সাহিত্য

  • "শাশুড়ির জিহ্বা" অফিস বা শোবার ঘরে লাগান । ঘর ঠান্ডা থাকবে..

    সৃজা ভকত : আপনি কি জানেন, গৃহসজ্জার উদ্ভিদ খালি ঘরের ভেতরকার সাজসজ্জা বা মান বাড়ায় না, গাছের শ্বসন প্রক্রিয়া চলাকালীন উদ্ভিদ বাতাসে অতিরিক্ত জল বাষ্প করে ছেড়ে দেয় যা ঘর ঠান্ডা করার পাশাপাশি বেশ চনমনেও করে দেয়। তাই আপনার ঘরকে ঠান্ডা রাখতে লাগান বিভিন্ন প্রজাতির গাছ। বলাবাহুল্য, অফিসের ডেস্কে একখানা ছোট্ট চারাগাছ শাশুড়ির জিহ্বা (mother-in-law's tongue) নামের অত্যন্ত অনন্য এই উদ্ভিদ আসলে বাতাস থেকে বিষাক্ত পদার্থ টেনে নেয় এবং বাতাসকে তাজা করে, অক্সিজেন এবং আর্দ্রতা বাড়ায়। রান্নাঘরের জানলা দিয়ে উঁকি দিলেই দেখতে পাওয়া সবুজ পাতা শুধু প্রকৃতির অবস্থা না, মনের অবস্থাও ভালো করে দেয়। ঘর সাজাতে সেই কারণেই বাড়ছে গাছের কদর। বাড়িতে এ বিভিন্ন জায়গায় মানানসই গাছ থাকলে ঘরের পরিবেশ বেশ আরামদায়ক তো থাকেই, ঘরে কোণে বা বিছানার পাশে টেবিলের উপর বেশ সুন্দর নান্দনিক গাছ মন ভালো করে দেয়। গৃহসজ্জার উদ্ভিদ ঘরের সাজের মান বাড়ায় না, গাছের শ্বসন প্রক্রিয়া চলাকালীন উদ্ভিদ বাতাসে অতিরিক্ত জল বাষ্প করে ছেড়ে দেয় যা ঘর ঠান্ডা করার পাশাপাশি বেশ চনমনেও করে দেয়। সুতরাং এই গ্রীষ্মে আপনার বাড়িতে এই ৬ টি গাছ নিয়ে এসে ঘরকে করুন শীতল, মনকেও রাখুন আরামে। আর সেই জন্যই এই গরমে বাড়ি ঠাণ্ডা রাখতে কোন কোন গাছ লাগাবেন দেখে নিন এক নজরে, অ্যালোভেরা (aloe vera) পাতায় জলের পরিমাণ প্রচুরয়। অ্যালোভেরা বায়ু পরিশোধন করার আদর্শ গাছ এবং এর রক্ষণাবেক্ষণও কম। এই গাছটার নামটাই একেবারে আলাদা। শাশুড়ির জিহ্বা (mother-in-law's tongue) নামের অত্যন্ত অনন্য এই উদ্ভিদ আসলে বাতাস থেকে বিষাক্ত পদার্থ টেনে নেয় এবং বাতাসকে তাজা করে, অক্সিজেন এবং আর্দ্রতা বাড়ায়। rubber fig গাছটি বাতাস থেকে বিষাক্ত পদার্থ টেনে নেয় এবং তাপমাত্রার ভারসাম্য বাড়ায়। areca palm গাছের পাতার পৃষ্ঠভূমি বেশি যে কারণে এটি অক্সিজেন উৎপাদপন বৃদ্ধি করে। এর পাশাপাশি, আপনার বাড়িতে উপযুক্ত গ্রীষ্মমন্ডলীয় স্পর্শ যোগ করতে হলে এই গাছের জুড়ি নেই। ficus উদ্ভিদ বায়ু শীতল এবং আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে এবং এটি যেখানে স্থাপন করা হয় সেই পার্শ্ববর্তী এলাকায় আর্দ্রতার পরিমাণও বাড়ে। শাশুড়ির জিহবা  (mother-in-law's tongue) নামের অত্যন্ত অনন্য এই উদ্ভিদ আসলে বাতাস থেকে বিষাক্ত পদার্থ টেনে নেয় এবং বাতাসকে তাজা করে, অক্সিজেন এবং আর্দ্রতা বাড়ায়।

