রান্না ঘর

  • আর বানাতে পারেন নানা স্বাদের সরবত।, জেনে নিন ফেলুন ড্রিঙ্ক বানানোর সহজ পদ্ধতি

    news bazar 24 : একমাত্র জল পারে সহজেই শরীরের হারানো আর্দ্রতা ফেরাতে। তার জন্য রোজের ডায়েটে থাকতে হবে মরশুমী ফল, সবজি। আর বানাতে পারেন নানা স্বাদের সরবত। যা একসঙ্গে যেমন ঝটপট পেট ভরিে দেবে আপনার তেমনি হজম হবে দ্রুত। আবার জলের ঘাটতিও মেটাবে। আজ রইল কিউই বানান মিন্ট ড্রিঙ্ক বানানোর সহজ পদ্ধতি   গরম (summer) মানেই প্রচণ্ড আর্দ্রতা, তাপ। মারাত্মক ঘাম (excessive sweating) আর তার থেকে শরীরে জলের অভাব (dehydrated)।  এই জলের অভাবেই আপনি ভুগবেন হজমের সমস্যায়। নিস্তেজ হয়ে পড়বে ত্বক, চুল। সেই জন্যেই ডাক্তারবাবু আর পুষ্টি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, গরম পড়লেই জল খান বেশি করে, কারণ, একমাত্র জল পারে সহজেই শরীরের হারানো আর্দ্রতা ফেরাতে। তার জন্য রোজের ডায়েটে থাকতে হবে মরশুমী ফল, সবজি। আর বানাতে পারেন নানা স্বাদের সরবত। যা একসঙ্গে যেমন ঝটপট পেট ভরিে দেবে আপনার তেমনি হজম হবে দ্রুত। আবার জলের ঘাটতিও মেটাবে। আজ রইল কিউই বানান মিন্ট ড্রিঙ্ক বানানোর সহজ পদ্ধতি---- একই সরবতে কিউই, কলা আর পুদিনা থাকায় এই বেভারেজটি যেমন স্বাদু তেমনি পুষ্টিগুণে ভরপুর   কিউই বানানা মিন্ট ড্রিঙ্ক -  উপকরণ -  কিউই ১টি কলা ১টি পুদিনা পাতা এক আঁটি দল আধ গ্লাস মধু আধ টেবিল চামচ বীজ (সূর্যমুখী,চিয়া, কুমড়ো, তিসি) কীভাবে বানাবেন -  প্রথম ধাপ - খোসা ছাড়িয়ে কিউই আর কলা ছোট টুকরোয় কেটে নিন। দ্বিতীয় ধাপ - পুদিনা পাতা ভালো করে ধুয়ে কুচিয়ে নিন। চাইলে, শুকোনো পুদিনা পাতাও ব্যবহার করতে পারেন। তৃতীয় ধাপ - ফল, পুদিনাপাতা আর মধু মিক্সিতে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। চতুর্থ ধাপ - বীজ গুঁড়িয়ে দিয়ে দিন ব্লেন্ডারে।. পঞ্চম ধাপ - জল দিয়ে পুরোটা ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। ষষ্ঠ ধাপ - কিছুক্ষণ ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে ওপরে বরফকুচি সাজিয়ে পরিবেশন করুন। কিউয়ের টক  আর কলার মিষ্টি স্বাদ মিলে জমিয়ে দেবে এই সরবত। প্লাস মধু দেবে বাড়তি পুষ্টিগুণ। এই সরবতের গুণেই গরম হার মানবে আপনার কাছে।

