ক্রিকেট

  • শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে বিশ্বকাপ টেবলের শীর্ষে জায়গা করে নিল অস্ট্রেলিয়া।

    ডেস্ক, ১৫ জুনঃ শেষ পর্যন্ত  শ্রীলঙ্কা পারল না । ভালভাবে  শুরু করেও ধরে রাখতে পারল না শ্রীলঙ্কা ।  সুযোগটা কাজে লাগাতে পারল না তারা। অস্ট্রেলিয়ার  বিরুদ্ধে শ্রীলঙ্কার দুই ওপেনার যে ভাবে শুরু করেছিলেন তাতে মনে হচ্ছিল এ ভাবে চলতে থাকলে জিতেও যেতে পারে শ্রীলঙ্কা। কিন্তু দুই ওপেনারের দেখানো পথে চলতে পারলেন না দলের বাকিরা। শনিবার লন্ডনের কেনিংটন ওভালে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছি শ্রীলঙ্কা। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে রানের পাহাড় তৈরি  করে অস্ট্রেলিয়া। ৫০ ওভারে অস্ট্রেলিয়া থামে ৩৩৪-৭-এ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৪৫.৫ ওভারে ২৪৭ রানে শেষ হয়ে যায় শ্রীলঙ্কা। ৮৭ রানে জিতে টেবিলের শীর্ষে উঠে এল অস্ট্রেলিয়া। এ দিন ডেভিড ওয়ার্নার ব্যর্থ । ২৬ রানেই ফিরে যান তিনি। আর এক ওপেনার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চর  ১৩২ বলে ১৫৩ রানের ইনিংস কোনও অস্ট্রেলীয়র বিশ্বকাপে করা সর্বোচ্চ ইনিংস। এছাড়াও মিডল অর্ডারে স্টিভ স্মিথ ৫৯ বলে ৭৩ ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ২৫ বলে ঝোড়ো ৪৬ রান করে যান। সবমিলিয়ে অস্ট্রেলিয়া ৭ উইকেটে ৩৩৪ রান তোলে। শ্রীলঙ্কার হয়ে দু'টি করে উইকেট নেন ইসুরু উদানা ও ধনঞ্জয়া দে সিলভা। এক উইকেট লাসিথ মালিঙ্গার। দুটো রান আউট। রান তাড়া করতে নেমে শ্রীলঙ্কা অসাধারণ শুরু করে। দুই ওপেনার দিমুথ করুণারত্নে ও কুশল পেরেরা ঝোড়ো খেলতে শুরু করেন।  ওপেনিং জুটিতে ১১৫ রান তোলে। সেখান থেকেও একটা দল এত দ্রুত গুটিয়ে যেতে পারে সেটা দেখাল শ্রীলঙ্কার মিডল অর্ডার। ৩৬ বলে ৫২ রান করেন কুসল পেরেরা। মাত্র তিন রানের জন্য সেঞ্চুরিটা করতে পারলেন না অধিনায়ক করুনারত্নে। ১০৮ বলে ৯৭ রান করেন তিনি। তিন ও চার নম্বরে ব্যাট করতে ১৬ ও ৩০ রান করে ফিরে যান লাহিরু থিরিমানে ও কুসল মেন্ডিস। এর পর আর দাঁড়াতে পারেননি। অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস ৯, মিলিন্দা সিরিবর্দনা ৩, থিসারা পেরেরা ৭, ইসুরু উদানা ৮, লাসিথ মালিঙ্গা ১ রান করে আউট হন। শেষ নুয়ান প্রদীপ কোনও রান না করে ফিরে যেতেই খেলা শেষ। ৪৫.৫ ওভারে ২৪৭ রানে শেষ হয়ে গেল শ্রীলঙ্কা। হারতে হল ৮৭ রানে। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে চার উইকেট নেন মিচেল স্টার্ক। তিন উইকেট কেন রিচার্ড সনের। দুই উইকেট প্যাট কামিন্সের ও একটি জেসন বেহেনড্রফ। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলেনঃ  অ্যারন ফিঞ্চ (অধিনায়ক), ডেভিড ওয়ার্নার, স্টিভেন স্মিথ, উসমান খোয়াজা, শন মার্শ, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, অ্যালেক্স ক্যারি, প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক, কেন রিচার্ডসন, জেসন বেহেনড্রফ। শ্রীলঙ্কার হয়ে খেলেনঃ : দিমুথ করুনারত্নে (অধিনায়ক), কুসল পেরেরা, লাহিরু থিরিমানে, কুসল মেন্ডিস, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস, ধনঞ্জয়া ডে সিলভা, থিসারা পেরেরা, মিলিন্দা সিরিবর্দনা, ইসুরু উদানা, লাসিথ মালিঙ্গা, নুয়ান প্রদীপ।  

