: পল মৈত্র, দক্ষিন দিনাজপুরঃ ইতিহাসকে ঘিরেই কুসংস্কার আর সেই কুসংস্কারে বিশ্বাসী হয়ে এখনও পর্যন্ত কাঠের তৈরি চৌকি বা খাটে কেউই ঘুমোন না দক্ষিন দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর ব্লকের বেলবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের পীরপাল গ্রামের গ্রামবাসীরা।কাঠের নয় মাটিরই তৈরি খাটে অথবা মাটিতে ঘুমোন গ্রামবাসীরা।এলাকার গ্রামবাসী ও ইতিহাসবিদের মুখে শোনা যায় ১৭০৭ সালে পীরপালের মাটিতে ইখতিয়ারউদ্দিন মহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজির দেহ সমাধিস্থ করা এরপর তিনি দেবতা বা পীর রুপে আবির্ভূত হন বলে বিশ্বাস গ্রামবাসীদের।বীর যোদ্ধাকে মাটিতে সমাধিস্থ করার পর থেকে গ্রামবাসীরা খাটে বা চৌকিতে ঘুমোলে তাদের স্বপ্নাদেশে মেরে ফেলার ভয় দেখানো হতো।এই ভয়ে বিগত কয়েকশো বছর থেকে পীরপালের গ্রামের মানুষ চৌকি বা খাটে শোন না।আর কেউ যদি ঘুমোন তাহলে সেই পরিবারের সকলে অসুস্থ হয়ে পরে বলে এমনটাই মত গ্রামবাসীদের।তবে ইতিহাসবিদের দাবি বখতিয়ার খলজিকে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য গ্রামবাসীরা মাটিতে ঘুমান।দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর,হরিরামপুর,তপন কুশমন্ডিতে নানা ঐতিহাসিক নিদর্শন পাওয়া গেছে।যার মধ্যে গঙ্গারামপুরের পীরপাল অন্যতম।জেলার ইতিহাসবিদ ও গ্রামবাসীদের মুখে শোনা গেছে ১৭০৭ সালে সুলতানি রাজ্য প্রতিষ্ঠা করতে বখতিয়ার খলজি পাল বংশের লক্ষন সেনকে পরাজিত করে সংগ্রামপুর,দেবীকোট সহ গোটা গৌড় দখল করে নেন।লক্ষন সেন প্রান নিয়ে পালিয়ে তৎকালীন বঙ্গে পালিয়ে যান এবং তার সৈনরা পরাজিত হয়ে নদিয়া শহর পর্যন্ত ত্যাগ করতে বাধ্য হয়। অন্যদিকে,তিব্বত ও কামরূপ অভিযান বিফল হলে বখতিয়ার খলজি দেবীকোটে ফিরে তিব্বত অভিযান বিফল এবং সৈনবাহিনীর ব্যাপক ক্ষতির ফলে লখনৌতির মুসলিম রাজ্যের প্রজাদের মধ্যে বিদ্রোহ ও বিরোধ দেখা দিতে শুরু করে।এরই ফলে বাংলার ছোট ছোট মুসলিম রাজ্যগুলি দিল্লীর সঙ্গে সম্ভাব্য বিরোধের আগে থেকেই কোনঠাসা হয়ে এরকম নানাবিধ চিন্তা এবং পরাজয়ের গ্লানিতে বখতিয়ার খলজি প্রচন্ডভাবে অসুস্থ ও শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন।এর অল্প কিছুদিন বাদে বাংলার ১২০৬ বঙ্গাব্দে ও ইংরেজি ১৭০৭ খ্রীষ্টাব্দে তিনি শয্যাশায়ী অবস্থায় মৃত্যুবরণ কেউ কেউ অনুমান করেন বখতিয়ার খলজির মৃত্যুর পিছনে তার প্রধান সেনাপতি আলিমর্দান খলজির হাত ছিল।এরপর বখতিয়ারের মৃতদেহ পীরপালে সমাধিস্থ করা যেহেতু তিনি বীরযোদ্ধা ছিলেন তাই তিনি পীর রুপে আবির্ভূত হন বলে গ্রামবাসীদের মত।তারপর থেকে এলাকার বিশেষ করে বয়স্করা চৌকি অথবা খাটে ঘুমোন না।এই বিষয়ে ভিন্ন মত পোষন করেন জেলার ইতিহাসবিদ সুমিত ঘোষ।তিনি বখতিয়ার খলজি যেহেতু বীরযোদ্ধা ছিলেন,তাই তাকে সম্মান জানাতে পীরপালের মানুষ মাটিতে ঘুমোয়।তবে ঐ এলাকার মানুষের মধ্যে কিছু কুসংস্কার আছে।যেহেতু বীরযোদ্ধা বখতিয়ার খলজি পীরপালের মাটিতে শায়িত আছেন তাই গ্রামবাসীরা কাঠের তৈরি চৌকি বা খাটে ঘুমোন না।তবে এই বিষয়ে পীরপালের বয়স্ক এক গ্রামবাসী রাজেন রায় বলেন,কয়েশো বছর আগে থেকো এই গ্রামের মানুষ মাটিতে ঘুমোয়।চৌকি বা খাটে ঘুমোলে স্বপ্নাদেশে তাদের ভয় দেখানো হয়।আর পরিবারের সকল সদস্য অসুস্থ হয়ে পড়ে।তাই এ গ্রামের মানুষেরা আজও মাটিতে ঘুমোন চৌকি বা খাটে কাউকে ঘুমোতে দেন না পাছে কেউ যদি অসুস্থ হয়ে পড়েন।