  • এই গ্রীষ্মে আমের পায়েস দিয়েই জমিয়ে দিন খাওয়ারের পাত

    newsbazar24: এই গ্রীষ্মে আমের পায়েস দিয়েই জমিয়ে দিন খাওয়ারের পাত,গরমের দিন, আর পাতে আম পড়বে না তা-ও কি হয়? কাঁচা মিঠে আম মাখা থেকে শুরু করে, আমডাল, আমের চাটনি সবই ইতিমধ্যে চেখে ফেলেছে বাঙালি। তবে বাঙালির রসনায় আমের নানা খাবার ঠাঁই করে নেবে আর মিষ্টির পদে তা ব্রাত্য হয়ে থাকবে, তেমনটা মোটেও হয় না। তাই এই গরমে নিত্যনতুন রান্নার তালিকায় রাখতেই পারেন আমের পায়েস।নানা রকম আম দিয়েই এই পায়েস বানানো যেতে পারে, তবে হিমসাগর আমের পায়েসের স্বাদ অন্য সব আমের পায়েসকেই পাল্লা দিতে পারে। সহজেই বানানো যাবে, অথচ স্বাদেও হবে মনকাড়া এমন পায়েস বানাতে চাইলে মেনে তলতে হয় কিছু নির্দিষ্ট পদ্ধতি।  উপকরণ: দুধ: দেড় লিটার,কিশমিশ: তি্‌ন , চামচঘি: ২ চামচ, হিমসাগর পাকা আম: এক-দু’টি, খোয়া ক্ষীর: ৩ টেবিল চামচ, চিনি: ৮ টেবিল চামচ, গোবিন্দভোগ চালের গুঁড়ো: ৪ চামচ, সুজি: ২ টেবিল চামচ, চেরি ফল: কয়েকটা (সাজানোর জন্য) প্রণালী: আমের খোসা ছাড়িয়ে ভাল করে চটকে পিউরি বা পেস্ট বানিয়ে নিন। ঘিয়ে ভেজে রাখুন কিশমিশ। ঢিমে আঁচে দুধ বসিয়ে ফুটিয়ে  নিন ঘন করে। এতটাই ঘন হবে যেন পরিমাণে অর্ধেকেরও কম হয়ে যায়। এ বার সুজি ভেজে নিন শুকনো করে। ওই দুধের মধ্যে ভাজা সুজি মিশিয়ে ক্রমাগত নাড়তে থাকুন। মিহি হয়ে মিশে যেতে দিন। এ বার চালের গুঁড়ো দুধের মধ্যে যোগ করুন। একই ভাবে নাড়তে থাকুন। এই মিশ্রণ আরও ঘন হয়ে এলে এতে চিনি ও খোয়া ক্ষীর মেশান। মিশ্রণটি বেশ ঘন হয়ে এলে আমের পিউরি যোগ করুন এতে। ভাল করে নাড়ুন, যত ক্ষণ না আম ভাল ভাবে দুধের সঙ্গে মিশে যায়। এ বার ঘিয়ে ভাজা কিশমিশ এই মিশ্রণের সঙ্গে মিশিয়ে নিন। মূল রান্নাটি প্রস্তুত। এ বার এই ঘন মিশ্রণ ডিপ ফ্রিজে রেখে দিন কিছু ক্ষণ। খানিক পরে বার করে উপর থেকে চেরি ফল ও পাকা আম কেটে সাজিয়ে ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করুন।

  • সন্ধ্যের খাবার মেনুতে রাখুন চিকেন সুই মাই ও চিকেন গিয়োজ়া, রেসিপি জেনে নিন

    newsbazar24:  চিকেন সুই মাই- চিকেন সুই মাই বানানোর জন্য উপকরণ: চিকেন কুচি ৪০ গ্রাম, চিনা ড্রায়েড মাশরুম একটি, গ্রাউন্ড আধ চা চামচ, জ়াওশিং ওয়াইন ১ চা চামচ, তিল আধ চা চামচ, ক্যাস্টর আধ চা চামচ, অয়েস্টার সস ১ চা চামচ, কর্নফ্লাওয়ার ১/৪ চা চামচ, নুন ১/৪ চা চামচ, ওয়ানটন শিট ৪টি। প্রণালী: নুন দিয়ে মাংস মিনিট পাঁচেক ম্যারিনেট করে রাখুন। জল দিয়ে ধুয়ে জল ঝরিয়ে নিন। মাশরুম, চিকেন, গ্রাউন্ড, তিল, জ়াওশিং ওয়াইন, ক্যাস্টর একসঙ্গে পাত্রে ভাল করে মিশিয়ে নিন। বারবার পিটিয়ে সেটার মণ্ড তৈরি করুন। এর মধ্যে অয়েস্টার সস, কর্নফ্লাওয়ার, নুন দিয়ে মেশান। ওয়ানটন শিট ছড়িয়ে এই মিশ্রণ দিন। ভাল করে ওয়ানটন শিট মুড়ে নিন। এ বার মিনিট দশেক ভাপিয়ে নিলে তৈরি চিকেন সুই মাই। দিল্লি দখলের লড়াই, লোকসভা নির্বাচন ২০১৯ চিকেন গিয়োজ়া-  চিকেন গিয়োজ়া বানানোর জন্য উপকরণ: কর্নফ্লাওয়ার ২ টেবিল চামচ, গিয়োজ়া স্কিন ২৬টি, ভেজিটেবল অয়েল ২-৩ টেবিল চামচ, স্প্রিং অনিয়ন ৪টি, আদা দেড় ইঞ্চি, রসুন কোয়া একটি, সয়া সস ২ টেবিল চামচ, অয়েস্টার সস ২ টেবিল চামচ, তিল তেল আধ টেবিল চামচ,  চিকেন কিমা ১৪০ গ্রাম। প্রণালী: স্প্রিং অনিয়ন, বাঁধাকপি, পেঁয়াজ ও রসুন কুচিয়ে নিতে হবে। এর মধ্যে সয়া সস, অয়েস্টার সস, তিল তেল, নুন দিয়ে মিশিয়ে নিন। একটি পাত্রে এই মিশ্রণ নিয়ে তার মধ্যে চিকেন কিমা মিশিয়ে নিন। হাতের তালুতে ডাম্পলিং স্কিন নিয়ে তার মধ্যে এই মিশ্রণ বেশি করে দিন। আঙুল দিয়ে ডাম্পলিং স্কিনের দু’পাশে জল লাগিয়ে ভাঁজ করতে শুরু করুন। প্লিট করে পুরোটা মুড়ে দিন। খেয়াল রাখবেন যেন পুর বেরিয়ে না যায়। একটি পাত্র গরম করে তাতে অল্প তেল দিন। একে একে গিয়োজ়া প্যানে রাখুন। একটা দিক মিনিট দুয়েক সোনালি হতে দিন। উলটে দেবেন না। দু’মিনিট পরে বেশ খানিকটা জল ছড়িয়ে দিন গিয়োজ়ার উপরে। উপরে স্টিমিং লিড দিয়ে ঢাকা দিন। মিনিট পাঁচেক রান্না হতে দিন। জলটা বাষ্পীভূত হয়ে গেলে চিকেন গিয়োজ়া নামিয়ে নিন। তারপর সাজিয়ে দিন খাবার পাতে। 

  • এই গরমের ছুটিতে বাড়িতে বানিয়ে ফেলুন মিষ্টি পোলাও

    newsbazar24: এই গরমের ছুটিতে বাড়িতে বানিয়ে ফেলুন মিষ্টি পোলাও,ছুটির দিনে বাড়িতে পঞ্চব্যঞ্জন রাঁধেন নিশ্চয়ই! কিন্ত বেশি তেল-মশলা দিয়ে রান্না খাবারে শরীর খারাপ হতে পারে। তার চেয়ে সুস্বাদু অথচ স্বাস্থ্যকর খাবার রাঁধতে পারেন।যেমন ধরুন মিষ্টি পোলাও। রাঁধতে বেশি সময় লাগে না। আবার ভারি লাগে না পেটও। শুধু ছুটির দিনেই কেন, চাইলে অতিথি আপ্যায়নও করতে পারেন এই মিষ্টি পোলাও দিয়ে। মিষ্টি পোলাও বানানোর উপকরণ:বাসমতি চাল- ৩ কেজি, জল- ১২ কাপ,কেশর- ৬-৭টি, দুধ- ২ টেবিল চামচ, ঘি- ২০০ গ্রাম, কাজু বাদাম- ১৫০ গ্রাম, কিশমিশ- ৫০ গ্রাম, গোটা গরমমশলা- ২ টেবিল চামচ, জায়ফল- এক চিমটে, জয়িত্রী- এক চিমটে, গরম মশলা গুঁড়ো- আধ চা চামচ, কেওড়া জল- কয়েক ফোঁটা, গোলাপ জল- কয়েক ফোঁটা, চিনি- ১০০ গ্রাম, নুন- স্বাদ মতো,  প্রথমে বাসমতি চাল জলে ভিজিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণ পরে চাল ভাল করে ধুয়ে জল ঝরিয়ে নিন। উষ্ণ গরম দুধে কেশর ভিজিয়ে রাখুন। এ বার কড়াইয়ে ঘি গরম করে চাল ছে়ড়ে দিন। চাল সামান্য ভাজা ভাজা হয়ে এলে একে একে বড় এলাচ, লবঙ্গ, দারুচিনি, এক চিমটে নুন ও চিনি দিন। পরিমাণ মতো জল দিয়ে ভাল করে নাড়াচাড়া করে ঢাকা দিন। ভাত ফুটে জল শুকিয়ে এলে নামিয়ে নিন। একটি কড়াইয়ে ঘি গরম করে কাজুবাদাম হালকা নেড়ে নিন। একই সঙ্গে কিশমিশ, জায়ফল, জয়িত্রী দিয়ে দিন। এ বার মশলা মাখা কাজুবাদাম, কেওড়া জল, গোলাপ জল ও গরম মশলা গুঁড়ো পোলাওয়ের মধ্যে মিশিয়ে দিন। দুধে ভিজিয়ে রাখা কেশরও পোলাওয়ের পাত্রে মিশিয়ে ঢাকা দিয়ে এক বার ভাল করে ঝাঁকিয়ে নিন। উপরে গোলাপের পাপড়ি ছড়িয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন পোলাও।

  • আপনার জন্য হাজির! সজনে ডাটার নতুন রেসেপি

    তাপসী সরকার:  এখন বাজারে সজনে ডাটা পাওয়া যাচ্ছে, তাই আপনার ব্যাগে সজনে থাকা স্বাভাবিক। চলুন শিখে নিন এক নতুন রেসিপি। সজনে ডাটার তরকারি সজনে ডাটা -৫০০গ্রাম আলু-১ টি (খোসা ছাড়ানো ও স্লাইস করে কাটা) পেঁয়াজ -মাঝারি আকারের ১ টি (বাটা) কাঁচা মরিচ-৬-৮ টি ( বাটা) জিরার গুরা- ৩/৪ চা চামচ ধনিয়া গুঁড়া - ৩/৪ চা চামচ সরিষার দানা -১ চা চামচ (বাটা) হলুদের গুঁড়া -১/২ চা চামচ লবন-৩/৪ চা চামচ অথবা আপনার স্বাদ মত তেল-১/৪ কাপ পদ্ধতি : প্রথমে পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচ বেটে নিন। সজনে ডাটার খোসা ছাড়িয়ে ৩ ইঞ্চি করে কেটে নিন। প্যানে তেল হালকা গরম করে তাতে ডাটা ও সব উপকরণ একসাথে দিয়ে একমিনিট নেড়ে তাতে এক কাপ জল দিয়ে ঢেকে দিয়ে রান্না করতে হবে যতক্ষণ পর্যন্ত পানি শুকিয়ে না যায়। এরপর তেল ভেসে না উঠা পর্যন্ত নেড়ে ভাল করে কষিয়ে নিন। আরো দেড় কাপ জল দিয়ে ৬-৭ মিনিট রান্না করুন। সাদা ভাতের সাথে পরিবেশন করুন।

  • উৎসব,অনুষ্ঠানে মিষ্টি দই বানাবেন জেনে নিন রেশিপি-

    newsbazar24: উৎসব,অনুষ্ঠান বা পুজো পার্বণ হোক,বাঙালি বাড়িতে মিষ্টি দই এক অপরিহার্য অঙ্গ। ঘন দুধের সাথে চিনি গলিয়ে সেটাকে এমনি দই-র মত গেঁজিয়ে বা বসিয়ে তৈরি করা হয় মিষ্টি দই। এই মিষ্টি দেওয়া দইটি বানানো খুবই সোজা। কিন্তু দইটা বসতে সময় লেগে যায় প্রায় ১০-১২ ঘন্টা মত। সরযুক্ত ঘন দুধকে আরও ঘন করে প্রায় শুরু থেকে অর্ধেকে পরিণত করতে হবে। তারপর তাতে মেশাতে হয় গলানো চিনি। এরপর এতে দই মিশিয়ে বসতে দেওয়া হবে ফ্রিজে। এই যে সাদা টক দই এর টক ভাব, তার সাথে গলানো চিনির মিষ্টত্ব, দুটো মিলিয়ে একটা দারুণ স্বাদ নেয় এই পদটি। যদি মনে হয় একবার বাড়িতে চেষ্টা করে দেখবেন, চিন্তার কী আছে! মিষ্টি দই-র প্রস্তুতি প্রণালী। বাঙালি মিষ্টি দই-র প্রণালী। মিষ্টি দই-র প্রস্তুতি প্রণালী। দই কী করে মিষ্ট বানাবেন। মিষ্টি ইয়োগার্টের প্রণালী। মিষ্টি দই-র প্রস্তুতি প্রণালী। বাঙালি মিষ্টি দই-র প্রণালী। মিষ্টি দই-র প্রস্তুতি প্রণালী। দই কী করে মিষ্ট বানাবেন।  দুধ - ৭৫০ মিলি চিনি - ৭ ১/২ টেবিল চামচ জল - ১/৪ কাপ টাটকা দই - ১/২ কাপ বাদাম - সাজানোর জন্য অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল ১.একটা গরম প্যানে দুধটা ঢালুন। ২.এরপর এটা ফুটিয়ে অর্ধেক করে দিন। ৩.অন্যদিকে অন্য একটা প্যানে চিনিটা দিন। ৪.হালকা আঁচে নাড়তে থাকুন। ৫.এই নাড়াচাড়া করার মধ্যে মাঝে মাঝে গ্যাসটা বন্ধ করুন, আবার চালান। যাতে চিনিটা নিচে না ধরে যায়। ৬.বারবার এরকম করতে করতে এক সময় দেখবেন চিনিটা পুরো গলে গেছে এবং একটা হালকা বাদামি রঙ ধরবে। ৭.এবার গ্যাসটা পুরো বন্ধ করে জল দিন। ৮.ভাল করে মিশিয়ে একপাশে রেখে দিন। ৯.দুধটা অর্ধেক হয়ে গেলে,এবার এতে এই চিনির শিরাপটা ঢেলে দিন। ১০.ভাল করে মিশিয়ে গ্যাস থেকে নামিয়ে নিন। ১১.ঠাণ্ডা হতে দিন। মোটামুটি উষ্ণ গরম অবস্থায় এলে দেখুন। ১২.এবার টাটকা টক দইটা এর মধ্যে দিয়ে মেশান। ১৩.পরিবেশনের জন্য কেনা ছোট মাটির মটকায় এটা এবার ঢেলে নিন। ১৪.এবার এই মাটির মটকাগুলো অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল দিয়ে মুড়িয়ে দিন। ১৫.১০-১২ ঘন্টার জন্য ফ্রিজে রাখুন। ১৬.পরিবেশনের আগে ফয়েল সরিয়ে ওপরে কুচনো বাদাম দিয়ে সাজিয়ে দিন।

