আয়�রবেদ -ইউনানি

  • জানেন কি ডেঙ্গি থেকে ক্যান্সার সারাতে পেঁপে পাতার কয়েকটি আশ্চর্য গুণ ?

    newsbazar24: জানেন কি ডেঙ্গি থেকে ক্যান্সার সারাতে পেঁপে পাতার কয়েকটি আশ্চর্য গুণ ? শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন অসুখের মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে পেঁপের জুড়ি মেলা ভার! পেঁপের একাধিক স্বাস্থ্যগুণ সম্পর্কে আমরা প্রায় সকলেই কম-বেশি জানি। কিন্তু পেঁপে পাতাও মোটেই ফেলনা নয়! জন্ডিস থেকে ডেঙ্গি এমনকি ক্যানসারের মতো মারণ রোগের ক্ষেত্রেও পেঁপে পাতা অত্যন্ত উপকারী! আসুন জেনে নেওয়া যাক ১) পেঁপে পাতার রস রক্তে প্লেটেলেটের সংখ্যা দ্রুত বাড়াতে সাহায্য করে। ডেঙ্গি হলে রক্তে প্লেটেলেটের সংখ্যা দ্রুত হারে কমতে থাকে। এই পরিস্থিতির মোকাবিলায় পেঁপে পাতার রস অত্যন্ত কার্যকরী। ২) ব্রণর সমস্যা কিছুতেই কমছে না? শুকনো পেঁপে পাতা জলের সঙ্গে বেটে ত্বকের ব্রণ আক্রান্ত অংশের উপরে মাখিয়ে দিন। শুকিয়ে গেলে ভাল করে ধুয়ে নিন। এই ভাবে পর পর ৪-৫ দিন শুকনো পেঁপে পাতা বেটে ত্বকের ব্রণ আক্রান্ত অংশে লাগালে ফল পাবেন হাতে নাতে। ৩) পেঁপে পাতা করোনারি হার্ট ডিজিজ-সহ হৃদযন্ত্রের নানা সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। পেঁপে পাতায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি (নিয়াসিন), সি আর পটাশিয়াম যা আমাদের হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। ৪) ‘এইচ পাইলোরি’ নামের এক প্রকার ব্যাকটিরিয়া যা মূলত পাকস্থলিতে ঘা বা ক্ষত সৃষ্টি (আলসার) করে, পেঁপে পাতায় থাকা ‘কারপেইন’ তা ধ্বংশ করতে সাহায্য করে। ৫)ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষকের দাবি, পেঁপে পাতায় রয়েছে ‘অ্যাচেটোজেনিন’ নামের এক প্রকার উপাদান যা ক্যান্সার কোষকে নষ্ট করে ফেলতে সক্ষম। শুধু তাই নয়, কোমোথেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কমাতেও পেঁপে পাতার রস অত্যন্ত কার্যকরী। ৬) পেঁপে পাতায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণ প্যাপেইন, প্রোটিজ এনজাইম এবং অ্যামাইলেইজ এনজাইম যা গম জাতীয় খাবারে থাকা গ্লুটেন ভেঙ্গে তা দ্রুত হজম করতে সাহায্য করে। পেঁপে পাতার রস কোষ্ঠ্যকাঠিন্যের সমস্যাও দূর করতে সাহায্য করে। 

  • নার্ভের সমস্যা দূর করতে রোজ খান হরীতকী

    newsbazar24: আয়ুর্বেদিক বিজ্ঞানে ত্রিফলা নামে পরিচিত তিনটি ফলের একটি হল হরীতকী। এই ফলটি আদৌ স্বাদু নয়। তাই শুধু খাওয়া একটু কষ্টকর। স্বাদে তেঁতো হলেও এই ফলটির নানা গুণ আছে। এটি ট্যানিন, অ্যামাইনো অ্যাসিড, ফ্রুকটোজ ও বিটা সাইটোস্টেবল সমৃদ্ধ। হরীতকী দেহের অন্ত্র পরিষ্কার করে এবং একই সঙ্গে দেহের শক্তি বৃদ্ধি করে। এটা রক্তচাপ ও অন্ত্রের খিঁচুনি কমায়। হৃদপিণ্ড ও অন্ত্রের অনিয়ম দূর করে।এই ফল রেচক, পিচ্ছিলকারক, পরজীবীনাশক, পরিবর্তনসাধক, অন্ত্রের খিঁচুনি রোধক এবং স্নায়ুবিক শক্তিবর্ধক। তাই কোষ্ঠকাঠিন্য, স্নায়ুবিক দুর্বলতা, অবসাদ এবং অধিক ওজনের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। হরীতকীতে অ্যানথ্রাইকুইনোন থাকার কারণে রেচক বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে হরীতকী। অ্যালার্জি দূর করতে হরীতকী বিশেষ উপকারী। হরীতকী ফুটিয়ে খেলে সেই অ্যালার্জি কমে যায়। হরীতকী ফলের গুঁড়ো নারকেল তেলের সঙ্গে ফুটিয়ে মাথায় লাগালে চুল ভালো থাকবে। হরীতকীর গুঁড়ো জলে মিশিয়ে খেলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে। গলা ব্যথা বা মুখ ফুলে গেলে হরীতকী জলে ফুটিয়ে সেই জল দিয়ে গার্গল করলে আরাম পাবেন। দাঁতে ব্যথা হলে হরীতকী গুঁড়ো লাগান, ব্যথা দূর হবে।রাতে শোয়ার আগে অল্প বিট নুনের সঙ্গে ২ গ্রাম লবঙ্গ বা দারুচিনির সঙ্গে হরীতকীর গুঁড়ো মিশিয়ে খান। পেট পরিষ্কার হবে।হরীতকী একটি ডালপালা বহুল মাঝারি আকারের গাছ। এ গাছের কাণ্ড গোলাকার। নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে হরীতকী গাছের বীজ সংগ্রহ করতে হয়।