  • ভারতের কাছে হারের পর অস্ট্রেলিয়া আবার জয়ে ফিরল পাকিস্থানকে ৪১ রানে হারিয়ে।

    Newsbazar 24 ডেস্ক,১২ই জুনঃ ভারতের কাছে হারের পর অস্ট্রেলিয়ার কাছে আজকের  এই ম্যাচ জেতাটা খুবই জরুরী ছিল ।  প্রতিপক্ষ দল ছিল  পাকিস্তান।  বুধবার আবহাওয়া ভাল ছিল। পুরো ম্যাচই খেলা হয়েছে। এ দিন টস জিতে প্রথমে অস্ট্রেলিয়াকেই ব্যাট করতে পাঠিয়েছিল পাকিস্তান অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ । প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া ৩০৭ রান তুলে নেয় ৪৯ রানে। আরও এক ওভার খেলতে পারলে তা আরও বাড়ত। কিন্তু ৪৯ ওভারে অল-আউট হয়ে যায় ফিঞ্চের দল। যত ভাল শুরু করেছিল ততটাই খারাপ শেষ করল অস্ট্রেলিয়া, যদিও ততক্ষণে বড় রানে পৌঁছে দিয়েছে দুই ওপেনার। সেই লক্ষ্যে নেমে ৪৫.৪ ওভারে ২৬৬ রানে শেষ হয়ে যায় পাকিস্তান। ৪১ রানে পাকিস্তানকে হারিয়ে জয়ে ফিরল অস্ট্রেলিয়া। অ্যারন ফিঞ্চ ও ডেভিড ওয়ার্নার  আস্তে আস্তে খেলা  শুরু করেছিল।  উদ্দেশ্য ছিল বড় রানের ভিত গড়ে দেওয়া । অধিনায়ক ফিঞ্চ ৮৪ বলে ৮২ রানের ইনিংস খেলে আউট হন। উল্টোদিকে তখন একই ছন্দে ব্যাট করছিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। ১১১ বলে তাঁর ব্যাট থেকে আসে ১০৭ রান। এর পর আর কেউ দাঁড়াতে পারেননি অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ব্যাট হাতে। তবে দরকারও হয়নি। কিন্তু যেভাবে অস্ট্রেলিয়ার বাকি ব্যাটিং লাইন আপে ধস নামল তা টিম ম্যানেজমেন্টের কপালে ভাজ পড়ার জন্য যথেষ্ট।  দলের ৩০৭ রানের মধ্যে ১৮৯ রানই এসেছে দুই ওপেনারের ব্যাট থেকে। বাকি রান করতে ৪৯ ওভারে অল-আউট হয়ে গিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার বাকি ব্যাটসম্যানরা। স্টিভ স্মিথ ১০, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ২০, শন মার্শ ২৩, উসমান খোয়াজা ১৮, অ্যালেক্স ক্যারি ২০, নাথান কুল্টার-নাইল ২, প্যাট কামিন্স ২, মিচেল স্টার্ক ৩ রান করে আউট হয়ে যান। পাকিস্তানের হয়ে বল হাতে আবারও সফল মহম্মদ আমির। পাঁচ উইকেট নেন তিনি। দুই উইকেট শাহিন আফ্রিদির। একটি করে উইকেট নেন হাসান আলি, ওয়াহাব রিয়াজ ও মহম্মদ হাফিজ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান ওপেনার ফখর জামান কোনও রান না করেই ফিরে যান প্যাভেলিয়নে। কিন্তু হাল ছাড়েননি আর এক ওপেনার ইমাম-উল-হক। ৭৫ বলে ৫৩ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। তাঁকে সাময়িক সঙ্গ দেন বাবর আজম। ২৮ বলে ৩০ রান করে আউট হন তিনি। তাঁর পর ৪৯ বলে ৪৬ রান করেন মহম্মদ হাফিজ। শোয়েব মালিক ০, আসিফ আলি ৫, হাসান আলি ৩২ ও ওয়াহাব রিয়াজ ৪৫, মহম্মদ আমির ০ রান করে আউট হন। অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ ৪০ রান করে আউট হন। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে তিন উইকেট নেন প্যাট কামিন্স। দুই উইকেট কেন রিচার্ডসনের ও মিচেল স্টার্ক। একটি করে উইকেট নেন নাথান কুল্টার-নাইল ও অ্যারন ফিঞ্চ। আজকের ম্যাচ খেলার পর  চার ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের ৩ পয়েন্ট। এদিকে অস্ট্রেলিয়া ৪ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট পেয়েছে। পাকিস্তান: ইমাম-উল-হক, ফখর জামান, বাবর আজম, মহম্মদ হাফিজ, সরফরাজ আহমেদ (অধিনায়ক), শোয়েব মালিক, আসিফ আলি, ওয়াহাব রিয়াজ, হাসান আলি, শাহিন আফ্রিদি, মহম্মদ  আমির। অস্ট্রেলিয়া: ডেভিড ওয়ার্নার, অ্যারন ফিঞ্চ (অধিনায়ক), শন মার্শ, স্টিভেন স্মিভ, উসমান খোয়াজা, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, অ্যালেক্স ক্যারি, নাথান কুল্টার-নাইল, প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক, কেন রিচার্ডসন।    

  • ভারতের বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৯ র অভিযান শুরু দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৬ উইকেটে হারিয়ে।

