স্বাস্থ্য কথা

  • ডায়রিয়া নিয়ে সচেনতা শিবির মালদা সহ মানিকচকে

    newsbazar24: ডায়রিয়া একটি জলবাহিত রোগ। গ্রীষ্মকালে প্রচন্ড গরমে এবং বর্ষাকালে এই রোগের প্রাদুর্ভাব অনেকাংশে বেড়ে যায় । যার কারণে প্রতি বছর অসংখ্য লোক বিশেষ করে শিশুরা মৃত্যুমুখে পতিত হয়।   প্রোটজোয়া কিংবা রোটা ভাইরাস জনিত ডায়রিয়া যার অন্যতম প্রধান কারণ।সুনির্দিষ্ট ভাবে রোগ নির্ণয় ও দ্রুত চিকিৎসার মাধ্যমে মূল্যবান জীবন রক্ষা করা সম্ভব। তাই মালদা শহরের জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিচালনায় আয়োজিত হল ডায়রিয়া শিবিরের। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মালদা জেলার উপ স্বাস্থ্য আধিকারিক(৩) ডঃ কোপনীল জোশী ।ডায়রিয়া নিয়ে সচেনতা বাড়াতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষদের ডাইরিয়া সমন্ধে সচেতন করেন। ৫ বছরের নিচে যে সকল শিশুরা ডায়রিয়া আক্রান্ত হচ্ছে তার হার কমাতে ১৫ দিন ব্যাপি সচেতনা মূলক অনুষ্ঠান শুরু হয় মালদা সহ মানিকচকে।প্রত্যেকের বাড়িতে ও আর এস ও জিঙ্কের বড়ি বিলি করেছেন স্বাস্থ্য কর্মীরা ।পাশাপাশি গ্রামের যে সকল কুয়ো ও নলকূপ গুলি আছে সেগুলোতে দূষন মুক্ত করার জন্য ব্লিচিং পাউডারের দ্রবন দিয়ে বিশুদ্ধ করা হচ্ছে । ডায়রিয়া কি বা কাকে ডায়রিয়া বলা হয়: স্বাভাবিক ভাবে শিশুর পাতলা পায়খানা হলেই তাকে ডায়রিয়া নামে অভিহিত করা হয়। কিন্তু চিকিৎসা বিজ্ঞানে ডায়রিয়া বলতে একটু ভিন্ন অর্থ বোঝায়। যদি কারো দিনে ৩ বা তার অধিকবার জলের মত তরল পায়খানা হয় অথবা কেউ যদি তার স্বাভাবিক বারের বেশি জলের মত তরল পায়খানা করে তবে তাকেই ডায়রিয়া বলা হয়। ডায়রিয়ার প্রকারভেদ: সাধারণত ডায়রিয়া কে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায় : ১. Acute watery diarrhoea - যে  ডায়রিয়া কয়েক ঘন্টা থেকে কয়েক দিন পর্যন্ত থাকতে পারে। ২. Acute bloody diarrhoea - এই ডায়রিয়াকে dysentery ও বলা হয়। ৩. Persistent diarrhoea - যে  ডায়রিয়া ১৪ দিন পর্যন্ত বা তার বেশি সময় ধরে থাকে। ডায়রিয়ার কারন: তিন ধরনের জীবানু দ্বারা ডায়রিয়া হয়ে থাকে: ১। ভাইরাস ২। ব্যাকটেরিয়া, এবং ৩। প্রোটোজোয়া এগুলো সাধারণত পচাঁ বাসি দূষিত খাদ্য, নোংরা জল, মলমূত্র, মাছি প্রভৃতির মাধ্যমে ছড়িয়ে থাকে। ডায়রিয়া সম্পর্কে কিছু তথ্য: ৫ বছরের নিচের শিশুদের মৃত্যুর ২য় প্রধান কারন হচ্ছে ডায়রিয়া রোগ। ডায়রিয়া রোগে প্রতি বছর ১.৫ মিলিয়ন শিশু মারা যায়। প্রতি বছর বিশ্বে ২ বিলিয়ন শিশু ডায়রিয়া রোগে আক্রান্ত হয়। ডায়রিয়া রোগে প্রধানত ২ বছরের নিচের শিশুদের বেশি আক্রান্ত করে। ৫ বছরের নিচের শিশুদের অপুষ্টির অন্যতম কারন ডায়রিয়া। শিশুদের ডায়রিয়ার প্রধান কারণ হচ্ছে রোটা ভাইরাস। ৫ বছরের নিচের শিশুদের মধ্যে ৪০% শিশুরা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয় রোটা ভাইরাস দ্বারা। ভাইরাল ডায়রিয়ার ক্ষেত্রে শিশুর আলাদা কোন চিকিৎসার তেমন প্রয়োজন হয় না। ৭-১০ দিনের মধ্যে আপনা আপনি রোটা ভাইরাস ডায়রিয়া ভালো হয়ে যায়। এক্ষেত্রে আলাদা কোন চিকিৎসা দিয়েও দ্রুত শিশুকে ভালো করে তোলার উপায় নেই।  