ফ�ট বল

  • অনূর্ধ্ব-১৭ মহিলা ফুটবল বিশ্বকাপের জন্য গোয়ায় স্টেডিয়াম পর্যবেক্ষণে ফিফার প্রতিনিধি দল।

    ডেস্ক, ১ জুনঃ অনূর্ধ্ব-১৭ মহিলা ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২০ আয়োজক দেশ এবার ভারত। আজ ফিফা  ও গোয়ার স্থানীয় আয়োজক কমিটি যৌথভাবে  গোয়ার ফতোরদা স্টেডিয়াম পরিদর্শন করেন । এর  আগে ভারত পুরুষ  অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ সাফল্যের সঙ্গে আয়োজন  করার  ফলে  এ বার মহিলাদের  বিশ্বকাপের দায়িত্ব পেয়েছে  ভারত। সেই লক্ষ্যেই শুরু হয়েছে স্টেডিয়াম পর্যবেক্ষণের কাজ। পিটি আই সূত্রে জানা যায় গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী মনোহর আজগাওকর জানিয়েছেন, ফিফার প্রতিনিধি দল স্টেডিয়ামের ব্যবস্থাপনা দেখে খুশি। বিশ্বকাপের একটি ভেন্যু হিসেবে ভাবা হচ্ছে ফতোরদাকে।  মার্চের শুরুতেই আন্তর্জাতিক ফুটবল ফেডারেশনের  প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তনিও  ঘোষণা করেন ২০২০ অনূধ্ব-১৭ মহিলা বিশ্বকাপ এ বার আয়োজনের দায়িত্ব পাচ্ছে ভারত।   মনে করা হচ্ছে বেশ কিছু ম্যাচ দেওয়া হতে পারে নেহরু স্টেডিয়ামকেও। যেখানে ২০১১৭-র অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপের ম্যাচ হয়েছিল।  গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই বিশ্বকাপ আয়োজনের ছাড়পত্র পেয়ে গিয়েছে ক্যাবিনেটে। তিনি এও জানিয়েছেন, অনুশীলন ম্যাচগুলো খেলা হবে বেননলিম, উতোরদা, বাম্বোলিম  ভাস্কোর মাঠে। গোয়ার ক্রীড়া দফতরের মাঠগুলিতেই হবে এই সব ম্যাচ, নেহরু স্টেডিয়ামে না।