    Newsbazar 24  ডেস্ক, ৫জুনঃ আজ ভারতীয় ক্রিকেট দল  বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৯  প্রথম ম্যাচ খেলতে নামল। প্রতিপক্ষ পর পর  দুই ম্যাচ হেরে যাওয়া দুর্বল দক্ষিণ আফ্রিকা । সাদম্পটনের রোজ বোলে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। শুরু থেকেই ভারতের বোলিং ছিল বিধ্বংসী। যার সামনে কোনও দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটসম্যানই বড় রান করতে পারলেন না । চাহাল বুমরাদের দাপটে ৫০ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকা থামল ২২৭-৯-এ। এরপর ম্যাচ জেতাতে মুখ্য ভুলিকা নেন রোহিত শর্মা।  দক্ষিণ আফ্রিকাকে ছয় উইকেটে হারিয়ে দিল ভারত। পর পর তিন ম্যাচে হারের মুখ দেখতে হল দক্ষিণ আফ্রিকাকে। বিশ্বকাপ অভিযান জয় দিয়েই  শুরু করলেন বিরাট কোহলিরা। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাথায় চোট পাওয়ার পর বাংলাদেশের বিরুদ্ধে খেলেননি হাশিম আমলা। কিন্তু ভারতের বিরুদ্ধে তাঁকে আবার দলে ফিরিয়ে আনা হয়। কিন্তু যশপ্রীত বুমরার বল তাঁকে ভিতটাই তৈরি করতে দেয়নি। ছয় রানে আউট হয়ে যান তিনি। আর এক ওপেনার কুইন্টন ডে কককেও ১০ রানে ফেরান সেই বুমরাই। বুমরার পর  বোলিংয়ে সফল যুজবেন্দ্র চাহাল। ৩৮ রানে ফাফ দু  প্লেসি, ২২ রানে রসি ভ্যান ডার দুসেন ও ৩১ রানে ডেভিড মিলারকে প্যাভেলিয়নে ফিরিয়ে দেন তিনি। প্রথম দু'জন বোল্ড হন এবং তৃতীয় জন চাহালের হাতেই তুলে দেন ক্যাচ।  মাঢে তিন রানে জেন-পল দুমিনিকে ফেরান কুলদীপ যাদব। এর পর দক্ষিণ আফ্রিকা ব্যাটিংয়ের হাল ধরার চেষ্টা করেন আন্দিল ফেলুকওয়াও (৩৪) ও ক্রিস মরিস (৪২)।  চাহাল তাঁর চতুথ৪ উইকেট তুলে নেন আন্দিলকে আউট করে। কিন্তু  ভুবনেশ্বর কুমার ফেরান ক্রিস মরিস ও ইমরান তাহিরকে। ৩১ রান করে অপরাজিত থাকেন কাগিসো রাবাডা। ২২৭ রানে শেষ হয় দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস। ভারতের হয়ে চারটি উইকেট নেন যুজবেন্দ্র চাহাল। দু'টি করে উইকেট ভুবনেশ্বর কুমার ও যশপ্রীত বুমরার। একটি উইকেট নেন কুলদীপ যাদব। জবাবে ব্যাট করতে নেমে  শুরুটা ভাল হয়নি ভারতের। মাত্র আট রান করে প্যাভেলিয়নে ফিরে যান শিখর ধাওয়ান। তিন নম্বরে ব্যাট করতে নামা অধিনায়ক বিরাট কোহলিও বেশিক্ষণ টিকে থাকতে  পারেননি। তিনি ১৮ রানে আউট হয়ে যান। অন্য দিকে তখন টিকে থাকার লড়াই চালাচ্ছিলেন আর এক ওপেনার রোহিত শর্মা। ২৬ রান করে প্যাভেলিয়নে ফিরে গেলে‌ন লোকেশ রাহুলও। শেষ পর্যন্ত একাই লড়লেন রোহিত। ১২৮ বলে হাঁকালেন সেঞ্চুরি। তাঁকে যোগ্য সঙ্গত এমএস ধোনির ৪৬ বলে ৩৪ রান করে আউট হলেন তিনি। ১৪৪ বলে ১২২ রান করে অপরাজিত থাকলেন রোহিত শর্মা।  দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে দু'টি উইকেট নিলেন কাগিসো রাবাডা। একটি করে উইকেট মরিস ও আন্দিলের। ভারতীয় দলঃ রোহিত শর্মা, শিখৱ ধাওয়ান, বিরাট কোহলি (অধিনায়ক), লোকেশ রাহুল, এমএস ধোনি, কেদার যাদব, হার্দিক পাণ্ড্যে, ভুবনেশ্বর কুমার, কুলদীপ যাদব, যুজবেন্দ্র চাহাল, যশপ্রীত বুমরা। দক্ষিন আফ্রিকাঃ  কুইন্টন ডে কক, হাশিম আমলা, ফাফ দু প্লেসি (অধিনায়ক), রসি ভ্যান ডার দুসেন, ডেভিড মিলার, জেন-পল দুমিনি, আন্দিল ফেলুকওয়াও, ক্রিস মরিস, কাগিসো রাবাডা, ইমরান তাহির, তাবারেজ শামসি।  

  • পাকিস্তানের দুরন্ত কাম ব্যাক বিশ্বকাপের দ্বিতীয় ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ১৪ রানে হারিয়ে দিল