তবুও আমাদের দেশের লোকজন শিশুদের ডায়রিয়া হলেই অযথা এন্টিবায়োটিক খাইয়ে দ্রুত শিশুকে সুস্থ করতে চায়। এটা মোটেও করা উচিত নয়; উল্লেখ্য - এন্টিবায়োটিক শুধু ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগে কাজ করে। আমাদের শরীরের নিজস্ব একটা প্রতিরোধ সিস্টেম আছে যা শিশুকাল থেকে বিভিন্ন রোগজীবাণুর সংস্পর্শে এসে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরী করতে সহায়তা করে। অনর্থক এবং অযাচিত এন্টিবায়োটিক ব্যবহারে শিশুর লাভতো কিছুই হয় না বরং ক্ষতির কারনও হতে পারে। ডায়রিয়া রোগে মৃত্যুর কারন: ডায়রিয়া রোগে জল শূন্যতা ও লবনের ঘাটতি দেখা দেয়।  অধিক পরিমানে ডায়রিয়ার কারনে জল শূন্যতা জীবনের জন্য হুমকি স্বরুপ হতে পারে ১. শিশু, ২. অপুষ্ট মানুষ, ৩. রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কম যাদের - এমন মানুষদের জন্য। এই জল শূন্যতা ও লবনের ঘাটতির কারনে রোগীর মৃত্যু পর্যস্ত হতে পারে। ডায়রিয়া প্রতিরোধে করণীয়: প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম। নিম্নলিখিত পরামর্শগুলো মেনে চললে সহজেই ডায়রিয়া প্রতিরোধ করা সম্ভব। ১। পরিচ্ছন্ন অবস্থায় খাদ্য গ্রহন করুন,খাদ্য গ্রহনের পূর্বে সাবান দিয়ে হাত ভালোভাবে ধুয়ে নিন এবং পরিস্কার হাতে খাদ্যবস্তু ধরার অভ্যাস গড়ে তুলুন। ২। খাবার ঢেঁকে রাখুন,খাদ্যবস্তু ও খাবার সরঞ্জাম সবসময় ঢেঁকে রাখতে হবে যাতে মাছি বা পোকামাকড় বসতে না পারে। ৩। পরিস্কার পাত্রে খাদ্য গ্রহন করুন, খাওয়ার পূর্বে থালা বাসন পরিস্কার জলে ধুয়ে ফেলুন। ৪। জীবানু মুক্ত বিশুদ্ধ জল পান করুন, খাবার জল ভালোভাবে ফুটিয়ে নিন বা ফিটকিরি বা জল শোধনকারী ট্যাবলেট দিয়ে জল জীবানুমুক্ত করে নিন। ৫। বাসি ও পচাঁ খাবার খাবেন না, নষ্ট ও গন্ধ হয়ে যাওয়া, বাসি ও পচাঁ খাবার পরিহার করুন। ৬। স্যানিটারি পায়খানা ব্যবহার করুন, স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ব্যবহার করুন এবং মল ত্যাগের পর সাবান বা ছাই দিয়ে ভালোভাবে হাত ধুয়ে ফেলুন। ৭। ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন, হাত ও পায়ের নখ সবসময় ছোট ও পরিষ্কার রাখুন। ৮। আপনার শিশুকে রোটা ভাইরাসের টিকা প্রদান করুন ৯। পরিবারের প্রতিটি সদস্যের পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতাই আপনার পরিবারকে ডায়রিয়া মুক্ত রাখতে সহায়তা করবে। ডায়রিয়া হলে করণীয়: ডায়রিয়া প্রতিরোধই সর্বোত্তম পন্থা। তারপরও ডায়রিয়া হয়ে গেলে অবহেলা না করে আপনার নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করুন অথবা কোন চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহন করুন। অতিরিক্ত দ্রুত রোগমুক্তির চেষ্টা কিংবা অবহেলা কোনটিই করা অনুচিত।  রোটা ভাইরাস ডায়রিয়ার ক্ষেত্রে ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা এবং ব্যাকটেরিয়া বা প্রোটোজোয়া ডায়রিয়ার  ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ গ্রহনই ডায়রিয়ায় খারাপ পরিস্থিতির হাত থেকে আমাদের রক্ষা করতে পারে।  

