সারা ভারত

  • আগামী ১৭ই জুন সারা ভারতবর্ষ ব্যপী চিকিৎসা বন্ধের ডাক

    ডেস্ক, ১৪ জুনঃ   আগামী সোমবার ১৭ই জুন সারা ভারতবর্ষ ব্যপী  চিকিৎসা বন্ধের ডাক দেওয়া হয়েছে অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস এর রেসিডেন্ট ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন-এর তরফ থেকে সারা দেশের চিকিৎসকদের প্রতীকী ধর্মঘটে সামিল হওয়ার ডাক দিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের চিকিৎসকদের কর্মবিরতি ও প্রতিবাদকে সমর্থন জা নিয়ে নয়াদিল্লি, মুম্বই ও হায়দরাবাদের চিকিৎসকরা একদিনের কর্মবিরতির  ডাক দিয়েছেন। ইতিমধ্যে  পশ্চিমবঙ্গের চিকিৎসকদের  প্রতি সহমর্মিতা  জানিয়ে নয়াদিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস -এর চিকিৎসকরা   হেলমেট ও ব্যান্ডেজ পরিহিত অবস্থায় রোগী দেখেন । মঙ্গলবার থেকে বাংলার চিকিৎসকরা ধর্মঘটে সামিল হয়েছেন। এক রোগীর আত্মীয়স্বজনের হাতে এক জুনিয়র চিকিৎসকের আক্রান্ত হওয়ার প্রতিবাদে তাঁরা ওই ধর্মঘটে সামিল হয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হুঁশিয়ারিকে না মেনে চিকিৎসকদের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, যতক্ষণ না তাঁরা নিরাপত্তা পাচ্ছেন, তাঁরা কাজে ফিরবেন না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসকে ওই ধর্মঘটে ইন্ধন জোগানের জন্য দায়ী করেছেন। অভিযোগ এনেছেন, তারা ‘হিন্দু-মুসলিম রাজনীতি’ করছে। এদিকে ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন-এর (IMA) তরফ থেকে তাদের সমস্ত শাখার সদস্যদের প্রতিবাদে সামিল হতে ও কালো ব্যাজ পরে পশ্চিমবঙ্গের চিকিৎসকদের প্রতি সমর্থন প্রদর্শন করতে নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি এই ধরনের হিংসা রদে কোনও কেন্দ্রীয় আইন প্রণয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর কাছেও আবেদন‌ জানিয়েছে তারা। মহারাষ্ট্র অ্যাসোসিয়েশন অফ রেসিডেন্ট ডক্টরস-ও আজ রাজ্য জুড়ে একদিনে ধর্মঘট ডেকেছে। ওই অ্যাসোসিয়েশনের এক চিকিৎসক এক বিবৃতিতে বলেন, ‘‘আমরা আজ সকাল আটটা থেকে বিকে পাঁচটা পর্যন্ত আউটডোর পরিষেবা ও পড়াসোনা বিষয়ক পরিষেবা বন্ধ রেখেছি। এমার্জেন্সি পরিষেবা বিঘ্নিত হবে না।'' হায়দরাবাদে চিকিৎসকরা নিজামস ইনস্টিটিউট অপ মেডিক্যাল সায়েন্সেস-এ একটি প্রতিবাদ সবার আয়োজন করেছেন।  

  • অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী মোদীর নয়া পরিকল্পনা:

    Newsbazar 24  ডেস্ক, ৫জুনঃ অর্থনীতির ধীর বৃদ্ধি ও বাড়তে থাকা বেকারত্ব সমাধানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী  দু'টি মন্ত্রিপরিষদ কমিটি গড়বার প্রস্তাব নিয়ে ভাবনা চিন্তা করছেন । একটি কমিটি হবে ‘বিনিয়োগ ও বৃদ্ধি সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ কমিটি'। যার মূল কাজ হবে অর্থনীতির মন্দগতির মোকাবিলা করা। পাশাপাশি কৃষি ও পরিকাঠামো ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বাড়ানো। দ্বিতীয় প্যানেলটি হবে ‘কর্মসংস্থান ও দক্ষতা সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ কমিটি'। কর্মসংস্থানের বৃদ্ধি ঘটানোই যার মূল লক্ষ্য হবে। গত শুক্রবার, দ্বিতীয় বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদীর শপথ গ্রহণের পরের দিনই সরকার ঘোষণা করে ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে ত্রৈমাসিক অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হিসেবে লাগাতার তিন নম্বর পতন। গত ১৭টি ত্রৈমাসিক হিসেবে অর্থনীতির সবথেকে ধীরগতি এবারই দেখা গেল। অঙ্কটা ৬.৬ শতাংশে নেমে এসেছে ২০১৮-এর ত্রৈমাসিক হিসেবে। ওই হিসেব থেকে পরিষ্কার হয়ে যায়, ভারত আর বিশ্বের দ্রুত অর্থনৈতিক বৃদ্ধিপ্রাপ্ত দেশ নয়। সেই জায়গায় এখন চিন। প্রথম ত্রৈমাসিক হিসেবে তাদের ৬.৪ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছে। গত দু'বছরে এই প্রথম ভারত চিনের পিছনে চলে গেল। একই সময়ে ভারতের পরিসংখ্যান মন্ত্রক জানিয়ে দিল বেকারত্বের হিসেবেও ৪৫ বছরে সব থেকে খারাপ পরিস্থিতি এবছরই। বেকারত্বের হার ২০১৭-১৮ সালে ছিল ৬.১ শতাংশ। Bottom of Form  

  • বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে প্রধান মন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রী কি বলেছেন জেনে নিন

    Newsbazar 24  ডেস্ক, ৫জুনঃ আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবস । জাতিসঙ্ঘ  ৫ জুনকে বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে। তাদের ওয়েবসাইট থেকে জানা যায় , ‘‘১৯৭৪ সালে এটা শুরু হওয়ার পরে সারা পৃথিবী জুড়ে তা উদযাপন করার একটি বিশ্বব্যাপী মঞ্চ তৈরি হয়ে গিয়েছে। একশোরও বেশি দেশ তাতে অংশ নিয়েছে।'' প্রতিটি বিশ্ব পরিবেশ দিবসের একটি থিম থাকে। যার মাধ্যমে পরিবেশ সচেতনতাকে বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়। ২০১৯-এর থিম ‘বিট এয়ার পলিউশন'। অর্থাৎ বায়ু দূষণকে রুখতে সকলকে আহ্বান জানানো হয়েছে এই থিমের মাধ্যমে। এই বৎসরে থিমের আয়োজক চিন বেছে নিয়েছে এই  বিষয়।   সেই থিমটির প্রসঙ্গে জাতিসঙ্ঘ  এই বছরে সকলের কাছে আবেদন জনিয়েছে ভেবে দেখতে কীভাবে আমরা দৈনন্দিন জীবনে পরিবর্তন করে আমাদের দ্বারাই উদ্ভুত বায়ু দূষণের মাত্রা কমাতে পারব। এবং তার ফলে বিশ্ব উষ্ণায়নকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। সেই উপ‌লক্ষে কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর  একটি নতুন প্রচার শুরু করলেন ।  চারাগাছের সঙ্গে সেলফি । জাতীয় কৃষি বাজারের  বিশেষজ্ঞ অভিনব বিল্লাইয়া  কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর একটি ছবি টুইট করেন, যাতে দেখা যাচ্ছে চারাগাছের সঙ্গে সেলফি নিতে। এছাড়াও আজ সকালে প্রাক্তন ক্রিকেটার কপিল দেব ও অভিনেতা জ্যাকি শ্রফের সঙ্গে গাছের চারা পুঁততেও দেখা যায় তাঁকে।  পাশাপাশি তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর টুইটারে শেয়ার করা একটি ভিডিও রিটুইট করেন। সেই ভিডিওয় প্রধানমন্ত্রীর উত্তরাখণ্ডের পাহাড়ে কেদারনাথ মন্দিরে যাওয়ার বিভিন্ন ক্লিপিং রয়েছে। সেই সঙ্গে রয়েছে পরিবেশ দিবস উপলক্ষে গাছের ভিডিও। মোদী ওই টুইটে লেখেন, “ আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবস ‘আমাদের গ্রহ ও পরিবেশকে আমরা ব্যাপক ভাবে উপভোগ করতে পারি। আজ  আমরা একটা পরিষ্কার গ্রহ গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতিকে পুনরাবৃত্ত করতে পারি। প্রকৃতির ঐকতানের মধ্যে বসবাস করলে আমরা একটা সুন্দর ভবিষ্যৎ পাব।'' পরপর কয়েকটি টুইটের মধ্যে দিয়ে জাভড়েকর বায়ুদূষণ নিয়ে আলোচনা করতে চেয়ে সকলের মতামত চান। জানতে চান, বায়ু দূষণ কমাতে তাঁরা কী করতে পারেন এবং বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে উত্তরোত্তর বাড়তে থাকা পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে আটকানোর ব্যাপারেই বা তাঁরা কী ভাবছেন।

  • নিউসবাজার২৪ এর পক্ষ থেকে সবাইকে অনেক অনেক ঈদের শুভেচ্ছা। "ঈদ মোবারক"

    newsbazar24: ঈদ মোবারক। সবাইকে ঈদের অনেক অনেক শুভেচ্ছা। গতকাল চাঁদ দেখা গিয়েছে তাই আজ পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর। একমাস কঠিন সাধনার পর খুশির বার্তা নিয়ে আসে ঈদ। দীর্ঘ একমাসের অতি পরিচিত সেহেরী, ইফতারের সেই অভ্যাসগুলো আগামী কাল থেকে আর থাকছে না। আবারও আমরা ফিরে যাবো আমাদের সেই দৈনন্দিন জীবন ধারাতে। ঈদকে কেন্দ্র করে আমাদের সবারই অনেক প্রস্তুতি থাকে। ঘরে ঘরে কেনাকাটা, হাতের মেহেন্দী দেওয়ার উৎসবে সবাই মেতে উঠে। মেয়েরা নিজেদের মধ্যে শেষ সময়ের কেনাকাটার গল্প নিয়ে ব্যস্ত। মার্কেটে থেকে ফেরা পথে কেউ বেশি খুশি হয়ে ফিরছেন আবার কেউ একটু কম খুশি হয়ে ফিরছেন। ঈদ আমাদের কাউকে খুশি ছাড়া একদম খালি হাতে ফেরায় না। এই সময় অন্যের আনন্দ দেখার মাঝেও নির্মল আনন্দ পাওয়া যায়। নারীর টানে হয়ত অনেকেই বাড়ি যাচ্ছেন। ফিরে যাচ্ছেন প্রিয় মুখগুলোর কাছে। প্রিয়মুখের একটু হাসির জন্য আমরা সকল কষ্টই সহ্য করতে পারি। তাই তো ঘন্টার পর ঘন্টার যানযটে আটকা পড়ে, লঞ্চের ছাদে, গাড়ীর ছাদে বিপদজনক ভাবে বাড়ি ফেরা। আসলে নারীর টানে নীড়ে ফেরার এই তাগিদের নামই জীবন। প্রিয়জনের মুখের মিষ্টি একটু হাসি তো আমাদের এই জীবনের অনুপ্রেরনা। সেই সাথে যারা অন্যদের মুখে বিশেষ করে অধিকার বঞ্চিত শিশুদের জন্য কাজ করেছেন, তাদের জন্য রইল অনেক শ্রদ্ধা। তাদের এই মহান উদ্যোগ আমাদেরকে মানুষ হিসেবে সম্মানিত করে। নিজেদের উপর আস্থা খুঁজে পাই। তাদের প্রতি রইল আমার আন্তরিক অভিবাদন ও শুভেচ্ছা।  আমারা যারা কিঞ্চিত লেখালেখি করি কিংবা উলটাপালটা লেখালেখির মাধ্যমে আমাদের আবেগের বহিঃপ্রকাশ করার চেষ্টা করি, তাদের জন্য "newsbazar24" পোর্টাল অনেকটা পরিবারের মত। প্রতিটি ব্লগার এই পরিবারের একজন অপরিহার্য্য সদস্য। পরিবারের সাথে যদি আনন্দ ভাগ না করি, যদি শুভেচ্ছা বিনিময় না করি তাহলে কোন উৎসব পূর্নতা পাবে না।দিন শেষে এটা পরিষ্কার, আমরা আসলে সবাই আসা যাওয়ার একটা চক্রেই আছি। এটা প্রাকৃতিক চক্র। এই ভাবেই সব কিছু চলবে। যাই হোক, সবার ঈদ হয়ে উঠুক নিরাপদ এবং আনন্দময়। প্রতিটা দিনই হয়ে উঠুক ঈদের দিন। আসুন আমরা স্বপ্ন দেখি এমন একটি স্বপ্নের, যে স্বপ্নে দূরে হয়ে যাবে গ্লানি, দূর হয়ে যাবে জরা, আর খুশির প্লাবনে ভরে যাবে ধরা।  (নিউসবাজার২৪ এর পক্ষ থেকে সবাইকে অনেক অনেক ঈদের শুভেচ্ছা। "ঈদ মোবারক")