  • " আমার আবিস্কার মালদায় কিল্লা-ই-বিহার" : আবদুস সামাদ

    newsbazar24: " আমার আবিস্কার মালদায় কিল্লা-ই-বিহার" গ্রন্থখানিতে গ্রন্থকার আবদুস সামাদ সাহেব তাঁরই বহু অকাট্য জুক্তি-প্রমানের চুলচেরা বিচার-বিশ্লেষণের মধ্যে দিয়েই এতদিনের প্রচলিত ভ্রান্ত মতধারনাগুলিকে পুরপুরি খণ্ডন করে ইতিহাস বিখ্যাত সেই বির্তকিত 'কিল্লা-ই-বিহার' টির প্রকৃত অবস্থান ক্ষেত্রভূমি স্বরুপে কেবলমাত্র মালদা জেলার রতুয়া থানার অন্তর্গত 'বাহারাল' স্থানাঞ্চলটিকেই যথার্থতই সনাক্ত বা নির্ণয়াবিষ্কার করেছেন। অধিকিন্তু, তিনি একইসঙ্গে একমাত্র এই 'বাহারাল' স্থানাঞ্চলটিকেই বাংলার সেই ১ম মুসলিম অভিযানক্ষেত্র তথা ১ম মুসলিম বঙ্গাভজযানক্ষেত্র স্বরূপেও সুনিশ্চিত ভাবে চিহ্নিত করেছেন।ফলে তিনি নিঃসন্দেহে এদিনের প্রচলিত ইতিহাস বিখ্যাত সেই নওদিহ  বা নোদীয়া শহরটির অভিজানের মধ্যে দিয়েই বাংলার সেই ১ম মুসলিম অভিযানক্ষেত্র তথা ১ম মুসলিম বঙ্গাভজযানের ভ্রান্ত মতধারনাটিকেও অতন্ত দৃঢ় ভাবে খণ্ডন করেছেন।শুধু তাই-ই নয়, তিনি তাঁরই বিখ্যাত “আমার আবিষ্কার মালদায় নোদীয়া শহর; গ্রন্থখানির ন্যায় এই বর্তমান গ্রন্থখানিতেও পূর্বানুরূপ বহু অকাট্য যুক্তি-প্রমাণের ভিত্তিতেই সেই বিখ্যাত নোদীয়া শহরটিরই প্রকৃত অবস্থানক্ষেত্র স্বরূপেও অধুনা বাংলাদেশের নওদিয়ারী বিল, পিরোজপুর, সোনা মসজিদ প্রভৃতি সহ মালদা জেলার বর্তমান গৌড়াঞ্চলটিকেই খুব সুস্পষ্টত চিহিত বা নির্ণয়াবিষ্কার করেছেন। আর সেই সঙ্গে সেই বিখ্যাত নোদীয়া শহরটির প্রকৃত অবস্থানক্ষেত্র স্বরূপে বর্তমান দক্ষিণবঙ্গের নবদ্বীপ স্থানটিকে চিহ্নিত করার এতদিনের বহুল প্রচলিত  ভ্রান্ত মতধারনাটিকেও তিনি পুরোপুরি খণ্ডন করেছেন। একইভাবে আরও নানান অনুষঙ্গ সহ ইতিপূর্বে একমাত্র তাঁরই নির্ণয়াবিষ্কৃত বাংলার ১ম বা রবফ যুগের গঙ্গাসাগর ও ভগীরথ যুগের মুল গঙ্গাসাগর, ধার্জ্যগ্রাম, নারকোটি, লক্ষৌতি নগরী, এ বাংলার ১ম বা আদি মূল গৌড় নগর প্রভৃতির প্রকৃত অবস্থানক্ষেত্রগুলিও প্রসঙ্গত বিধৃত হয়েছে এই মৌলিক গবেষণামূলক মূল্যবান আকর গ্রন্থখানিতে। এই সমস্ত নানান দিক থেকে এমনকী তাঁরই উপরোক্ত নানান নির্ণয়াবিষ্কারের দৃষ্টিকোণ থেকেও ঐ সমস্ত প্রচলিত ভ্রান্ত মতধারণাগুলির আশু সংশোধন সহ সেই বিষয়ক উক্ত প্রকৃত ইতিহাসের নতুন সংযোজনের বা পুনরির্সাণের ক্ষেত্রেও এই অভিনব গ্রন্থখানির মূল্য অপরিসীম।

  • বাংলা নববর্ষ বাঙালি জাতির একটি সর্বজনীন লোক উৎসব,কবিতায় বাংলা নববর্ষ

    newsbazar24: বাংলা নববর্ষ বাঙালি জাতির একটি সর্বজনীন লোক উৎসব। বিপুল উৎসাহ, উদ্দীপনা আর নানান বর্ণিল আয়োজনে বাংলা সনের প্রথম দিনটি পালিত হয়ে আসছে। মঙ্গলযাত্রা, শুভাযাত্রা, মেলা, হালাখাতা খোলা, পান্তাভাত খাওয়া ইত্যাদি বিভিন্ন কর্মের মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপন করা হয়। বাংলা সনের প্রবর্তক মুঘল সর্মাট আকবর। ভারতবর্ষে মুঘল সা্মরাজ্য প্রতিষ্ঠার পর স¤্রাটরা হিজরী পঞ্জিকা মতে কৃষি পণ্যের খাজনা আদায় করত। কিন্তু হিজরী সন চাঁদের উপর নির্ভরশীল হওয়ায় কৃষি ফলনের সাথে মিলত না। ফলে খাজনা আদায়ে অরাজকতা দেখা দেয়। তাই খাজনা আদায়ের সুষ্ঠুতা আনয়নের লক্ষ্যে সম্রাট আকবর বাংলা সনের প্রবর্তন করেন। স¤্রাটের আদেশ মতে তৎকালীন বাংলার বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও চিন্তাবিদ ফতেহউল্লাহ সিরাজী সৌরসন এবং আরবী হিজরী সনের উপর ভিত্তি করে নতুন বাংলা সনের নিয়ম তৈরী করেন। ১৫৮৪ খ্রিষ্টাব্দের ১০ মার্চ থেকে বাংলা সন গণনা শুরু হয়। গণনা পদ্ধতি কার্যকর করা হয় আকবরের সিংহাসন আরোহনের সময় ৫ নভেম্বর ১৫৫৬ সাল থেকে।আকবরের সময়কাল থেকেই পহেলা বৈশাখ উদযাপন শুরু হয়। তখন প্রত্যেক চৈত্র মাসের শেষ দিনের মধ্যে সকল খাজনা ও শুল্ক পরিশোধ করতে বাধ্য করা হতো। এর পর দিন অর্থাৎ পহেলা বৈশাখে ভূমির মালিকরা নিজ নিজ অঞ্চলের অধিবাসীদের মিষ্টিমুখ করাতো এবং এই উপলক্ষ্যে বিভিন্ন উৎসবের আয়োজন করা হতো। এভাবে পহেলা বৈশাখ একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে পরিণত হয়। এই সামাজিক অনুষ্ঠানটি কালের পরিক্রমায় আমাদের শিল্প, সাহিত্যের নানা শাখায় জায়গা করে নেয়। বিশেষ করে বাংলা কবিতায় নববর্ষ ও বৈশাখ এসেছে ভিন্ন রূপ ও আঙ্গিকে। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পহেলা বৈশাখকে চিত্রিত করেছেন এক নবরূপে। কবির পহেলা বৈশাখের নান্দনিক উচ্চারণ- “এসো, এসো, এসো হে বৈশাখ তাপস নিশ্বাস বায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে, বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক যাক পুরাতন স্মৃতি, যা ভুলে যাওয়া গীতি, অশ্রæ বাস্প সুদূরে মিলাক। মুছে যাক গøানি, ঘুচে যাক জরা, অগ্নি¯œানে শুচি হোক ধরা রসের আবেশ রাশি শুষ্ক করে দাও আসি, আনো আনো আনো তব প্রলয়ের শাখ মায়া কুজ্বটি কাজল যাক দূরে যাক।” রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বৈশাখ বন্দনার এই গানটি আজ আমাদের নববর্ষ উদযাপনের সূচনা সংগীতের স্থান করে নিয়েছে। পহেলা বৈশাখের প্রথম প্রহরে রমনার বটমূলে এই সংগীত টি গেয়েই জাতীয়ভাবে বাংলা নববর্ষ কে বরণ করে নেওয়া হয়।  