  • KXIP vs RCB: পাঞ্জাবকে আট উইকেটে হারিয়ে দিল বেঙ্গালুরু

    News Bazar24: মোহালিতে টস জিতে হোম টিম Kings XI Punjab-কে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন Virat kohli। প্রথমে ব্যাট করে পাঞ্জাব থামে ১৭৩-৪-এ। ৬৪ বলে ৯৯ রান করে অপরাজিত থাকেন ক্রিস গেইল। পাঞ্জাবের আরও কোনও ব্যাটসম্যানি বড় রানের মুখ দেখতে পারেননি। গেইলের ব্যাটেই পাঞ্জাবের রান ১৭৩-এ পৌঁছয়। জবাবে ব্যাট করতে নেমে Royal Challengers Bengaluru-র ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যান বিরাট কোহলি ও এবি ডিভিলিয়ার্স। ৫৩ বলে ৬৭ রান করে আউট হন বিরাট কোহলি। এর পর বেঙ্গালুরুর ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যান এবি ডিভিলিয়ার্স। হাফ সেঞ্চুরি করেন তিনিও। বেঙ্গালুরুকে শেষ দুই ওভারে ২০ রানে নিয়ে যান তিনি। সেখান থেকে চার বল বাকি থাকতেই ম্যাচ জিতে নেয় বেঙ্গালুরু। ৫৯ রান করে অপরাজিত থাকেন ডিভিলির্সা। আট উইকেটে পাঞ্জাবকে হারিয়ে দিল বেঙ্গালুরু। ছয় ম্যাচে শূন্য পয়েন্ট নিয়ে লিগ তালিকার সবার শেষে ছিলেন বিরাট কোহলিরা। পাঞ্জাবকে হারিয়ে প্রথম জয় তুলে নিল বেঙ্গালুরু। অন্য দিকে আট ম্যাচে চারটি জয় ও চারটি হারের মুখ দেখল পাঞ্জাব। টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমেছে কিংস একাদশ পাঞ্জাব। পাঞ্জাবের হয়ে ওপেন করতে নেমেছেন লোকেশ রাহুল ও ক্রিস গেইল। খুব দ্রুত রান না উঠলেও হাল ধরার চেষ্টায় দুই ওপেনার। আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি করেছিলেন লোকেশ রাহুল। পাঁচ ওভারের শেষে পাঞ্জাব পাঞ্জাব ৩৬-০। ১৮ রান করে আউট হলেন লোকেশ রাহুল। কিন্তু হাল ধরলেন ক্রিস গেইল। ২৮ বলে ৫০ রান করলেন তিনি।সঙ্গে রয়েছেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল। ন'বলে ১৫ রান করে আউট হলেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল। ১০ ওভারে পাঞ্জাব ৯০-২। ১৩ বলে ১৫ রান করে আউট সরফরাজ খান। তিন বলে এক রান করে আউট স্যাম কুরান। ১৫ ওভারে পাঞ্জাব ১২২-৪। শেষ পর্যন্ত একাই লড়লেন ক্রিস গেইল। অল্পের জন্য সেঞ্চুরিটা হল না। ৬৪ বলে ৯৯ রান করে অপরাজিত থাকলেন ক্রিস গেইল। শেষ বলে সেঞ্চুরি করতে গেইলের দরকার ছিল ছয় পাঁচ রান। কিন্তু ছক্কা এল না। বাউন্ডারি হাঁকালেন তিনি। ১৬ বলে ১৮ রান করলেন মনদীপ সিং। ২০ ওভারে পাঞ্জাব থামল ১৭৩-৪-এ। বেঙ্গালুরুকে জিততে হলে করতে হবে ১৭৪ রান। নয় বলে ১৯ রান করে আউট হন পার্থিব প্যাটেল। পাঁচ ওভারে বেঙ্গালুরু ৫৪-১। ব্যাট করছেন এবি ডিভিলিয়ার্স ও বিরাট কোহলি। ১০ ওভারে আরসিবি ৮৮-১। আর উইকেট না পড়লেও রানের গতি খুব বেশি তুলতে পারেননি বিরাটরা। ধরে খেলার চেষ্টা করছেন দুই ব্যাটসম্যান। হাফসেঞ্চুরি করে ফেললেন বিরাট কোহলি। ৩৭ বেল ৫০ রান করেন বিরাট। ১৫ ওভারে আরসিবি ১২৬-১। ৫৩ বলে ৬৭ রান করে আউট হন বিরাট কোহলি। তাঁকে ফেরান মহম্মদ শামি। ব্যাট করছেনএবি ডিভিলির্সা ও মার্কাস স্তইনিস। শেষ পর্যন্ত লড়াই করে বেঙ্গালুরুকে প্রথম জয় এনে দিলেন তাঁরা।  

  • ভারতে আবার বিশ্বকাপ ফুটবল হতে চলেছে আগামী ২০২০ সালে।

    ডেস্ক, ১৬ই মার্চঃ আবার ভারতে অনূর্ধ্ব-১৭ ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল হতে চলেছে তবে এবার অনূর্ধ্ব-১৭ ফিফা  বিশ্বকাপ  ছেলেদের নয়। আগামী ২০২০ সালে অনূর্ধ্ব-১৭ ফিফা  মহিলা বিশ্বকাপ ফুটবল আয়োজন করতে চলেছে ভারত। শুক্রবারই ভারতকে এই বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে ফিফা। মিয়ামিতে FIFA Council Meeting-এ  এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রসঙ্গত ২০১৭ সালে  ছেলেদের অনূর্ধ্ব-১৭ ফিফা বিশ্বকাপ সাফল্যের সঙ্গেই আয়োজন করেছিল ভারত। সাফল্যের সঙ্গেই আয়োজনের পাশাপাশি গোটা দেশ মেতে উঠেছিল ফুটবলে। ২০১৭-র বিশ্বকাপ আয়োজনের পর খুশি হয়েছিল ফিফা। জেভিয়ার সেপ্পি যিনি পুরুষদের টুর্নামেন্টের ডিরেক্টর ছিল তিনিও ভারতকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।  তিনি টুইটে লেখেন, ‘‘ভারত ও মহিলা ফুটবলের জন্য দারুন খবর।''  পুরুষদের অনূর্ধ্ব-১৭ ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজনের মধ্য দিয়ে ভারতীয় ফুটবলের ব্যাপক উন্নতি ঘটেছিল তেমনি আবারও  ভারতের দায়িত্বে মহিলা অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ আসায় ভারতীয় মহিলা ফুটবলের জন্য একটা নতুন  দিক নির্দেশ উন্মোচিত হবে বলে আশা করা যায়।

  • এআইএফএফ-র সুপার কাপ থেকে নাম প্রত্যাহার মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল সহ আই লীগের সাতটি দল

    কার্ত্তিক পাল, ১৩ই মার্চঃ এআইএফএফ(ALL INDIA FOOTBALL FEDERATION)  গত মরসুম থেকে আই লিগ ও আইএসএল-এর দলগুলোকে নিয়ে সুপার কাপ চালু করেছে । কিন্তু এই  বছর সুপার কাপ মুখ থুবড়ে পড়তে চলেছে । ইতিমধ্যে  আই লিগে অংশ গ্রহন কারী  দল মোহনবাগান ও মিনার্ভা পাঞ্জাব এফসি সুপার কাপ থেকে নাম তুলে নিল। তাদের অভিযোগ আই লীগের দলগুলোর সঙ্গে অবিচার করা হয়েছে । আরও জানা গেছে যে  একই পথে হাঁটতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল সহ আই লিগের আরও ৫ ক্লাব। সূত্রের খবরে জানা যায়  আই লিগের দলগুলোর সঙ্গে অবিচার করা হয়, এই মর্মে মেল করেছিল ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান, চেন্নাই সিটি এফসি, মিনার্ভা পাঞ্জাব, আইজল এফসি, গোকুলম কেরালা ও নেরোকা এফসি। কিন্তু ফেডারেশনের তরফে এই মেলের কোনও জবাব দেওয়া হয়নি। তারপরেই এই দলগুলি ফেডারেশনকে চিঠি লিখে জানায়, তারা সুপার কাপ খেলতে ইচ্ছুক নয়। ফেডারেশন সচিব কুশল দাস এই চিঠির প্রাপ্তি স্বীকারও করেছেন বলে জানা যায়।    

  • আই লিগ ২০১৮-১৯, ইস্টবেঙ্গল ও রিয়েল কাশ্মীর ম্যাচ কাশ্মীর থেকে দিল্লী নিয়ে যাওয়া হল! ঝুলেই থাকল মিনার্ভার ভবিষ্যৎ

    ডেস্ক,  ২৫ ফেব্রুয়ারীঃ সর্ব ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের আই লিগ কমিটির মিটিংয়ে সর্ব সম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত  হল ২৮ ফেব্রুয়ারি ইস্টবেঙ্গল ও রিয়েল কাশ্মীর ম্যাচটি শ্রীনগর থেকে  সরিয়ে কোনও তৃতীয় জায়গায় নিয়ে যাওয়া হবে। সোমবার দিল্লির ফুটবল হাউসের সভায়  সিদ্বান্ত নেওয়া হল  ২৮ ফেব্রুয়ারি ইস্টবেঙ্গল ও রিয়েল কাশ্মীর ম্যাচটি খেলা হবে দিল্লিতে। এই  সভায় সভাপতিত্ব  করেন সর্ব ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের  সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সুব্রত দত্ত। এ ছাড়া ছিলেন বিকে রোকা, লালঘিনলোভা ও রোচক ল্যাঙ্গার।ছিলেন এআইএফএফ-এর সচিব কুশল দাস ও আই লিগ সিইও সুনন্দ ধর। সাম্প্রতিক কাশ্মীরের পরিস্থিতিতে  রিয়েল কাশ্মীরই চাইছে ২৮ ফেব্রুয়ারি ইস্টবেঙ্গল ম্যাচটি কোনও তৃতীয় জায়গায় করা হোক।  যার পরই কমিটি সিদ্ধান্ত নেয় ম্যাচটি দিল্লিতে স্থানান্তরিত করার। ১৮ ফেব্রুয়ারি শ্রীনগরে মিনার্ভা পাঞ্জাব খেলতে না যাওয়া নিয়ে দুই পক্ষের মত শোনে ফেডারেশন। সেই ম্যাচে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে খেলতে যায়নি মিনার্ভা। দুই দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলার পর বিষয়টিকে ফেডারেশনের এক্সিকিউটিভ কমিটিতে পাঠানো হয়েছে পরবর্তী সিদ্ধান্তের জন্য।