  • এবারে ভারতবর্ষের লোকসভা নির্বাচনে অর্থ খরচে সর্বকালের রেকর্ড

    Newsbazar, 24, ডেস্ক, ৪ জুনঃ বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ ভারতবর্ষের সাম্প্রতিক লোকসভা নির্বাচনে যা খরচ হয়েছে  পৃথিবীর কোথাও কখনও ভোট করতে এর চেয়ে বেশি অর্থ খরচ হয়নি। দিল্লির সেন্টার ফর মিডিয়া স্টাডিজ এবারের নির্বাচনের খরচ নিয়ে  সমীক্ষা করে জানিয়েছে এবারের লোকসভা ভোটে খরচ হয়েছে প্রায় ৬০০ বিলিয়ন।ভারতীয় মুদ্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা। দেশের ৯০ কোটি ভোটারকে কাছে টানতে এই পরিমাণ টাকা খরচ করেছে ভারতবর্ষের রাজনৈতিক দলগুলি। রিপোর্ট বলছে  হিসেব অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে একজন ভোটারের কাছে পৌঁছতে খরচ হয়েছে প্রায় ৭০০ টাকার মতো। আর ১টি লোকসভা কেন্দ্রের জন্য খরচ হয়েছে প্রায় ১ বিলিয়ন অর্থাৎ ১০০ কোটি টাকা । কোনও কোনও লোকসভা কেন্দ্রে জনসংখ্যা ৩ মিলিয়নের কাছাকাছি। সেখানে খরচ আরও বেশি হয়েছে বলেই মনে করে সমীক্ষা। তবে নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে প্রতিটি লোকসভা কেন্দ্রের জন্য ৭০ লক্ষ টাকার বেশি খরচ করা যাবে না। কিন্তু এই হিসেব বলছে প্রার্থীর পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলি নির্বাচনের প্রচারে যে পরিমাণ অর্থ খরচ করেছে তার হিসেব গিয়ে দাঁড়াচ্ছে এই ৬০০ বিলিয়নে ।  ডলারের হিসেবে প্রায় ৮.৭ বিলিয়ন টাকা খরচ হয়েছে ভারতে নির্বাচনে। বছর তিনেক আগে আমেরিকার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয় তাতে খরচ হয়েছিল ৬.৫  বিলিয়ন ডলার। দিল্লির এই সংস্থার হিসেবে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে যে হারে এবারের লোকসভা নির্বাচনে খরচ হয়েছে তা যদি বজায় থাকে তাহলে ৫ বছর বাদে মানে ২০২৪ সালে আবার যখন দেশে সাধারণ নির্বাচন হবে তখন খরচের পরিমাণ এক ট্রিলিয়ন ডলারকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে। এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন দিল্লি সেন্টার ফর মিডিয়া স্টাডিজ- সিএমএস- এর চেয়ারম্যান এন ভাস্কর রাও। তিনি বলেছেন দেশের  আম জনতাকে  বুঝতে হবে সমস্ত দুর্নীতির মূল উৎস হল এই নির্বাচনী খরচ।  আমরা যতদিন না পর্যন্ত এই কথা বুঝতে পারব  ততদিন দেশে দুর্নীতি বন্ধ করা সম্ভব হবে না।

  • আজ ১৯শে জৈষ্ঠ, দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে ত্রিকালদর্শী মহাপুরুষ বাবা লোকনাথের ১২৯ তম তিরোধান দিবস