  • ডায়েট ও ব্যায়াম না করেই কি ওজন কমানো সম্ভব ? আসুন জেনে নিই

    newsbazar24: ডায়েট ও ব্যায়াম না করেই কি ওজন কমানো সম্ভব ? কিন্তু চাইলে অনেক কিছুই সম্ভব। আমরা অনেকেই অনেক কিছু করে থাকি ওজন কমানোর জন্য। কিন্তু ওজন কমানোর জন্য না খেয়ে কঠোর ডায়েট করে, ব্যায়াম করে কত কষ্টটাই না করতে হয় আমাদের। কিন্তু আমরা চাইলেই তিনবেলা পরিমাণ মত খেয়ে ও ব্যায়াম না করে শুধু মাত্র ২টি জাদুকরী পানীয় দিয়েই ওজন কমাতে পারি। চলুন আজ জেনে নিই কীভাবে শুধু মাত্র পানীয় দিয়েই ওজন কমানো সম্ভব। গ্রিন টিঃ গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে প্রতিদিন ৪ কাপ গ্রিন টি পানের ফলে প্রতি সপ্তাহে অতিরিক্ত ৪০০ ক্যালরি পর্যন্ত ক্ষয় করা সম্ভব। এবং গ্রিন টি-তে আছে প্রচুর পরিমানে এন্টিঅক্সিডেন্ট যা আমাদের দেহের ওজন ঠিক রাখতে সাহায্য করে। তাই প্রতিদিন গ্রিন টি অবশ্যই পান করুন। প্রচুর পরিমানে জল পান করুনঃ আমাদের দেহে জলের উপকারিতা অনেক বেশি। প্রতিদিন ৭-৮ গ্লাস তরল খাবার (জল হলে সবচাইতে ভালো) শুধু আমাদের সুস্থই রাখেনা, সাথে আমাদের দেহের ত্বক ভালো রাখে এবং ওজনও রাখে নিয়ন্ত্রণে। জল আমাদের দেহের হজম ক্রিয়ায় সাহায্য করে এবং আপনি যখন কাজ করেন তখন ঘামের মাধ্যমে আপনার শরীর থেকে ঘামের পাশাপাশি চর্বিও খরচ হয়। তাই বেশি করে জল পান করুন। তাছাড়া প্রচুর পরিমানে জোল পান করলে তা আপনার বার বার ক্ষিদার সমস্যাও দূর করবে। অন্যদিকে বিপাক ক্রিয়ার উন্নতি হবে, ফলে শরীরে বাড়তি ফ্যাট জমবে না।

  • এই গরমে আম খাওয়া কি স্বাস্থ্যের পক্ষে নিরাপদ?

    newsbazar24: এই গরমে আম খাওয়া কি স্বাস্থ্যের পক্ষে নিরাপদ?প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে চলা গরমের জ্বালা বাঙালি অয়ায়াসে ভুলতে পারে যদি পাতে থাকে ফজলি, ল্যাংড়া, হিমসাগর বা আম্রপালি আমের মোলায়ম টুকরোগুলো।এখন আমের ভরা মরসুম। কাঁচা হোক বা পাকা, প্রায় প্রতিদিনের বাজারের সঙ্গেই আম আসছে বাড়িতে কিন্তু জানেন কি কতটা আম খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে নিরাপদ? বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত আম খেলেও শরীর স্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। আসুন জেনে নেওয়া যাক ১) আম রক্তে চিনির মাত্রা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। তাই যাঁরা ডায়াবিটিসে আক্রান্ত, তাঁদের পক্ষে আম খাওয়া মোটেই নিরাপদ নয়। ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে তাই আম খান মেপে মেপে। প্রয়োজনে চিকিত্সকের পরামর্শ নিন। ২)যাঁরা আর্থারাইটিস বা বাতের সমস্যা ভোগেন তাঁদের আম এড়িয়ে চলাই ভাল। আম খেলে আর্থারাইটিস বা বাতের ব্যথা বাড়ার আশঙ্কা বহুগুণ বেড়ে যায়। ৩)অতিরিক্ত পরিমাণে আম খেলে বাড়তে পারে হজমের সমস্যা। অতিরিক্ত আম খাওয়ার ফলে গ্যাসটাইট্রিসের সমস্যাও মাথা চাড়া দিতে পারে। ৪) আমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আর ক্যালোরি। যাঁরা স্থুলতা বা ওবেসিটির সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদের আম এড়িয়ে চলাই ভাল। ৫) খেয়াল রাখবেন, আমের গায়ে লেগে থাকা আঠা যেন কোনও ভাবে মুখে না লাগে! আমের এই আঁঠা মুখের কোমল ত্বকে লাগলে জ্বালা, চুলকানির মতো নানা সমস্যা হতে পারে। ৬) যাঁদের ত্বকে অ্যালার্জির প্রবণতা আছে, তাঁদের আম এড়িয়ে চলাই ভাল। কারণ, আম খেলে ত্বকে জ্বালা, চুলকানি, র‌্যাশ বেরনোর মতো একাধিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।