  • বিশ্ব ফুটবল জগতের মহীরুহের পতন প্রয়াত গর্ডন ব্যাঙ্কস৷

    ডেস্ক, ১২ই ফেব্রুয়ারীঃ বিশ্ব ফুটবল জগতের মহীরুহের পতন ঘটল। প্রয়াত ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপ জয়ী কিংবদন্তি ব্রিটিশ গোলরক্ষক গর্ডন ব্যাঙ্কস৷ ৮১ বছর বয়সে বার্ধক্যজনিত কারণে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ইংল্যান্ডের প্রাক্তন এই গোলকিপার৷ তার পরিবার  সূত্রে জানানো হয়েছে মঙ্গলবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ঘুমের মধ্যেই তাঁর মৃত্যু হয়। ১৯৬৬ সালে ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম প্রধান কাণ্ডারি ছিলেন গর্ডন৷ ফাইনালে পশ্চিম জার্মানির বিরুদ্ধে ইংল্যান্ড জিতেছিল ৪-২ ব্যবধানে৷ সেই ম্যাচে জোড়া গোল হজম করলেও রক্ষণ আগলে ম্যাচ জিতিয়েছিলেন ব্যাঙ্কস৷ ৭৩টি ম্যাচে দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করা ছাড়াও তিনি ক্লাব ফুটবলে লেস্টার সিটি ও স্টোক সিটির হয়ে খেলেছিলেন। নিঃসন্দেহে ফুটবলের ইতিহাসে সেরা গোলকিপারদের অন্যতম ব্যাঙ্কস স্মরণীয় হয়ে আছেন বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে অন্যতম সেরা মুহুর্তটি উপহার দেওয়ার জন্য। ১৯৬৬ সালে বিশ্বকাপ জেতার ৪ বছর পরে বিস্ময়কর প্রতিভায়  ফুটবল সম্রাট পেলের হেড জালে জড়ানো থেকে বাঁচিয়ে ছিলেন। বিশ্বকাপ তথা ফুটবলের ইতিহাসে এই মুহূর্ত চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।  

  • যুবভারতী তে ফিরতি লীগে নেরোকা কে ২-১ পরাজিত করে লিগ জয়ের স্বপ্ন দেখতে শুরু করল ইস্টবেঙ্গল