রবীন্দ্রনাথের পরে বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান কবি কাজী নজরুল ইসলামের গান ও কবিতায় পহেলা বৈশাখকে নানা আঙ্গিকে চিত্রিত হতে দেখি। নজরুলের একটি গানে আছে- “এলো এলোরে বৈশাখী ঝড়, ঐ বৈশাখী ঝড় এলো এলো মহীয়ান সুন্দর। পাংশু মলিন ভীত কাঁপে অম্বর, চরাচর থরথর ঘন বন কুন্তলা বসুমতি সভয়ে করে প্রণতি, পায়ে গিরি-নির্ঝর ঝর ঝর।” নজরুলের গানেও পুরনোকে দূর করে, ভুলে গিয়ে নতুনের আবাহনী সুর উচ্চারিত হয়েছে। তাছাড়া নজরুল বাঙালীর আতœবিকাশের সাথে, আতœ সংগ্রামের সাথে বৈশাখ কে মিশিয়েছেন জাতীয়তাবাদের নবচেতনায়। তাইতো তার কণ্ঠেশুনি- “ঐ নূতনের কেতন ওড়ে কাল বোশেখির ঝড় তোরা সব জয়ধ্বনি কর তোরা সব জয়ধ্বনি কর।” তাঁর ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় নজরুল দ্রোহ সত্তার বাহক হিসেবে বৈশাখ কে চিত্রিত করেছেন। তিনি বলেন-  “আমি ধূর্জটি, আমি এলাকেশে ঝড় অকাল বৈশাখীর! আমি বিদ্রোহী, আমি বিদ্রোহী- সূত বিশ্ব-বিধাত্রীর। বল বীর- চির উন্নত মমশির।” পুরাতন দুঃখ যাতনা ভুলো নতুন আশার বাণী নিয়ে আসে নববর্ষ। নতুনভাবে স্বপ্ন দেখায়, বাঁচতে শেখায় নববর্ষ। কবি কায়কোবাদ তাঁর ‘নববর্ষ’ কবিতায় একথায় বলেছেন- “ওহে পান্থ! অতীতের সুখ দুঃখ ভুলে যাও তুমি অইযে ব্রহ্মা- জুড়ে সম্মুখে রয়েছে পড়ে তোমার সে কর্মক্ষেত্র-মহারঙ্গা ভূমি।” পল্লীকবি জসীম উদ্দীন বৈশাখের রূপ বৈচিত্র চিত্রিত করেছেন ছন্দের তালে তালে। বৈশাখীর প্রকৃতি ব্যাঙময় হয়ে উঠেছে কবির কবিতায়।  “বোশেখ শেষে বালুচরের বোরো ধানের থান, সোনায় সোনা মেলিয়ে দিয়ে নিয়েছে কেড়ে প্রাণ।” কাল বৈশাখীর তান্ডবকে যথাথ চিত্রিত করেছেন কবি বে-নজীর আহমেদ। বৈশাখের ক্ষিপ্রতায় নেচে উঠে নতুন এক প্রকৃতি।  “আকাশ ধরার বাঁধন ছিঁড়ি প্রলয় নাদে যাওরে ডাকি নটরাজের নাচন দোলায় আয় নেচে আয় কাল বৈশাখী।” আরেক পল্লী দরদী কবি বন্দে আলী মিয়া বৈশাখের ধু ধু প্রান্তরের ছবি এঁকেছেন শব্দের গাথুনি দিয়ে।  “বোশেখ শেষের মাঠে ঘিরে আছে তিন চারখানা গাঁও  এ-পারে ও-পারে ছড়াছড়ি ঢের দেখাশুনা হয় তাও।” চৈত্রের অগ্নিদহনে যখন মানুষ প্রশান্তি খোঁজে নতুনের আগমনের প্রতীক্ষায় ক্ষণ গুনে তখনই নববর্ষের জল ধারায় ¯œাত হয় হৃদয় প্রকৃতি। কবি সুফিয়া কামালের কবিতায় :  “চৈত্রের বিষন্ন রাত্রি তার দিয়ে গেল শেষ উপহার প্রসন্ন নবীন বৈশাখের ঝলোমলো দিন। পুরাতন গত হোক! যবনিকা করি উন্মোচন তুমি এসো হে নবীন! হে বৈশাখ! নববর্ষ! এসো হে নতুন।” আধুনিক নগর জীবনের ক্লান্তি, বেদনা, দহন, পিছুটান কে রুপায়িত হতে দেখি শামসুর রাহমানের কবিতায়।  “বৈশাখ তুমি আমার ক্লান্তি পুড়িয়ে দাও জীর্ন পাতার সব হাহাকার উড়িয়ে দাও থাক যত কিছু বাঁধা থাক দিক শত ওরা পিছু ডাক বৈশাখ তুমি বাঁধার পাথরে গুড়িয়ে দাও বাংলা কবিতায় লোকজ শব্দ যে কবি সুনিপূন ভাবে ব্যবহার করেছেন, যার কবিতায় পাই নাগরিকতা ও গ্রামীন চিত্র কল্পের সমন্বয় তিনি কবি আল মাহমুদ। আধুনিক বাংলা কবিতার মাইল পোস্ট তিনি। তিনি ‘বোশেখ’ কবিতায় বৈশাখী ঝড়ের কাছে প্রশ্ন করেছেন গরীব অসহায় মানুষের প্রতি কেন তার এত রুদ্র রূপ। কেন বড় লোকের অট্রালিকার সাথে তার ক্ষমতা দেখায় না! “ যে বাতাসে বুনো হাঁসের ঝাঁক ভেঙে যায় জেটের পাখা দুমড়ে শেষে আছার মারে নদীর পানি শূন্যে তুলে দেয় ছড়িয়ে নুইয়ে দেয় টেলিগ্রাফের থাম গুলোখে। সেই পবনের কাছে আমার এই মিনতি তিষ্ট হাওয়া, তিষ্ট মহাপ্রতাপশালী, গরীব মাঝির পালের দড়ি ছিড়ে কি লাভ? কি সুখ বলো গুড়িয়ে দিয়ে চাষির ভিটে?”

  • আন্তর্জাতিক সংস্কৃতিক সংস্হা গাঙচিলের উদ্যোগে সংস্কৃতিক সন্ধ্যায় সংবর্ধিত বাংলাদেশে আমন্ত্রিত মালদার চার শিল্পী

    মালদা, ৯ই ফেব্রুয়ারীঃ আন্তর্জাতিক সাহিত্য ও সংস্কৃতিক সংস্হা গাঙচিল আন্তর্জাতিক সাহিত্য ও সংস্কৃতিক পরিষদের মালদা  শাখা  ও মালদা শহরের  ছন্দমের উদ্যোগে  শুক্রবার  রাতে বিশিষ্ট  শিল্পী  আশিস উপাধ্যায়ের  বাড়িতে একটি সংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা  হয়। অনুষ্ঠানে  নাচ গান আবৃত্তি সহ দুটি  কবিতার বই প্রকাশিত হয় ।  শিখা সরকারের কবিতা র বই  "প্রয়াস" ও চম্পা দাসগুপ্তর  বই " কবিতাগুচ্ছ"।কবিতার বই দুটি প্রকাশ  করেন  বিশিষ্ট  লেখক ও গবেষক গোপাল  লাহা , কালিগঞ্জের মঞ্চ একুশের  সম্পাদক  দুলাল  ভদ্র ও মালদা  গৌড়িয় সংস্কৃতি পরিষদের সম্পাদক  ধরনীধর মন্ডল  ।  এবছরই  বাংলাদেশে ভাষা দিবস উপলক্ষ্যে  মালদার  চার শিল্পীকে আমন্ত্রণ ও সংবর্ধনা দেওয়া হবে । আন্তর্জাতিক  সংস্কৃতিক সংস্হা    "গাঙচিল আন্তর্জাতিক  সাহিত্য ও সংস্কৃতিক পররিষদের" উদ্যোগে এই বছর  বাংলাদেশে  ফেব্রুয়ারি মাস ব্যাপী  ভাষা মাস পালন করা হবে । ভারত বাংলাদেশ  সহ একাধিক  সংস্কৃতিক জগতের  মানুষ কে  সংবর্ধনা  দেওয়া হয় । মালদা  থেকে  যারা আমন্ত্রিত ও সংবর্ধিত হচ্ছেন  তারা  হলেন  বিশিষ্ট  সঙ্গীত শিল্পী আশিস  উপাধ্যায়  , শিখা  সরকার  , চম্পা কলি  দাসগুপ্ত  ও কমল কর্মকার  ।  অনুষ্ঠানে  গাঙচিল আন্তর্জাতিক সাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিষদের মালদা  শাখার পক্ষ  থেকে  বাংলাদেশে  আমন্ত্রিত  চার শিল্পী কে  সংবর্ধনা দেওয়া  হয় ।