  • তাড়াতাড়ি ওজন কমাতে কমলালেবুর গুণাবলী

    newsbazar24: দ্রুত ওজন কমাতে চান? কমলালেবু খান, আজকাল প্রায় সারা বছরই বাজারে কমলালেবু পাওয়া যায়। কমলালেবু হল ভিটামিন সি-সহ একাধিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদানের উত্স। একাধিক গবেষণায় প্রমাণ মিলেছে যে, কমলালেবুর রস স্ট্রোকের ঝুঁকি প্রায় ২৪ শতাংশ পর্যন্ত এবং হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি প্রায় ১৩ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দিতে সক্ষম। এ ছাড়াও নিয়মিত কমলালেবুর রস খেতে পারলে একাধিক স্বাস্থ্য সমস্যা থেকে সহজেই দূরে থাকা যায় ১) কমলালেবুর রস আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। কমলালেবুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি যা সর্দি-কাশি, জ্বর-সহ একাধিক স্বাস্থ্য সমস্যা থেকে আমাদের রক্ষা করে। ২) কমলার রসে ক্যালোরি আর ফ্যাট প্রায় নেই বললেই চলে। ওজন কমাতে চাইলে কমলালেবুর রস অত্যন্ত কার্যকর একটি বিকল্প হতে পারে। ৩) কমলালেবুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান। এতে রয়েছে পর্যাপ্ত ভিটামিন সি যা ফ্রি র‍্যাডিকেলের প্রভাবে ত্বকের শুষ্ক হয়ে যাওয়া বা ত্বককে বলিরেখা পড়ার হাত থেকে রক্ষা করে। কমলালেবুতে প্রচুর পরিমাণে থাকা ভিটামিন সি ত্বককে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল, দীপ্তিময় করে তুলতে সাহায্য করে। ৪) কমলালেবুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম যা হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত জরুরি একটি উপাদান। এ ছাড়াও কমলালেবুতে রয়েছে হেস্পিরিডিন (hesperidin) এবং নারিঞ্জেনিনের (naringenin) মতো ফ্ল্যাভনয়েডস (জৈব সংশ্লেষণ) যা আর্থ্রাইটিসের মতো ব্যথা উপশমে অত্যন্ত কার্যকর। ৫)কমলালেবুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে সাইট্রেট। এই সাইট্রেটের ক্যালসিয়াম অক্সালেট কিডনি পাথর জমা ঠেকাতে সাহায্য করে। কিডনিতে জমা পথরের জন্য যে ব্যথা হয়, তা থেকেও মুক্তি দিতে কমলালেবুর রস অত্যন্ত কার্যকরী।

  • জেনে নিন পিত্তথলি ভাল রাখতে ঘরোয়া কিছু পদ্ধতি

    newsbazar24: খাদ্যাভাসের কারণে আজকাল অনেকেরকেই পিত্তথলিতে পাথর জমা প্রায় সাধারণ রোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পিত্তথলির সমস্যা হলে বুক জ্বালা করে, বমি হয়। খাবার খেতে না পারা, খাবার হজম না হওয়াও পিত্তথলির দুবর্লতার লক্ষণ। পিত্তথলি ভাল রাখতে ঘরোয়া কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন। যেমন- ১. খাওয়া-দাওয়ার উপর পিত্তথলির কর্মক্ষমতা অনেকাংশে নির্ভর করে। যত বেশি ফ্যাট জাতীয় খাবার খাওয়া হবে পিত্তথলির উপর ততই চাপ সৃষ্টি হবে। এ কারণে ফ্যাট জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। এই ধরনের খাবার রক্তে কোলেস্টেরলের    পরিমাণ বাড়িয়ে দেয় যা পিত্তথলির জন্য খুবই ক্ষতিকারক। পিত্তথলি ভাল রাখতে নিয়মিত খাদ্যতালিকায় বাদাম, বিনস, টকজাতীয় ফল, মাছ, অলিভ তেল রাখুন। ২. নিয়মিত ব্যায়াম পিত্তথলির যেকোনো রকমের সমস্যা থেকে আপনাকে দূরে রাখবে। আসলে অতিরিক্ত ফ্যাট জমলেই তা পিত্তথলির ক্ষতি করে। বিশেষজ্ঞের মতে, দিনে অন্তত ২০ মিনিট ব্যায়াম করলে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমবে।    সেই সঙ্গে পিত্তথলির পাথর হওয়ার ঝুঁকিও কমবে। ৩. পেটের উপরের ডানদিকের অংশে ব্যথা অনুভব করলে কাঁচা হলুদ খেতে পারেন। কাঁচা হলুদে থাকা কারকুমিন উপাদান জ্বালা ও ব্যথা দুটিই কমাতে কার্যকরী। চায়ে দিয়ে এই হলুদ খেতে পারেন। ৪. আপেল সিডার ভিনেগার ব্যথা কমাতে দারুণভাবে সাহায্য করে। হালকা গরম পানিতে দুই চামচ আপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে অল্প অল্প করে খেতে থাকুন। এতে পিত্তথলির ব্যথা ও জ্বালা দুই -ই কমে যাবে। ৫. পুদিনা পাতার চা ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে। পেটের ব্যথা , মাথার ব্যথা দূর করতে এটি দারুণ কাযর্করী। পিত্তথলিতে ব্যথা হলে নিয়মিত পুদিনা পাতার চা খেতে পারেন। এর ঠাণ্ডা প্রভাব ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।