  • জেলা জুড়ে পালিত হল আন্তর্জাতিক যোগ দিবস

    newsbazar24: দক্ষিণ দিনাজপুরঃ বৃহস্পতিবার দক্ষিণ দিনাজপুরের বিভিন্ন ব্লকে যোগ দিবস পালিত হয় পতঞ্জলি যোগ সমিতির উদ্যোগে। এই বিষয় সমিতির অ্যাডভোকেট কো অর্ডিনেটর রঞ্জিত কর্মকার বলেন হরিরামপুর ব্যাতিত জেলার সব ব্লকে রাজ্যর মহিলা প্রভারী পাপিয়া ভট্টাচার্যের নির্দেশে ও ব্লক সভাপতি এবং সম্পাদকদের উদ্যোগে এই শিবির চলে। বালুরঘাট ব্লকের শিবির টি হাই স্কুল ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়। রঞ্জিত বাবু বলেন প্রায় ৮০০ মানুষ শিবিরে অংশ নেন। শিবিরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পতঞ্জলি যোগ সমিতির স্বামীজী স্বামী গৌরব জী। বালুরঘাট ব্লকের শিবিরটিতে ৪০ মিনিটের প্যাকেজ ছিল। এছাড়া জেলা স্বাস্থ অধিকর্তার বাস ভবনের সামনে জেলা স্বাস্থ বিভাগের উদ্যোগেও একটি শিবিরের আয়োজন করা হয়। শিবিরটি পরিচালনা করেন পতঞ্জলি যোগ সমিতির বালুরঘাট শাখার সম্পাদক বিকাশ দাস মহাশয়।

  • অ্যাম্বুল্যান্স- এর সুবিধা পেলো দক্ষিণ দিনাজপুর

    news bazar24:দক্ষিন দিনাজপুরঃ জেলায় জেলায় চিকিৎসাব্যবস্থার মানোন্নয়নের জন্য এবার মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে অত্যাধুনিক মানের CCU অ্যাম্বুলেন্স দেওয়া হচ্ছে।হাসপাতালে CCU বিভাগে ভরতি এমন দুস্থ রোগীকে উন্নত পরিষেবা দেওয়ার জন্য বিনামূল্যে পাওয়া যাবে গ্লান যান পরিষেবা। অ্যাম্বুলেন্স পরিচালনার জন্য ১০ জন সিভিক ভলান্টিয়ারকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। যার মধ্যে চারজন মহিলা ও ছ’জন পুরুষ থাকবেন। প্রত্যেক জেলার পুলিশ সুপারের হাতে একটি করে এই বিশেষ অ্যাম্বুলেন্স তুলে দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী।এবারে ছিল দক্ষিণ দিনাজপুরের পালা। অনুষ্ঠানে ছিলেন জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুকুমার দে, হাসপাতাল সুপার তপন কুমার বিশ্বাসসহ জেলা পুলিশের পদস্থ কর্তা ও কর্মীরা। আগামী এক সপ্তাহ ধরে চলবে এই প্রশিক্ষণ। জেলা পুলিশ সুপারের তত্ত্বাবধানে থাকবে অ্যাম্বুলেন্সটি। অনেক ক্ষেত্রেই CCU-তে ভরতি রোগী বা আশঙ্কাজনক কোনও রোগীকে CCU পরিষেবার সাহায্য নিয়ে অন্যত্র স্থানান্তরিত করার প্রয়োজন হয়। তবে, আর্থিক অবস্থার কারণে কখনও কখনও তা সম্ভব হয় না। এমন দুস্থ রোগীদের জন্যই এবার বিনামূল্যে অত্যাধুনিক মানের CCU অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা চালু হল দক্ষিণ দিনাজপুরে।    এবিষয়ে বালুরঘাট হাসপাতালের সুপার তপনকুমার বিশ্বাস বলেন, “অত্যাধুনিক মানের সুসজ্জিত একটি CCU অ্যাম্বুলেন্স মুখ্যমন্ত্রী জেলার পুলিশ সুপারের হাতে তুলে দিয়েছেন। পুলিশের তত্ত্বাবধানে থাকবে অ্যাম্বুলেন্সটি। চিকিৎসা ব্যবস্থায় আরও উন্নতির জন্যই এই অ্যাম্বুলেন্স প্রদান করা হয়েছে। জেলায় সরকারিভাবে এতদিন কোনও CCU অ্যাম্বুলেন্স ছিল না। তবে, এবার তা হাতে আসায় কয়েকদিনের মধ্যেই পরিষেবা চালু করা হবে।” 