    Newsbazar 24 ডেস্ক, ৩রা জুনঃ পাকিস্তান দুরন্ত ভাবে ঘুরে দাড়াল। প্রথম ম্যাচে যে দল ক্যারিবিয়ানদের কাছে  পর্যুদস্ত হয়ে কোনও রকমে ১০০ রান পার করেছিল তারাই বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৯-র   দ্বিতীয় ম্যাচে টুর্নামেন্টের এক নম্বর ফেভারিট দলের বিরুদ্ধে ৩৪৮ রানের বিরাট ইনিংস খেলে বসল। যে পাকিস্তান দলকে নিয়ে  নিজ দেশে সমালোচনার ঝড় উঠেছিল , প্রাক্তনরা যখন তাদের ছেড়ে কথা বলছেন না ঠিক সেই সময়  মাঠে নেমে উপযুক্ত  জবাব  দিয়ে  ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দারুন জয় তুলে নিল সহজেই।  যদিও লড়াইটা সহজ ছিল না  ইংল্যান্ডও  সমানে লড়াই করে গেল । কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই লড়াই কাজে লাগেনি। হাতছাড়া হতে হতে আবার ম্যাচে ফিরল পাকিস্তান। ইংল্যান্ডের জোড়া সেঞ্চুরি কোন কাজে লাগল না ।  ইংল্যান্ডের জিততে শেষ ওভারে দরকার ছিল ২৫ রান। হাতে ছিল দুই উইকেট। কিন্তু ৫০ ওভারে ৩৪৮ রানই তুলতে পারল ইংল্যান্ড। ১৪ রানে ম্যাচ জিতে নিল পাকিস্তান। ট্রেন্ট ব্রিজে টস জিতে প্রথমে পাকিস্তানকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন ইয়ন মর্গ্যান। শুরু থেকেই ধিরে চল নীতি নিয়ে ব্যাট করতে শুরু করেছিলেন দুই ওপেনার ইমাম-উল-হক ও ফখর জামান। যাঁর ফলে তাঁদের ব্যাট থেকে এল ৪৪ ও ৩৬ রানের ইনিংস। দুই ওপেনার ফিরতেই পাকিস্তান ইনিংসের হাল ধরেন তিন ও চার নম্বরে খেলতে নামা বাবর আজম ও মহম্মদ হাফিজ। বাবর আউট হলেন ৬৩ রানে। হাফিজ  ৬২ বলে ৮৪ রান করেন । দুই ওপেনার ভিতটা তৈরি করে দেওয়ায় পরের ব্যাটসম্যানরা সেই মঞ্চে বড় রানের লক্ষ্যে বড় শট খেলতে পেরেছেন। পাঁচ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদও ৪৪ বলে ৫৫ রানের ই‌নিংস খেললেন। যাঁর ফিটনেস নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল প্রথম ম্যাচের পর থেকে। প্রথম পাঁচ ব্যাটসম্যানের ব্যাট থেকেই যখন রান আসে তখন বড় রান নিশ্চিত হয়ে যায়। এর আর কেউ বড় রান না পেলেও ৩০০ রানের গণ্ডি পেরিয়ে যেতে কোনও অসুবিধেই হয়নি পাকিস্তানের। ৫০ ওভারে পাকিস্তান থামে ৩৪৮-৮-এ। ইংল্যান্ডের হয়ে তিনটি করে উইকেট নেন ক্রিস ওকস ও মইন আলি। দুই উইকেট নেন মার্ক উড। ৩৪৯ রানের বিরাট রানের বোঝা নিয়ে  নেমে শুরুটা ভাল হয়নি ইংলন্ডের। জেসন রয় তৃতীয়  ওভারেই মাত্র আট রান করে ফিরে যা‌ন। আর এক ওপেনার জনি বেয়ারস্টো ৩২ রান করেন। কিন্তু তিন নম্বরে নামা জো রুট পাকিস্তানের জয় যতটা সহজ হবে মনে করা হচ্ছিল সেই ধারনাটা পাল্টে দেনন। ১০৪ বলে ১০৭ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। ১০টি বাউন্ডারি ও একটি ওভার বাউন্ডারি হাঁকান। ইয়ন মর্গ্যান নয় ও বেন স্টোকস ১৩ রান করে আউট হওয়ার পর জো রুটের সঙ্গে ইংল্যান্ড ব্যাটিংয়ের হাল ধরেন জোস বাটলার। ৭৬ বলে ১০৩ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন তিনি। বিশ্বকাপে প্রথম সেঞ্চুরিটিও নিজের নামে লিখে নিলেন বাটলার। যে ভাবে পাকিস্তানের ব্যাটিং ম্যাচে ফিরল সেভাবে বোলিং পারল না। যে কারনে জোড়া সেঞ্চুরি তুলে নিল ইংল্যান্ড। এবং সহজ ম্যাচ কঠিন করে জিতল পাকিস্তান। শেষ বেলায় কিছুটা ছন্দে ফিরল পাকিস্তান বোলিং। তিন উইকেট নিলেন ওয়াহাব রিয়াজ। দুটো করে উইকেট শাদাব খান ও মহম্মদ আমিরের। একটি করে উইকেট মহম্মদ হাফিজ ও শোয়েব মালিকের। পাকিস্তান দল : ফখর জামান, ইমাম-উল-হক, বাবর আজম, মহম্মদ হাফিজ, সরফরা আহমেদ, শোয়েব মালিক, আসিফ আলি, শাদাব খান, হাসান আলি, ওয়াহাব রিয়াজ, মহম্মদ আমির। ইংল্যান্ড দল : জেসন রয়, জনি বেয়ারস্টো, জো রুট, ইয়ন মর্গ্যান, বেন স্টোকস, জোস বাটলার, মইন আলি, ক্রিস ওকস, জোফরা আর্চার, আদিল রশিদ, মার্ক উড।

  • বাংলাদেশ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে শক্তিশালী দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২১রানে পরাজিত করল।