  • কি কি নিয়ম মানলে ডায়াবেটিস দূরে রাখা যায় জানেন কি ?

    newsbazar24:  নিত্যদিন অনেক তরুণও ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হচ্ছেন। ডায়াবেটিসের সরাসরি নিরাময় হয়না তাই এতে আক্রান্ত হলে তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়। তবে কিছু উপায় রয়েছে যা আগে থেকে পালন করলে ডায়াবেটিস দূরে রাখা যায়।  ১।ধূমপানে ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এর কারণ হলো দেহের হরমোনজনিত পরিবর্তন। এ কারণে ডায়াবেটিস থেকে দূরে থাকতে ধূমপান বর্জন করা উচিত।  ২। আপনি যদি নিয়মিত শারীরিক অনুশীলন করেন তাহলে তা নানাভাবে আপনার স্বাস্থ্যের উপকার করবে। বিশেষ করে দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণ, বিভিন্ন রোগ দূরে রাখায় এর ভূমিকা রয়েছে। এতে ডায়াবেটিসের মতো রোগও দূরে থাকবে।  ৩। মাত্রাতিরিক্ত খাবার খাওয়া ডায়াবেটিসের অন্যতম কারণ। এ কারণে খাবারের পরিমাণ কমানো উচিত আগেভাগেই। খাবার খাওয়া কমানোর জন্য ছোট ছোট প্লেটে অল্প করে খাবার নিতে পারেন। এছাড়া খাবার খাওয়ার আগে এক গ্লাস জল খেয়ে নিলেও তাতে খাবারের পরিমাণ কমতে পারে।  ৪। ধবধবে সাদা আটা-ময়দা বাদ দিয়ে লাল আটার তৈরি রুটি ও অন্যান্য খাবার খান। এটি আপনার ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাবে।  ৫। সকালের খাবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খাবার। এটি কখনোই বাদ দেওয়া ঠিক নয়। সকালের নাস্তায় প্রোটিন যুক্ত করলে তা সারাদিনের ক্ষিদা কমায়। এতে শরীর যেমন সুস্থ থাকে তেমন ডায়াবেটিসও দূরে থাকে।  ৬। ফাস্ট ফুড দোকানের জাংক খাবার ও অন্যান্য অস্বাস্থ্যকর খাবারে উচ্চমাত্রায় স্যাচুরেটেড ফ্যাট রয়েছে, যা আপনার রক্তে ক্ষতিকর কোলস্টেরল বাড়িয়ে দিতে পারে। এটি রক্তের শর্করার মাত্রাও বাড়ায়। তাই এসব খাবার বাদ দিতে হবে।  ৭। আপনি যদি বিকালের ক্ষুধা নিবৃত্ত করার জন্য অস্বাস্থ্যকর পিজা বা ফাস্ট ফুড বাদ দিয়ে তাজা ফলমূল কিংবা স্যালাড খেতে পারেন তাহলে তা ডায়াবেটিস থেকে আপনাকে রক্ষায় সহায়তা করবে।  ৮। মাত্রাতিরিক্ত মানসিক চাপ আপনার রক্তের শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। এ কারণে মানসিক চাপ থেকে নিজেকে দূরে রাখুন। প্রয়োজনে ইয়োগা, মেডিটেশন ও শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুশীলন করুন।  ৯। রাতে সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুমান। এতে আপনার দেহের ওপর চাপ কমবে এবং ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগ দূরে থাকবে। ঘুমের অভাবে দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার ক্ষতি হয়।  ১০। নিয়মিত গ্রিন টি পান করুন। এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসহ বিভিন্ন উপাদান রয়েছে, যা রক্তের শর্করা কমাতে ভূমিকা রাখে।  ১১। শরীরের ইনসুলিনের ভারসাম্যহীনতায় রক্তে শর্করার মাত্রা অস্বাভাবিক হয়ে ডায়াবেটিসের সৃষ্টি হয়। সময় থাকতেই ডায়াবেটিস সম্পর্কে জেনে রাখা ভালো। এতে আগে থেকেই রোগটি সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তোলা যায়।