    কলকাতা, ৭ই ফেব্রুয়ারীঃ আজ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে মেক্সিকান স্ট্রাইকারের  জোড়া গোলে ইস্টবেঙ্গল স্বপ্নের জয় ছিনিয়ে নিল ইস্টবেঙ্গল। ফিরতি লীগে নেরোকা এফ সিকে ২-১ পরাজিত করে লিগ জয়ের স্বপ্ন দেখতে শুরু করল।    ম্যাচ শুরুর তিন মিনিটের মধ্যেই নেরোকাকে এগিয়ে দিয়েছিলেন চেঞ্চো। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল নেরোকা। তখনও খেলা ঠিকমত ধরতে পারেননি ইস্টবেঙ্গল। সেই সুযোগেই গোলে করে যায় নেরোকা। কাটসুমির সেন্টার লাল হলুদ গোলরক্ষক রক্ষিত ডাগারের হাত থেকে বেরিয়ে এলে তা লালরিনডিকা রালতে বিপদমুক্ত করার বদলে চেঞ্চোকে বাড়িয়ে দেন চেঞ্চো ভুল করেন নি  নতুন দলের হয়ে অভিষেকেই গোল পেলেন তিনি। তবে সেই ভুলকে পেছনে ফেলে দ্রুত মাঝমাঠের দখল নিয়ে সমতায় ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু গোলমুখে জোবি জাস্টিন ও জাইমে স্যান্টোস কোলাডোর সহজ সুযোগ নষ্ট লালহলুদ ব্রিগেডকে সমতায় ফিরতে দেয়নি। আক্রমণের চাপ সামলাতে একটা সময় পুরো নেরোকার  ডিফেন্সে নেমে আসে। ০-১ গোলে পিছিয়ে থেকেই দ্বিতীয়ার্ধে  ইস্টবেঙ্গল আক্রমণে গতি বাড়াতে থাকে।  ৫৮ মিনিটে অ্যান্তনিও দোভালকে তুলে এনরিক এসকুয়েদাকে নিয়ে আসেন কোচ। তার পরই ঘুরে যায় খেলা। কেন এতক্ষণ তাঁকে বেঞ্চে বসিয়ে রেখেছিলেন কোচ সেটাই এখন প্রশ্ন। ৬৭ মিনিটে গোলের মুখ খোলেন এনরিক এসকুয়েদা। স্যান্টোস কোলাডোর ক্রস ধরে বক্সের মধ্যে থেকেই এসকুয়েদার ক্লিনিক্যাল হেডারে সমতায় ফেরান ইস্টবেঙ্গলকে।  ন'মিনিটের মধ্যে আবারও গোল। এ বারও  সেই এসকুয়েদাই। ব্রেন্ডনের থেকে বল পান সামাদ বক্সের ঠিক ডানদিকে। আর সেখান থেকেই সামাদের মাপা ক্রসে  এসকুয়েদারের  মাপা হেড।  এবং গোল । সেখানেই শেষ হয়ে যায় ম্যাচ। তখনও নির্ধারিত সময়ের খেলা বাকি চার মিনিট। কিন্তু নেরোকা আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি। এগিয়ে গিয়েও তাই খালি হাতে ফিরতে হল তাদের। কোলাডো ও  এনরিকের যুগলবন্দীতে জয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখল লাল হলুদ শিবির

  • ১৫ বছর পর লিগের জোড়া কলকাতা ডার্বি লাল-হলুদের।ফিরতি পর্বেও ২-০ তে জয় ইস্টবেঙ্গলের