    ডেস্ক, ২ জুনঃ বিশ্বকাপের  দ্বিতীয়  ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা যে এইভাবে বাংলাদেশের কাছে আত্মসমর্পণ করবে তা বিশ্বের ক্রিকেট প্রেমীরাও আশা করেন নি। প্রত্থম ম্যাচে  ইংল্যান্ডের কাছে ১০৪ রনে হারের পর বাংলাদেশের মতো দুর্বল দলের বিরুদ্ধেও হারের মুখ দেখতে হল দক্ষিণ আফ্রিকাকে। মনে হয় তারা বাংলাদেশকে অতটা গুরুত্ব দেয় নি। তবে বাংলাদেশও যে কম যায় না তা তারা আরও একবার প্রমান করে দিল। রবিবার লন্ডনের কেনিংটন ওভালে টস জিতে বাংলাদেশকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রথমে ব্যাট করে রানের পাহাড় গড়ল বাংলাদেশ। ৫০ ওভার শেষে বাংলাদেশের রান  ৩৩০-৬। যা তাড়া করেও ধরতে পারলনা দক্ষিণ আফ্রিকা । প্রথমে ব্যাট করতে নেমে তামিম ২৯ বল খেলে ১৬ রানেই আউট হয়ে যান। কিন্তু তাতে থেমে  যায়নি বাংলাদেশের ব্যাটিং। আর এক ওপেনার সৌম্য সরকার ৩০ বলে ৪২ রান করে শক্ত ভিত তৈরি করতে সাহায্য করেন। তিনি আউট হওয়ার পর বাংলাদেশ ইনিংসের হাল ধরেন শাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিম। ৮৪ বলে ৭৫ রান করে আউট হন শাকিব। ৮০ বলে ৭৮ রান করেন মুশফিকুর। এর পর মহম্মদ মিঠুন ২১ ও মোসাদ্দেক হোসেন ২৬ রান করে আউট হন৪৬ রান করে অপরাজিত থাকেন মাহমুদুল্লাহ। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে দুটো করে উইকেট নেন আন্দাইল, ক্রিস মরিস  ইমরান তাহির। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা খারাপ করেনি দক্ষিণ আফ্রিকা। কুইন্টন ডে কক ২৩ রান করে আউট হয়ে গেলেও আর এক ওপেনার আইদেন মারক্রাম ৫৬ বলে ৪৫ ও ফাফ দু প্লেসি ৫৩ বলে ৬২ রান করে ভিতটা গড়ে দেন। কিন্তু লক্ষ্যটা অনেকটাই বেশি ছিল। যেখানে পৌঁছতে উইকেট ধরে রাখাটা জরুরী ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য। তা পারেনি তারা। ডেভিড মিলার ৩৮, রসি ভ্যান ডার দুসেন ৪১ ও জিন-পল দুমিনি ৪৫ রান করে আউট হন।  ৩৩১ রানের লক্ষ্যে পৌঁছতে  এই রান যথেষ্ট ছিল না। যদিও ৩০০ রানের গণ্ডি পেরিয়ে গিয়েছিলদক্ষিণ আফ্রিকা। কিন্তু ৫০ ওভারেরর শেষে আট উইকেট হারিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে থামতে হল ৩০৯ রানে। বাংলাদেশের হয়ে তিন উইকেট নিলেন মুস্তাফিজুর রহমান, দুই উইককেট মহম্মদ সইফুদ্দিনের। একটি করে উইকেট মেহদি হাসান ও শাকিব আল হাসানের। বাংলাদেশঃ : তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, শাকিব-আল-হাসান, মুশফিকুর রহিম, মহম্মদ মিঠুন, মাহমুদুল্লাহ, মোসাদ্দেক হোসেন, মহম্মদ সইফুদ্দিন, মেহেদি হাসান, মাশরাফে মোতার্জা, মুস্তাফিজুর রহমান. দক্ষিণ আফ্রিকা:  কুইন্টন ডে কক, আইদেন মারক্রাম, ফাফ দু প্লেসি,  রসি ভান দার দুসেন, জিন-পল দুমিনি, ডেভিড মিলার, আন্দিল ফেলুকওয়াও ক্রিস মরি, কাগিইসো রাবাডা, লুঙ্গি এনগিদি, ইমরান তাহির।

  • ২০১৯র ক্রিকেট বিশ্বকাপে সহজ জয় পেল অস্ট্রেলিয়া আফগানিস্তানকে হারিয়ে।

    ডেস্ক, ২ জুনঃ বিশ্বকাপ  ক্রিকেট ২০১৯র অন্যতম ফেভারিট অস্ট্রেলিয়া  প্রথম ম্যাচে  দুর্বল প্রতিপক্ষ আফগানিস্তানকে  সহজেই হারিয়ে দিল। শনিবার ব্রিস্টলের কাউন্টি গ্রাউন্ডে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় আফগানিস্তান। প্রথমে ব্যাট করে শুরুটা মোটেও ভাল হয়নি  আফগানিস্তানের । দুই ওপেনার মহম্মদ শাহজাদ ও হজরতুল্লা কোনও রান না করেই ফিরে যান প্যাভেলিয়নে। তিইন নম্বরে ব্যাট করতে নামা রহমতুল্লা শা এর পর কিছুটা হাল ধরেন আফগানিস্তান ব্যাটিংয়ের। ৬০ বলে ৪৩ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। হাশমতুল্লা শাহীদি ১৮ রান করে আউট হন। সাত রানে ফেরেন মহম্মদ নবি। এর পরও আফগানিস্তানের আশা জিইয়ে রাখেন গুলবাদিন নায়েব ও নাজিবুল্লা জার্দান। অধিনায়ক গুলবাদিন ৩৩ বলে ৩১ রান করেন। তাঁকে দারুন সঙ্গ দিয়ে আফগানিস্তানের ইনিংসকে ৪৯ বলে ৫১ রান করেন এগিয়ে নিয়ে যান নাজিবুল্লা। রশিদ ২৭ রান করে  আউট হন।  দওলত ৪, মুজিব উর রহমান ১৩ রান করে আউট হন। ৩৮.২ ওভারে ২০৭ রান করে অল-আউট হয়ে যায় আফগানিস্তান। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে তিনটি করে উইকেট নেন প্যাট কামিন্স ও অ্যাডাম জাম্পা। দুই উইককেট নেন মার্কাস স্তইনিস। একটি উইকেট মিচেল স্টার্কের। বোলিংয়ের পর ব্যাট হাতে দারুন পারফর্মেন্স দিয়ে ম্যাচ জিতে নেয় অস্ট্রেলিয়া। তিন উইকেটের বিনিময়ে ৩৪.৫ ওভারে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় গতবারের চ্যাম্পিয়নরা। দুই ওপেনার অ্যারন ফিঞ্চ ৪৯ বলে ৬৬ ও ডেভিড ওয়ার্না ১১৪ বলে ৮৯ রানের ইনিংস খেলেন। ওয়ার্নারের খেলা নিয়ে আগের দিন পর্যন্ত সংশয় ছিল। কিন্তু চোট সারিয়ে ফিরে দুরন্ত ব্যাটিং করে অপরাজিত থাকলেন । উসমান খোয়াজা ১৫ ও স্টিভ স্মিথ ১৮ রান করে আউট হলেন। যদিও তার প্রভাব পড়ল না অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে। কারন জয়ের রাস্তাটা তৈরি করে দিয়েছিলেন দুই ওপেনার। আফগানিস্তানের হয়ে তিনটি উইকেট নেন মুজিব উর রহমান, গুলবাদিন নায়েব ও রশিদ খান। অস্ট্রেলিয়াঃ অ্যারন ফিঞ্চ (অধিনায়ক), ডেভিড ওয়ার্নার, উসমান খোয়াজা, স্টিভেন স্মিথ, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, মার্কাস স্তইনিস, অ্যালেক্স ক্যারি, নাথান কুল্টার-নাইল, প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক, অ্যাডাম জাম্পা। আফগানিস্তান: মহম্মদ শাহজাদ, হজরতুল্লা জাজাই, রহমত শা, হশমতুল্লা শাহীদি, নাজিবুল্লা জার্দান, মহম্মদ নবি, গুলবাদিন নায়েব (অধিনায়ক), রশিদ খান, দওলত জার্দান, মুজিব উর রহমান, হামিদ হাসান।