  • জানেন কি, তরমুজের বীজের কত গুণ? মারণ ব্যাধি থেকে আপনাকে বাঁচাতে পারে তরমুজে বীজ।

    ডেস্ক ঃ গ্রীষ্মের শুরু থেকেই বাজার ছেয়ে যায় তরমুজে। আর গরমে শরীরে জলের ভারসাম্য বজায় রাখতে যে তরমুজের জুড়ি মেলা ভার তাও আমাদের সবার জানা। কিন্তু তরমুজ খাওয়ার সময় বীজ ফেলে দেওয়াই দস্তুর। কিন্তু জানেন কি, তরমুজের বীজের কত গুণ? মারণ ব্যাধি থেকে আপনাকে বাঁচাতে পারে তরমুজে বীজ।  গবেষকরা বলছেন, তরমুজের বীজে এমন এক রাসায়নিক থাকে যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত কার্যকরী।  তাছাড়া তরমুজের বীজে থাকা একাধিক খনিজ গর্ভবতী মহিলাদের বিশেষ উপকারী।  তরমুজের বীজে থাকা লাইসিন নামে উত্সেচক ডায়াবেটিস বা মধুমেহ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ডায়াবেটিসে চমকে দেওয়ার মতো ফল দিতে পারে তরমুজের এই বীজ। এছাড়া তরমুজের বীজে ক্যালোরির মাত্রা অত্যন্ত কম। এছাড়া তার মধ্যে রয়েছে ম্যাগনেশিয়াম, লোহা ও ফোলেট, যা গর্ভবতী মহিলাদের জন্য অত্যন্ত উপকারী। তবে এ সবই থাকে তরমুজের বীজের খোলের নীচে থাকা অভ্যন্তরীণ অংশে। ফলে তরমুজের বীজ চিবিয়ে খেলেই তার সম্পূর্ণ উপকার মেলা সম্ভব।

  • হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে নারকেল তেল খাওয়া খুবই জরুরি

    ডেস্ক ঃ ভারতের বেশ কিছু অংশে নারকেল তেলে রান্না করলেও এ ক্ষেত্রে ব্যবহার খুবই কম বললেই বলা যায়। সে কারণেই রান্নায় এই তেলের গুণাগুণ সম্পর্কে আমরা খুবিই কম জানি। গবেষকরা বলছেন অন্যান্য তেলের থেকে নারকেল তেল খেলে হার্ট ভাল থাকে। কীভাবে? কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক কে-টি খয়ো এবং অধ্যাপক নীতা ফরৌহি একটি সমীক্ষা করেন। যেখানে ৫০ থেকে ৭৫ বছর বয়সী ৯৪ জন মানুষকে নিয়ে ওই সমীক্ষা করা হয়। হৃদরোগ কিংবা ডায়াবিটিস হয়নি এমন ব্যক্তিদের নিয়ে গবেষণায় তাঁদের বলা হয় প্রত্যেকদিন ৫০ গ্রাম কিংবা ৩ চামচ নারকেল তেল, নাহলে এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল কিংবা আনসল্টেড বাটার টানা ৪ সপ্তাহ ধরে খান। গবেষকরা এই সমীক্ষার মাধ্যমে দেখতে চেয়েছিলেন, এই ধরনের ফ্যাট প্রত্যেকদিন শরীরে গেলে তাঁদের কোলেস্টেরলের মাত্রায় কী তফাত্ দেখা দেয়। ৪ সপ্তাহ পর দেখা যায়, যাঁরা বাটার খেয়েছিলেন তাঁদের মধ্যে LDL কোলেস্টেরল বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা ১০ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে। যাঁরা অলিভ অয়েল খেয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে LDL কোলেস্টেরল বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে গিয়ে HDL বা ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা ৫ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে। সব থেকে চমকদার বিষয়, যাঁরা ৪ সপ্তাহ ধরে রান্নায় নারকেল তেল খেয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে HDL বা ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা ১৫ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে।