উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর

  • উওর দিনাজপুরের গোয়ালপোখর থানার বেঙ্গল টু বেঙ্গল সড়কে দুই ছোটো গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ

    Newsbazar,24ডেস্ক, ৮ অক্টোবরঃআজ ভোরে উওর দিনাজপুরের গোয়ালপোখর থানার পোখরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার দুটি ছোটো গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। আহত  হয়েছেন বেশ কয়েকজন।  আহতদের ইসলামপুর হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে অধিকাংশই মহিলা।  আজ ভোরে শিলিগুড়ির দিক থেকে আসা একটি বোলেরো গাড়ির সাথে উলটোদিক থেকে আসা একটি ইন্ডিগো গাড়ির সংঘর্ষ হয় পোখরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের পামলহাট এলাকায় বেঙ্গল টু বেঙ্গল সড়কে  । একটি গাড়িতে ১১-১২ জন ছিলেন। আর একটিতে শুধু গাড়িচালক ছিলেন।  খবর পেয়ে ঘটনাস্থানে পৌঁছায় গোয়ালপোখর থানার পুলিশ। দুর্ঘটনার জেরে কিছুক্ষণ বন্ধ থাকে যান চলাচল। পুলিশ পৌঁছালে তা স্বাভাবিক হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা ৬ জনকে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে পাঠায়। গাড়ির চালক দুইজনই পলাতক।  

  • বালুরঘাটে শুরু হল পোষ্ট অফিস পাসপোর্ট পরিষেবা কেন্দ্র

    অজয় সরকার, বালুরঘাট, ০৬ অক্টোবরঃ দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে বালুরঘাটে শুরু হল পোষ্ট অফিস পাসপোর্ট পরিষেবা কেন্দ্র। এদিন বালুরঘাট শহরে প্রধান ডাকঘরে পাসপোর্ট পরিষেবা কেন্দ্রটি স্থাপন করা হয়। এখন থেকে পাসপোর্টের যাবতীয় কাজ বালুরঘাট শহরে থেকেই করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন পাসপোর্ট কর্তারা। এতদিন বহরমপুর অথবা কোলকাতা গিয়ে এই পাসপোর্ট করতে হত। এদিন পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন বালুরঘাট লোকসভার সাংসদ অর্পিতা ঘোষ ও কলকাতা সার্কেলের ডেপুটি পাসপোর্ট আধিকারিক শেখ আমিন খান। এছাড়াও এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, নর্থ বেঙ্গল রিজিউনের ডিপিএস সিএললাল কাকজুয়াল, দিনাজপুর ডিভিশনের ডাকবিভাগের সুপার মনোজ কুমার পট্টনায়ক, বালুরঘাট প্রধান ডাক বিভাগের কর্তা সুকুমার কবিরাজ সহ অনান্যরা। প্রসঙ্গত, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাবাসীর কাছে নতুন পাসপোর্ট তৈরী ও পাসপোর্ট নবীকরণ এদিন পর্যন্ত একটা কঠিন কাজ ছিল। প্রায় তিনশো কিলোমিটার দূরে বহরমপুরে গিয়ে এতদিন পাসপোর্টের যাবতীয় কাজ করতে হত। শনিবারের পর থেকে জেলাবাসী নিজের জেলাতে বসেই এই কাজ অতি সহজেই করতে পারবেন। অনলাইনে আবেদনের পর নির্দিষ্ট দিনে নূন্যতম তিনশ কিলোমিটার দূরে গিয়ে পাসপোর্ট অফিসে যেতে হত সমস্থ নথি ভেরিফিকেশান ও প্রসেসিং করতে। ব্যাপক সমস্যায় পড়তে হত আবেদনকারীদের। খুব প্রয়োজন ছাড়া পাসপোর্ট করার আগ্রহ দেখা যেতো না এই জেলার মানুষদের। সেদিকে নজর রেখেই বালুরঘাটে পাসপোর্ট পরিসেবা কেন্দ্র চালুর দাবী উঠে। অবশেষে বালুরঘাট প্রধান ডাকঘর থেকে চালু হল এই পোস্টঅফিস পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্র সার্ভিস। এদিন একটি অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন, ফলক উন্মোচন এবং ফিতে কেটে ও এই পরিষেবা বালুরঘাট হেড পোষ্ট অফিসের নীচতলায় একটি ঘরে কেন্দ্রটি তৈরি হয়েছে। সেখানে একজন আধিকারিক ও কর্মী থাকছেন। অনলাইনে আবেদনের পর নির্দিষ্ট দিনে আবেদনকারিরা এই কেন্দ্রে গিয়ে ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশান করার পাশাপাশি প্রসেসিং এর কাজগুলি করবেন। এখান থেকেই ইশ্যু করা হবে পাসপোর্ট। প্রথমদিন ১০ জন আবেদনকারী ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশান ও প্রসেসিং হয়। সোমবার ৩০ জন আবেদনকারীকে সেখানে উপস্থিত হওয়ার তারিখ দেওয়া আছে। কলকাতা সার্কেলের ডেপুটি পাসপোর্ট আধিকারিক শেখ আমিন খান জানান, বালুরঘাটে পোষ্ট অফিস পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্র সার্ভিসটি উত্তরবঙ্গ রিজিউনে তৃতীয়। নির্দিষ্ট অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করা যাবে। এতে এজেন্ট না অন্য কারো উপড় নির্ভর হতে হবেনা। বাইরে থেকে কোন ব্যক্তিও এই সেবা কেন্দ্র থেকে পাসপোর্ট পরিষেবা পাবেন। পরিষেবা সহজ করা হয়েছে যাতে বিদেশে পড়তে, ঘুরতে কিংবা কাজে খুব সহজেই সকলে যেতে পারেন। পাসপোর্ট এখন আর উচ্চ বিত্তদের জন্য নয়, তা প্রমান হল। পাসপোর্ট এর সব কাজই এই কেন্দ্র থেকে হবে। বালুরঘাট লোকসভার সাংসদ অর্পিতা ঘোষ জানান, পূজোর আগে বালুরঘাট শহরে পাসপোর্ট পরিসেবা কেন্দ্রটি স্থাপন হওয়ায় জেলা খুবই আনন্দিত। বেশ কিছুদিন আগে এক ছাত্র উচ্চ শিক্ষার জন্য পাসপোর্ট নিয়ে সমস্যায় পরেছিলেন। সেসময় আমি কেন্দ্রীয় বিদেশ মন্ত্রী সুষমা সরাজকে আমি অনুরোধ করি। তারই তিনি আমাকে আশ্বস্ত করেছিলেন এই পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্রটি বালুরঘাট শহরে স্থাপন করবেন। এখন থেকে বালুরঘাট শহরেই নতুন পাসপোর্ট তৈরী করা সম্ভব হবে।

  • বাংলাদেশে পাথর রপ্তানিকে কেন্দ্র করে হিলিতে প্রকাশ্যে এল তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব

    অজয় সরকার, বালুরঘাট, ০৮ অক্টোবরঃ বাংলাদেশে পাথর রপ্তানিতে সমস্যার নতুন মোড়। এবারে বাংলাদেশে পাথর রপ্তানিকে কেন্দ্র করে হিলিতে প্রকাশ্যে এল তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। এক গোষ্ঠী অপর গোষ্ঠীকে দায়ী করে আমদানি-রপ্তানিতে দাঙ্গাবাজ ও তোলাবাজদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে হিলি এলাকার বিভিন্ন জায়গায় পোস্টার লাগানো হয়। পোস্টারে লেখা হয় দাঙ্গাবাজ t তোলাবাজদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করে হিলি দিয়ে এক্সপোর্ট ও ইমপোর্ট চালু রাখতে হবে। পাশাপাশি হিলি এলাকার বিভিন্ন জায়গায় জুয়া সহ সমস্ত অসামাজিক কার্যকলাপ বন্ধ করতে হবে। যদিও তৃণমূল বিরোধী দলগুলির দাবী সবই টাকার খেল। বিজেপির জেলা সভাপতি শুভেন্দু সরকার বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস করার একমাত্র উদ্দেশ্য হল টাকা কামানো। এক পক্ষ যখন টাকা কামাচ্ছে আর অন্য পক্ষ পারছে না তখনই নিজেদের মধ্যে ঝামেলায় জড়াচ্ছে। এটা নতুন কোনও বিষয় নয়। এক্সপোর্ট নিয়ে টাকার লেনদেনকে কেন্দ্র করেই নিজেদের মধ্যে গণ্ডগোলের সৃষ্টি। যদিও হিলি ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি বিমান চক্রবর্তী গোষ্ঠীকোন্দলের কথা অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, আমাদের দলে কোনও গোষ্ঠীকোন্দলের সমস্যা নেই। এলাকায় জুয়া ও সমাজ বিরোধীদের আনাগোনা বেশী হওয়ার কারণেই ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে হিলি থানার বিভিন্ন এলাকায় পোস্টার লাগানো হয়েছে। অসামাজিক কার্যকলাপের বিরোধিতা করে শনিবার হিলি থানায় ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। তবে রাজনৈতিক মহলের ধারনা, বেশ কিছুদিন ধরেই হিলি স্থল বন্দর দিয়ে পাথর রপ্তানিকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদ তৈরী হয়েছিল। ঘটনায় গত ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে হিলি আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে পাথর রপ্তানি বন্ধ হয়ে যায়। সমস্যা সমাধানে গত ৩ অক্টোবর দুই দেশের ব্যবসায়ীরা যৌথ আলোচনায় বসেন। জেলা প্রশাসনের তৎপরতায় অন্যান্য পণ্য সামগ্রী আমদানি রপ্তানি শুরু হলেও পাথর রপ্তানিতে সমস্যা রয়েই যায়। এদিনের ঘটনায় ফের আমদানি রপ্তানি বন্ধের জল্পনা তৈরী হল।

  • এক মহিলা ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগ বালুরঘাটে

    অজয় সরকার, বালুরঘাট, ০৬ অক্টোবরঃ নির্নিয়মান ভrবন তৈরীতে ব্যবহৃত পাইপের জল দোকানের ভিতর যাওয়ার প্রতিবাদ করায় এক মহিলা ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগ উঠল অপর এক ব্যাবসায়ীর বিরুদ্ধে। শনিবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট শহরের নিউ মার্কেট এলাকার ঘটনা। এদিন স্থানীয় ব্যাবসায়ী পবন আগারোয়ালা প্রথমে ওই মহিলা ব্যবসায়ী কল্যানী দত্তকে মারধরের পর তার স্বামী রমেশ দত্তকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় রমেশ দত্তকে বালুরঘাট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিকালে দুপক্ষের পক্ষ থেকেই বালুরঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বালুরঘাট বুড়ি কালিবাড়ি সংলগ্ন নিউ মার্কেট এলাকায় রমেশ দত্তের বাসনের দোকান। ওই বাসনের দোকানের পেছনে পবন আগারওয়ালার বাড়ি এবং দোকানের সামনে পবন আগারওয়ালার একটি জায়গায় ভবন নির্মানের কাজ চলছে। এদিন দুপুরে নতুন ভবনে নিজের বাড়ি থেকে পাইপ লাইনের মাধ্যমে জল দেওয়ার সময় পাইপ ফুটো হয়ে জল রমেশ দত্তের দোকানে ঢুকতে থাকে। সেসময় রমেশ দত্ত বাড়িতে স্নান করতে যাওয়ায় দোকানে তার স্ত্রী কল্যানী দত্ত ছিলেন। সেসময় কল্যানী দত্ত পবন আগারওয়ালার বাড়িতে গিয়ে ঘটনাটি বলেন। এরপরই পবন আগারওয়ালা দোকানে চড়াও হয়ে প্রথমে দোকানে ভাংচূর করে ও কল্যানী দত্তকে মারধর করে বলে অভিযোগ। ঘটনার খবর পেয়ে স্বামী রমেশ দত্ত ঘটনার প্রতিবাদ করলে তাকেও রাস্তায় ফেলে মারধর করা হয়। কল্যানী দত্ত বলেন, অনেকদিন ধরেই এধরণের ঘটনা ঘটে আসছিল। আমরা প্রতিবাদ করলে আমাদের কোন কথাই শোণেনা ওরা। এদিন জল আমাদের ঘরের মধ্যে ঢুকে যায়। আমি ওনাদের বাড়িতে ঘটনাটি জানানোর জন্য যাই। সেসময় পবন বাবু বাড়িতে ছিলেন না। পরে দোকানে ফিরে আসতেই তারা দলবল নিয়ে আমার দোকানে চড়াও হয় ও দোকানের জিনিষপত্র ভাংচুর করতে থাকে। আমি বাঁধা দিলে আমাকে মারধর করা হয়। আমার স্বামী ঘটনাস্থলে আসলে তাকেও মাটিতে ফেলে মারা হয়। পবন আগারওয়ালা জানান, বাড়িতে এসে আমার স্ত্রীকে মারধর করে ওই দোকানদার। দোকানে গিয়ে ঘটনার প্রতিবাদ করলে তারা আমাকেও মারধর করে। আমার শার্ট প্যান্ট ছিড়ে দেয়। সোনার অলঙ্কার ছিড়ে নেয়। বালুরঘাট থানায় পুরো ঘটনার লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।

  • ১৭৫ বছরে পা দিল বালুরঘাটের সাহা রায় পরিবারের দুর্গা পূজা

    অজয় সরকার, বালুরঘাট, ৫অক্টোবর, :বাংলার ১৪২৫ সাল, দেখতে দেখতে ১৭৫ বছরে পা দিল বালুরঘাটের সাহা রায় পরিবারের দুর্গা পূজা। বাংলাদেশের পাবনা জেলার জামিরতা গ্রাম থেকে আত্রেয়ী নদী ধরে নৌকা নিয়ে প্রতি বছর বালুরঘাট ও সন্নিহিত এলাকায় ব্যবসা করতে আসতেন রাজ মোহন সাহা রায়। ধীরে ধীরে তিনি বালুরঘাটে বসবাস শুরু করেন এবং ছোটোখাটো জমিদারীও গড়ে তোলেন। জমিদার এই বংশের চতুর্থ পুরুষ কালী কৃষ্ণ সাহারায় এই মুহুর্তে জীবিত রয়েছেন। তার বংশধর ও পরিবারই বালুরঘাটের পুরনো পরিবার গুলির মধ্যে অন্যতম। ১৭২ বছর আগে বনমালী সাহারায় দুর্গা উৎসবের সূচনা করেন বালুরঘাটে। এর অনেক আগে থেকেই পাবনার জামিরতা গ্রামে এই পরিবার দুর্গা পূজা করত। কিছুটা সখেই বালুরঘাটেও পূজার সূচনা হয়। আজও সাহারায় পরিবার দুর্গার আরাধনা করে চলেছেন নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে। বাংলাদেশের জামিরতা এবং বালুরঘাট দুর্গা পূজার সময় একই সূত্রে বাঁধা হয়। সাহারায় পরিবার উৎসবে মেতে ওঠে। পূজার আর মাত্র তিন সপ্তাহ বাকী। দেবী প্রতিমার কাজ শুরু হয়েছে। ঝাড়পোঁছ শুরু হয়েছে দুর্গা দালানেও। কালী কৃষ্ণ সাহারায় নিজেই তদারকি করছেন মণ্ডপ সজ্জার। সাহারায় পরিবারের দুর্গা পূজার বিশেষত্ব এখানে দেবী প্রতিমার গণেশ দেবীর বাম দিকে, কার্তিক দেবীর ডান দিকে থাকেন। বনমালী সাহারায়ের স্ত্রী কুমদিনী সাহারায়কে স্বপ্নাদেশে এই রকমই মুর্তি গড়ার কথা জানান খোদ দেবী এমনটাই দাবী তার পরিবারের। তারপর থেকে এই ভাবেই মূর্তি গড়ার কাজ চলছে। ভোগের ক্ষেত্রেও বৈচিত্র্য রয়েছে এই পূজায়। অন্ন ভোগ নেই। শুকনো ভোগই নিবেদন করা হয় দেবীকে। পূজার কয়দিন চণ্ডী পাঠের আসর বসে। বাংলাদেশের জামিরতা গ্রামেও পূজা চলছে। সেখানে পূজা করছেন বঙ্কিম সাহারায়। সাহারায় পরিবারের এই পূজাকে ঘিরে সাজসাজ রব পরিবারের সদস্যদের মধ্যে। কর্ম সূত্রে বিদেশে ও ভিন রাজ্যে থাকেন পরিবারের অন্য সদস্যরা। তারাও ঘর মুখি হবেন পূজার আগেই। মিলনের ও আনন্দের এই উৎসবের দিকেই তাকিয়ে সাহারায় পরিবারের সদস্যরা।

  • দুটি পিস্তল সহ বালুরঘাট পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূল সদস্য লিটন মহন্তের গ্রেফতারের ঘটনায় চাঞ্চল্য