  • জানেন কি শরীরকে ডি-হাইড্রেশনের হাত থেকে বাঁচাতে ডাবের জলের গুণাবলী ?

    newsbazar24: জানেন কি শরীরকে ডি-হাইড্রেশনের হাত থেকে বাঁচাতে ডাবের জলের গুণাবলী ?এই প্রচণ্ড গরমে অনেকেই ধোঁয়া ওঠা চায়ের চেয়ে ঠান্ডা কিছু দিয়ে গলা ভেজাতে ভালবাসেন। আর সে ক্ষেত্রে কচি ডাবের জল যেন অমৃত! এই গরমের তীব্র দাবদাহে ডাবের জলের মতো শান্তি ও তৃপ্তি বোধহয় আর কিছুতেই নেই! তবে শুধু তেষ্টা মেটাতেই নয়, গরমে শরীর ভাল রাখতেও ডাবের জল অত্যন্ত উপকারী। জেনে নিন ১) প্রচণ্ড গরমে শরীরে ঘামের সঙ্গে অনেকটা জল বেরিয়ে যায়। ফলে শরীরে জলের ঘাটতি দেখা দেয়। একই সঙ্গে ডি-হাইড্রেশনের সমস্যাও মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। শরীরকে ডি-হাইড্রেশনের হাত থেকে বাঁচাতে ডাবের জল অত্যন্ত উপকারী। ডাবের জলে থাকা কার্বোহাইড্রেড শরীরে শক্তির ঘাটতিও পূরণ করে।২) গরমের তীব্র দাবদাহে রক্তচাপ মারাত্মক বেড়ে যেতে পারে! অনেকের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ঘামের সঙ্গে অনেকটা জল বেরিয়ে যাওয়ায় রক্তচাপ অস্বাভাবিক ভাবে কমে যেতে পারে। এই পরিস্থিতিতে ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডাবের জল অত্যন্ত কার্যকরী! ডাবের জলে থাকা ভিটামিন সি, ম্যাগনেসিয়াম আর পটাশায়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।৩) গরমে কচি ডাবের জল শরীরকে ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি শরীরে পটাশিয়াম, সোডিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।৪) ডাবের জলে যেহুতু চিনি খুব কম পরিমাণে থাকে, তাই সহজেই ওজন কমাতে সাহায্য করে। ফাইবারে ভরপুর ডাবের জল খাবার দ্রুত হজম করতে সাহায্য করে।৫) ডাবের জল রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। তাই এই গরমে ডায়াবিটিক রোগীদর জন্য ডাবের জল খুবই উপকারী।

  • জানেন কি মুরগীর মেটে কতটা উপকারী?

    newsbazar24: মাংসের লিভার (যকৃৎ) বা মেটে আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী, এ কথা আমরা সকলেই জানি। কিন্তু মুরগির মাংসের মেটেও কি ততটাই উপকারী? জেনে নেওয়া যাক এ বিষয়ে পুষ্টিবিদদের মতামত।১) মুরগির লিভারে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, ক্যালশিয়াম, আয়রন, ফাইবার ছাড়াও আরও অনেক স্বাস্থ্যগুণে ভরপুর উপাদান।২) মুরগির লিভার বা মেটেতে রয়েছে দস্তা বা জিঙ্ক যা জ্বর, সর্দি-কাশি, টনসিলাইটিস সৃষ্টিকারী জীবাণুর বিরুদ্ধে শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে সাহায্য করে।৩) মুরগির লিভারে রয়েছে ভিটামিন-এ এবং বি যা আমাদের দৃষ্টিশক্তি ও মস্তিষ্কের বিকাশে সহায়ক।৪) মুরগির লিভারে রয়েছে কোলাজেন ওইলাস্টিন নামের একটি উপাদান যা আমাদের শরীরের শিরা-উপশিরায় রক্ত প্রবাহ সহজ ও স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।৫) মুরগির লিভারে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন আর ফাইবার যা শরীর ও হৃদযন্ত্রের পক্ষে খুবই উপকারী।৬) মুরগির লিভার বা মেটেতে রয়েছে সেলেনিয়াম নামের একটি জরুরি উপাদান যা কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। এই সেলেনিয়াম শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, ছোট-বড় সংক্রমণ, শরীরের গাঁটে গাঁটে ব্যথা, কৃমির সমস্যাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম।৭) শরীরের বিভিন্ন অপুষ্টিজনিত সমস্যা দূর করতে এবং দ্রুত ওজন বাড়াতে মুরগির লিভার বা মেটে অত্যন্ত কার্যকর! এ ছাড়াও, ডায়বেটিসের মতো অসুখে আক্রান্তদের জন্য মুরগির লিভার বা মেটে খুবই উপকারী। পুষ্টিবিদদের মতে, মুরগির মাংসের তুলনায় মুরগির লিভারের পুষ্টিগুণ কোনও অংশে কম নয়। তবে একটা বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখবেন, যাঁদের উচ্চ রক্তচাপ বা হার্টের সমস্যা রয়েছে, তাঁদের মুরগির মেটে না খাওয়াই ভাল। কারণ, মুরগির মেটে খেলে শরীরে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে। ফলে বাড়বে উচ্চ রক্তচাপ বা হার্টের সমস্যা।

  • হেঁচকি বন্ধ করার এই ১০টি অব্যর্থ উপায়

    newsbazar24: আপনাকেও হয়তো কখনও না কখনও হেঁচকি নিয়ে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়েছে! এই রকম পরিস্থিতিতে চট করে হেঁচকি বন্ধ করতে হলে কী করবেন? আসুন জেনে নিন এমন ১০টি অব্যর্থ উপায়, যেগুলির যে কোনও একটি কাজে লাগালেই এই সমস্যার থেকে দ্রুত নিস্তার পাবেন...হেঁচকি বন্ধ করার সেরা ১০ কৌশল:১) চট করে ১ চামচ মাখন বা চিনি খেয়ে নিন। হেঁচকি দ্রুত বন্ধ হয়ে যাবে।২) বেশি করে জল খান। বিশেষ করে এই সময় ঠান্ডা জল খেলে হেচকির সমস্যায় দ্রুত উপকার পাওয়া যায়।৩) হেচকির সমস্যা শুরু হলে নিশ্বাস নেওয়ার সময় নাক হালকা চাপ দিয়ে চেপে ধরুন। এই পদ্ধতি হেঁচকির সমস্যা কমাতে সাহায্য করবে।৪) হঠাৎ করে হেঁচকি শুরু হলেই, লম্বা শ্বাস নিয়ে নাক-মুখ বন্ধ রেখে বাতাস ভেতরে বেশ কিছু ক্ষণ রাখুন। যত ক্ষণ সম্ভব দম ছাড়বেন না। সমস্যা মিটে যাবে।৫) হেচকির সমস্যা শুরু হলে হাতের কাছে কাগজের ব্যাগ বা বড় ঠোঙা থাকলে তার ভেতরে মাথা ঢুকিয়ে নিশ্বাস নিন। কিছু ক্ষণের মধ্যেই হেঁচকি বন্ধ হয়ে যাবে।৬) লম্বা শ্বাস নিন। এ বার হাঁটুকে বুকের কাছাকাছি এনে দু’ হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরুন। কয়েক মিনিট এ ভাবেই থাকুন। এই পদ্ধতিতে হেঁচকি দ্রুত বন্ধ হয়ে যাবে।৭) হেঁচকি বন্ধ করতে লেবুর রসের সঙ্গে সামান্য আদার কুচিও একসঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন। এতে কিছু ক্ষণের মধ্যেই সমস্যা মিটে যাবে।৮) হঠাৎ করে হেঁচকি শুরু হলেই, দুই কানে দুই আঙ্গুল ঢুকিয়ে যত ক্ষণ সম্ভব দম বন্ধ করে থাকুন। দেখবেন হেঁচকি নিমেষেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে।৯) দ্রুত হেঁচকি বন্ধ করার জন্য জিভে এক টুকরো পাতিলেবু রেখে কিছু ক্ষণ চুষুন। এটি হেঁচকি বন্ধ করতে খুবই কার্যকর একটি।১০) মুখের ভেতরে উপরের অংশটিতে ভাল করে মালিশ করুন। প্রয়োজনে গলার পেছনের অংশে হালকা মালিশ করুন। এই পদ্ধতিতে হেঁচকি দ্রুত বন্ধ হয়ে যাবে।