    রবিবার (২৭ জানুয়ারি), ২০১৮-১৯-র আই লিগের ফিরতি ডার্বিতেও জিতল  ইস্টবেঙ্গল! এদিন গোল করে ও করিয়ে ম্যাচের নায়ক জবি জাস্টিন। বিগত ২০০৩-০৪ এ  জাতীয় লিগে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে দুই পর্বেই  জয় পেয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। মোহনবাগানের বিরুদ্ধে লাল-হলুদকে এদিন জোড়া গোলে জয় এনে দিলেন জবি জাস্টিন ও কোলাডো।  প্রথম লেগে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ৩-২ গোলে জিতেছিল  লাল হলুদ ব্রিগেড । কোচ বদল করলেও মোহনবাগানের ভাগ্য পরিবর্তন হল না। শঙ্করলালের পরিবর্তে খালিদ জামিলকে নিয়ে এলেও   অবস্থার  বদল হল না।  দ্বিতীয় লেগে ফলাফল হল ২-০ ফলে, ১৫ বছর পর লিগের জোড়া কলকাতা ডার্বির রঙই হল লাল-হলুদ। ওয়ার্ম আপের সময় চোট পেয়ে ডার্বি থেকে ছিটকে গেলেন ইউতা। তাঁর পরিবর্তে দলে  এলেন হেনরি কিসেককা, ডার্বি শুরু হল , খেলার ৫ মিনিটের মাথায়  ইস্টবেঙ্গলের প্রথম আক্রমণ, ডানদিক থেকে টনি ডোভালের ক্রস থেকে কিম কিমার হেড বাইরে,৭  মিনিটে  ডানমাওয়াইয়ার নিচু ক্রসে পা ঠেকাতে ব্যর্থ। ফিরতি বলে ডানমাওয়াইয়ার শট সহজেই শিল্টনের নাগালে। ১৪ মিনিটে কর্নার পেল মোহনবাগান । সনি নর্দির পাস থেকে কিংসলের ট্যাপ ইন বাইরে,তারপর  মোহনবাগানের ওমরকে হলুদ কার্ড দেলহানো হল। ২৬ মিনিট বাঁদিক থেকে সনি নর্দির ক্রস। বক্সের মধ্যে ঠিকমতো শট নিতে পারলেন না ডিকা ,৩০ মিনিটে গোলের কাছ থেকে শট সনি নর্দির। ব্লক করলেন চুলোভা । ৩৫ মিনিটে  জবি জাস্টিনের পাস থেকে গোল কোলাডোর। ইস্টবেঙ্গল ১-০ তে এগিয়ে গেল । ২ মিনিট অতিরিক্ত সময় খেলা হলেও  প্রথমার্ধের শেষে  ১-০ গোল  এগিয়ে ইস্টবেঙ্গল দ্বিতীয়ার্ধের খেলার শুরুতেই ,ইস্টবেঙ্গলের চুলোভাকে হলুদ কার্ড দেখানো হল ,৫১ মিনিটে বক্সের মধ্যে ডিকার ঘাড় চেপে ধরলেন স্যান্টোস। কোনও কার্ড দেখাননি রেফারি। লালকার্ড দেখতে পারতেন স্যান্টোস।  পিন্টু মাহাতর পরিবর্তে মাঠে এলেন শেখ ফৈয়াজ,৫৩ মিনিটে অফসাইডের জন্য গোলবাতিল মোহনবাগানের। সনি নর্দির কর্নার থেকে কিংসলে হেড দেন। তা পড়ে ড্যারেনের পায়ে। গোলে বল জড়ালেও তা বাতিল করা হয়। ঘন ঘন  আক্রমণে মোহনবাগান। এরপর  ইস্টবেঙ্গলের   লালডানমাউইয়ারের পরিবর্তে মাঠে এলেন ব্র্যান্ডন। ৬৫ মিনিটে সুযোগ হাতছাড়া জবি জাস্টিনের। তাঁর শট ক্রসবারের উপর দিয়ে বাইরে গেল । ৬৯ মিনিটে  জবি জাস্টিনের শট আটকাতে  গিয়ে চোট পেলেন কিংসলে। ৭৬ মিনিটে আবার গোল এবার  কর্নার থেকে হেডে গোল জবি জাস্টিনের। মোহনবাগান ০-২ ইস্টবেঙ্গল। ৮৩ মিনিটে  চুলোভারকে বিপজ্জনক ভাবে  ধাক্কা মেরে সনি নর্দি হলুদ কার্ড দেখেন। ৮৬ মিনিটে এনরিকের শট  রুখলেন শিলটন পাল, নির্ধারিত সময়ের পরেও ৩ মিনিট অতিরিক্ত সময় দেওয়া হলেও ফল একই থাকল। পরিশেষে আজকের ডার্বিতে খারাপ রেফারিং-এর কথা উল্লেখ না করলেই নয় ।   লাইন্সম্যান অ্যান্টনি আব্রামের মোহনবাগানের গোল বাতিল নিয়ে বিতর্ক থেকেই গেল। অন্যদিকে  শিল্টন পাল হাইমেকে ফাউল করলে দেখতে পাননি রেফারি সিআর শ্রীকৃষ্ণ। কখনও হাইমে বেঁচে গিয়েছেন নিশ্চিত কার্ড দেখার হাত থেকে।            