  • পোস্ত চিকেন বানানোর সহজ রেসিপি...জেনে নিন

    newsbazar24:  চিকেনের যে রেসিপি আজ দেওয়া হল, সেটি একেবারেই ভিন্ন স্বাদের। আজ তাই আপনাদের জন্য রইল পোস্ত চিকেন বানানোর সহজ রেসিপি।পোস্ত চিকেন বানানোর সহজ রেসিপি...জেনে নিন - পোস্ত চিকেন বানাতে লাগবে: ৭৫০ গ্রাম চিকেন,হাফ কাপ নারকেলের দুধ,২টো পেঁয়াজ কুচোনো,৩ চামচ পোস্ত বাটা,২ চামচ আদা বাটা,৫-৬ কোয়া রসুন,১ চামচ করে জিরে গুঁড়ো, হলুদ, লঙ্কার গুঁড়ো,১ চামচ ঘি,৩ চামচ সরষের তেলআর স্বাদ মতো নুন। পোস্ত চিকেন বানানোর পদ্ধতি:প্রথমেই মাঝারি মাপে কাটা চিকেন প্রেসার কুকারে সামান্য নুন দিয়ে সিদ্ধ করে স্টক আলাদা করে নিন।এ বার একটি পাত্রে তেল গরম করে তাতে ঘি দিয়ে তাতে পেঁয়াজ হালকা ভেজে গুঁড়ো মশলা সব একসঙ্গে দিয়ে দিন।রান্না করার সময় জলের বদলে চিকেনের স্টক ব্যবহার করুন। এতে স্বাদ আরও খুলবে।মশলা ভাল করে কষানো হয়ে গেলে তাতে সেদ্ধ করে রাখা চিকেনের টুকরোগুলো দিয়ে দিন।মিনিট পনেরো রান্নার পর উপর থেকে নারকেলের দুধ আর পোস্ত বাটা দিয়ে আরও ১০ মিনিট রান্না করুন।চিকেন খুব ভাল মতো সেদ্ধ হয়ে গেলে আর গ্রেভি কিছুটা শুকিয়ে এলে উপর থেকে সামান্য চিনি ছড়িয়ে দিয়ে নেড়ে চেড়ে নিন।নামিয়ে নিয়ে গরম ভাত বা রুটির সঙ্গে পরিবেশন করুন সুস্বাদু পোস্ত চিকেন।