  • কি করে ভালো রাখবেন আপনার স্বাস্থ্য, জেনে নিন

    newsbazar24: শরীর ভালো থাকলে বাড়ে কাজের স্পৃহা। নিয়মিত যোগব্যায়াম, হাঁটাহাঁটি, খাদ্য তালিকা নিয়ন্ত্রণ প্রভৃতির মাধ্যমে মানুষ স্বাস্থ্য ঠিক রাখার উপায় খোঁজেন। কিন্তু ব্রিটেনের এক্সেটার বিশ্ববিদ্যালয়ের স্পোর্টস ও এক্সারসাইজ বিষয়ক শিক্ষক ড. নেডাইন স্যামি বলেছেন, আমাদের নিজেদের মনের ওপরে বিশেষ খেয়াল রাখা দরকার। আত্ম-সচেতনতা বাড়িয়ে মনের ওপরে আমাদের নিয়ন্ত্রণ বাড়ানো সম্ভব। ড. স্যামির মতে, আত্ম-সচেতনতা এমন এক জিনিস যা মানুষকে তার নিজের আবেগ, অনুভূতি ও ইচ্ছা-অনিচ্ছা অনেক নিবিড়ভাবে বুঝতে সহায়তা করে। নিজের অনুভূতিকে বোঝার মধ্য দিয়েই মানুষ নিজের স্বাস্থ্য ও সুরক্ষার দিকে সবচেয়ে বেশি মনোযোগ দিতে পারে। বলা যায় এটাই হতে পারে স্বাস্থ্য ভালো রাখার সবচেয়ে সহজ উপায়।ড. নেডাইনের মতে, নিজের সম্পর্কে ব্যক্তির ধারণা যত নির্ভুল ও গভীর হবে, ততই সে তার নিজের শক্তি ও দুর্বলতার দিকগুলো জানবে। এই জানার মাধ্যমেই নিজের দুর্বলতাগুলোকে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। এজন্য তিনি এমন কিছু কাজ করার পরামর্শ দিয়েছেন যা শারীরিকভাবে কর্মক্ষম থাকতে জিমে যাওয়া কিংবা ভোরবেলা দৌড়ানোর চেয়ে অনেক বেশি কায়িক শ্রমের ব্যবস্থা করবে।এই যেমন আপনাকে অনেক বেশি কায়িক পরিশ্রমে ব্যস্ত রাখতে পারে আপনার পোষা কুকুরটি। এবারিস্টউইথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইকোলজি বিভাগের শিক্ষক ড. রিস থেচারের বক্তব্য, জিম হয়ত কারো কারো জন্য একটা ভালো সমাধান হতে পারে। কিন্তু তা সবার জন্য নয়। তাই এক্ষেত্রে মোক্ষম উপায় হতে পারে একটি কুকুর পোষা। কারণ কুকুরকে যদি দিনে দুই বার অন্তত ৩০ মিনিট করে হাঁটাতে হয় তখন আপনিও নিজে থেকেই হাঁটবেন। আর এভাবেই রোজকার হাঁটার ভেতর দিয়ে শরীর ও মনের সুরক্ষা হবে। সুস্বাস্থ্য অর্জন করতে হলে তারা পরামর্শ দিয়েছেন বিভিন্ন ধরনের উদ্ভিজ্জ খাদ্য গ্রহণের। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সপ্তাহে অন্তত ৩০ পদের সবজি ও ফল-ফলাদি গ্রহণ করলে সুস্বাস্থ্য অর্জন করা সম্ভব। লন্ডন কিংস কলেজের একজন গবেষণা ফেলো ড. মেগান রসি বলেন, শুধু বেশি করে সবজি ও ফল-ফলাদি খেলেই হবে না। এর মধ্যে বিভিন্ন জাতের ভিন্নতাও থাকা জরুরি। প্রতি সপ্তাহে সব পদ মিলিয়ে যদি ভিন্ন-ভিন্ন ৩০ পদের সবজি ও ফল-ফলাদি খাওয়া যায় তাহলে তা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভালো। আমাদের পাকস্থলীতে মাইক্রোবায়োম নামের একটি ব্যাকটেরিয়া রয়েছে। এই ব্যাকটেরিয়া মানুষের সুস্বাস্থ্যের ওপরে গভীরভাবে প্রভাব ফেলে। তাই বেশি বেশি লতা-পাতা ও উদ্ভিজ্জ সবজি খেতে পরামর্শ দিয়েছেন ড. রসি।সুস্থ থাকার জন্য বেশি বেশি হাসার পাশাপাশি দৈনিক গড়ে ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুমানোর পরামর্শ দিয়েছে বিজ্ঞানীরা। একটানা ঘুমের ঘাটতি চলতে থাকলে শরীরের উপরে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এক্সেটার ইউনিভার্সিটির স্পোর্ট এন্ড হেলথ সায়েন্স বিভাগের শিক্ষক ড. গেভিন বাকিংহাম বলেছেন, ঘুম কম হলে মানুষের নতুন জিনিস শেখার প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। তাই দেহ ও মনের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় পর্যাপ্ত ঘুমের বিকল্প নেই।-বিবিসি