  • রাস্তা সংস্কারে হাতে হাত লাগালেন ৮ থেকে ৮০ সকলেই

    news bazar24; পল মৈত্র,বুনিয়াদপুর, দক্ষিন দিনাজপুরঃ বেহাল রাস্তা সংস্কারের জন্য পঞ্চায়েত থেকে প্রশাসনের দরজায় দরজায় ঘুরে কাজ হয়নি । চলাফেরা সমস্যায় পড়া বাসিন্দারা বাধ্য হয়ে নিজেরাই হাত লাগালেন রাস্তার কাজে । রবিবার হাতে হাত মিলিয়ে দীর্ঘ প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তা সরাই করেন গ্রামের পুরুষ ও মহিলারা । দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বংশীহারী ব্লকের গাঙ্গুরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের শায়েস্তা বাদ এলাকার কয়েক শ' মানুষ এই কাজে এগিয়ে আসেন । সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন প্রধান ও প্রশাসন । বংশীহারী  ব্লকের শায়েস্তা বাদ মোরগা বাড়ির এই গ্রামটি বুনিয়াদপুর পুরসভা গড়ে ওঠার আগে শিবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্ভুক্ত ছিল । পরবর্তী সময়ে শিবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের আর কোন অস্তিত্ব না থাকায় শায়েস্তাবাদ মোরগাবাড়ির এই গ্রামটি মহাবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়। শায়েস্তাবাদ মোগরাবাড়ির বাসিন্দা আলাউদ্দিন আহমেদ অভিযোগ করে বলেন আমাদের গ্রামের এই রাস্তাটি বহুদিন আগে নিজেরাই তৈরি করেছিলাম তাই রাস্তাটি সংস্কার করার জন্য পঞ্চায়েত বা প্রশাসন উদ্যোগী হয় নি । বর্ষার আগে সমস্যার আজ করে গ্রামবাসীরা বাধ্য হয়ে সংস্কারে হাত লাগান । এদিন নিজেরাই টাকা জোগাড় করে বিভিন্ন সামগ্রী কিনে রাস্তার কাজ করেন । গাঙ্গুরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পাঞ্জাব চৌধুরী ও গঙ্গারামপুরের মহকুমাশাসক দেবাঞ্জন রায় জানিয়েছেন , বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হবে ।

  • নতুন ভাবে তৈরি হচ্ছে গঙ্গারামপুর স্টেডিয়াম

    news bazar24; পল মৈত্র, দক্ষিন দিনাজপুরঃ এগিয়ে চলেছে বাংলা সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সত্যি এই স্লোগানটি বাস্তবে সার্থকরুপ নিয়েছে। নতুনরূপে সাজতে চলেছে গঙ্গারামপুর স্টেডিয়াম। যার পরিকাঠামোগত উন্নয়নে বারাদ্দ ২ কোটি ৬৫ লক্ষ টাকা। জেলার বৃহত্তম স্টেডিয়াম হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে গঙ্গারামপুর স্টেডিয়াম নতুন রূপে সাজবে। যার ইঙ্গিত কিছুদিন আগেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী দিয়েছিলেন গঙ্গারামপুরের জনসভা থেকে। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে গঙ্গারামপুর স্টেডিয়াম সম্প্রসারণ কর্মসূচির শিল্যানাস করলেন প্রাক্তন বিধায়ক তথা উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন পর্ষদের অন্যতম সদস্য বিপ্লব মিত্র। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলাশাসক কৃত্তিবাস নায়েক মহকুমাশাসক দেবাঞ্জন রায় গঙ্গারামপুর পুরসভার পৌর পুরপিতা প্রশান্ত মিত্র বিশিষ্ট সমাজসেবী চিরঞ্জীব মিত্র সহ পুরভার কাউন্সিলরগণ সহ মহকুমা ক্রীড়া সম্পাদক বিভূতিভূষণ চক্রবর্তী। এবিষয়ে মহকুমা ক্রীড়া সম্পাদক  বিভূতিভূষণ চক্রবর্তী বলেন, এটা খুব আনন্দের বিষয় এবং শুধু মহকুমা নয় জেলার সমস্ত ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়াপ্রেমীদের জন্য একটি নতুন সংযোজন মুখ্যমন্ত্রীর এই অভিনব উদ্যোগ কে সাড়া জেলার মানুষ সাধুবাদ জানিয়েছেন। এলাকার মানুষ খুব খুশী ।