    অজয় সরকার, বালুরঘাট,০২ অক্টোবর: দুটি পিস্তল সহ বালুরঘাট পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূল সদস্য লিটন মহন্তের গ্রেফতারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল। মঙ্গলবার বিকালে বালুরঘাট আর্যসমিতি এলাকায় একটি মোটর বাইকের পিছনে যাওয়ার সময় পুলিশের নাকা চেকিং-এ লিটন মহন্তের কাছ থেকে অস্ত্রগুলি উদ্ধার হয়। এর আগে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রক্তন পঞ্চায়েত প্রধান লগিন দাসও অস্ত্র মামলায় জেলে আছে। তৃণমুলের শ্রমিক নেতা রাকেশ শীলও একইভাবে অস্ত্র মামলায় জেলে রয়েছে। একের পর এক তৃণমূল নেতাদের কাছ থেকে এভাবে পিস্তল উদ্ধারের ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। তৃণমূল বিরোধীদের দাবী, সমস্থ অস্ত্র এখন তৃণমূল নেতাদের কাছে। অস্ত্র দেখিয়েই তাদের ভোটে জেতার অভ্যাস হয়েছে। বালুরঘাট থানার পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার ধৃত লিটন মহন্তকে আদালতে পাঠানো হবে। প্রসঙ্গত, বালুরঘাট খানপুরের বাসিন্দা এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে বালুরঘাট পঞ্চায়েত সমিতি থেকে জয় লাভ করে। এর আগে লিটন মহন্ত কংগ্রেসের নেতা ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, লিটন মহন্তের নামে আরও অনেকগুলি পুরানো মামলা রয়েছে। এর আগে তাকে দুস্কৃতিরা গুলিও করেছিল। এদিন পিস্তল নিয়ে যাওয়ার সময় বালুরঘাট শহরের আর্য সমিতির কাছে হাতেনাতে ধরে ফেলে পুলিশ। বালুরঘাট সদর ডিএসপি ধীমান মিত্র জানান, নাকা চেকিং -এ পিস্তল সহ লিটন মহন্তকে ধরা হয়েছে। বুধবার তাকে বালুরঘাট আদালতে পাঠানো হবে। তৃণমূল কংগ্রসের ব্লক সভাপতি প্রবীর রায় জানান, এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে লিটন মহন্ত আমাদের দলের হয়ে পঞ্চায়েত সমিতি থেকে জয়ী হয়েছিল। তবে তিনি যদি কোন অপরাধ্মূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকেন তবে সেটা আমাদের দলের কোন ব্যাপার নয়। আইন আইনের পথেই চলবে।

  • গোষ্ঠী বিবাদ: বন্ধ হতে চলেছে হিলি সীমান্ত দিয়ে আন্তর্জাতিক বর্হি বানিজ্য

    অজয় সরকার, ৩০ সেপ্টেম্বর, বালুরঘাটঃ এক্সপোর্টারদের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদের জেরে বন্ধ হতে চলেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলি সীমান্ত দিয়ে আন্তর্জাতিক বর্হিবানিজ্য। গত এক সপ্তাহ ধরে গণ্ডগোলে পাথর এক্সপোর্ট বন্ধ হয়ে থাকার কারণে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে চিঠি লিখে জানানো হয়েছে খুব শীঘ্রই এই সমস্যার সমাধান করা না হলে হিলি সীমান্ত দিয়ে সমস্থ রকম এক্সপোর্ট ১লা অক্টোবর থেকে বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে পাথর রফতানি বন্ধ হয়ে থাকলেও অন্যান্য কাঁচামাল রপ্তানি চালু ছিল। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত এক সপ্তাহ ধরে ভারতের পক্ষ থেকে পাথর রপ্তানি বন্ধ থাকার কারণে তাদের দেশের সমস্থ ব্রীজের মেগা প্রজেক্ট বন্ধ হয়ে রয়েছে। হাজার হাজার কোটি টাকা এর ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে বলে তাদের পক্ষ থেকে জানানো হচ্ছে। রবিবার সাংবাদিক সম্মেলন করে হিলি কাস্টমস এন্ড ক্লিয়ারিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রী সহ জেলা প্রশাসন ও অন্যান্য মহলে চিঠি দিয়ে এই সমস্যার দ্রুত সমাধানের আবেদন জানানো হয়েছে। প্রসঙ্গত, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলি সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন কয়েকশ লরি সামগ্রী বাংলাদেশে রপ্তানি হয়। গত কয়েক বছর ধরে হিলি এলাকায় ট্রাক টার্মিনাসের উল্টোদিকে জাতীয় সড়কের পাশে দুটি জায়গায় পাথর ডাম্পিং করা হয়। গত ২২ সেপ্টেম্বর দুই গোষ্ঠীর পাথর ব্যবসায়ীর মধ্যে পার্কিং নিয়ে বিবাদের পর থেকেই এই গণ্ডগোল চড়ম আকার ধারণ করে। অভিযোগ, বর্তমান যারা হিলি কাস্টমস এন্ড ক্লিয়ারিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের দ্বায়িত্বে আছে শুধু তাদেরই পাথর বোঝাই লরি বাংলাদেশে যাওয়ার অনুমতি পায়। ওপর গোষ্ঠীদের পাথর বোঝাই লরি দিনের পর দিন রাস্তাতেই থাকে বলে অভিযোগ। ফলে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদের সমাধান সূত্র তো বেরোইনি অপরদিকে বাংলাদেশ থেকে দুদফায় চিঠি দেওয়ায় রফতানি বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আরও বেড়ে গিয়েছে। অভিজ্ঞমহলের ধারণা, রাজ্যের শাসক দলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদের প্রভাব পড়ছে রপ্তানির ক্ষেত্রে। হিলি কাস্টমস এন্ড ক্লিয়ারিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সুব্রত সাহা জানান, জোর করে কিছু অসাধু ব্যাবসায়ী পার্কিং বন্ধ করে দিয়ে বাংলাদেশে রপ্তানি বন্ধ করে দিচ্ছে। সোমবার থেকে পাথর সহ অন্যান্য সমস্থ রকম রপ্তানি বন্ধ হয়ে গেলে চরম সমস্যা তৈরী হবে। প্রশাসন বিষয়টি নজর দিক। হিলি কাস্টমস এন্ড ক্লিয়ারিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রাক্তন সম্পাদক রণজিৎ মজুমদার জানান, সবাই এই সমস্যার সমাধান চাইছে। বর্তমানে ক্ষমতায় থাকা কিছু ব্যাবসায়ী তাদের প্রভাব খাটিয়ে বেশী লরি বাংলাদেশে পাঠাত। এরই প্রতিবাদ করেছে সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা। ফলে নিয়ম মেনে পার্কিংএর যে তালিকা তৈরী হয় তাও এখন বন্ধ হয়ে রয়েছে। এরই জেরে পাথর রপ্তানি বন্ধ হয়ে রয়েছে। গত সাতদিন ধরে হিলি সীমান্ত দিয়ে কয়েকশ পাথর বোঝাই লরি রাস্তায় দাঁড়িয়ে রয়েছে।