  • বিশ্বকাপ ক্রিকেট২০১৯-এ আজকের প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ড ১০ উইকেটে হারল শ্রীলঙ্কাকে

    ডেস্ক, ১ জুনঃ আজ বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৯-এর প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কা মুখোমুখি হয়েছিল নিউজিল্যান্ডের ।  খুব সহজেই  প্রথম ম্যাচ জিতে নিল নিউজিল্যান্ড। ১০ উইকেটে হারল শ্রীলঙ্কা। শনিবার কার্ডিফের সোফিয়া গার্ডেনে টস জিতে শ্রীলঙ্কাকেই প্রথমে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন কিউই অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলেই প্যাভেলিয়নে ফিরে যান দিমুথ লাহিরু থিরিমানে। ম্যাট হেনরির বলে চার রান করে এলবিডব্লু হয়ে যান তিনি। এর পর অধিনায়কোচিত লড়াই চালান দিমুথ করুনারত্নে। ৮৪ বলে ৫২ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। তাঁকে সাময়িক সাহায্য করেন তিন নম্বরে নামা কুশল পেরেরা। ২৪ বলে ২৯ রান করে আউট হয়ে যান তিনি। এর পর আর কেউই তেমনভাবে দাঁড়াতে পারেননি বড় রানের লক্ষ্যে। কুশল মেন্ডিস ০, ডে সিলভা ৪, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস ০, জীবন মেন্ডিস ১, ইসুরু উদানা ০, সুরঙ্গনা লাকমল ৭, লাসিথ মালিঙ্গা১ রান করে আউট হন। মাঝে আট নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ২৩ বেল ২৭ রানের ইনিংস খেলেন থিসারা পেরেরা। কিন্তু বড় রান তুলতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। ২৯.২ ওভারে ১৩৬ রানেই শেষ হয়ে যায় শ্রীলঙ্কার ইনিংস। নিউজিল্যান্ডের হয়ে তিনটি করে উইকেট নেন ম্যাট হেনরি ও লকি ফার্গুসন। একটি করে উইকেট ট্রেন্ট বোল্ট, কলিন ডে গ্র্যান্ডহোম, জেমস নিশাম ও মিচেল সাঁতনারের। মাত্র ১৩৭ রানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে  ঠান্ডা মাথায় ম্যাচকে জয়ের দিকে নিয়ে যান দুই কিউই ওপেনার মার্টিন গাপ্তিল ও কলিন মুনরো। দু'জনের ব্যাট থেকেই আসে হাফ সেঞ্চুরি। মার্টিন গাপ্তিল ৫১ বলে ৭৩ ও কলিন মুনরো ৪৭ বলে ৫৮ রান করে অপরাজিত থাকার দৌলতে কোনও উইকেট না হারিয়ে ১৬.১ ওভারে জয় তুলে নেন উইলিয়ামসনরা। শ্রীলঙ্কার বোলাররা কোনও রেখাপাতই করতে পারেননি। সমস্যায় ফেলতে পারেননি প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যানদের। একতরফা ম্যাচ সহজেই জিতে বিশ্বকাপ শুরু করে দিল গতবারের রানার্সরা।     শ্রীলঙ্কা: দিমুথ থিরিমানে (অধিনায়ক), লাহিরু থিরিমানে, কুশল পেরেরা, কুশ মেন্ডিস, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস, ধনঞ্জয়া দ্য সিলভা, থিসারা পেরেরাআ, ইসুরু উদানা, জীবন মেন্ডিস, সুরঙ্গা লাকমল, লাসিথ মালিঙ্গা। নিউজিল্যান্ড : মার্টিন গাপ্তিল, কলিন মুনরো, কেন উইলিয়ামসন (অধিনায়ক), রস টেলর, টম লাথাম, জেমস নিশাম, কলিন দে গ্র্যান্ডহোম, মিচেল সাঁতনার, লকি ফার্গুসন, ম্যাট হেনরি, ট্রেন্ট বোল্ট।  

  • বিশ্বকাপ ক্রিকেটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ পাকিস্তানের,৭ উইকেটে হার ।