    newsbazar24:  শ্রীশ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী ১৭৩০ খ্রিষ্টাব্দে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার বারাসাতের দে গঙ্গা থানার কচুয়া (কাঁকড়া) গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা রামনারায়ণ ঘোষাল ও মা কমলা দেবী। লোকনাথ ছিলেন তাঁর মা-বাবার ছোট ছেলে। তিনি হিমালয়ে গিয়ে ৪০ বছর সাধনা করেন। তিনি আফগানিস্তানের কাবুলে আরবি ভাষা ও কোরআন শাস্ত্র শিক্ষা করে ইসলাম ধর্ম এবং এর দর্শন সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করেন।  ‘রণে, বনে, জলে, জঙ্গলে যখনই বিপদে পড়িবে আমাকে স্মরণ করিও-আমিই রক্ষা করিব’। ত্রিকালদর্শী মহাপুরুষ বাবা লোকনাথের এই ২৩ বাণীকে লালন করে ধর্মীয় আমেজে শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী  বাবার ১২৯ তম তিরোধান দিবস উদযাপন করেছে সারাদেশের হিন্দুধর্মাবলম্বীরা। এ উপলক্ষে বারদীতে আশ্রম প্রাঙ্গণে গীতাপাঠ, পূজা অর্চনা, রাজভোগ, বাল্যভোগসহ তাঁর জীবনী নিয়ে আলোচনা হয়। সকাল ঘরে ঘরে থেকে পূজা অর্চনা, গীতা পাঠ, কীর্তন, রাজভোগ, বাল্য ভোগ ও প্রসাদ বিতরনের মধ্য দিয়ে তিরোধান উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।বিভিন্ন স্থান থেকে আগত ভক্তরা বাবা লোকনাথের কৃপা লাভের আশায় মন্দিরে পূজা-অর্চনা ও প্রার্থনায় মগ্ন থাকেন।   দেশের বিভিন্ন স্থান ছাড়াও নেপাল, ভুটান থেকে লোকনাথভক্তরা তিরোধান দিবসের উৎসবে যোগ দেন। তিরোধান উৎসব উপলক্ষ্যে আশ্রমে ৫ দিন ব্যাপী ধর্মীয় অনুষ্ঠানসহ লোকজ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। কয়েক কিলোমিটার এলাকা জুড়ে দোকানীরা তাদের পসরা নিয়ে বসেছে। মেলায় বেচাকেনা অন্য বছরের তুলনায় ভালো বলে জানান বিক্রেতারা।বারদিতে অবস্থিত লোকনাথ ব্রহ্মচারীর আশ্রম কমিটির  সভাপতি রমেশ ঘোষ জানান, অন্য বারের তুলনায় এবার বারদিতে ভক্তদের উপস্থিতি অনেক বেশি। ভোর থেকেই আশ্রমে ভক্তদের ভিড় বাড়তে থাকে। লোকজনদের ভিড় সামাল দিতে বেশ হিমশিম খেতে হচ্ছে। তিনি আরও জানান, লোকনাথ ভক্তদের জন্য আশ্রমের ভেতরে অবস্থিত কয়েকটি তীর্থ নিবাসে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বারদীর লোকনাথ আশ্রম এখন শুধুমাত্র হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের তীর্থ স্থানই নয়, বরং ধর্ম-বর্ণ-জাতি নির্বিশেষে সকল ধর্মের, সকল মানুষের কাছে এক মিলন মেলা হিসেবে পরিচিত। তিনি জীবনের শেষ ২৬ বছর বারদীতে কাটান। অবশেষে তিনি ১৯শে জৈষ্ঠ ১২৯৭ বঙ্গাব্দ বা ইংরেজী ১৮৯০ খ্রীষ্টাব্দে রবিবার বেলা ১১.৪৫ মিনিটে দেহত্যাগ করেন। অলৌকিক শক্তির অধিকারী এই মহামানব ১৬০ বছর বেঁচে ছিলেন।  সোমবার হল মহাদেবের আরাধনা করার দিন ৷ তার উপর আজ লোকনাথ বাবার তিরোধান দিবস,লোকনাথ বাবা নাকি শিবকল্প ৷ তাঁর রয়েছে অসীম ক্ষমতা ৷ তাই এই দিনে বিশেষ কিছু কাজ করতে নিষেধ করা হয় ৷ এই দিনটিতে কিছু কিছু বিষয় করা মারাত্মক হয়ে উঠতে পারে ৷ সেই কারণে সেই সমস্ত কাজ থেকে বিরত থাকুন- ১) এদিন সাপ নিধন করবেন না ৷ এতে আপনার জীবনে অমঙ্গল নেমে আসতে পারে ৷    ২) যদি আপনি সোমবার মহাদেবের পুজো করেন, তবে বলে রাখা ভাল-উপোস করে পুজো করা হয় মহাদেবের ৷ তবে পুজো সমাপ্তির আগেই উপবাস ভঙ্গ করবেন না ৷ ৩) যতই সপ্তাহের শুরুর দিন হোক না কেন এদিন দাঁড়ি না কামানোই মঙ্গল । ৪)আমিষ আহার গ্রহণ করবেন না ৷ নিরামিষ ভোজন করুন ৷ 

  • জানেন কি নতুন সব আপডেট নিয়ে আসছে পাবজি ?