  • প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে গিয়ে শৌচাগার ব্যবহার করছে বালুরঘাটের এক পরিবার

    অজয় সরকার, বালুরঘাট, ২৯ সেপ্টেম্বরঃ দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাকে নির্মল জেলা হিসাবে ঘোষণা করা হলেও নিজের মেয়েদের সম্ভ্রম রক্ষা করতে প্রতিদিন এক পরিবারকে প্রায়  কিলোমিটার দূরে গিয়ে শৌচাগার ব্যবহার করতে হচ্ছে। প্রকৃতির ডাকে সারা দিতে বালুরঘাট শহর ঘেষা ডাঙ্গা গ্রামপঞ্চায়েতের মঙ্গলপুর আদিবাসী পাড়া থেকে ওই পরিবারকে দেড় কিলোমিটার দূরে প্রতিদিন আসতে হয়। শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা পঞ্চায়েত এলাকার ওই পরিবারকে বালুরঘাট বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ছুটে আসতে হয়। ঢাক ঢোল পিটিয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাকে নির্মল জেলা হিসাবে ঘোষণা করা হলেও তা যে কার্যত কাগজে কলমে তা আরও একবার সামনে এল। কার্যত মাঠে-ঘাটে শৌচকর্ম করে নোংরা না করার ইচ্ছাতেই ওই পরিবার রোজ দেড় কিলোমিটার হেটে পাবলিক টয়েলেট ব্যবহার করছে। পরিবারের অভিযোগ, পঞ্চায়েত স্তরে বহুবার আবেদন জানিয়েও কোন কাজ হয়নি। প্রসঙ্গত, বালুরঘাট শহর ঘেষা ডাঙ্গা গ্রামপঞ্চায়েতের মঙ্গলপুর আদিবাসী পাড়ার বাসিন্দা স্বপ্না মহন্ত। দুই মেয়ে নিয়ে বাড়ি বাড়ি কাটা কাপড়ের ফেরি করে কোন রকমে সংসার চালায়। সামান্য একটি জমিতে কোন রকমে একটি টিনের চালা করে থাকেন। কয়েক বছর আগে স্বামী মারা যাওয়ার পর বাড়ির শৌচাগারটিও নষ্ট হয়ে যায়। দুই মেয়ের মধ্যে বড় মেয়ে একাদশ শ্রেণীর ছাত্রী। দুবছর আগে বড় মেয়ের গলায় অপরাশেন করতে হয়েছে। যেটুকু সম্বল ছিল সেটুকুও আপরাশনে শেষ হয়ে যায়। নতুন করে যে শৌচাগার তৈরী করবেন তার কোণ উপায় নেই। বছর দুয়েক আগে সরকারের পক্ষ থেকে ওই পরিবারকে শৌচাগার বানিয়ে দেওয়া হবে বলে টাকাও নিয়েছিল। কিন্তু পরে সেই টাকা ওই পরিবারকে ফেরত দেওয়া হয় ও বলা হয় শৌচাগার হবে না। তবে এই পরিস্থিতিতেও সংসারের দ্বায়িত্ব নিয়ে মেয়েদের পড়াশুনা করে নতুন করে শৌচাগার তৈরী করা তার পক্ষে স্বপ্নাতিত। নিজের বাড়িতে শৌচাগার না থাকার মত প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও স্বপ্না মহন্ত হাল ছেড়ে দেননি। নির্মল বাংলা কথা মাথায় রেখেই তাই মাঠে ঘাটে না গিয়ে টাকা দিয়ে পাবলিক টয়লেট ব্যবহার করছেন। স্বপ্না মহন্ত জানান, আগে মাঠে-ঘাটে জঙ্গল থাকায় কোন সমস্যা হত না। কিন্তু বছর দুয়েক আগে থেকে খুব সমস্যার পরে যাই। তাছাড়া মেয়েরা বড় হচ্ছে। তাদের সম্ভ্রমের কথা মাথায় রেখেই দূরে হলেও পায়ে হেটে গিয়ে শৌচাগার ব্যবহার করতে হচ্ছে। বহু জায়গায় গিয়ে অভিযোগ জানিয়েও কোন কাজ হয়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বহু পরিবারকে শৌচাগার বানিয়ে দেওয়া হলেও আমরা এতদিন পার হয়ে গেলেও কোন শৌচাগার পাচ্ছিনা। এলাকার পঞ্চায়েত সদস্য সুজন দাস জানান, ওই পরিবারের সমস্যার কথা জানি। সরকারী সমীক্ষায় ওই পরিবারের নাম বাদ যাওয়ায় তারা শৌচাগার পায়নি। বিডিও অফিসে যোগাযোগ করেছি। খুব শীঘ্রই ওই পরিবারকে শৌচাগার বানিয়ে দেওয়া হবে। ভিডিও না আসলে একটু অপেক্ষা করুন....

  • রাস্তার উপরে অস্থায়ীভাবে তৈরী ব্যসস্ট্যান্ডের কারণে চড়ম দূর্ভোগে বালুরঘাটের মানুষ