    Newsbazar 24, ডেস্ক, ৩১ মেঃ বিশ্বকাপ ক্রিকেটের আজকের  ম্যাচ পাকিস্তানের কাছে কঠিন হবে  তা তাদের  অতীতের পারফর্মেন্সই দেখে বোঝাই যাচ্ছিল । তবুও এ ভাবে  পাকিস্তান ওয়েস্ট ইন্ডিজের  আত্মসমর্পণ করবে তা হয়ত  কেউই ভাবেনি। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের  কাছে সাত উইকেটে পরাজিত হতে  হল পাকিস্তা‌নকে। ব্যাটে বলে সমানভাবে পরাস্ত হল পাকিস্থান  দল। ব্যাটসম্যানরা যেভাবে ব্যর্থ হল তাতে বোলারদের কিছু করারও ছিল না। শুক্রবার নটিংহ্যামের ট্রেন্ট ব্রিজে টস জিতে প্রথমে পাকিস্তানকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের অধিনায়ক  জেসন হোল্ডার । প্রথমে ব্যাট করে ২১.৪ ওভারে মাত্র ১০৫ রানই তুলতে পারে তারা। দলের হয়ে ব্যাক্তিগত সর্বোচ্চ রান ২২। দুই ওপেনার ইমাম-উল-হক ২ রান করে ফিরে যাওয়ার পর আর এক ওপেনার ফখর জামান ও তিন নম্বরে ব্যাট করতে নামা বাবর আজম কিছু লড়াই করার চেষ্টা করেন। দু'জনেরই ব্যাট থেকে আসে ২২ রান করে। এর পর আর কেউই দাঁড়াতে পারেননি। হ্যারিস সোহেল ৮, সরফরাজ আহমেদ ৮, মহম্মদ হাফিজ ১৬, ইমাদ ওয়াসিম ১, শাদাব খান ০, হাসান আলি ১ ও ওয়াহাব রিয়াজ ১৮ রান করে আউট হয়ে যান। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে ওশানে থমাস চারটি উইকেট নেন। তিনটি উইকেট জেন জেসন হোল্ডার। দু'টি উইকেট নেন আন্দ্রে রাসেল এবং এক উইকেট শেলডন কটরেলের। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ভাবতে পারেনি এত কম রানের লক্ষমাত্রা তাদের কাছে আসবে।  যদিও এই রানে পৌঁছতেই তিন উইকেট হারাতে হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। ওপেন করতে নেমেছিলেন ক্রিস গেইল ও শাই হোপ। হোপ ১১ রান করে আউট হয়ে যান। তিন নম্বরে ব্যাট করতে নামা ড্যারেন ব্র্যাভো রানের খাতাই খুলতে পারেননি। ক্রিস গেইল নিকোলাস পুরানকে নিয়ে বাকি কাজটি করে দেন। গেইল যখন আউট হন তখন ৩৪ বলে ৫০ রান করে ফেলেছেন তিনি। নিকোলাস পুরান ১৯ বলে ৩৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। পাকিস্তান সাত উইকেটে হেরে যায়। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে হারের মুখ দেখতে হলেও পাকিস্তানের জন্য স্বস্তির খবর দিলেন মহম্মদ আমির। ওয়েস্ট ইন্ডিজের তিনটি উইকেটই তুলে নিলেন তিনি। পাকিস্তান ক্রিকেট দল  : ইমাম-উল-হক, ফখৱ জামান, বাবর আজম, বাবর আজম, হ্যারিস সোহেল, মহম্মদ হাফিজ, সরফরাজ আহমেদ, ইমাদ ওয়াসিম, শাদাব খান, হাসান আলি, হাসান আলি, ওয়াহাব রিয়াজ, মহম্ম আমির। ওয়েস্ট ইন্ডিজ  ক্রিকেট দল  : ক্রিস গেইল, শাই হোপ, ড্যারেন ব্র্যাভো, শিমরন হেটমেয়ার, নিকোলাস পুরান, আন্দ্রে রাসেল, জেসন হোল্ডার, কার্লোস ব্রেথওয়েট, অ্যাশলে ব্রেথওয়েট, অ্যাশলে নার্স, শেলডন কটরেল, ওশানে থমাস।  

  • বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৯ এর উদ্বোধনী ম্যাচে অন্যতম ফেভারিট ইংল্যান্ড সহজেই ১০৪ রানে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারাল।