    newsbazar24: সকল পাবজি-প্রেমীদের জন্য সুসংবাদ। শনিবারই বাজারে এল পাবজি-র নতুন আপডেটেড ভার্সন (০.১৩.০), যা এই জনপ্রিয় গেমটিতে নিয়ে আসতে চলেছে বেশ কিছু আকর্ষণীয় ফিচার। সেখানে আপডেট সম্পর্কিত তথ্যের পাশাপাশি এটাও বলা হয়েছিল যে, এই নতুন ভার্সনটি শুধুমাত্র বিটা ভার্সন ব্যবহারকারীদের জন্য। কিন্তু এই ফাইনাল আপডেটটির মধ্যেও বেশ কিছু পরিবর্তন  করা হবে। জেনে নিন সেই নতুন ফিচারগুলি সম্পর্কে। বাইজন গান : নতুন ভার্সনটিতে বাইজন নামের একটি নতুন বন্দুক যুক্ত হওয়ার কথাও জানা যাচ্ছে, যেটি ইতিমধ্যেই পাবজি পিসি-তে সহজলভ্য। এটি একটি রাশিয়ান সাবমেশিন গান এবং এরাঙ্গেল ও ভিকেন্ডি ম্যাপে এটির সীমাবদ্ধতা নেই। যদিও এখনও পর্যন্ত এটি আসবে কি না তা সম্পূর্ণ ভাবে নিশ্চিত নয়। ডেথম্যাচ মোডের সঙ্গে গডজিলা ইভেন্ট: পাবজি মোবাইল সম্প্রতি আসন্ন সিনেমা ‘গডজিলা ২: দ্য মনস্টার’-এর সঙ্গে পার্টনারশিপেএকটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। নতুন আপডেটটি ক্রসওভারের অংশ হিসাবে একটি বিশেষ ইভেন্ট আনবে বলে মনে করা হচ্ছে। যার মধ্যে একটি নতুন লোডিং স্ক্রিন, নতুন অবতার এবং অবতার ফ্রেম আর টিম ডেথম্যাচ নামে একটি নতুন ইভেন্ট মোড রয়েছে। নতুন মোডটিতে যে দু’টি টিমের মধ্যে খেলা হবে, তাঁদের মধ্যে আনলিমিটেড রেসপন্স থাকবে। দুটো বিরোধী টিমের লড়াইয়ের মধ্যে যে সবচেয়ে বেশি শত্রুপক্ষকে  মারতে পারবে, সেই টিম জয়ী হবে। সেটা ৯-১০ মিনিটের ম্যাচ হলেও হতে পারে।  এ ছাড়াও একটি বিশেষ ইস্টার ডিম রয়েছে, যেখানে আপনি জলের চারপাশে লুকিয়ে গডজিলাকে দেখতে পাবেন। যখন আপনি এরাঙ্গেল-এ যাবেন আপনি মানচিত্রে দৈত্যের পায়ের ছাপগুলো দেখতে পাবেন। কার৯৮কে ল্যাব স্কিন : টেরর ফ্যাং কার৯৮কে বেশ আকর্ষণীয়, যার সঙ্গে গান ল্যাব দেওয়া হবে। এ ছাড়াও আপনি ক্রেটস এবং রিওয়ার্ডস থেকে বেশ কিছু নতুন উপকরণ সংগ্রহ করতে পারবেন। এম৪১৬, এম১৬এ৪ এবং ইউজেডআই-এর পরেই এই কার৯৮কে পঞ্চম বন্দুক হবে যা গান ল্যাবে কাস্টমাইজ করা যাবে। সারভাইভ টিল ডন আপডেট : আপনারা জম্বি মোডে নতুন আপডেটের আশা করছিলেন এবং প্রকাশিত প্যাচ নোট অনুযায়ী, টায়ারেন্ট, জি, লেকার এবং জম্বি কপ, সারভাইভ টিল ডন-এ সরানো হবে এবং নতুন জম্বির সঙ্গে প্রতিস্থাপিত হবে। তরল নাইট্রোজেন খনি থেকে হিমায়িত কুয়াশা এখন আরও স্থায়ী হবে এবং যে সমস্ত ইউনিটগুলি অতিক্রম করে তা কম গতিতে চলে যাবে। এ ছাড়াও স্কিনার এখন এমন একটি দক্ষতা ব্যবহার করবে যা কাছাকাছি খেলোয়াড়দের গতিবেগ কমাতে সাহায্য করবে। ভিকেন্ডি ম্যাপ : ভিকেন্ডির বরফঘেরা মানচিত্রটি অবশেষে বিটা থেকে বের হয়ে যাবে এবং সম্পূর্ণরূপে ডাউনলোডযোগ্য হবে। এ ছাড়াও, একটি নতুন গোপন গুহা, নতুন পডভোস্টো আনলক করা হয়েছে যা আপনাকে লেভেল ৩ লুঠের অ্যাক্সেস দেয়। পাশাপাশি বিরল বন্দুক যেমন এডব্লিউএম এবং এইউজি এ৩ ব্যবহার করা যাবে। মানচিত্রটিকে বরফের ট্র্যাকগুলি দেখানোর জন্য আপডেট করা হয়েছে, যা বেশ সুন্দর।  

  • প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বাজেট পেশ আগামী ৫ই জুলাই ।

    Newsbazar 24, ডেস্ক, ৩১ মেঃ আজ শুক্রবার কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে,৫ জুলাই বর্তমান অর্থবর্ষের বাজেট  ঘোষণা করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। নির্মলা সীতারমন ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী  এবং এক সময় জুনিয়র অর্থমন্ত্রী হিসেবে গত মোদী সরকারে কাজ করেছিলেন। এবার অরুণ জেটলির অসুস্থতার কারণে তিনি এই দায়িত্ব পেলেন। আজ  একটি তথ্য থেকে জানা যায়  জানুয়ারি-মার্চ সময়সীমায় ৫.৮ শতাংশ আর্থিক বৃদ্ধির ফলে এই প্রথম চিনের পিছনে চলে গেল ভারত। বেকারত্বের হার ২০১৭-১৮ আর্থিক বর্ষের থেকে ৬.১ শতাংশ বেড়েছে। এই সব অঙ্ক থেকে পরিষ্কার, নির্মলা সীতারামন তাঁর সর্বোচ্চ কেন্দ্রীয় দায়িত্ব পেতেই কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়লেন।  ৫৯ বছরের সীতারামন মোদীর মন্ত্রিসভার সবচেয়ে বয়স্ক মহিলা মন্ত্রী। প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর পরে দ্বিতীয় মহিলা হিসেবে তিনি এই দায়িত্ব পে‌লেন। অর্থনীতির মন্দা আটকাতে তিনি কি ব্যাবস্থা নেন সেটাই দেখার কারন  শিল্পমহল থেকে সরকারের উপরে দেওয়া চাপ অনুভব করছেন সীতারামন। নতুন সরকারের প্রথম ১০০ দিনে বড়সড় অর্থনৈতিক সংস্কারের কথা ভাবছে মোদীর দ্বিতীয় সরকার। রাজ্য সম্পত্তির ব্যক্তিগতকরণ এবং ব্যবসায়ীদের শ্রমিক ও জমি আইনে ছাড়ের কথা ভাবা হচ্ছে বলে সংবাদ সংস্থা  সূত্রে জানা গেছে । শুক্রবার নতুন সরকারের প্রথম বৈঠকে মন্ত্রিসভার পক্ষ থেকে কৃষকদের একটি প্রকল্পকে প্রসারিত করে বার্ষিক ৬,০০০ টাকা দেওয়ার কথা ঘোষনা  করেছে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী কিষান পেনশন যোজনার অধীনে কৃষক ছাড়াও ব্যবসায়ীদের আনার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। এবং  আগামি ৪ জুলাই বাজেটের আগের দিন এই অর্থবর্ষের আর্থিক সমীক্ষা প্রকাশিত হবে। প্রসঙ্গত গত ফেব্রুয়ারিতে অন্তর্বর্তী বাজেটে এপ্রিলে ভোটের ঠিক আগে মোদীর সরকার মধ্যবিত্তদের করের হার কমিয়েছিল। এখন দেখার আগামীতে আর কি অপেক্ষা করছে আমাদের জন্য .  