  • কী কী উপায়ে এড়ানো যায় গ্যাস সিলিন্ডার থেকে দুর্ঘটনা

    newsbazar24: বাড়ি-ঘর সুরক্ষিত করতে আর একটা বিষয়ে আগাম সতর্ক হওয়া অত্যন্ত জরুরি। আর সেটা হল আমাদের রান্নাঘরে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার। গ্যাস সিলিন্ডার থেকেও যে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে, সে কথা আমরা প্রায় সকলেই জানি। গ্যাস বন্ধ করে রান্নাঘর থেকে বেরনোর আগে অবশ্যই দেখে নিন গ্যাসের পাইপটি যেন কোনও ভাবেই গ্যাস ওভেনের গরম বার্নারের গায়ে লেগে না থাকে। অনেকেই গ্যাস জ্বালানোর লাইটার বা দেশলাই ব্যবহারের পর সেটি সিলিন্ডারের উপরেই রেখে দেন। খেয়াল রাখবেন, সিলিন্ডার গরম হতে পারে এমন কোনও কাজ করবেন না। গ্যাস ওভেন, সিলিন্ডার বা গ্যাসের পাইপ কখনওই যেন খুব কাছাকাছি এসে না পড়ে! সব সময় এগুলির মধ্যে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন।পাইপ পরিষ্কার রাখতে অনেকেই গ্যাসের পাইপের গায়ে কোনও কাপড় বা প্লাস্টিক দিয়ে মুড়ে রাখেন। এমনটা কখনওই করবেন না। কারণ, এ ক্ষেত্রে পাইপ থেকে গ্যাস লিক হলেও তা ধরা পড়বে না।একই পাইপ বছরের পর বছর ব্যবহার করবেন না। নিরাপত্তার খাতিরে প্রতি ২-৩ বছর পর পর গ্যাসের পাইপ বদলে ফেলুন।অনেকেই পাইপ পরিষ্কার করতে সাবান ব্যবহার করেন। এমনটা কখনওই করবেন না। কারণ, এর ফলে মারাত্মক বিপদ ঘটে যেতে পারে। গ্যাসের পাইপ পরিষ্কার করার জন্য শুকনো কাপড় ব্যবহার করুন। পাইপটি খুব নোংরা হলে মোছার কাপড়টি হালকা করে জলে ভিজিয়ে নিন। সেই ভেজা কাপড় দিয়েই পরিষ্কার করুন গ্যাসের পাইপ।গ্যাসের পাইপটির গায়ে বা সিলিন্ডারে ‘আইএসআই’ চিহ্ন আছে কিনা, তা দেখে নিতে ভুলবেন না। ‘আইএসআই’ চিহ্ন না থাকলে সেই সিলিন্ডার বা পাইপ অবিলম্বে পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাকে ফেরত দিন।রান্নাঘর থেকে বেরনোর আগে সিলিন্ডারের মুখ সেফটি ক্যাপ দিয়ে ঢেকে রাখুন।রান্নাঘরে ঢুকেই গ্যাসের গন্ধ পেলে তখনই বাইরে বেরিয়ে আসুন। ওই অবস্থায় কোনও সুইচ বোর্ড বা বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম চালু করবেন না। মনে রাখবেন, রান্নার গ্যাস বাতাসের চেয়ে ভারি। ফলে গ্যাস লিক করলেও তা মেঝের কাছাকাছি ঘোরাফেরা করে। তাই প্রাথমিক ভাবে কাপড়, তোয়ালে বা হাতপাখার সাহায্যে হাওয়া দিয়ে গ্যাস রান্নাঘরের বাইরে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করতে পারেন। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে বুঝলে বা গ্যাসের গন্ধে সারা বাড়িময় ভরে যাচ্ছে বুঝলে দেরি না করে খবর দিন পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থার হেল্প লাইন নম্বরে।

  • “” আপেল দিয়ে নানা পদের রান্না ““ জেনে নিন আপেল দিয়ে তৈরী বিভিন্ন ধরনের রেসিপি।