  • গ্রাম চর্চার শ্রেষ্ঠ পত্রিকা ‘আগমনী’র দ্বিতীয় সংখ্যা প্রকাশিত।

    কার্ত্তিক পাল , ২৪ ডিসেম্বরঃ ,- গ্রাম চর্চার শ্রেষ্ঠ পত্রিকা ‘আগমনী’। এবার  দ্বিতীয় সংখ্যা প্রকাশ পেল । গত বছর পথ চলা শুরু করলেও পত্রিকাটি গবেষণামূলক  তথ্য সমৃদ্ধ হওয়ার সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে । বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছে । সাহিত্যপ্রেমীদের কাছে খুশির খবর । পত্রিকাটির সম্পাদক গৌড় মহাবিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. ক্ষিতীশ মাহাতো মহাশয় । উপস্থিত ছিলেন পুরুলিয়া সিধু কানু বিড়শা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ডঃ স্বপন কুমার মন্ডল । ডঃ পুস্পজিৎ রায়,  অধ্যাপক আব্দুল ওয়াহাব মহাশয় । এই পত্রিকা প্রকাশ উপলক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছিল। বিষয় ছিল “গ্রাম সংস্কৃতি- নগরায়নের অভিঘাত” উক্ত আলোচনা সভায় বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পুরুলিয়া সিধু কানু বিড়শা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ডঃ স্বপন কুমার মন্ডল, ডঃ পুস্পজিৎ রায়,লোকসংস্কৃতিবিদ, ডঃ সুস্মিতা সোম, অধ্যাপক গৌড়বঙ্গ মহাবিদ্যালয়   ও অধ্যাপক আব্দুল ওয়াহাব,অধ্যাপক সামসীকলেজ ও অধ্যাপক ডঃ ক্ষিতীশ মাহাতো মহাশয়।               

  • শিল্পী স্বাগতা পালের একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান আগামীকাল শিশির মঞ্চে:-

    কলকাতা,রাজকুমার দাস:বাংলা ও বাঙালিয়ানা হওয়ার স্রোতে আমরা নিজেদের খুব গর্বিত মনে করি। আর গর্বের জায়গা থেকে শুরু হয় এক আলাদা ভাবে লড়াই।যা নিজস্ব ঘরানা কে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করে।তেমনি বাচিক শিল্পী স্বাগতা পাল তার একক লড়াই কে এগিয়ে নিয়ে চলেছে,আগামী কাল ২৫শে সেপ্টেম্বর শিশির মঞ্চে "সারথি"আয়োজিত এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সারস্বত সন্ধ্যায় স্বনামধন্য কবি সব্যসাচী দেব,সৈয়দ হাসমত জালান,অনির্বাণ ঘোষ সহ সারথীর অন্যতম প্রধান পার্থ মুখোপাধ্যায়কে সংবর্ধনা প্রদান করে তারপর স্বাগতার একক আবৃত্তি শুরু হবে।শিল্পী তার নিজস্ব বাচন ভঙ্গিমায় সুরেলা কণ্ঠে যে দর্শকদের আকৃষ্ট করে রাখবে তা বলাই চলে,আবহ শান্তনু ব্যানার্জী,পার্থ ঘোষের সুযোগ্য ছাত্রী স্বাগতা এগিয়ে চলুক।এদিন দ্বিতীয় পর্যায়ে রবীন্দ্র সংগীত পরিবেশন করবেন শ্রাবনী সেন, কথা ও কবিতার সঙ্গত দেবেন সারথীর পার্থ মুখার্জী,অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় থাকছেন মধুমিতা বসু ও দেবাশীষ পাল, স্বাগতার ইতিমধ্যেই চারটি আবৃত্তির এলবাম প্রকাশিত হয়েছে।বাচিক শিল্পী হিসেবে তিনি নিয়মিত ডাক পান সরকারী অনুষ্ঠানে।কখনও সঞ্চালনায় আবার কখনও বা আবৃত্তিতে।স্বাগতার চলার পথ সুগমতর ভাবে এগিয়ে চলুক,এই কামনা করি।