  • প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নতুন মন্ত্রিসভা প্রথম বৈঠকেই কৃষক ও ব্যবসায়ীদের জন্য বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করল।

    Newsbazar 24, ডেস্ক, ৩১ মেঃ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে সদ্য গঠিত নতুন মন্ত্রিসভার   প্রথম বৈঠকেই কৃষক ও ব্যবসায়ীদের জন্য বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করল। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি (‘পিএম-কিষান') প্রকল্পকে সমস্ত কৃষকদের জন্য সম্প্রসারিত করা হল। দরিদ্র  কৃষকদের তিনটি কিস্তিতে বার্ষিক ৬,০০০ টাকা করে দেওয়া হবে। এই নতুন পদক্ষেপের ফলে ১৫ কোটি কৃষক লাভবান হবেন। প্রসঙ্গত ২০১৯-২০-র অন্তর্বর্তী বাজেটে কেন্দ্র ঘোষণা করেছিল প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি (পিএম-কিষান) প্রকল্প। ১২ কোটি ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক সীমান্তে থাকা কৃষকেরা, যাঁদের কাছে সর্বোচ্চ ২ হেক্টর জমি রয়েছে তাঁরা বছরে ৬,০০০ টাকা তিনটি কিস্তিতে পাবেন। সরাসরি ব্যাঙ্ক ট্রান্সফারের মাধ্যমে ওই টাকা তাঁরা পাবেন। পিএম-কিষান প্রকল্পটি ফেব্রুয়ারি মাসে ঘোষণা করা হয়েছিল। এটি তারও আগের প্রকল্প, ১ ডিসেম্বর, ২০১৮ যার সূচনা— সরকার চেয়েছিল এই প্রকল্পকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে। গত ফেব্রুয়ারিতে প্রথম কিস্তি কৃষকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রী নরেন্দ্র সিংহ তোমার আজকের মন্ত্রীসভার বৈঠকের পরে আরও একটি প্রকল্প ঘোষণা করেন, যার নাম প্রধানমন্ত্রী কিষান পেনশন যোজনা। এই প্রকল্প একটি  স্বেচ্ছাধীন এবং অংশদানকারী পেনশনের প্রকল্প, যা থেকে সারা দেশের ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক সীমান্তে থাকা কৃষকেরা লাভবান হতে পারবেন। তিনি বলেন,‘‘কেন্দ্রীয় সরকার ওই পেনশন ফান্ডে কৃষকদের দেয় পরিমাণের সমপরিমাণ টাকা দেবে।'' তিনি আরও বলেন, ‘‘ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক জমির মালিক কৃষকদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা করার জন্য এই প্রকল্প। ৬,০০০ টাকা প্রতি বছরের হিসেবে সারা দেশের ২ হেক্টর পর্যন্ত জমির মালিক যে কৃষকরা, তাঁরা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। ১২.৫ কোটি পরিবার এই প্রকল্পের আওতাভুক্ত থাকবেন।'' পাশাপাশি মন্ত্রিসভার পক্ষ থেকে পরিষ্কার করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এই পেনশন প্রকল্পের সুবিধা  ব্যবসায়ীরাও পাবেন । তিন কোটি ব্যবসায়ী এবং দোকানদার এই প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারবেন। সংশোধিত এই প্রকল্প বাবদ ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে ৮৭, ২১৭.৫০ কোটি টাকা খরচ হবে। বিগত সরকার এই প্রকল্পে প্রাথমিক সংস্করণে বার্ষিক ৭৫,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছিল। আজকের সদ্য গঠিত নতুন মন্ত্রিসভার  এই  সিদ্ধান্তগুলি নেওয়া হয়েছে  সম্ভবত দেশের কৃষি ক্ষেত্রের সামগ্রিক হতাশাজনক পরিস্থিতি যা গ্রাম বাংলাকে গ্রাস করেছে বিগত দীর্ঘ দিন ধরে। বার্ষিক জিডিপি বৃদ্ধির পিছনে অন্যতম ফ্যাক্টর ছিল কৃষি, যা অনেক কমে গিয়েছে ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে।  সরকারি তথ্য থেকে জানা যাচ্ছে, গত অর্থবর্ষে কৃষি ক্ষেত্রের বৃদ্ধি ২.৯ শতাংশ। যেখানে তার আগের অর্থবর্ষে সেই হার ছিল ৫ শতাংশ।  বাজেটের এক মাস আগে পিএম-কিষান প্রকল্পকে আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা থেকে পরিষ্কার সরকার কৃষি ক্ষেত্রকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে। বহু অর্থনীতি বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন, গ্রামীন এলাকায় অধিক বিনিয়োগের ফলে অর্থনীতির উন্নতি হবে এবং এটাই অর্থনীতির বৃদ্ধির নিয়ন্ত্রক হয়ে উঠতে পারে।