    আপেল তো প্রচুর খেয়েছেন। আপনার বাচ্চা খেতে না চাইলেও জোর করে সেদ্ধ করা আপেলও প্রচুর খাইয়েছেন। কিন্তু অনেক মানুষই আছেন, যারা আপেল দিয়ে নানা পদের রান্না খাননি। তাই জেনে নিন আপেল দিয়ে তৈরী বিভিন্ন ধরনের রেসিপি। যা পরিবেশন করলে আপনি হয়ে উঠবেন, গুনবতী রমণী।      আপেলের পায়েশ উপকরণ আপেল ৩টি। তরল দুধ ১ লিটার। চিনি আধা কাপ বা স্বাদ অনুযায়ী। পোলাওয়ের চাল ২ টেবিল-চামচ। এলাচ ৩টি। দারুচিনি ১টি। পদ্ধতি আপেলের উপরের ছোকলাগুলো ছিলে কুচি কুচি করে কেটে নিন। এবার একটি প্যান ওভেনে বসিয়ে আপেলকুচি আর চিনি দিয়ে নাড়তে থাকুন যতক্ষণ না আপেলের রস বের না হয়ে আসে। ভালোভাবে রান্না করে রস বের করবেন। তা নাহলে দুধে মেশালে দুধ ছানা ছানা হয়ে যাবে। এবার অন্য হাঁড়িতে দুধ জ্বাল দিন। সঙ্গে এলাচ আর দারুচিনি দিয়ে ঘন করবেন। দুধ ঘন হয়ে গেলে চাল দিয়ে দিন। কিছুক্ষণ পর আপেল-চিনির ঘন মিশ্রণটা দুধে দিয়ে দিন। এবার ভালো করে নাড়তে থাকুন। ফুটতে দিন। আপনি কতটুকু ঘন করবেন সেটার উপর আপনার রান্নার সময়টা নির্ভর করবে। অর্থাৎ বেশি ঘন করতে চাইলে বেশি সময় জ্বালে রাখবেন। তবে নাড়তে ভুলবেন না। রান্না হয়ে গেলে ঠাণ্ডা করে পরিবেশন করুন।       আপেলের হালুয়া উপকরণ আপেল- ১টি ছানা- ১/৪ কাপ (চিনি ছাড়া) চিনি- ১/৪ কাপ ঘি- ১/৪ কাপ এলাচ গুঁড়া- ১/২ চা চামচ ক্যাশিউ নাট গুঁড়া- ১/২ টেবিল চামচ আমন্ড- ১/২ টেবিল চামচ প্রস্তুত প্রণালি আপেলের খোসা ছাড়িয়ে টুকরা করে নিন। ওভেনে প্যানে ঘি দিয়ে ক্যাশিউ নাট ও আমন্ড দিয়ে ভাজুন কিছুক্ষণ। আপেলের টুকরা দিয়ে ওভেনের ফ্লেম কমিয়ে দিন। নাড়তে থাকুন ঘনঘন। ১০ মিনিট পর ছানা ও চিনি দিয়ে নাড়ুন। আরও কিছুক্ষণ পর মিশ্রণ ঘন হয়ে আসলে এলাচ গুঁড়া, ক্যাশিউ নাট ও আমন্ড ছিটিয়ে নামিয়ে ফেলুন। ডেজার্ট হিসেবে পরিবেশন করুন মজাদার আপেলের হালুয়া। অ্যাপলের চিপস মাঝে মধ্যে ব্যতিক্রমী মজাদার খাবারের আইটেম তৈরি করে প্রিয়জনকে চমকে দিতে অনেকেই পছন্দ করেন। আপনি যদি সেই দলের লোক হন তাহলে শিখে নিন নতুন একটি রেসিপি।       আপেলের চিপস। আলুর চিপস কম-বেশি সবাই খেয়েছেন। কিন্তু আপেলের চিপস! খুব কম লোকই বোধ হয় এর সঙ্গে পরিচিত। আর দিনটা যদি একটু বৃষ্টি বৃষ্টি হয় তাহলে তো কথাই নেই। বৃষ্টি দেখুন আর আপেলের চিপস চিবান। ইচ্ছা করলে বন্ধুদেরও খাইয়ে আপনার নতুন রেসিপিটা পরখ করিয়ে বাহবা নিতে পারেন। উপকরণ – ২টা বড় লাল আপেল – আধা কাপ কাস্টর সুগার – ১ টেবিল চামচ লেবুর রস – অল্প করে দারুচিনি গুঁড়ো প্রণালী ১) প্রথমে সুগার সিরাপ তৈরি করুন। একটি নন-স্টিক প্যানে গরম করে নিন কাস্টর সুগার। আধা কাপ জল দিন। মিশিয়ে গরম করুন যতক্ষণ না চিনি গলে যায়। আঁচ কমিয়ে ৪-৫ মিনিট রাখুন যাতে ঘন হয়ে আসে। আঁচ থেকে নামিয়ে ঠাণ্ডা করে নিন। ২) আপেলগুলোকে চিকন করে স্লাইস করে নিন। ৩) আপেলের স্লাইসের ওপর অল্প করে লেবুর রস মাখিয়ে নিন। এরপর চিনির সিরাপে ফেলে দিন। ভালো করে আপেলের স্লাইসে মাখিয়ে নিন সিরাপ। এভাবে সিরাপে ভিজতে দিন ১০-১৫ মিনিট। ৪) ওভেন প্রিহিট করে নিন ১৮০ ডিগ্রিতে। একটা বেকিং ট্রে তে সিলিকন ম্যাট মেলে নিন। এর ওপর আপেলের স্লাইসগুলোকে রাখুন। ওপরে দারুচিনির গুঁড়ো ছড়িয়ে দিন। ৫) আপেলের স্লাইসগুলোকে বেক করে নিন ৩০-৪০ মিনিট। পরিবেশন করতে পারেন চিজ স্যান্ডউইচের সাথে  ।               - মামন বর্মন আপনার যদি রান্নার ওপর শখ থাকে। আপনিও আমাদের রেসিপি লিখে পাঠাতে পারেন। তবে অবশ্যই একটি ফোন নাম্বার দেবেন। আমাদের whattasaps no 9434219594