  • কর্মজীবন থেকে সমাজের আয়নায় । অশোক কুমার "সার্চ আউট ট্রুথ ইন দ্য লাইট অফ নলেজ"

    একজন লেখক ই  পারেন সমাজের প্রতিচ্ছবি তার লেখনীর মধ্যে দিয়ে সমাজের ঘটেযাওয়া মুহূর্ত গুলিকে তার শব্দজালে প্রস্ফুটিত করতে। আর এমন এ একটি লেখা হচ্ছে "সার্চ আউট ট্রুথ ইন দ্য লাইট অফ নলেজ"। বইটিতে রয়েছে অতিবাহিত সমাজ এবং যেই সামাজের বাধা বিপত্তিকে পেরিয়ে সহজ সরলভাবে জীবনের পথে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। সমাজে সকলেই ভিন্নধরনের বাধা বিপত্তির মাঝে পড়েন ভেঙেও পড়েন কিন্তু সেই বিপত্তিকে পেরিয়ে যাওয়ার পরের কৃতিত্বে সবকিছুকে ভুলে ও বসেন।  লোখক এই বিপত্তিকে এবং তার কৃতিত্বকে তার লেখনীর মধ্যে তুলে ধরেছেন লেখক শ্রী অশোক কুমার। লেখক শ্রী অশোক কুমার হালদার তিনি রেলওয়ে কর্মরত মেল এক্সপ্রেস গার্ড। অশোক কুমার হালদারের বাড়ি মালদা শহরের বিধান পল্লীতে। তার লেখা চারখানা নোবেল প্রকাশিত হয়েছে। যথাক্রমে বইগুলির নাম (১) “সার্চ আউট ট্রুথ ইন দ্য লাইট অফ নলেজ” এই বইটি বিজ্ঞান ও দর্শন উপর ভিত্তি করে লেখা ।(২) “রিমুভ দ্য ডার্ক টু এওএক উপ দ্য লাইট অফ নলেজ” এই বইটি বিজ্ঞান ও দর্শন উপর ভিত্তি করে লেখা।(৩) “দ্য রেডিক্যাল চেঞ্জ অব হিউমেন সোসাইটি অ্যান্ড উইথ ইটস সায়েনটিফিক অবজারভেশন” এই বইটি বিজ্ঞান ও দর্শন উপর ভিত্তি করে লেখা।(৪) “দ্য ড্রাইভারশিফাই লাইফ জার্নি অফ হিউমেন বিনস” তার লেখা বই প্রকাশিত হয়ে গেল ১৩ ই সেপ্টম্বর ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অফ মিডিয়া অ্যান্ড ইন্টারটেন্মেড ইনডাশাট্রি এন্ড এশিয়ান অ্যাকাডেমি অর্ফ আর্ট প্রেজেন্টেড চতুর্থ  গ্লোবাল লিটারএসি ফেস্ট্রিবেল নওডার অনুষ্ঠান মিঞ্চে  অশোক কুমার হালদারের তার লেখা নোবেল  “দ্য ড্রাইভারশিফাই লাইফ জার্নি অফ হিউমেন বিনস” ইনোগ্রেসেন করলেন অনারবেল মিনিষ্টিার রামদাস আটওয়ালে মিনিস্ট্রি অফ সোসাল জাসটিস অ্যান্ড এমপাউয়ারমেন্ট মিনিষ্টিার গর্ভমেন্ট অফ ইন্ডিয়া, নিউদিল্লী।

  • ভোট ব্যাঙ্ক আর বাম পকেট•••• __জীবনদীপ বৈঠা(জেপি)

    ভোট ব্যাঙ্ক আর বাম পকেট•••• ___জীবনদীপ বৈঠা(জেপি) রক্তাক্ত পঞ্চায়েতি ডায়েরি, দেশ বাড়িতে অবাধ মৃত্যুর সন্ধন লক্ষ্য- ব্যালট বক্স ক্ষমতা আসুক বছর পাঁচেক ক্যাশ বাক্সের অস্তিত্ব বিছানা তলায়। ফুল কুড়ি'রা আনন্দ মাখে পোষ্টার ছিঁড়ে, লুটিয়ে পড়ছে শৈশব আর বার্ধক্য, নল বোম শান্ত মনে দ্বায়িত্ব পালনে ব্যস্ত। বয়স্কা চোখের একটা অভিজ্ঞতায়- আমরা আছি ভালো রোজ-ই সারি স্নান চোখ সাগরে আইরিশ পয়েন্টে। কেননা বাম পকেটেই- ভোট ব্যাঙ্কের ওঠানামা