    ডেস্ক,৩১ মেঃ গতকাল থেকে শুরু হয়েছে ১২তম ক্রিকেট  বিশ্বকাপ ২০১৯। এবারের আয়োজক দেশ ইংল্যান্ড।  সাদামাটা উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। প্রাক্তন ক্রিকেটারদের পুনর্মিলন ছাড়া এই অনুষ্ঠান থেকে তেমন কিছু পাওয়া গেল না বলে আক্ষেপ  ক্রিকেট প্রেমীদের। রাজপ্রাসাদ বাকিংহাম প্যালেসের কাছেই একটি মলে আয়োজিত হয় ২০১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। গান-বাজনার মাঝে প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণকারী দশটি দেশের অধিনায়ক মঞ্চে উঠতেই দর্শকের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা যায়। ভারতের অধিনায়ক বিরাট কোহলির নাম ঘোষনা হতেই  অনুষ্ঠান স্থল চিৎকারে ফেটে পড়ে। ভারত তো বটেই, ইংল্যান্ডেও এত ভারতীয় সমর্থকের প্রত্যাশার চাপ যে তিনি অনুভব করছেন, তা  স্বীকার করেন  ভারতীয় দলের  অধিনায়ক। একে একে মাইক হাতে নিজেদের দলের কথা বলেন অন্যান্য দেশের অধিনায়করাও। গতকালের  উদ্বোধনী ম্যাচ ছিল আয়োজক দেশ ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে।  লন্ডনের ওভালে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার  অধিনায়ক ফাফ দু প্লেসি । সবাইকে চমকে দিয়ে প্রথম ওভারেই  তিনি বল করতে নিয়ে এলেন স্পিনার ইমরান তাহিরকে । এসেই প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলেই ওপেনার জনি বেয়ারস্টোকে প্যাভেলিয়নে ফিরিয়ে দেন শূন্য রানে। কিন্তু  ইংল্যান্ডের ব্যাটিংয়ে  এর কোনও প্রভাব  পড়েনি । আর এক ওপেনার জেসন রয় ও জো রুট ইংল্যা‌ন্ডকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দ্বায়িত্ব নেন । জেসন রয় ৫৩ বলে ৫৪ ও জো রুট ৫৯ বলে ৫১ রান করে আউট হন। এই দু'য়ের ব্যাটেই ভিত তৈরি করে ফেলেছিল ইংল্যান্ড। রুট ও রয় ফিরতেই  অধিনায়ক ইয়ন মর্গ্যান ও বেন স্টোকস দলকে আরও এগিয়ে দেন । ৬০ বলে ৫৭ রান করেন ইয়ন মর্গ্যান এবং ৭৯ বলে ৮৯ রান করেন বেন স্টোকস। চারটি হাফ সেঞ্চুরির দৌলতে ইংল্যান্ডের রান গিয়ে পৌঁছয় আট উইকেটে ৩১১তে। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে তিনটি উইকেট নেন লুঙ্গি এনগিদি। দু'টি করে উইকেট ইমরান তাহির ও কাগিসো রাবাডার। একটি উইকেট আন্দিল ফেলুকওয়াওয়ের। ৩১২ রানের লক্ষ্যে  ব্যাট করতে নেমে ওপেনার কুইন্টন ডে কক ৭৪ বলে ৬৮ রানের ইনিংস খেলেন। হাশিম আমলা চোট পেয়ে বেরিয়ে গেলেও পরে মাঠে নেমে ১৩ রান করেন। আইদেন মারক্রাম ১১, ও ফাফ দু প্লেসি ৫ রান করে আউট হয়ে যান। রাসি ভ্যান ডার দুসেন কিছুটা লড়াই করেন ।  ৬১ বলে ৫০ রান কের আউট হন তিনি। এ ছাড়া আর কেউ দাঁড়াতেই পারেননি। জিন-পল দুমিনি ৮, ডোয়েন প্রেটোরিয়াস ১, আন্দিল ২৪, রাবাডা ১১ ও ইমরান তাহির কোনও রান না করেই ফিরে যান। লুঙ্গি এনগিদি ৬ রান করে অপরাজিত থাকেন। ৩৯.৫ ওভারে ২০৭ রানশেষ হয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস। ১০৪ রানে ম্যাচ জিতে নেয় ইংল্যান্ড। ইংল্যান্ডের হয়ে তিনটি উইকেট নেন জোফরা আর্চার। দু'টি করে উইকেট নেন লিয়াম প্লাঙ্কেট ও বেন স্টোকস। একটি করে উইকেট আদিল রশিদ ও মইন আলির। প্রথম ম্যাচে দারুন শুরু করে দিল ইংল্যান্ড।  দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে খেলেছেনঃ হাশিম আমলা, কুইন্টন ডে কক, আইদেন মারক্রাম, ফাফ দু প্লেসি, রাসি ভ্যান দার দুসেন, জিন পল দুমিনি, আনদিল ফেলুকওয়াও, দোয়েন প্রিটোরিয়াস, কাগিসো রাবাজা, লুঙ্গি এনগিদি, ইমরান তাহির। ইংল্যান্ডর হয়ে খেলেছেন:  জেসন রয়, জনি বেয়ারস্টো, জো রুট, ইয়ন মর্গ্যান, বেন স্টোকস, জোস বাটলার, মইন আলি, ক্রিস ওকস, লিয়াম প্লাঙ্কেট, জোফরা আর্চার, আদিল রশিদ।

  • এ বারের বিশ্বকাপ ক্রিকেটে রেকর্ড পুরুস্কার মুল্য, মোট ১০ মিলিয়ন ডলারের পুরস্কার মূল্য

    ডেস্ক, ১৭ ই মেঃ এ বারের  বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বেশ কিছু নূতনত্ব থাকছে । এই বারই  প্রথম গ্রুপে ভাগ করে  খেলা হচ্ছে না বিশ্বকাপ। সবাইকে খেলতে হবে সব দলের বিরুদ্ধে। সেরা চার দল খেলবে সেমিফাইনালে।  এতে যেমন  সুবিধে রয়েছে তেমন কঠিনও। কিন্তু তার মধ্যেই শুক্রবার আইসিসির একটি  চমকপ্রদ ঘোষণা  করল । এ দিন পুরস্কার মূল্য ঘোষণা করেছে আইসিসি। জয়ী দল পাবে চার মিলিয়ন ডলার। মোট ১০ মিলিয়ন ডলারের পুরস্কার মূল্য দেওয়া হবে।  ৩০ মে থেকে ইংল্যান্ড ওয়েলসে শুরু হবে এ বারের বিশ্বকাপ। চলবে ৪৬ দিন।   বিশ্বকাপের ইতিইহাসে এই প্রথম ১০ দলকেই খেলতে হবে একে অপরের বিরুদ্ধে। আগামী ১৪ জুলাই লন্ডনের লর্ডসের ফাইনাল। ইংল্যান্ড ও ওয়েলস জুড়ে ১১টি ভেন্যুতে হবে খেলা। সিঙ্গল লিগ ফর্ম্যাটের সেরা চার দল ৪৫টি ম্যাচ শেষে সেমিফাইনালে পৌঁছবে। সেমিফাইনাল খেলা হবে ম্যানেচেস্টারের ওল্ডট্রাফোর্ড ও বার্মিহ্যামের এজবাস্টনে। ৯ ও ১১ জুলাই হবে দুটো সেমিফাইনাল। ১৪ জুলাই লর্ডসে হবে ফাইনাল। এর আগে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে ১৯৭৫, ১৯৭৯, ১৯৮৩ ও ১৯৯৯তে বিশ্বকাপ হয়েছে। বিশ্বকাপের ইতিহাসে সব থেকে সফল দল অস্ট্রেলিয়া। ১৯৮৭, ১৯৯৯, ২০০৩, ২০০৭ ও ২০১৫তে বিশ্বকাপ জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। ১৯৭৫ ও ১৯৭৯তে প্রথম দুটো বিশ্বকাপ জিতেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ভারত বিশ্বকাপ জেতে ১৯৮৩ ও ২০১১তে। এ ছাড়া পাকিস্তান ১৯৯২ ও শ্রীলঙ্কা ১৯৯৬-এ বিশ্বকাপ জিতেছিল।