  • অজস্র গোলের সুযোগ নষ্ট করে ভারত ২-০ তে পরাজিত সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর কাছে।

    ডেস্ক ১০ জানুয়ারীঃ আজ এশিয়ান কাপে আরব আমিরশাহির জায়েদ স্পোর্টস সিটি স্টেডিয়ামে   সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বিরুদ্ধে সমানে সমানে লড়লেন সুনীলরা। কিন্তু অসংখ্য গোলের সুযোগ তৈরি করেও নিশ্চিত গোলের সুযোগও নষ্ট করল শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলে পরাজিত হতে হল ভারতকে। শুরু থেকে  ভারত  সংযুক্ত আরব আমিরশাহীকে চাপেই রেখেছিল ভারত। গোলের কাছে গিয়ে বার কয়েক নিশ্চিত গোলের সুযোগও নষ্ট করল।  প্রথমার্ধে  ভারতীয় দল বেশী  সুযোগ পেল । সংযুক্ত আরব আমিরশাহী একটাই সুযোগ তৈরি করল আর তা থেকেই গোল তুলে নিল। ম্যাচের ৪১ মিনিটে   মাঝ মাঠে  থেকেই আল আহমেদ  বল নিয়ে  ভারতের বক্সে ঢুকে পড়েছিলেন। সন্দেশ আর আনাসের মধ্যে  ভুল বোঝাবুঝির সুযোগ নিলেন আল আহমেদ।  সেই সুযোগেই ফাকায় দাড়িয়ে থাকা খালফানকে বল বাড়িয়ে দেন আল আহমেদ। দুই ডিফেন্ডারকে টপকে ভারতের গোলে বল ঠেলেন খালফান। গোলকিপার গুরপ্রিত অসহায় ভাবে দাঁড়িয়ে থাকেন। ভারত প্রথমার্ধ শেষ করে ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকে। গোল খাওয়ার পরই সুনীল ছেত্রী গোলের  সুযোগ নষ্ট করলেন । ৪৩ মিনিটে প্রথম পোস্ট থেকে সুনীলের শট দ্বিতীয় পোস্টের কয়েক ইঞ্চি দূর দিয়ে বেরিয়ে গেল বাইরে। পুরো ম্যাচে প্রচুর গোলের সুযোগ  নষ্ট করল ভারত।   ৮৮ মিনিটে আলি আহমেদ  গোল করে ২-০ করলেন। রক্ষণের সঙ্গে সঙ্গে গুরপ্রিতকেও এ দিন বেশ দিশাহীন দেখাল। ম্যাচ শুরুর আট মিনিটের মধ্যেই অনিরুদ্ধ থাপার কর্নার থেকে সন্দেশ ঝিঙ্গানের হেড অল্পের জন্য বাইরে গেল। ১৩ মিনিটে আবার সেই থাপা-ঝিঙ্গান জুটির গোল মিস। ২৩ মিনিটে থাপার ক্রস থেকে সুনীল ছেত্রীর হেড দারুণভাবে বাঁচিয়ে দিলেন এইসা। ২৮ মিনিটে আবার নিশ্চিত মিস। আশিকের জন্য বক্সের বাইরে থেকে মাপা পাস বাড়িয়েছিলেন সুনীল ছেত্রী। গোলকিপারকে একা পেয়েও গোলে বল রাখতে পারলেন না আশিক। এ ভাবেই প্রথমার্ধে এত আক্রমণ করেও  গোলের মুখ খুলতে পারল না  উল্টে খেলার গতির বিরুদ্বে ভারত শেষ বেলায় গোল খেয়ে গেল । দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে হোলিচরন নার্জারিকে তুলে জেজেকে নামিয়েছিলেন কনস্টানটাইন। কিন্তু তাতেও লাভ হল না। নিজেদের ভুল আর ক্রসপিসের জন্যই পিছিয়ে থাকতে হল ভারতকে । ৫৩ মিনিটে জেজের মিসের পর ৫৫ মিনিটে তাঁর শট ক্রসপিসে লেগে ফিরল। যত সুযোগ নষ্ট করল ভারত তাতে আরব আমিরশাহীকে  গোলের মালা পরাতে পারতেন সুনীল ছেত্রীরা। শেষ মিনিটে যেভাবে আবার ক্রসপিসে লেগে ফিরল সন্দেশ ঝিঙ্গানের হেড তাতে বলাই যায় দিনটা ভারতের ছিল না।  এখন  শেষ ম্যাচের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে  ভারতকে।  