  • রবি ঠাকুরের প্রতি- সুমন বিশ্বাস

    রবি ঠাকুরের প্রতি -সুমন বিশ্বাস সহজ পাঠে তোমার সাথে প্রথম পরিচয় বয়স তখন কত হবে, পাঁচ কিংবা ছয়। তার পর ফি-বছরে তোমার সাথে দেখা, সব ক্লাসের পাঠ্যবই-এ থাকতো তোমার লেখা। কবিতা, ছড়া, নাটক কিংবা রম্যরচনা, কিছুতেই পাইনি খুঁজে তোমার তুলনা। পরশমণির ছোঁয়া পেয়ে মোদের ভাষা শিক্ষা, তোমার সুরেই বঙ্গবাসীর সুর সাধনার দীক্ষা। তোমার বাণী, তোমার লেখা, তোমার গানের সুরে অমর হয়ে থাকবে তুমি মোদের হৃদয় জুড়ে। রাখির বাঁধনে ভুলিয়েছিলে ধর্মের ভেদাভেদ, রাখিবন্ধন আজও চলেছে, পড়েনিকো তাতে ছেদ। দেশপ্রেমের মরা গাঙে আনলে জোয়ার তুমি, তোমার কলমে স্বাধীন হলো মোদের ভারতভূমি। বাংলা ভাষাকে জগৎসভায় শ্রেষ্ট আসন দিলে, বিশ্বলোকে চেতনার রং তুমিই ছড়িয়েছিলে। আপন মনের মাধুরী মিশায়ে এঁকেছিলে তুমি ছবি, দেশ ও কালের সীমানা পেরিয়ে তুমিই বিশ্বকবি। তোমার রচনা চির শাশ্বত চির আধুনিক তুমি, সার্ধশত বছর পরেও তাইতো তোমায় নমি। শত-শত বছর পরেও রবে তুমি অমলিন, তোমার চিন্তা তোমার চেতনা রয়ে যাবে চিরদিন। কিন্তু কবি বং-এর যুগে বাংলা ভুলেছি মোরা, তোমার গানে সুর চড়িয়েছে স্বর বদলেছে ওরা। নব প্রজন্ম টেগোর পড়ে ইংরাজি অনুবাদে, তোমাকেও শেষে পড়তে হল প্রাশ্চাত্যের ফাঁদে। পাইনা ভেবে তোমায় নিয়ে কেন এত কাটা-ছেঁড়া, স্বাধীনভাবে রচনা করতে কিছুই পারেনা এরা! নিন্দুকেরা যে যাই বলুক, যতই তোমায় কাটুক ছিঁড়ুক, জানি তুমি থাকবে অমলিন। চির শাশ্বত তোমার রচনা, তোমার চিন্তা, তোমার চেতনা, রবির কিরণে রয়ে যাবে চিরদিন।

  • মুসাফির - by Aparna

    মুসাফির অপর্না চক্রবর্তী ,মালদা                         আমি হলাম ক্লান্ত পথিক জীবন যুদ্ধে আমি বার বার হেরে গেছি। তবুও এই ছিন্ন মন নিয়ে  হেঁটে চলেছি এক অজানা পথের সন্ধানে।  জানিনা তার শেষ কোথায়! আমি সচক্ষে দেখেছি  জীবন দিয়ে অনুভব করেছি- - এই জীবন নামক অঙ্কটা কি দুর্বিসহ,কি কঠিন। বাস্তবতার কছে বারে বারে হেরে যাচ্ছি। আমি সীমাবদ্ধ আমার সেই ছোট্ট আমিটাতেই।  তবুও এই শূন্য মনটা বারে বারে স্বপ্ন সাজাই।  এই স্বপ্নই সবকিছু শেষ করে দিল। গ্রাস করে ফেলল   আমার ছোট্ট আমিটাকে। আর আমায় করল  ঘর ছাড়া মুসাফির।