  • এবারও বাংলা থেকে কেও পেলনা পূর্ণ মন্ত্রী , দেখে নিন কে কে এলেন মন্ত্রী সভায়

    news Bazar24 :এবারও বাংলা থেকে কেও পেলো না পূর্ণমন্ত্রী। বাংলা থেকে প্রতিমন্ত্রী হলেন বাবুল সুপ্রিয় ও দেবশ্রী চৌধুরী। পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ২৪ জন। স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী হলেন ৯ জন। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করেছেন ২৪ জন সাংসদ। পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার মন্ত্রিসভায় সামিল হলেন মোদীর সেনাপতি অমিত শাহ। গতবারের মতো এবারও মন্ত্রিসভায় থাকছেন রাজনাথ সিং, নিতিন গডকড়ী, নির্মলা সীতারমনরা। বাদ পড়লেন সুরেশ প্রভু, মানেকা গান্ধীরা। এক নজরে দেখে নিন কে কে এলেন মন্ত্রী সভায়: # পূর্ণমন্ত্রী > রাজনাথ সিং, অমিত শাহ,নিতিন গডকড়ী,সদানন্দ গৌড়া,নির্মলা,সীতারমন,রামবিলাস পাসোয়ান ,নরেন্দ্র সিং তোমর,রবিশঙ্কর প্রসাদ,হরসিমরত কৌর ,থাওয়ারচন্দ গহলৌত,এস জয়শঙ্কর,,রমেশ পোখরিয়াল ,অর্জুন মুণ্ডা,স্মৃতি ইরানি,ডঃ হর্ষবর্ধন,প্রকাশ জাভড়েকর পৌযূষ গোয়েল,ধর্মেন্দ্র প্রধান,মুখতার আব্বাস নকভি ,প্রহ্লাদ জোশী,মহেন্দ্র সিং পাণ্ডে,অরবিন্দ সাওয়ান্ত ,গিরিরাজ সিং,গজেন্দ্র সিংহ শেখাওয়াত        স্বা: দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী : সন্তোষ গঙ্গওয়ার,রাও ইন্দ্রজিত্ সিং,শ্রীপদ নায়েক ,জীতেন্দ্র সিং,কিরণ রিজিজু,প্রহ্লাদ পটেল,আরকে সিং ,হরদীপ সিং পুরী,মনসুখ মন্ডাবিয়া।                 প্রতী মন্ত্রী  ফগ্গন সিং কুলস্তে,অশ্বিনী চৌবে,অর্জুনরাম মেঘওয়াল বিকে সিং,কৃষ্ণপাল গুর্জর,দাদা সাহেব দানবে,জী কিশন রেড্ডি,পুরষোত্তম রূপালা,রামদাস আটাওয়ালে,সাধ্বী নিরঞ্জন জ্যোতি,বাবুল সুপ্রিয়,সঞ্জীব বালিয়ান,সঞ্জয় ধোত্রে ,অনুরাগ ঠাকুর,সুরেশ অঙ্গাড়ি,নিত্যানন্দ রায়,রতনলাল কাটারিয়া,বি মুরলীধরন,রেণুকা সিং,সোমপ্রকাশ,রামেশ্বর তেলি,প্রতাপচন্দ্র সারঙ্গি,কৈলাস চৌধরী,দেবশ্রী চৌধুরী