  • এএফসি এশিয়ান কাপের প্রথম ম্যাচে থাইল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুরন্ত জয় ভারতের,মেসিকে টপকে গেলেন সুনীল।

    ডেস্ক, ৭ জানুয়ারীঃ এএফসি এশিয়ান কাপে  দুর্দান্ত জয় দিয়ে  শুরু করল ভারত। আবুধাবির আল নাহান স্টেডিয়ামে থাইল্যান্ডকে ভারত  ৪-১ গোলে হারাল । এএফসি এশিয়ান কাপের প্রথম ম্যাচে থাইল্যান্ডের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই ম্যাচকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিলেন সুনীল। ভারতের হয়ে জোড়া গোল  তার । তারমধ্যে একটি পেনাল্টিতে। সেই পেনাল্টিটা আদায় করে নিয়েছিলেন আশিক কুরুনিয়ান।  থ্রো থেকে বল নিয়ে গোলের মধ্যে ঢুকে পড়েছিলেন তিনি। সেখান থেকেই চলতি বলে শট নেন গোল লক্ষ্য করে। কিন্তু সেই শট গোলকিপারের গায়ে লেগে থাইল্যান্ড ডিফেন্ডার বানমাথানের হাতে গিয়ে লাগে। পেনাল্টি পায় ভারত।  পেনাল্টি থেকে ঠান্ডা মাথায় ডান পায়ের শটে গোল করে ভারতকে ১-০তে এগিয়ে দিয়েছিলেন সুনীল ছেত্রী। এর সঙ্গেই আন্তর্জাতিক ম্যাচে ৬৬ গোল করে লিওনেল মেসিকে টপকে যান তিনি বর্তমানে খেলা ফুটবলার হিসেবে । তাঁর আগে রয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্ডো। যদিও  ১-০তে এগিয়ে থাকা  বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি । ৩৩ মিনিটে ফ্রি কিক থেকে গোল শোধ করে দেন থাইল্যান্ডের অধিনায়ক তিরাসিল ডাংডা। গোল ছেড়ে কিছুটা সেই সময় বেরিয়ে এসেছিলেন গুরপ্রিত সান্ধু। পিছিয়ে থেকে গোল শোধ করে প্রথমার্ধে ম্যাচের প্রাধান্য রেখে দ্রুত গতিতে খেলতে  থাকে থাইল্যান্ড।এএফসি এশিয়ান কাপের প্রথম ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষ হয়েছিল ১-১ গোলে। কিন্তু, বিরতির পর   ভারতকে অন্য রুপে পাওয়া গেল।ঝলসে উঠল ভারত।  ৪৬ মিনিটে বক্সের মাথার উপর থেকে অসাধারণ গোল সুনীলের। উদান্তার সেন্টার থেকে। এই গোল করে আন্তর্জাতিক ম্যাচে নিজের ৬৭ তম গোল করে ফেলেন তিনি। এদিন যেমন মেসিকে টপকালেন তেমনই ইতিহাস তৈরি করে ফেলতেন পারতেন সুনীল। এশিয়ান কাপের প্রথম খেলায় তার  হ্যাটট্রিক হত  দুটি সহজ সুযোগ নষ্ট না  করলে। ৬৭ মিনিটে ভারতের হয়ে ব্যবধান বাড়ান অনিরুদ্ধ থাপা। বুদ্ধিদীপ্ত গোল। বক্সের মধ্যে উদান্তার থেকে বল পেয়ে ছোট্ট একটা চিপ। বল জালে জড়িয়ে যায়। আশিক কুরিয়ানের পরিবর্ত হিসাবে মাঠে নেমে গোল করেন জেজে। বক্সের মাথা থেকে।