  • বাজারে তাল খুব সস্তা। জেনি নিন তালের নানা রেসিপি

    News bazar24: এখন ভাদ্র মাস। বাজারে তালের আনাগোনা শুরু হয়ে গেছে। তাল পুষ্টি ও ভিটামিন গুনে ভরপুর। এই সময় নিয়মীত তাল খেলে সারা বছর সুস্থ থাকা যায় । তেতো বা মিষ্টি যে কোনো তালেই আপনি পাবেন খাদ্য গুন। তাই যারা তাল প্রেমী তারা নিশ্চয় এই ক’দিন তালের তৈরি নানান খাবার বানিয়ে ফেলেছেন। যারা এখনও বানাননি। যারা জানেন না তাদের জন্য আজক দেয়া হলো কয়েকটি রেসিপি- # তালের আইসক্রিম শেক উপকরণ : তালের রস ৪ কাপ পরিমান, গুঁড়া দুধ ১ কাপ, চিনি আধা কাপ, ঠাণ্ডা জল ২ কাপ, মধু ২ টেবিল চামচ, বরফ কুচি পরিমাণমতো। প্রস্তুত প্রণালি : প্রথমে তালের রস জ্বাল করে ঘন করে নিন। এবার বরফ কুচি ছাড়া বাকি সব উপকরণ একসাথে ব্লেন্ড করে নিন। ঠাণ্ডা করে বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার আইস শেক। # তালের পাটিসাপটা উপকরণ : তালের গোলা ১ কাপ, ময়দা আধা কাপ, সাথে চালের গুঁড়া ২ টেবিল চামচ, চিনি ২ টেবিল চামচ, ডিম ১টি। কোরানো নারকেল ১ কাপ, দুধের ক্ষীর আধা কাপ, চিনি আধা কাপ জ্বাল দিয়ে পুর তৈরি করে নিতে হবে। প্রস্তুত প্রণালি : তালের গোলার সঙ্গে বাকি সব উপকরণ মিলিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে নিন। এবার তাওয়াতে সামান্য ঘি লাগিয়ে হাতলে করে গোলা দিয়ে তাওয়া ঘুরিয়ে রুটি তৈরি করতে হবে। ওপরটা শুকিয়ে এলে পুর দিয়ে পাটির মতো রোল করে পিঠা তৈরি করতে হবে। # তালের হালুয়া উপকরণ : তালের রস লাগবে ২ কাপ পরিমান, তরল দুধ ১ কাপ, গুঁড়া দুধ আধা কাপ পরিমান, ঘি আধা কাপ, এলাচ গুঁড়া আধা চা চামচ, চিনি ১ কাপ, কিসমিস পরিমাণমতো, গোলাপজল ১ চা চামচ। প্রস্তুত প্রণালি : পাকা তাল কচলে প্রথমে রস বের করে তালের তিতা জল বের করে নিন। এবার তালের রস, তরল দুধ, গুঁড়া দুধ, চিনি, এলাচ গুঁড়া সব একসঙ্গে মেখে নিন। এবার প্যানে ঘি দিয়ে মিশ্রণটি ঢেলে দিন। ভালোভাবে নাড়তে থাকুন। যখন আঠালো হয়ে আসবে তখন গোলাপজল ও কিসমিস দিন। শক্ত হয়ে এলে নামিয়ে পরিবেশন করতে পারেন।