    অজয় সরকার, বালুরঘাট, ২৮ সেপ্টেম্বরঃ প্রশাসনিক নির্দেশ ছিল বালুরঘাট শহরের বাইরে রঘুনাথপুর এলাকায় অস্থায়ীভাবে বাসস্ট্যান্ড তৈরী করা। কিন্তু প্রশাসনের সেই নির্দেশিকা অমান্য করে ব্রীজকালি এলাকায় জাতীয় সড়কের ওপড় বাসস্ট্যান্ড বানিয়ে সেখনা থেকেই বাসগুলি অন্যত্র চলে যাচ্ছে। অস্থায়ীভাবে তৈরী হওয়া এই ব্যসস্ট্যান্ডের কারণে চড়ম দূর্ভোগে পড়ছে নিত্যযাত্রী থেকে শুরু করে স্থানীয় স্কুলের ছাত্রী থেকে এলাকার বাসিন্দারা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এভাবে রাস্তার মধ্যে বাসগুলি দাঁড়িয়ে থাকায় দুর্ঘটনার সম্ভবনা অনেক বেড়ে যাচ্ছে। এমনকি বাসগুলি থেকে রাস্তার মধ্যেই দাঁড়িয়ে বিভিন্ন মাল ওঠা নামানো করা হচ্ছে। তাছাড়া স্কুল ছুটির পর ছাত্রীদের যাতায়াতও ঝুকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। জেলা প্রশাসনের এই উদাসীন মনোভাব দেখে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন। প্রসঙ্গত, বালুরঘাট শহরের মঙ্গলপুর এলাকায় ৫১২ নং জাতীয় সড়কের উপর অবস্থিত ব্রীজটি বালুরঘাট শহর থেকে বাস চলাচলের এক মাত্র রাস্তা। প্রায় সত্তরের দশকে তৈরীর পর দীর্ঘ দিন থেকেই ব্রীজটি চলাচলের জন্য ঝুকিপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। ব্রীজ দুর্বল হওয়ার পাশাপাশি ব্রীজের এপ্রোচ রোডেও মাঝে মধেই গর্তের সৃষ্টি হয়। এর পরই ব্রীজটিকে যাতায়াতের জন্য বন্ধ করে দেওয়ার ফলে বালুরঘাট থেকে যাত্রীবাহী বাস চলাচল বাসস্ট্যান্ড থেকে বন্ধ হয়ে যায়। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরকারী বাসগুলিকে পাওয়ার হাউজ থেকে এবং বেসরকারী বাসগুলিকে শহরের বাইরে রঘুনাথপুর এলাকা থেকে চলাচলের স্থান হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। কিন্তু প্রশাসনের নির্দেশিকাকে অমান্য করে বাসগুলিকে ওই এলাকা থেকে ছাড়া হচ্ছে। স্থানীয় বাস চালক অসিত সরকার, বাবলু ভদ্র জানান, বাসগুলিকে রাস্তার ওপরই রেখে যাত্রী ওঠানো বা নামানো এবং জিনিষপত্র বাসের ছাদে ওঠানো নামানো করতে হচ্ছে। এভাবে রাস্তার ওপর বাসগুলিকে দাড় করিয়ে রাখার ফলে দূর্ঘণার আশঙ্কা অনেকটাই বেড়ে যাচ্ছে। প্রশাসনের এই বিষয়ের ওপর নজর দেওয়া দরকার। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা শাসক দীপাপ প্রিয়া পি জানান, সমস্যার কথা আমরা জানি। বাস চালকদের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে। খুব শীঘ্রই সমস্যার সমাধান করা হবে।

  • উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ায় তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দলে গুলিবিদ্ধ পঞ্চায়েত প্রধানের দাদা

    Newsbazar, 24,ডেস্ক  ২৭ সেপ্টেম্বর : উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া থানার মাঝিয়ালি গ্রাম পঞ্চায়েতের হাসকারি গ্রামে ব্যাপক বোমাবাজি ও গুলি চলল। মাঝিয়ালি গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান হামিদুল রহমানের  দাদা মজিরুদ্দিন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাকে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। অভিযোগ, তৃণমূল নেতা প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধান জাহাঙ্গির আলম ও তাঁর ভাই নইমুর আলম সহ তাঁর সঙ্গীরা আক্রমণ চালিয়েছেন। এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ। আহত মজিরুদ্দিনের পরিবারের পক্ষ থেকে চোপড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। জানা যায় তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দলের জেরে এই ঘটনা । অভিযোগের তীর তৃনমূল নেতা ও প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধান জাহাঙ্গির আলম ও তাঁর ভাই নইমুর আলমের দিকে।    স্থানীয় সূত্রে  জানা  যায় , আজ ভোররাতে চোপড়া থানার মাঝিয়ালি গ্রাম পঞ্চায়েতের বর্তমান   প্রধান হামিদুল রহমানের বাড়ি লক্ষ্য করে দুষ্কৃতীরা ব্যাপক বোমাবাজি  গুলি চালায়। সেই সময় প্রধানের দাদা মজিরুদ্দিন বাইরে বেরিয়ে এলে তাঁর বাঁ হাতে গুলি লাগে। আহত মজিরুদ্দিন আহমেদের স্ত্রীর অভিযোগ, এই ঘটনার সঙ্গে মাঝিয়ালি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান জাহাঙ্গির আলম ও তাঁর ভাই নইমুর আলম জড়িত।  প্রসঙ্গত  কিছুদিন আগে চোপড়া ব্লকের মাঝিয়ালি গ্রাম পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠন হয় এবং প্রধান নির্বাচিত হন হামিদুল রহমান। স্থানীয় মানুষদের অভিযোগ, বোর্ড গঠন ও প্রধান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই এলাকায় তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে দ্বন্দ শুরু হয় । গুলিবিদ্ধ মজিরুদ্দিনের পরিবারের অভিযোগ, প্রধান না হতে পারার কারণে প্রতিহিংসায় এই আক্রমণের ঘটনা ঘটিয়েছেন প্রাক্তন প্রধান জাহাঙ্গির ও তাঁর ভাই নইমুর আলম।